আদালত রায়

ছবি: সংগৃহীত
ধর্ষণসহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত নরওয়ের রাজকন্যার ছেলে, ৪ বছরের কারাদণ্ড

নরওয়ের রাজকন্যা মেতে-মারিতের ছেলে মারিয়াস বোরগ হোইবিকে ধর্ষণসহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ওসলো আদালত। একই সঙ্গে একজন ভুক্তভোগী নারীকে সুরক্ষার জন্য তার চলাচলের ওপর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।   সোমবার (তারিখ উল্লেখ নেই) সকালে ওসলো আদালত দীর্ঘ বিচার কার্যক্রম শেষে এই রায় ঘোষণা করে। প্রায় তিন মাস আগে শুরু হওয়া এবং ছয় সপ্তাহব্যাপী আলোচিত এই মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে আগেই ব্যাপক ভিড় দেখা যায়।   রায়ে বিচারক ইয়ন স্ভেরদ্রুপ এফিয়েস্তাদ তার সাবেক প্রেমিকা নোরা হাউকল্যান্ডকে নির্যাতনের অভিযোগে হোইবিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। মামলার ভুক্তভোগীদের মধ্যে কেবল নোরা হাউকল্যান্ডের নাম প্রকাশ্যে এসেছে। আদালত হোইবিকে হাউকল্যান্ডসহ আরও তিনজন নারীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।   তবে একই মামলায় আনা ধর্ষণের আরও দুটি অভিযোগ থেকে তিনি খালাস পান। মামলায় মোট ৪০টি অভিযোগ আনা হয়েছিল হোইবির বিরুদ্ধে। এর মধ্যে ছিল চারটি ধর্ষণের অভিযোগ, হামলা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ, মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ এবং যানবাহন সংক্রান্ত অপরাধ। পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের একটি অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়।   ২৯ বছর বয়সি হোইবি আদালতে তার বিরুদ্ধে আনা সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, বিশেষ করে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে কিছু কম গুরুতর অপরাধের দায় তিনি স্বীকার করেছেন। তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তার আইনজীবীরা তাকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে অংশগ্রহণের অনুমতি দেন। সেই অনুযায়ী তিনি ইলা কারাগার থেকে অনলাইনে শুনানিতে যুক্ত ছিলেন।   রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে সাত বছর সাত মাসের কারাদণ্ডের আবেদন করেছিল। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা পক্ষ সর্বোচ্চ ১৮ মাসের সাজা দাবি করে, ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খালাস চেয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে চারজন নারীকে কেন্দ্র করে ধর্ষণের ঘটনাগুলো সংঘটিত হয়। প্রতিটি ঘটনায় বলা হয়, ভুক্তভোগীরা ঘুমন্ত অবস্থায় বা অসহায় পরিস্থিতিতে ছিলেন।   এই রায় নরওয়ের রাজপরিবারের জন্যও কঠিন সময়ের মধ্যে এলো। কারণ হোইবির মা রাজকন্যা মেতে-মারিত দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছেন। পাশাপাশি পরিবারের বিরুদ্ধে অতীতে বিতর্কিত সম্পর্ক নিয়ে জনসমালোচনাও রয়েছে।   গত সপ্তাহে আদালত তাকে সাময়িক মুক্তির আবেদন মঞ্জুর করলেও পরে আপিল আদালত সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে। তিনি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে আটক ছিলেন। এই মামলা নরওয়ে ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Unknown জুন ১৪, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
আদালতের নির্দেশে ট্রাম্পের নাম সরাল কেনেডি সেন্টার, গঠন হচ্ছে নতুন ‘ট্রাম্প ফান্ড’

যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান কেনেডি সেন্টার আদালতের নির্দেশে ভবন থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম অপসারণ করলেও তাঁর নামে একটি নতুন তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ‘ট্রাম্প কেনেডি সেন্টার ফান্ড’ নামে নতুন তহবিল গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। বোর্ডের সদস্যদের মতে, এই তহবিলের মাধ্যমে পারফর্মিং আর্টস সেন্টারের উন্নয়ন, অবকাঠামো সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হবে।   কেনেডি সেন্টারের জনসংযোগ বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট রোমা দাভারি এক বিবৃতিতে বলেন, নতুন তহবিলের উদ্দেশ্য হলো প্রতিষ্ঠানটির প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য বাস্তবায়নে নতুন মাত্রা যোগ করা। এর আগে ওয়াশিংটন ডিসির একটি আদালত রায় দেয় যে, কেনেডি সেন্টারের নামের সঙ্গে ট্রাম্পের নাম যুক্ত করা এবং ভবনটি দুই বছরের জন্য বন্ধ রেখে সংস্কারের পরিকল্পনা আইনসঙ্গত নয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ১২ জুনের মধ্যে ভবন থেকে ট্রাম্পের নাম অপসারণ করতে হয় কর্তৃপক্ষকে।   তবে কেনেডি সেন্টারের বোর্ড এই রায়ের বিরুদ্ধে জরুরি আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ভবনে ট্রাম্পের নাম না থাকলে সম্ভাব্য অনুদান ও আর্থিক প্রতিশ্রুতিগুলো ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং ইতোমধ্যে সংগৃহীত অর্থ ফেরত দেওয়ার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবীরা প্রশাসনের আপিলকে ‘শেষ মুহূর্তের কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য জয়েস বিটি বলেন, আদালতের এই সিদ্ধান্ত কেনেডি সেন্টারকে পুনরায় জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।   কেনেডি সেন্টার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রাম্প বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন এবং প্রতিষ্ঠানটি আগের মতোই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডির স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হবে।

Unknown জুন ১৪, ২০২৬ ১৪:০
অভিযুক্ত মিয়া জনসন
ফ্লোরিডায় ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে সাবেক স্কুল ক্রীড়া পরিচালককে ১০ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টির এক মধ্যবিদ্যালয়ের সাবেক ক্রীড়া পরিচালককে এক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ সময় ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ১০ বছরের ফেডারেল কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।   ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, ২০২৪ সালে একটি মধ্যবিদ্যালয়ের কর্মী ও এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় গোয়েন্দারা দ্রুত তদন্তে নামেন, যা পরবর্তীতে ফ্লোরিডার বাইরেও বিস্তৃত হয়।   তদন্তে অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত হন ৪২ বছর বয়সী মিয়া জনসন। তিনি ওই সময় একটি মধ্যবিদ্যালয়ের অ্যাথলেটিক ডিরেক্টর বা ক্রীড়া পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তদন্তকারীদের কাছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি জনসনের দ্বারা নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।   অভিযোগ জানার পর ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টি স্কুল ডিস্ট্রিক্ট জনসনকে ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে দেয় এবং তার চাকরি বাতিল করে।   তদন্তের অংশ হিসেবে জনসনের বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তিনি ফ্লোরিডা ছেড়ে মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের কানসাস সিটিতে চলে যান। তদন্তে জানা যায়, একটি মেয়েদের বাস্কেটবল দলের সঙ্গে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভ্রমণের সময়ও এ মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।   ঘটনার বিস্তৃতি একাধিক অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়ায় তদন্তে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযানে কানসাস সিটি থেকে জনসনকে গ্রেপ্তার করা হয়।   তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে অপরাধমূলক যৌন কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উদ্দেশ্যে এক অঙ্গরাজ্য থেকে অন্য অঙ্গরাজ্যে পরিবহনের ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়।   শুক্রবার ফেডারেল আদালত জনসনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি কারাভোগ শেষে তাকে আরও ২৫ বছর তত্ত্বাবধানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টির শেরিফ এরিক ফ্লাওয়ার্স তদন্তে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, শিশুদের স্কুলে নিরাপদ বোধ করার অধিকার রয়েছে। তদন্তকারীরা এফবিআইয়ের সঙ্গে কাজ করে নিশ্চিত করেছেন যে ভুক্তভোগীর কথা শোনা হয়েছে এবং অভিযুক্ত তার কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির মুখোমুখি হয়েছেন।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। সম্ভাব্য নির্যাতন বা শোষণ সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

Unknown জুন ৮, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে এসেছে বড় অগ্রগতি। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

তাবাস্সুম জুলাই ২০, ২০২৬ ১৪:০