হত্যা

ফাইল ফটো।
যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা রহস্যের জট খুলল: দুই দুর্ধর্ষ শ্যুটার গ্রেপ্তার

রাজধানীর পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক রহস্য উন্মোচন করেছে র‍্যাব। গত বছরের ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে দোকানে ঢুকে মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের চালানো সেই কিলিং মিশনের সরাসরি দুই শ্যুটারকে বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মো. রাশেদ ওরফে লোপন এবং মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে কাল্লু। র‍্যাব জানায়, কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নিয়েছিল তিন শ্যুটার। এর আগে জনি নামে একজনকে জনতা হাতেনাতে ধরলেও লোপন ও কাল্লু আত্মগোপনে ছিল। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রূপনগর ও দিয়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশিতে লোপনের বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সেই বিদেশি রিভলবার ও তিন রাউন্ড তাজা গুলি। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে, কিবরিয়াকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছিল এবং পালানোর সময় আতঙ্ক ছড়াতে আরও এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করা হয়। তারা অবৈধ পথে পার্শ্ববর্তী দেশে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে সম্প্রতি বৈধভাবে বিদেশে পাড়ি জমানোর জন্য পাসপোর্ট ও ভিসা তৈরির চেষ্টা করছিল। র‍্যাবের তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পল্লবী থানা যুবদলের জনপ্রিয় নেতা কিবরিয়ার রাজনৈতিক উত্থান এবং ঝুট ব্যবসা, হাউজিং ও ফুটপাতের চাঁদাবাজিতে বাধা হয়ে দাঁড়ানোই ছিল তার মৃত্যুর কারণ। মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মশিউর রহমান মশির প্রত্যক্ষ মদদে এবং পরিকল্পনায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।  ‘ভাগিনা মাসুম’ ও ‘পাতা সোহেল’ অস্ত্র সরবরাহ ও পালানোর পথ সুগম করার দায়িত্বে ছিল। রাজনৈতিক আধিপত্য ও ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই সম্ভাবনাময় এই নেতাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বাগেরহাটে পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যা

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে পুলিশ পরিচয়ে এক কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমির হামজা (২৩) শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিন মুন্সির ছেলে। তিনি খুলনা সরকারি সুন্দরবন কলেজের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি খুলনার একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও কর্মরত ছিলেন।   নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল চারটার দিকে বাড়ির উঠানে বাবা ও চাচার সঙ্গে কথা বলছিলেন হামজা। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন যুবক সেখানে এসে পৌঁছায়। তাদের সবার মাথায় হেলমেট ছিল। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে হামজাকে ধাওয়া দেয়।   পরিস্থিতি বুঝতে পেরে হামজা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পাশের একটি খালের পাড়ে পৌঁছালে হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে হামলাকারীরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠায়।   বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শামীম হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে জেলা পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই এবং গোয়েন্দা পুলিশ। হত্যার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।   এর আগে চলতি মাসেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় গুলিতে হত্যার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। ১৪ মার্চ মোল্লাহাট উপজেলা সদরে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন এক ব্যবসায়ী। তারও আগে একই এলাকায় আরেক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
কূটনীতির আড়ালে সামরিক তৎপরতা, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং তাদের দেওয়া ১৫ দফার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টানাপোড়েন এখন তুঙ্গে। ইরান মনে করছে, একদিকে কূটনীতির কথা বলা আর অন্যদিকে রণসজ্জা বাড়ানো—যুক্তরাষ্ট্রের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান আসলে একটি "চরমপন্থী ও অযৌক্তিক" কৌশল। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক উচ্চপদস্থ কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবগুলো ইরানের কাছে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তেহরানের সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো আব্বাস আসলানি এই পরিস্থিতির গভীর বিশ্লেষণ দিয়েছেন। আসলানির মতে, ওয়াশিংটন মুখে কূটনীতি এবং উত্তেজনা প্রশমনের কথা বললেও তাদের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সম্পূর্ণ ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন এবং সামরিক সরঞ্জাম বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে, তারা আসলে আন্তরিকভাবে কোনো যুদ্ধবিরতি বা দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে ইচ্ছুক নয়। ইরানি নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র "দ্বিমুখী নীতি" অনুসরণ করছে—কাগজে-কলমে আলোচনার টেবিল সাজানো হলেও বাস্তবে সামরিক শক্তি দিয়ে চাপ প্রয়োগ করাই তাদের মূল লক্ষ্য। ওয়াশিংটনের এই অতি-চরমপন্থী অবস্থানকে ইরান কূটনৈতিক সদিচ্ছার অভাব হিসেবেই দেখছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহে ফেসবুক পোস্টের জেরে কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় আবুল কাশেম নামের এক কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার কুল্লাগাছা-ভাতুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।   নিহত আবুল কাশেম কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত আবদুল লতিফের ছেলে।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বুধবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সন্ধ্যায় একটি চায়ের দোকানে সেই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।   একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আবুল কাশেম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাহ হোসেন জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এলাকায় নতুন করে সহিংসতা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
হাদি হত্যা মামলা: ভারতীয় আদালতে বিস্ফোরক মন্তব্য প্রধান আসামি ফয়সালের

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ভারতের আদালতে দাঁড়িয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।  দীর্ঘ ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে রোববার (২২ মার্চ) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমার বিশেষ আদালতে তোলা হলে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, "আমি এই কাজ করিনি, আমি এ ধরনের কোনো কাজে ছিলাম না।" এদিন ফয়সাল করিম মাসুদ ও অপর আসামি আলমগীর হোসেনকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে তাদের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। হাসপাতাল চত্বরে সংবাদকর্মীরা হাদি হত্যা বিষয়ে প্রশ্ন করলে তারা কোনো মন্তব্য না করলেও আদালত চত্বরে মুখ খোলেন ফয়সাল। গত ৭ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকা থেকে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। গত ১৩ মার্চ তাদের অনুপ্রবেশে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমাকেও গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরান নিশ্চিত করল বাসিজ কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির মৃত্যু

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দেশটির বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।   আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সোলাইমানি আমেরিকান ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে একই বিবৃতিতে ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   এর আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ দাবি করেছিলেন, পৃথক হামলায় ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি ও বাসিজ কমান্ডার সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়েছে।   ইরানি কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে সোলাইমানির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হলেও আলী লারিজানির অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান: ৫ সন্ত্রাসী নিহত
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান: ৫ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের লাক্কি মারওয়াতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী এক অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে হত্যা করেছে। রোববার (১৫ মার্চ) ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এই তথ্য জানায়।   সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা জানিয়েছে, ভারতের সহযোগিতায় পরিচালিত ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’-এর সদস্যদের উপস্থিতির খবরের ভিত্তিতে এই গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান (আইবিও) পরিচালনা করা হয়। উল্লেখ্য, ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ নামটি পাকিস্তানে নিষিদ্ধ সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।   আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী ‘সন্ত্রাসী’দের অবস্থান লক্ষ্য করে কার্যকরভাবে হামলা চালায়। তীব্র গোলাগুলির পর পাঁচজন নিহত হন। নিহতদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদও জব্দ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এরা ভারতের মদদপুষ্ট ‘সন্ত্রাসী’ এবং এলাকায় বহু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।   এলাকায় আরও কোনো সন্ত্রাসী লুকিয়ে আছে কি না তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযান (স্যানিটাইজেশন অপারেশন) চালানো হচ্ছে। আইএসপিআর জানিয়েছে, জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান) এবং ফেডারেল অ্যাপেক্স কমিটির অনুমোদিত ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ অভিযানের আওতায় নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে অভিযান চালিয়ে যাবে।   লাক্কি মারওয়াতে সাম্প্রতিক সময়ে এটি ‘সন্ত্রাসী’দের বিরুদ্ধে সর্বশেষ অভিযান। এর দুই দিন আগে কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) একই জেলায় ছয়জন ‘সন্ত্রাসী’কে হত্যা করে। এছাড়া বুধবারও ওই জেলায় এক আইবিওতে নিরাপত্তা বাহিনী চারজন ‘সন্ত্রাসী’কে হত্যা করেছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
যুবদল নেতা
ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিরোধ: যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মো. ইদ্রিস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে স্বজনরা তাঁর মরদেহ থানায় নিয়ে গেলে বিষয়টি সামনে আসে।   নিহত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার এলাকায় ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে তাঁকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়।   অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান।   পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হন জহিরুল।   পরিবারের দাবি, কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি পাখিমারা বাজারে গেলে জহিরুল ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে ডেকে নিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে ব্যাপক মারধর করেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।   স্বজনরা প্রথমে তাঁকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন, পরে ঢাকায় নিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফেরানো হয়। তবে সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।   অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ইদ্রিস তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন। তবে তিনি বা তাঁর সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
হত্যার পর আটক ছোট ভাই
বোনকে হত্যার পর বোরকা পরে পালানোর সময় জনতার হাতে আটক ছোট ভাই

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরে বোনকে কুপিয়ে হত্যার পর বোরকা পরে পালানোর সময় ছোট ভাইকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। সোমবার (২ মার্চ) রাত ১১টার দিকে হালিশহর থানার ঈদগাহ বড় পুকুর দক্ষিণপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।   নিহত সেনোয়ারা বেগম স্থানীয় বাসিন্দা সাবের আহমেদের স্ত্রী। হত্যার অভিযোগে আটক ছোট ভাইয়ের নাম জানে আলম। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।   প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় সেনোয়ারার স্বামী ও ছেলে তারাবির নামাজ পড়তে মসজিদে ছিলেন। বাসায় একা থাকা অবস্থায় জানে আলম স্বর্ণালংকার নিতে গেলে বোন বাধা দেন। এ সময় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে জানে আলম বোরকা পরে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সন্দেহজনক আচরণ দেখে ধাওয়া দিয়ে আটক করেন।   পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিকে থানায় নেওয়ার সময় একদল বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনির চেষ্টা করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।   নিহতের ছেলে সেকান্দার হোসেন বলেন, তারাবির নামাজ শেষে বাসায় ফিরে তারা ঘটনাটি জানতে পারেন এবং দেখেন লোকজন তার মামাকে আটক করে রেখেছে।   হালিশহর থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সুলতান মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং জানে আলমকে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
কিশোরী নাতনিকে অপহরণ
এবার নাতনিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে হত্যা, উঠানে দাদির মরদেহ

পাবনার ঈশ্বরদীতে এক ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে শনিবার গভীর রাতে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধা দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর কিশোরী নাতনিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে বাড়ির পাশের একটি সরিষাক্ষেত থেকে ওই কিশোরীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই লোমহর্ষক ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।   নিহতরা হলেন ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার ১৫ বছর বয়সী নাতনি জামিলা আক্তার। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে বাড়িতে হঠাৎ কান্নাকাটির শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। নাতনি জামিলা নিখোঁজ থাকায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী সরিষাক্ষেতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা বাড়িতে হানা দিয়েছিল। দাদি বাধা দেওয়ায় তাকে নির্মমভাবে খুন করে নাতনিকে তুলে নিয়ে যায় এবং পাশবিক নির্যাতনের পর তাকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।   ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান এবং ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং ধর্ষণের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি নরসিংদীতেও প্রায় একই কায়দায় এক কিশোরীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল, যা দেশের নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ডুরান্ড লাইনে যুদ্ধাবস্থা
আফগানিস্তানে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান: ২২৮ আফগানি নিহত

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত উত্তেজনা এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। শুক্রবার ভোরে তালেবান বাহিনীর বড় ধরনের আক্রমণের জবাবে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান বিমানবাহিনী। ডুরান্ড লাইন বরাবর শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে দুই দেশই একে অপরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির দাবি করেছে। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এই অভিযানকে পাকিস্তানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘বড় ধরনের আক্রমণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।   পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ২২৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ৩১৪ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া তালেবানের ৭৪টি নিরাপত্তা চৌকি ধ্বংস এবং ১৮টি দখল করার দাবি করেছে ইসলামাবাদ। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে আফগানিস্তান পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ, সোয়াবি এবং নওশেরা শহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যদিও পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ড্রোন হামলায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি, তবে সীমান্ত এলাকায় অন্তত ২৭ জন পাকিস্তানি নাগরিক আহত হয়েছেন। বর্তমানে লান্ডি কোতাল সীমান্ত এলাকায় ভারী কামান ও বিমান হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।   এই সংকটের মধ্যে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পাকিস্তানের এই বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি একে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়ালের চেষ্টা হিসেবে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বেসামরিক মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সামরিক শক্তির পরিবর্তে রাজনৈতিক সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। পাকিস্তানের সাবেক অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইলও এক বিবৃতিতে তালেবানদের সহিংসতা বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে নিরপরাধ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পুরো অঞ্চলে এখন এক অস্থিতিশীল ও চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার দ্রুত তদন্ত ও বিচারের ঘোষণা মির্জা ফখরুলের

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ সদস্য হত্যার বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছে এবং এর দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল স্পষ্ট করেন যে, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছেন, সরকার সেই পথেই হাঁটবে।   মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার বিষয়টি যেহেতু বর্তমানে আদালতের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল ও অকার্যকর করে ফেলা হয়েছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা।   ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মানুষের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ফখরুল বলেন, স্থানীয় ভোটারদের মূল্যবান ভোট এবং আস্থার কারণেই তিনি আজ জনসেবার সুযোগ পেয়েছেন। এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে তিনি আগামী দিনে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মাদ্রাসার উন্নয়ন ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারেও তিনি সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
হত্যা
ফরিদপুরে তুচ্ছ ঘটনায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা: দম্পতি আটক

ফরিদপুর শহরে বাড়ির সামনে কাপড় শুকানোর দড়ি টাঙানোকে কেন্দ্র করে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের গোয়ালচামট মোল্লাবাড়ী সড়কের বিহারি কলোনি এলাকায় প্রতিবেশী ভাড়াটিয়াদের হামলায় জুয়েল মোল্লা (৩৬) নামের ওই যুবক প্রাণ হারান। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দম্পতি সরফরাজ শেখ ও মনি বেগমকে দ্রুত অভিযান চালিয়ে আটক করেছে পুলিশ।   স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে। প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া ভাঙারি ব্যবসায়ী সরফরাজের স্ত্রী মনি বেগম জুয়েলদের বাড়ির সামনে কাপড় শুকানোর দড়ি টাঙাতে যান। এতে বাধা দেওয়ায় উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সরফরাজ তার পরিবারের সদস্য ও কর্মচারীদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে জুয়েলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলেই জুয়েলের মৃত্যু হয় এবং তার ছোট ভাই প্রবাসী সোহেল মোল্লা ও মা রোকেয়া বেগম গুরুতর আহত হন। আহত সোহেলকে বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।   নিহতের বোন তিন্নি বেগমের অভিযোগ, তার ভাই কিছুটা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছিলেন। পাশের বাড়ির সরফরাজ, তার দুই ছেলে শাহরিয়ার ও সিফাতসহ তাদের দোকানের কর্মচারীরা এই নৃশংস হামলায় সরাসরি জড়িত। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন জানিয়েছেন, প্রধান দুই অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নিবিড় তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
হাজারীবাগে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ঘাতক সিয়াম গ্রেপ্তার, উদ্ধার রক্তমাখা ছুরি

রাজধানীর হাজারীবাগে স্কুলছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তিকে (১৪) নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত সিয়ামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকা থেকে তাকে জনতা ও পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি ও জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে।   নিহত বিন্তি রায়েরবাজার উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। গতকাল বুধবার রাতে নিজ বাসার সামনেই বখাটে সিয়ামের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারায় সে।   পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টার দিকে ছোট ভাই নাবিলকে নিয়ে বাসার নিচে নামে বিন্তি। এর কিছুক্ষণ পরই চিৎকার ও হট্টগোল শুনে স্বজনরা নিচে গিয়ে বিন্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় শিকদার মেডিকেল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত সোয়া ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর আগে বিন্তি তার ওপর হামলাকারী হিসেবে সিয়ামের নাম বলে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।   নিহতের মা নাদিয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সিয়াম দীর্ঘদিন ধরে বিন্তিকে মুঠোফোনে এবং সরাসরি বিরক্ত করে আসছিল। এ নিয়ে তাকে সতর্কও করা হয়েছিল। তিনি বলেন, "আমার নিস্পাপ মেয়েটাকে ওরা বাঁচতে দিল না। আমি সিয়ামের ফাঁসি চাই।"   ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, নিহতের কাঁধ ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। হাজারীবাগ থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই ঘাতককে ধরতে চিরুনি অভিযান শুরু হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিয়াম হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর হাজারীবাগে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী নিহত

রাজধানীর ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মোসা. শাহরিয়ার শারমিন বিন্থী (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের গলিতে এ ঘটনা ঘটে।   গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় সিকদার মেডিক্যাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এর জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।   নিহতের বাবা বেল্লাল হোসেন বলেন, তার মেয়ে ছোট ভাইকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল। ছোট ভাইকে মসজিদে রেখে সে কিছু কেনাকাটা করতে গেলে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।   শাহরিয়ার শারমিন বিন্থী হাজারীবাগের রায়েরবাজার হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার সখিপুর উপজেলার কাছিকাটা গ্রামে। বর্তমানে পরিবারটি হাজারীবাগ এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
শ্রীলঙ্কায় সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা
সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, শ্রীলঙ্কায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

২০২২ সালের সেই উত্তাল শ্রীলঙ্কাকে হয়তো কেউই ভুলতে পারবেন না। অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের ক্ষোভ যখন চরমে, তখন ঘটেছিল এক নজিরবিহীন ঘটনা। গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংসদ সদস্য অমরকীর্তি আথুকোরালাকে পিটিয়ে হত্যার অপরাধে আজ বুধবার ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত।   ঘটনার নেপথ্যে যা জানা যাচ্ছে:   বিক্ষোভের সূত্রপাত: বৈদেশিক মুদ্রার অভাব, খাদ্য ও জ্বালানি সংকটে গোতাবায়ে রাজাপাক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল কয়েক লাখ মানুষ।   সেই ভয়াবহ দিন: কলম্বোর কাছে নিত্তাম্বুয়া শহরে উত্তেজিত জনতা এমপি আথুকোরালার গাড়ি আটকে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।   গণপিটুনি: প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীর হাত থেকে বাঁচতে তিনি গুলি চালালে জনতা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত তাকে এবং তার দেহরক্ষীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।   দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। যেখানে ১২ জনকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হলেও, প্রমাণের অভাবে ২৩ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সালের পর থেকে সরাসরি কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হলেও গুরুতর অপরাধে আদালত নিয়মিত এই সাজা প্রদান করে আসছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
পরকীয়ার জেরে: প্রেমিকের সহায়তায় তিন বছরের সন্তানকে হত্যা করলো মা

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় একটি বাসার টিনের ট্রাংক থেকে তিন বছরের এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির মাকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, পরকীয়ার জের ধরে নিজের শিশুকন্যাকে হত্যা করে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান ওই নারী।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক নারীটির স্বামী প্রবাসে কর্মরত। প্রায় ছয় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বাসিন্দা মিরাজ মোল্লার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।   পুলিশের তথ্যমতে, গত ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই নারী তাঁর প্রেমিকের সহায়তায় নিজ শিশুকন্যার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ বাড়ির একটি টিনের ট্রাংকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার পরপরই তিনি প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান।   পরবর্তীতে প্রেমিক তাকে ছেড়ে চলে গেলে শনিবার সকালে ওই নারী বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা শিশুটির খোঁজ করলে তিনি সন্তানের হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে আটক করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় সোপর্দ করেন।   মায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ স্বামীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ট্রাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।   গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন জানান, শিশুটির মরদেহ অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Top week

বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?
আমেরিকা

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0