ভিসা জটিলতা ও পেশাগত বাধা পেরিয়ে মার্কিন নাগরিক হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত উদ্যোক্তা
কর্ণাটকের একটি ছোট গ্রাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে দীর্ঘদিনের ভিসা জটিলতা ও পেশাগত নানা বাধা পেরিয়ে মার্কিন নাগরিক হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা সাইমন শেট্টি। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পথে তাকে বিভিন্ন অভিবাসনসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জনকে তিনি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে নিজের পেশাগত জীবন গড়ে তোলার পথে শেট্টিকে দীর্ঘ সময় ধরে ভিসা সংক্রান্ত নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এর পাশাপাশি পেশাগত ক্ষেত্রেও তাকে বিভিন্ন বাধা মোকাবিলা করতে হয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন এবং শেষ পর্যন্ত দেশটির নাগরিকত্ব অর্জন করেন।
শেট্টি আরও জানিয়েছেন, তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের উদ্দেশ্যে একটি প্রতারণার অভিযোগ করা হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। তিনি ওই অভিযোগকে মিথ্যা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে এই অভিযোগটি শেট্টির নিজের বক্তব্য হিসেবেই উল্লেখ করা হচ্ছে। অভিযোগটি স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়েছে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতার মধ্যেও শেট্টি যুক্তরাষ্ট্রে নিজের পেশাগত জীবন এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান। ভিসা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং পেশাগত বাধার পাশাপাশি তাকে অভিযোগসংক্রান্ত পরিস্থিতিও মোকাবিলা করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এসব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে নাগরিকত্ব পাওয়াকে তিনি নিজের দীর্ঘ যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন।
নিজের যাত্রার কথা বলতে গিয়ে শেট্টি কর্ণাটকের একটি ছোট গ্রাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে পেশাগত জীবন গড়ে তোলা এবং পরে মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নাগরিকত্ব পাওয়া তার জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।
শেট্টির অভিজ্ঞতায় ভিসা জটিলতা ও পেশাগত বাধার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রক্রিয়ার নানা চ্যালেঞ্জও ছিল। তিনি জানিয়েছেন, এসব পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি নিজের লক্ষ্য থেকে সরে যাননি। দীর্ঘ সময়ের এই প্রক্রিয়ার পর মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন তার জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
কর্ণাটকের ছোট একটি গ্রাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে প্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পর নাগরিকত্ব অর্জনকে শেট্টি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন। তার এই যাত্রায় ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা, পেশাগত বাধা এবং তাকে বহিষ্কারের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে বর্ণনা করা অভিযোগের মতো পরিস্থিতি ছিল।
শেষ পর্যন্ত এসব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জনের মাধ্যমে শেট্টির দীর্ঘ অভিবাসনযাত্রা নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। নিজের অভিজ্ঞতার দিকে ফিরে তাকিয়ে তিনি নাগরিকত্বকে শুধু একটি আইনি মর্যাদা নয়, বরং ছোট একটি গ্রাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার দীর্ঘ পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে তুলে ধরেছেন।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreনিউইয়র্ক বা লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো বড় শহরে বাড়ি কেনা বা রেন্ট নেওয়ার খরচ যেখানে অনেক বেশি, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু শহরে তুলনামূলক কম খরচে বসবাসের সুযোগ রয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত AmeriSave-এর তথ্যের ভিত্তিতে নিউইয়র্ক পোস্টের করা তালিকায় সবচেয়ে সাশ্রয়ী বড় আবাসন বাজার হিসেবে উঠে এসেছে পেনসিলভেনিয়ার পিটসবার্গ। তালিকার ১০ শহরের মধ্যে নয়টিই রিপাবলিকান-সমর্থিত বা ‘রেড স্টেট’-এ অবস্থিত। পিটসবার্গে বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা জাতীয় মাঝারি দামের প্রায় ৪ লাখ ২৬ হাজার ডলারের তুলনায় ১ লাখ ৮০ হাজার ডলারের বেশি কম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় মার্কেটগুলোর মধ্যে পিটসবার্গই একমাত্র শহর যেখানে বাড়ি কেনার খরচ রেন্ট নেওয়ার চেয়ে কম হতে পারে। শহরটির জীবনযাত্রার খরচও জাতীয় গড়ের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ কম। একসময় ইস্পাতশিল্পের জন্য পরিচিত পিটসবার্গ এখন প্রযুক্তি, হেলথ কেয়ার ও উচ্চশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। গুগল, ইউপিএমসি এবং কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির মতো বড় প্রতিষ্ঠান সেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। পিটসবার্গ মেট্রো এলাকার জনসংখ্যা প্রায় ২৪ লাখ। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইলিনয়ের ডেকাটুর। শহরটিতে বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ৮৯ হাজার ৮৫৫ ডলার এবং জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। তালিকায় এটিই একমাত্র ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত ‘ব্লু স্টেট’-এর শহর। কৃষি, উৎপাদন ও পরিবহন খাত ডেকাটুরের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তৃতীয় স্থানে ওকলাহোমার এনিড। সেখানে বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ১ লাখ ৬৪ হাজার ডলার এবং জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের চেয়ে ১১ শতাংশ কম। কৃষি, জ্বালানি ও এয়ারোস্পেস খাত শহরটির অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ইন্ডিয়ানার ফোর্ট ওয়েন। বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯৩ ডলার হলেও জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের তুলনায় ৩৯ শতাংশ কম, যা তালিকায় সবচেয়ে বড় ব্যবধান। উৎপাদন ও হেলথ কেয়ার খাত এখানে বড় কর্মসংস্থানের উৎস। পঞ্চম স্থানে আইওয়ার ডেস ময়েন। শহরটির বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের চেয়ে ২৩ শতাংশ কম। ফাইন্যান্স, ইন্স্যুরেন্স ও ডেটা সার্ভিসেস খাতের জন্য শহরটি পরিচিত। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ওকলাহোমা সিটি। এখানে বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার ১৬৭ ডলার এবং জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের তুলনায় ২১ শতাংশ কম। এয়ারোস্পেস, হেলথ কেয়ার ও প্রযুক্তি খাত শহরটির অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সপ্তম স্থানে কানসাসের উইচিটা। ‘এয়ার ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামে পরিচিত এই শহরে বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের চেয়ে ১১ শতাংশ কম। এয়ারোস্পেস ও উৎপাদন শিল্প এখানে বড় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র। অষ্টম স্থানে উইসকনসিনের গ্রিন বে। বাড়ির দাম প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার ৫৯৫ ডলার এবং জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ কম। খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, কাগজশিল্প ও হেলথ কেয়ার শহরটির প্রধান শিল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে। নবম স্থানে নেব্রাস্কার ওমাহা। সেখানে বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কম। ওয়ারেন বাফেটের বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে, ইউনিয়ন প্যাসিফিকসহ বড় প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতির কারণে শহরটি ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। দশম স্থানে রয়েছে আইওয়ার সিডার র্যাপিডস। বাড়ির মাঝারি দাম প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং জীবনযাত্রার খরচ জাতীয় গড়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ কম। এয়ারোস্পেস ও খাদ্যশিল্প শহরটির অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই তালিকা থেকে দেখা যায়, কম খরচের আবাসন বাজার মূলত যুক্তরাষ্ট্রের মিডওয়েস্ট ও দক্ষিণাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত। তবে শুধু বাড়ির দাম দেখেই কোনো শহরকে বসবাসের জন্য সেরা বলা যায় না। চাকরির সুযোগ, আয়, কর, হেলথ কেয়ার, যাতায়াত ও পরিবারের প্রয়োজনও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। AmeriSave-এর ২০২৬ সালের বিশ্লেষণেও কম খরচের পাশাপাশি স্থানীয় চাকরির বাজার ও অন্যান্য জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
৪০তম ফোবানা শেষে হিউস্টনে ৪১তম আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু, স্পনসরশিপ প্যাকেজ ঘোষণা
ভিসা জটিলতা ও পেশাগত বাধা পেরিয়ে মার্কিন নাগরিক হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত উদ্যোক্তা
গ্রেফতারের হুমকির পরও জাতিসংঘে ভাষণ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন নেতানিয়াহু!
কানাডার মিসিসাগায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে দুই পা হারিয়েছেন নিউইয়র্কের অ্যামহার্স্টের বাংলাদেশি প্রবাসী মাসুদ বিশ্বাস। একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত তাঁর ১২ বছর বয়সী ছেলে মারিফের দুই পা বাঁচাতে চিকিৎসকেরা একের পর এক অস্ত্রোপচার করছেন। বর্তমানে বাবা ও ছেলে দুজনই বাফেলো এলাকায় চিকিৎসাধীন। গত ১১ আগস্ট বিকেলে টরন্টো বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়িতে ফিরছিলেন মাসুদ ও তাঁর ছেলে। হাইওয়ে ৪০৩-এর মিসিসাগা এলাকায় তাঁদের গাড়ির সঙ্গে আরেকটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর মাসুদ ও অপর গাড়ির চালক নিজেদের গাড়ি হাইওয়ের ডান পাশের শোল্ডারে থামিয়ে ক্ষয়ক্ষতি দেখছিলেন এবং ইন্স্যুরেন্সের তথ্য বিনিময়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর মধ্যেই একটি তৃতীয় গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শোল্ডারে থাকা গাড়িটিতে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার পর ওই গাড়িটি ছিটকে এসে মাসুদ ও মারিফকে আঘাত করে। এতে বাবা-ছেলে দুজনই গাড়ির নিচে আটকে গুরুতর আহত হন। পরে উদ্ধার করে তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। মাসুদের দুই পা হাঁটুর ওপর থেকে কেটে বাদ দিতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাফেলোর ইসিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনার পর তাঁর অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক ছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে, অ্যামহার্স্ট মিডল স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র মারিফের দুই পা বাঁচাতে চিকিৎসকেরা একাধিক অস্ত্রোপচার করেছেন। তাকে বাফেলোর গোলিসানো চিলড্রেনস হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাঁর পা রক্ষা করে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। দুর্ঘটনার পর মাসুদের পরিবার আর্থিকভাবে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে মাসুদ এখন কাজ করতে পারছেন না। একই সঙ্গে তাঁর নিজের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, ছেলের একাধিক অস্ত্রোপচার এবং ভবিষ্যৎ পুনর্বাসনের জন্য বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁদের পাশের বাড়ির প্রতিবেশী ম্যাট হিগিন্স ও তাঁর পরিবার। তাঁরা মাসুদ ও মারিফের চিকিৎসা এবং পরিবারের জীবনযাত্রার খরচে সহায়তার জন্য একটি GoFundMe ক্যাম্পেইন চালু করেছেন। ক্যাম্পেইনে চিকিৎসা ব্যয়, পরিবারের দৈনন্দিন খরচ এবং ভবিষ্যতে বাড়িতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। GoFundMe-এর তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের পথ দীর্ঘ হতে পারে এবং মারিফের আরও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। দুর্ঘটনার পর নিউইয়র্কের অ্যামহার্স্ট কমিউনিটিতেও পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। প্রতিবেশী ও পরিচিতরা এই কঠিন সময়ে মাসুদ ও তাঁর ছেলের চিকিৎসা এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ সামলাতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। গো ফান্ড লিংক: https://gofund.me/57fbf9c15
বাংলাদেশি মালিকানাধীন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটিতে ১০০ শিক্ষার্থীর জন্য ৬৫ লাখ ডলারের টিউশন সহায়তা
নিউ ইয়র্কে হোমস্কুলিং বেড়েছে ২০০%, স্কুলব্যবস্থা নিয়ে হতাশ হয়ে মুখ ফিরাচ্ছে পরিবারগুলো
আইসিই এজেন্টের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ, ‘আক্রমণের’ আহ্বানে বিতর্কে ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে খাবারের সংকটে থাকা মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাবার ও গ্রোসারি পাওয়ার বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে। নিম্নআয়ের পরিবার, অভিবাসী, চাকরি হারানো ব্যক্তি কিংবা খাবারের প্রয়োজন থাকা অন্যরাও এসব খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র থেকে সহায়তা নিতে পারেন। নিউইয়র্ক শহরের পাঁচটি বরোতেই রয়েছে ফুড প্যান্ট্রি, স্যুপ কিচেন ও মোবাইল ফুড প্যান্ট্রি। এসব জায়গায় চাল, পাস্তা, ক্যানজাত খাবার, সিরিয়াল, ফল, সবজি, হিমায়িত খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়। কিছু কেন্দ্রে আবার বিনামূল্যে রান্না করা খাবারও পাওয়া যায়। নিজের এলাকার কাছাকাছি ফুড প্যান্ট্রি খুঁজতে নিউইয়র্ক শহরের ‘ফুড হেল্প এনওয়াইসি’ সেবা ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া ৩১১ নম্বরে ফোন করে ‘ফুড প্যান্ট্রিজ’ বললেও কাছাকাছি খাদ্য সহায়তা কেন্দ্রের তথ্য পাওয়া যায়। নিউইয়র্ক শহরের পাঁচটি বরোতে সরকারি উদ্যোগে পরিচালিত ‘নিয়ন নিউট্রিশন কিচেন’-এর পাঁচটি কেন্দ্র বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এসব কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে সংরক্ষণযোগ্য খাবার দেওয়া হয়। শুধু প্রবেশনের আওতায় থাকা ব্যক্তিরাই নন, সরকারি তথ্য অনুযায়ী কমিউনিটির যে কেউ এসব কেন্দ্রে খাদ্য সহায়তা চাইতে পারেন। ব্রঙ্কন: নিয়ন নিউট্রিশন কিচেন ঠিকানা: ১৯৮ ইস্ট ১৬১স্ট স্ট্রিট, ব্রঙ্কন, নিউইয়র্ক ১০৪৫১ সময়: মঙ্গলবার, বুধবার ও শুক্রবার, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা। সেবা: বিনামূল্যে সংরক্ষণযোগ্য খাদ্যসামগ্রী। ব্রুকলিন: নিয়ন নিউট্রিশন কিচেন ঠিকানা: ৩৪৫ অ্যাডামস স্ট্রিট, ব্রুকলিন, নিউইয়র্ক ১১২০১ সময়: সোমবার, বুধবার ও শুক্রবার, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা। সেবা: বিনামূল্যে গ্রোসারি ও খাদ্যসামগ্রী। ম্যানহাটন: নিয়ন নিউট্রিশন কিচেন ঠিকানা: ১২৭ ওয়েস্ট ১২৭থ স্ট্রিট, নিউইয়র্ক, নিউইয়র্ক ১০০২৭ সময়: বুধবার ও শুক্রবার, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা। সেবা: বিনামূল্যে সংরক্ষণযোগ্য খাবার। কুইন্স: নিয়ন নিউট্রিশন কিচেন ঠিকানা: ১৬২-২৪ জামাইকা অ্যাভিনিউ, জামাইকা, নিউইয়র্ক ১১৪৩২ সময়: মঙ্গলবার, বুধবার ও শুক্রবার, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা। সেবা: বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তা। স্ট্যাটেন আইল্যান্ড: নিয়ন নিউট্রিশন কিচেন ঠিকানা: ৩৪০ বে স্ট্রিট, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড, নিউইয়র্ক ১০৩০১ সময়: সোমবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা। সেবা: বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী। তবে নিউইয়র্কে বিনামূল্যে খাবার পাওয়ার সুযোগ শুধু এই পাঁচটি কেন্দ্রেই সীমাবদ্ধ নয়। ফুড ব্যাংক ফর নিউইয়র্ক সিটি-এর বর্তমান ডিরেক্টরি অনুযায়ী, শহরে প্রায় ৮০০টি স্থানে বিনামূল্যে গ্রোসারি, রান্না করা খাবার ও এসএনএপি-সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। প্রতিটি কেন্দ্রের নিয়ম, সময়সূচি ও খাবারের ধরন এক নয়। কোনো কোনো জায়গায় খাবার শেষ হয়ে গেলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিতরণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ম্যানহাটন: নিউইয়র্ক কমন প্যান্ট্রি ঠিকানা: ৮ ইস্ট ১০৯থ স্ট্রিট, নিউইয়র্ক, নিউইয়র্ক ১০০২৯ সেবা: খাদ্য সহায়তা ও গ্রোসারি। ম্যানহাটন: ওয়েস্ট সাইড ক্যাম্পেইন এগেইনস্ট হাঙ্গার ঠিকানা: ২৬৩ ওয়েস্ট ৮৬থ স্ট্রিট, নিউইয়র্ক, নিউইয়র্ক ১০০২৪ সেবা: খাদ্য সহায়তা। ম্যানহাটন: ট্রিনিটি’স সার্ভিসেস অ্যান্ড ফুড ফর দ্য হোমলেস ঠিকানা: ৬০২ ইস্ট ৯থ স্ট্রিট, নিউইয়র্ক, নিউইয়র্ক ১০০০৯ সেবা: রান্না করা খাবারসহ খাদ্য সহায়তা। ব্রুকলিন: রিচিং আউট কমিউনিটি সার্ভিসেস ঠিকানা: ৬৪১৭ ১৮থ অ্যাভিনিউ, ব্রুকলিন, নিউইয়র্ক ১১২০৪ সেবা: খাদ্য সহায়তা ও গ্রোসারি। স্থায়ী ফুড প্যান্ট্রি কাছে না থাকলে মোবাইল ফুড প্যান্ট্রিও হতে পারে বিকল্প। ফুড ব্যাংক ফর নিউইয়র্ক সিটির মোবাইল প্যান্ট্রিগুলোতে মৌসুমি তাজা ফল ও সবজি, প্রয়োজনীয় সংরক্ষণযোগ্য খাবার এবং হিমায়িত প্রোটিনজাত খাবার বিতরণ করা হয়। এসব কার্যক্রম নির্দিষ্ট দিন ও নির্দিষ্ট স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। ব্রঙ্কন: মোবাইল ফুড প্যান্ট্রি ঠিকানা: ১০২৫ মরিসন অ্যাভিনিউ এবং ১৩০ ওয়েস্ট কিংসব্রিজ রোড। সেবা: তাজা ফল-সবজি, সংরক্ষণযোগ্য খাবার ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী। সময়সূচি: সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রকাশিত সূচিতে এসব স্থানে বিতরণের সময় উল্লেখ রয়েছে। কুইন্স: মোবাইল ফুড প্যান্ট্রি ঠিকানা: ৩৩-৩৪ ৭৭থ স্ট্রিট, কুইন্স। সেবা: বিভিন্ন ধরনের বিনামূল্যের খাদ্যসামগ্রী। তবে মোবাইল প্যান্ট্রির ঠিকানা ও সময়সূচি নিয়মিত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাওয়ার আগে সর্বশেষ ক্যালেন্ডার দেখে নেওয়া জরুরি। ব্রঙ্কন: কমিউনিটি প্যান্ট্রি ও ফ্রিজ ঠিকানা: ৫৭১ ইস্ট ১৪১স্ট স্ট্রিট, ব্রঙ্কন, নিউইয়র্ক ১০৪৫৪। সেবা: স্থানীয়ভাবে পাওয়া খাবার প্রয়োজন অনুযায়ী নেওয়ার সুযোগ। নিউইয়র্কের কিছু এলাকায় কমিউনিটি রেফ্রিজারেটর ও কমিউনিটি প্যান্ট্রিও রয়েছে। তবে এসব জায়গায় খাবারের সরবরাহ, ব্যবহারের নিয়ম ও কার্যক্রম পরিবর্তিত হতে পারে। তাই অনলাইন তালিকা দেখে যাওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়া ভালো। এসএনএপি ব্যবহারকারীদের জন্য: ‘গেট দ্য গুড স্টাফ’ নিউইয়র্কে এসএনএপি বা ইবিটি সুবিধাভোগীদের জন্য ‘গেট দ্য গুড স্টাফ’ নামে আলাদা একটি কর্মসূচিও রয়েছে। এর আওতায় নির্দিষ্ট সুপারমার্কেটে এসএনএপি বা ইবিটি দিয়ে যোগ্য ফল, সবজি ও বিনস কিনলে নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত অতিরিক্ত সমপরিমাণ সুবিধা পাওয়া যায়। এই সুবিধার আওতায় তাজা ফল ও সবজির পাশাপাশি কিছু হিমায়িত ও ক্যানজাত পণ্য এবং বিনস রয়েছে। তবে এটি ফুড প্যান্ট্রি থেকে সরাসরি বিনামূল্যে খাবার পাওয়ার ব্যবস্থা নয়। এসএনএপি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট খাবার কেনার পর অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার একটি কর্মসূচি। খাবারের সহায়তা কোথায় খুঁজবেন? নিউইয়র্কে খাবারের প্রয়োজন হলে নিজের এলাকার সবচেয়ে কাছের ফুড প্যান্ট্রি বা স্যুপ কিচেন খুঁজতে ‘ফুড হেল্প এনওয়াইসি’ ব্যবহার করা যায়। ৩১১ নম্বরে ফোন করেও খাদ্য সহায়তার তথ্য নেওয়া যায়। এ ছাড়া ফুড ব্যাংক ফর নিউইয়র্ক সিটির ‘ফাইন্ড ফুড’ ডিরেক্টরিতে বরো ও এলাকার ভিত্তিতে ফুড প্যান্ট্রি, রান্না করা খাবার এবং মোবাইল প্যান্ট্রির তথ্য পাওয়া যায়। তাদের ডিরেক্টরিতে বর্তমানে প্রায় ৮০০টি স্থানের তথ্য রয়েছে। তবে কোনো কেন্দ্রে যাওয়ার আগে সময়সূচি, খাবারের ধরন, যোগ্যতার শর্ত এবং বিতরণের নিয়ম জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে। বিশেষ করে মোবাইল প্যান্ট্রিতে খাবার সরবরাহ শেষ হয়ে গেলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিতরণ বন্ধ হতে পারে। কিছু কেন্দ্রে নাম নিবন্ধন করতে হতে পারে এবং কোথাও পরিচয় বা স্থানীয় ঠিকানার তথ্য চাওয়া হতে পারে। আবার কিছু কমিউনিটি প্যান্ট্রি সবার জন্য উন্মুক্ত। তাই নিউইয়র্কে বিনামূল্যে খাবার বা গ্রোসারি নিতে চাইলে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
‘এআই মানুষকে শেষ করে দিতে পারে’, আশঙ্কায় অ্যানথ্রপিক গবেষকের পদত্যাগ
‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’! বিদেশির চেয়ে দেশের উগ্রপন্থীদের বেশি ভয় মার্কিনদের