ঈদ জামাত

কোলাজ: আমেরিকা বাংলা
ভারতে মুসলিমদের নামাজের অনুমতি নেই, অথচ যোগাসনের জন্য সপ্তাহজুড়ে বন্ধ কলকাতার রেড রোড

কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডকে ঘিরে ঈদের নামাজ ও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস আয়োজনের সময়সূচি ও ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে ভারতে নতুন করে বিতর্ক ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, যেখানে একে সংখ্যালঘু অধিকার ও রাষ্ট্রীয় নীতির দ্বিচারিতা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।   কলকাতার রেড রোড শত বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী ঈদ জামাতের জন্য পরিচিত একটি স্থান। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, ১৯১৯ সাল থেকে এখানে নিয়মিতভাবে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এই ঈদ জামাতে কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও বহু মানুষ অংশ নেন বলে দাবি করা হয়।   তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এবার ঈদের নামাজ আয়োজনের জন্য রেড রোড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তা ও যানজটের অজুহাত দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় মহলে দাবি উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।   অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একই রেড রোডে টানা সাত দিন সড়ক বন্ধ রেখে আয়োজন করা হয়। রোববার (২১ জুন) দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের জন্য সেখানে বড় মঞ্চ তৈরি করা হয়।   ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শনিবার দুই দিনের রাজ্য সফরে এসে হুগলির তারকেশ্বরের অনুষ্ঠান শেষে রাতে লোকভবনে অবস্থান করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রোববার ভোরে তিনি রেড রোডে পৌঁছে যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে তিনি নিজে যোগব্যায়াম করেন।   অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর এন রবি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যে সড়ক দিয়ে বিধানসভা, কলকাতা হাইকোর্ট, রাজভবন ও ধর্মতলার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যুক্ত থাকে, সেটি যোগ দিবস উপলক্ষে কয়েক দিন বন্ধ থাকায় জনজীবনে প্রভাব পড়ে বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।   এই পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। নেটিজেন, অধিকারকর্মী ও সচেতন মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে, শত বছরের পুরোনো ঈদের নামাজের জন্য কয়েক ঘণ্টা সড়ক ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা থাকলেও যোগ দিবসের জন্য সাত দিন সড়ক বন্ধ রাখা কীভাবে সম্ভব।   অধিকারকর্মীদের একটি অংশ এটিকে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ধর্মীয় অধিকার সংকোচনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করছে। তাদের দাবি, এটি পরিকল্পিত বৈষম্যের বহিঃপ্রকাশ।   রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও বৈষম্যবোধ আরও বাড়িয়েছে।   তবে আরেকটি অংশ মনে করে, এটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনার অংশ।   রেড রোড ইস্যু ঘিরে চলমান এই বিতর্ক এখন ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

Unknown জুন ২০, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
অধিকার কেড়ে নিতে দেব না: ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মঞ্চে মোদিকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee কলকাতার ঐতিহাসিক Red Road-এর ঈদের জামাতে অংশ নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-কে কটাক্ষ করে ‘সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী’ বলে মন্তব্য করেছেন।   শনিবার পবিত্র Eid al-Fitr উপলক্ষে রেড রোডে রাজ্যের বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে হালকা বৃষ্টি থাকলেও নামাজ আদায়ে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। দলে দলে মুসল্লির উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলিতে মেতে ওঠেন মুসল্লিরা।   জামাতে যোগ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি বলেন, রাজ্য ও দেশের উন্নয়ন এবং সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করা জরুরি।   এ সময় নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেকের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং এ নিয়ে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, সবার অধিকার রক্ষায় এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।   প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মমতা প্রশ্ন তোলেন, বিদেশ সফরে গিয়ে ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্য দেখানো হলেও দেশে ফিরে বিভাজনের রাজনীতি করা হচ্ছে কি না। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিজিই ভারতের সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী।”   এ ছাড়া তিনি সতর্ক করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে লক্ষ্য করে কোনো ধরনের উসকানি দেওয়া হলে তা প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Unknown মার্চ ২১, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত, একসঙ্গে নামাজে অংশ নিলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকার জাতীয় ঈদগাহে দেশের প্রধান ঈদ জামাত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এ জামাতে শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বান জানানো হয়।   শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।   সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ঈদগাহে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং কয়েক মিনিট পর রাষ্ট্রপতি সেখানে উপস্থিত হন।   প্রধান এই জামাতে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন।   নামাজে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক। নামাজ শেষে খুতবা ও মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং বিশ্বজুড়ে সহিংসতা ও সংঘাত নিরসনের জন্য দোয়া করা হয়।   এবারের ঈদ এমন এক সময়ে উদ্‌যাপিত হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত চলছে। এই প্রেক্ষাপটে ঈদের বার্তা নতুন করে আশা ও সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বৃষ্টি ও ঝড়ের আশঙ্কা থাকলেও ঈদের সকালে আকাশ মেঘলা থাকলেও নামাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   সকাল থেকেই মুসল্লিদের ঢল নামে জাতীয় ঈদগাহে। প্রবেশের সময় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়; আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হয় এবং পুরো এলাকা সিসিটিভির আওতায় রাখা হয়।   জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তথ্যমতে, আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গাসহ প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেন।   এ ছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টা থেকে পর্যায়ক্রমে একাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

Unknown মার্চ ২০, ২০২৬ ১৪:০
ছবি সংগৃহীত
সিয়াম সাধনা শেষে দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসবে ঈদ উদযাপন

এক মাস সিয়াম সাধনার পর আজ শনিবার (২১ মার্চ) সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। বৃহস্পতিবার দেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আজ ৩০ রোজা পূর্ণ করে হিজরি ১৪৪৭ সনের এই ঈদ আনন্দ উৎসবে মেতেছে দেশবাসী। যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উৎসবটি পালিত হচ্ছে।   রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেবেন। প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত সরিয়ে নেওয়া হবে।   জাতীয় ঈদগাহে নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ ও নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ নারীসহ ৩৫ হাজার মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন। এদিকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি জামাত (সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও পৌনে ১১টায়) অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল ৮টায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ১৯৯তম ঈদ জামাত শুরু হবে সকাল ১০টায়।   ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে কঠোর নজরদারিতে থাকবে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি চলছে। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে এবং হাসপাতাল ও এতিমখানাগুলোতে পরিবেশন করা হচ্ছে উন্নত মানের খাবার। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিশু পার্ক ও জাদুঘরে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ২০, ২০২৬ ১৪:০
ছবি সংগৃহীত
একনজরে দেখে নিন রাজধানীর ঈদ জামাতের সময় ও স্থান

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। এই জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেবেন।   বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যার প্রথমটি শুরু হবে সকাল ৭টায়। এছাড়া সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে সকাল ৮টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দুটি জামাত (সকাল ৮টা ও ৯টা) এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের লনেও পৃথক জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বিভিন্ন ব্লকের মসজিদে সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মোট ১৭টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।   নিচে রাজধানীর প্রধান কয়েকটি ঈদ জামাতের সময়সূচি দেওয়া হলো: স্থান সময় জাতীয় ঈদগাহ (প্রধান জামাত) সকাল ৮:৩০ বায়তুল মোকাররম (৫টি জামাত) সকাল ৭:০০ থেকে ১০:৪৫ পর্যন্ত সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা সকাল ৮:০০ (নারীদের পৃথক ব্যবস্থা আছে) আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠ সকাল ৮:০০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সকাল ৮:০০ ও ৯:০০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠ সকাল ৭:৩০ মহাখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সকাল ৮:০০

তাবাস্সুম মার্চ ২০, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

২০২৬ সালের তালিকায় এগিয়ে যে ৫ স্টেট

যুক্তরাষ্ট্রের কোন স্টেট এ বাংলাদেশিদের জীবন সবচেয়ে স্বস্তির? ২০২৬ সালের তালিকায় এগিয়ে যে ৫ স্টেট

নীলুফা নিশাত আগস্ট ১, ২০২৬ ১৪:০