মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ৫ মিনিটের কলে ৮০ কর্মী ছাঁটাই! ভারতীয় পুরো টিমকে চাকরিচ্যুত
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আর্থিক প্রযুক্তি কোম্পানির ভারতে থাকা প্রায় ৮০ কর্মীকে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি অনলাইন বৈঠকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভারতের এক কর্মীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টের বরাত দিয়ে এ ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই একই বৈঠকে পুরো ভারতীয় গ্রাহকসেবা দলের কর্মীদের ছাঁটাইয়ের কথা জানানো হয়। তবে ঘটনার সব তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ওই কর্মীর বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনার দিন ভারতীয় কর্মীদের অফিসে না গিয়ে বাড়ি থেকে কাজ করতে বলা হয়েছিল। এর কারণ হিসেবে কর্মীদের জানানো হয়, বিষয়টি কোম্পানির কার্যক্রমসংক্রান্ত। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কাজ শুরু করার প্রায় তিন ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ করে পুরো দলের সদস্যদের একটি গুগল মিটে যোগ দিতে বলা হয়।
বৈঠক শুরু হওয়ার পর কর্মীদের জানানো হয়, ভারতের পুরো গ্রাহকসেবা দলের চাকরি শেষ করা হয়েছে। কর্মীর দাবি, মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই প্রায় ৮০ জনকে ছাঁটাইয়ের বিষয়টি জানানো হয়। এত অল্প সময়ের মধ্যে একসঙ্গে এত কর্মী চাকরি হারানোর ঘটনায় তারা হতবাক হয়ে পড়েন। চাকরি হারানোর পর নতুন কর্মসংস্থান খুঁজে পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তার কথা ওই কর্মী জানিয়েছেন।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা এবং বহুজাতিক কোম্পানির ছাঁটাই প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে প্রায় ৮০ জন কর্মীকে একসঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত অনলাইন বৈঠকের মাধ্যমে চাকরি হারানোর কথা জানানোর অভিযোগটি ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মী আরও দাবি করেন, কোম্পানির পক্ষ থেকে ভারতীয় দলের কাজের ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে কর্মীটির দাবি, ভারতীয় দলের সদস্যরা চাকরি ধরে রাখার জন্য নিয়মিত অতিরিক্ত পরিশ্রম করতেন। এ বিষয়ে কোম্পানির বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা কর্মীদের কাজের মূল্যায়নের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই কর্মীর বক্তব্যের ভিত্তিতে কোম্পানিটির নাম যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ব্লুভাইন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ছোট ব্যবসার জন্য অনলাইন ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন আর্থিক সেবা দিয়ে থাকে। তবে ছাঁটাইয়ের ঘটনায় কোম্পানির পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বা এর সুনির্দিষ্ট কারণ কী ছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
ছাঁটাইয়ের পর কর্মীরা ক্ষতিপূরণ বা চাকরি হারানোর সুবিধা হিসেবে কী পাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই কর্মীর বক্তব্য অনুযায়ী, সব কর্মীর জন্য একই ধরনের সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। তবে এ দাবিরও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রযুক্তি ও আর্থিক প্রযুক্তি খাতে বিশ্বজুড়ে কর্মী কমানোর প্রবণতা নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের কাজের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে ভারতের ওই দলের ছাঁটাইয়ের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কোনো নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে পুরো ঘটনাটির মূল ভিত্তি একজন কথিত সাবেক কর্মীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বর্ণনা। তাই প্রায় ৮০ কর্মীকে ছাঁটাই, ছাঁটাইয়ের কারণ, পাঁচ মিনিটের বৈঠক এবং চাকরি হারানোর পর কর্মীদের প্রাপ্য সুবিধা নিয়ে ওঠা দাবিগুলোকে নিশ্চিত তথ্যের বদলে অভিযোগ ও কর্মীর ব্যক্তিগত বর্ণনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ও বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক ঘনিষ্ঠ মিত্র ও সাবেক ফক্স নিউজ উপস্থাপক টাকার কার্লসন দাবি করেছেন, জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশ ঠেকাতে ট্রাম্প নিজেই তার প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের গ্রীষ্মে এপস্টেইনের নথি প্রকাশ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সময় তিনি এমন নির্দেশের কথা জানতে পারেন বলে দাবি করেছেন কার্লসন। ভ্যানিটি ফেয়ারের সাংবাদিক ক্রিস হুইপলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কার্লসন বলেন, শুরু থেকেই তিনি ট্রাম্পকে এপস্টেইন-সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কেন এসব নথি গোপন রাখা হচ্ছে জানতে চাইলে ট্রাম্প তাকে বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা দেন। পরে কার্লসন আবারও নথি প্রকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। কার্লসনের দাবি, শেষ পর্যন্ত নথি গোপন রাখার নির্দেশ সরাসরি ট্রাম্পের কাছ থেকেই এসেছিল। কেন এমন করা হচ্ছে জানতে চাইলে ট্রাম্প দীর্ঘ ও আবেগপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন এবং পুরো বিষয়টিকে তার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখেছিলেন বলে কার্লসন জানিয়েছেন। তবে কার্লসনের এই বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এপস্টেইনকে ঘিরে নথি প্রকাশের বিষয়টি গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে বড় রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়। কংগ্রেসের চাপের পর ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর ট্রাম্প এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টে স্বাক্ষর করেন। ওই আইনে জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের কাছে থাকা এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট কয়েক ধাপে বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বিভাগটি জানায়, আগের প্রকাশনার সঙ্গে মিলিয়ে প্রায় ৩৫ লাখ পৃষ্ঠা, ২ হাজারের বেশি ভিডিও এবং প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। এসব নথির মধ্যে এপস্টেইন ও গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের মামলা, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্তের উপকরণ রয়েছে। তবে প্রকাশিত নথিতে কোনো ব্যক্তির নাম থাকা মানেই তিনি এপস্টেইনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, এমন নয়। জাস্টিস ডিপার্টমেন্টও জানিয়েছে, প্রকাশিত উপকরণের মধ্যে এমন কিছু নথি থাকতে পারে যা অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়েছিল এবং যার তথ্য সত্য নাও হতে পারে। ট্রাম্পের নামও বিপুলসংখ্যক নথিতে এসেছে। তবে তার বিরুদ্ধে এপস্টেইন-সংক্রান্ত কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি এবং ট্রাম্প এ ধরনের কোনো অন্যায় অস্বীকার করেছেন। হোয়াইট হাউস কার্লসনের বক্তব্যকে সরাসরি স্বীকার করেনি। প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র লরেন বিস দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে বলেন, এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাম্প পুরোপুরি দায়মুক্ত এবং তার প্রশাসন বিপুল নথি প্রকাশ, হাউস ওভারসাইট কমিটির সাবপোনা সহযোগিতা এবং নতুন আইন স্বাক্ষরের মাধ্যমে আগের যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় এপস্টেইনের ভুক্তভোগীদের জন্য বেশি করেছে বলে দাবি করেন। এদিকে জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের এপস্টেইন লাইব্রেরি এখনও নিয়মিত আপডেট করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নথিগুলোতে ভুক্তভোগীদের পরিচয় ও সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন অংশ রেড্যাক্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে কংগ্রেসের বিভিন্ন কমিটিও এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
সভায় একটি সিরিঞ্জ থেকে ওমরের দিকে তরল ছোড়া ব্যক্তি আজ পাবেন সাজা
চাঁদের আশপাশেও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! মার্কিন সেনাদের সতর্ক করে ট্রাম্পের শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা
ইসলামবিরোধী’, বিতর্কিত হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
প্রায় এক মাসের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ইলিনয়ের ১.০৪ বিলিয়ন ডলারের পাওয়ারবল জ্যাকপটের বিজয়ী সামনে এসে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। ১২ আগস্টের ড্রতে জেতা টিকিটটি ইলিনয়ের কুইন্সির একটি হাই-ভি ফাস্ট অ্যান্ড ফ্রেশ দোকান থেকে কেনা হয়েছিল। ইলিনয় লটারি কর্তৃপক্ষ ১৫ সেপ্টেম্বর বিজয়ীর পুরস্কার গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিজয়ী নিজের পরিচয় প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইলিনয় লটারির কর্মকর্তাদের তিনি জানিয়েছেন, প্রথমে নিজের জয়ের খবর বিশ্বাসই করতে পারেননি। নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরিবারের একজন সদস্যকে ফোন করে নম্বর মিলিয়ে দেখেন। এরপরও এত বড় পুরস্কার জেতার বিষয়টি পুরোপুরি বিশ্বাস করতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই জ্যাকপটের জন্য বিজয়ী মাত্র ২ ডলারের একটি কুইক পিক টিকিট কিনেছিলেন। ১২ আগস্টের ড্রতে তার টিকিটে থাকা ছয়টি নম্বরই মিলে যায়। বিজয়ী নম্বর ছিল ৪, ২৬, ৬৬, ৬৭, ৬৯ এবং পাওয়ারবল ৯। ওই একটি টিকিটই পুরো ১.০৪ বিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট জিতে নেয়। তবে পুরো ১.০৪ বিলিয়ন ডলার একসঙ্গে হাতে পাবেন না বিজয়ী। তিনি এককালীন নগদ অর্থ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই নগদ পরিমাণ আনুমানিক ৪৫০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার, যা কর কাটার আগের হিসাব। ফলে কর পরিশোধের পর প্রকৃত হাতে পাওয়া অর্থ আরও কম হবে। লটারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরস্কার দাবি করার আগে বিজয়ী কয়েক সপ্তাহ আইনজীবী ও আর্থিক পরামর্শকদের সঙ্গে কাজ করেছেন। এত বড় অর্থের পুরস্কার গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি ও আর্থিক প্রস্তুতি নেওয়ার পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার গ্রহণ করেন। ইলিনয় আইনে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা তার বেশি লটারির পুরস্কারজয়ীরা পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ করতে পারেন। এই ১.০৪ বিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট ইলিনয়ের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লটারি পুরস্কার। একই সঙ্গে এটি পাওয়ারবলের ইতিহাসে অষ্টম সর্বোচ্চ জ্যাকপট। টিকিটটি বিক্রি করা কুইন্সির হাই-ভি ফাস্ট অ্যান্ড ফ্রেশ দোকানটিও ৫ লাখ ডলারের খুচরা বিক্রেতা বোনাস পেয়েছে। পাওয়ারবল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই জ্যাকপটের আগে টানা কয়েক দফা ড্রতে কেউ শীর্ষ পুরস্কার জিততে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ আগস্টের ড্রতে ইলিনয়ের একটি মাত্র টিকিট সব নম্বর মেলায় ১.০৪ বিলিয়ন ডলারের পুরস্কার নিশ্চিত করে। ইলিনয় লটারি জানিয়েছে, ওই জ্যাকপটকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে বিপুল সংখ্যক বিজয়ী টিকিট বিক্রি হয়েছিল। জ্যাকপটের বাইরে ইলিনয়ের খেলোয়াড়রা প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলারের বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। একই সময়ে জ্যাকপটের টিকিট বিক্রির পুরো সময়জুড়ে স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারাও কমিশন ও বোনাস পেয়েছেন। এদিকে পরিচয় গোপন রাখায় এখনো জানা যায়নি, কে এই বিশাল অর্থের মালিক হয়েছেন। তবে এক টিকিটে মাত্র ২ ডলারের বিনিময়ে ১.০৪ বিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট জেতার ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের লটারি ইতিহাসের সাম্প্রতিক বড় ঘটনাগুলোর একটি হয়ে থাকল।
গাড়ির এই শব্দগুলো শুনলে সতর্ক হোন, না হলে বাড়তে পারে মেরামতের খরচ
মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ৫ মিনিটের কলে ৮০ কর্মী ছাঁটাই! ভারতীয় পুরো টিমকে চাকরিচ্যুত
আমেরিকানরা এখন ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে ধনী, দারিদ্র্যও নেমেছে রেকর্ড সর্বনিম্নে
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে গৃহহীন মানুষের আবাসন ও সহায়তার জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। একই ঘটনায় চতুর্থ এক ব্যক্তি অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে দোষ স্বীকার করতে সম্মত হয়েছেন। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, এসব ঘটনায় কোটি কোটি ডলারের সরকারি অর্থ ব্যক্তিগত খরচ, ব্যবসা ও অন্যান্য কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর মার্কিন বিচার বিভাগের ক্যালিফোর্নিয়ার সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি কার্যালয় জানায়, গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দ অর্থের অপব্যবহার ও দুর্নীতি তদন্তে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযানের অংশ হিসেবে এসব মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ‘হোম অ্যাট লাস্ট’ নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা মাইকেল ইয়ং, ‘দ্য বিগ ব্লু আমব্রেলা’র প্রধান নির্বাহী ডনিয়ে মিচেল এবং ‘স্পেশাল সার্ভিস ফর গ্রুপস’-এর কর্মী লাকিয়া ম্যালোন। চতুর্থ ব্যক্তি আলেকজান্ডার সুফার ‘অ্যাবানড্যান্ট ব্লেসিংস’ নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক ছিলেন। মাইকেল ইয়ংয়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, গৃহহীনদের আবাসন ও সেবা দেওয়ার জন্য বরাদ্দ ৭৫ লাখ ডলারের বেশি অর্থ তিনি ভুয়া প্রতিষ্ঠান ও বিলিং ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। পরে সেই অর্থের একটি অংশ বাণিজ্যিক সম্পত্তি, বিলাসবহুল ভ্রমণ, পুরোনো গাড়ি সংস্কার এবং একটি রেস্তোরাঁ ও নাইটক্লাব নির্মাণে ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ইয়ং কাল্পনিক বা ভুয়া সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিলেন। এসব প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের কোম্পানি হিসেবে দেখিয়ে ভুয়া দরপত্র, জাল স্বাক্ষর ও মিথ্যা চালান ব্যবহার করা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মী, কার্যকর কার্যালয় বা স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ছিল না। এর মাধ্যমে সরকারি অর্থ নিজের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে প্রসিকিউশন। অভিযোগের একটি অংশে বলা হয়েছে, ইয়ং ইনগেলউডে ‘সিক্স সেভেন ফাইভ লাউঞ্জ’ নামে একটি বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ ও নাইটক্লাব চালু করতে সরকারি অর্থের ১০ লাখ ডলারের বেশি ব্যবহার করেন। ওই ব্যবসার মদের লাইসেন্স, স্থপতি, নির্মাণকাজ এবং অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জার খরচেও করদাতাদের অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ওই অর্থ দিয়ে গৃহহীনদের আবাসনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাণিজ্যিক সম্পত্তিও কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইয়ংয়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লস অ্যাঞ্জেলেস হোমলেস সার্ভিসেস অথরিটির কাছ থেকে পাওয়া অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগের নথি অনুযায়ী, হোম অ্যাট লাস্টকে দেওয়া চুক্তিগুলো ২০২৬ সালের জুনে বাতিল করে লস অ্যাঞ্জেলেস হোমলেস সার্ভিসেস অথরিটি। সংস্থাটি জানিয়েছে, অনিয়মের শক্ত প্রমাণ পাওয়া এবং চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থতার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্বিতীয় মামলায় ডনিয়ে মিচেলের বিরুদ্ধে ১২ লাখ ডলারের বেশি অনুদান প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মিচেল ‘দ্য বিগ ব্লু আমব্রেলা’র প্রধান নির্বাহী ও নির্বাহী পরিচালক। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, তিনি লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির অর্থায়নে পরিচালিত একটি সংস্থার কাছে নিজের প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও গৃহহীনদের আবাসন দেওয়ার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে ওই অর্থ পান। অভিযোগ অনুযায়ী, অর্থ পাওয়ার পর মিচেল প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন ও ব্যয়ের তথ্যেও অসত্য তথ্য দেন। সরকারি অনুদানের অর্থের একটি অংশ নিজের জামিনের খরচ, ক্রেডিট কার্ডের দেনা, পরিবারের সদস্যদের কাছে অর্থ পাঠানো, বাসাভাড়া এবং ভিডিও গেম কেনার মতো ব্যক্তিগত খরচে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসে প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার ডলার দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থা মিচেলের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে। মিচেলের বিরুদ্ধে তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১২ লাখ ডলারের বেশি অনুদান প্রতারণার অভিযোগে তারের মাধ্যমে প্রতারণার মামলা করা হয়েছে। তিনি ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রেপ্তার হননি এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষ তাকে পলাতক হিসেবে বিবেচনা করছে। তৃতীয় ঘটনায় স্পেশাল সার্ভিস ফর গ্রুপসের কর্মী লাকিয়া ম্যালোনের বিরুদ্ধে ২১টি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, তিনি আলেকজান্ডার সুফারের কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার ডলারের বেশি ঘুষ ও অবৈধ অর্থ নিয়েছেন। বিনিময়ে তিনি গৃহহীনদের আবাসন কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লোক পাঠাতেন। এসব ব্যক্তির মধ্যে এমন কথিত ‘ভুয়া অংশগ্রহণকারী’ও ছিল, যারা বাস্তবে সংশ্লিষ্ট আবাসনকেন্দ্রে থাকতেন না। তদন্তকারীদের অভিযোগ, এসব কাল্পনিক অংশগ্রহণকারীর জন্য ভুয়া স্বাগতপত্র, উপস্থিতির তালিকা এবং যোগ্যতার নথি তৈরি করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে সুফারের প্রতিষ্ঠান স্পেশাল সার্ভিস ফর গ্রুপসের কাছ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ পাওয়ার সুযোগ তৈরি করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ম্যালোনকে এসব কথিত সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছিল বলে প্রসিকিউটরদের দাবি। এই মামলার সঙ্গে যুক্ত চতুর্থ ব্যক্তি আলেকজান্ডার সুফার তারের মাধ্যমে প্রতারণা ও অর্থপাচারের একটি করে অভিযোগে দোষ স্বীকার করতে সম্মত হয়েছেন। মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তিনি স্বীকার করেছেন যে গৃহহীনদের সহায়তার জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থের ২ কোটি ৩০ লাখ ডলার তিনি পেয়েছিলেন। এর অন্তত ২০ লাখ ডলার ব্যক্তিগত সুবিধা ও গৃহহীনদের আবাসনের সঙ্গে সম্পর্কহীন ব্যবসায় ব্যবহারের কথাও তিনি স্বীকার করেছেন। সুফার অবৈধভাবে পাওয়া অর্থ সরকারের কাছে ফেরত দিতে সম্মত হয়েছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে তার দোষ স্বীকারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, এসব মামলার তদন্তে এফবিআই, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বিভাগ বা আইআরএসের অপরাধ তদন্ত শাখা এবং আবাসন ও নগর উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিদর্শকের কার্যালয় কাজ করছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা আরও চলবে। মার্কিন আবাসন ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী স্কট টার্নার বলেছেন, গৃহহীনদের সহায়তার জন্য দেওয়া সরকারি অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রথম সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিল এসাইলিও বলেছেন, এসব ঘটনায় সরকারি অর্থের ওপর নজরদারি ও জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে মামলাগুলোর সব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। মার্কিন বিচার বিভাগের নথিতেও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, অভিযোগপত্র ও ফৌজদারি অভিযোগ কেবল প্রসিকিউশনের অভিযোগ তুলে ধরে। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত সবাই আইনগতভাবে নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন। সূত্র: মার্কিন বিচার বিভাগ, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস
নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাসে বদলে গেল ৩ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন নাগরিকের কংগ্রেসনাল জেলা
৩ বছর পর সুদের হার বাড়াল মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক, প্রভাব পড়তে পারে অর্থনীতিতে