কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম প্রবাসী নাসির উদ্দিনের পরিবারকে ডাকাতির ঘটনায় মূল আসামিদের ধরিয়ে দিতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ডাকাতদের ধরা পড়ার সময় আহত হলে তাদের চিকিৎসা ব্যয়ও তিনি বহন করবেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে মনোহরগঞ্জ উপজেলার ভাউপুর গ্রামে নাসির উদ্দিনের বাড়ি পরিদর্শনকালে এই ঘোষণা দেন সংসদ সদস্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। স্থানীয় সূত্র ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, ৮ মার্চ রাত ১০টার দিকে নাসির উদ্দিন তার শ্বশুরবাড়ি কিসমত গ্রামে যাওয়ার জন্য অটোরিকশায় চলছিলেন। ভাউপুর গ্রামের আলী মিয়ার বাড়ির সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা সৈয়দ আহমেদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন ও রুহুল আমিনের ছেলে ইলিয়াস তার অটোরিকশা আটকিয়ে নাসিরকে গলায় ছুরি ধরে নামিয়ে নেন। এরপর তাঁকে ভাউপুর দক্ষিণপাড়া নুরানি মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে গিয়ে মারধর এবং টাকা-পয়সা আছে কিনা জানতে চেষ্টা করা হয়। অত্যাচারে হতাশ হয়ে নাসির জানান, টাকা তার শ্বশুরবাড়িতে আছে। রাত পৌনে ১১টার দিকে সাদ্দাম ও ইলিয়াস নাসিরকে জিম্মি করে শ্বশুর হাজি হাশেমের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে একই গ্রামের আরও তিনজন—শাহ আলম (শামসুল হকের ছেলে), মো. রাসেল (রোয়াব মিয়ার ছেলে) ও কামাল হোসেন (মৃত ছাদেকের ছেলে)—সাথে যোগ দিয়ে পুরো পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন। ডাকাতির সময় নাসিরের এক বছর বয়সী ছেলের গলায় ছুরি ধরে হুমকি দেওয়া হয় এবং ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও স্ত্রী ব্যবহৃত প্রায় চার ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়। পরবর্তী দিন গ্রামবাসী একত্র হয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবি জানালে সংসদ সদস্য আবুল কালাম মনোহরগঞ্জ থানার ওসিকে তৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। ৯ মার্চ নাসির উদ্দিন থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম হোসেন ও শাহ আলম (সালাউদ্দিন)কে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় চার ভরি স্বর্ণ ও এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা। মনোহরগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম জানিয়েছেন, বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। সর্বশেষ ক্যালিফোর্নিয়ার বে এরিয়ায় এক দুঃসাহসিক স্ম্যাশ-অ্যান্ড-গ্র্যাব ডাকাতির ঘটনায় মাত্র এক মিনিটের মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ ডলারের স্বর্ণ ও হীরার গয়না লুট করে পালিয়ে গেছে একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত। পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করেই একটি জুয়েলারি দোকানে ঢুকে পড়ে এবং হাতুড়ি ও ভারী বস্তু দিয়ে কাচের শোকেস ভাঙতে শুরু করে। দোকানের কর্মচারীরা আতঙ্কে নিরাপদ স্থানে সরে যান, আর সেই সুযোগে ডাকাতরা দ্রুত মূল্যবান গয়না ব্যাগে ভরে ফেলে। পুরো ঘটনাটি ঘটে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ সেকেন্ডের মধ্যে, যা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ডাকাতরা ঘটনাস্থল থেকে একাধিক গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত এলাকায় অভিযান চালায় এবং সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই ডাকাতির সাথে একটি সংগঠিত অপরাধচক্র জড়িত। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ক্যালিফোর্নিয়া সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মব-স্টাইল স্ম্যাশ-অ্যান্ড-গ্র্যাব ডাকাতি বেড়ে গেছে। বিশেষ করে বিলাসবহুল দোকান, জুয়েলারি শপ ও ব্র্যান্ডেড স্টোরগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে, কারণ অল্প সময়ে বড় অঙ্কের মালামাল লুট করা সম্ভব। পুলিশ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম প্রবাসী নাসির উদ্দিনের পরিবারকে ডাকাতির ঘটনায় মূল আসামিদের ধরিয়ে দিতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ডাকাতদের ধরা পড়ার সময় আহত হলে তাদের চিকিৎসা ব্যয়ও তিনি বহন করবেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে মনোহরগঞ্জ উপজেলার ভাউপুর গ্রামে নাসির উদ্দিনের বাড়ি পরিদর্শনকালে এই ঘোষণা দেন সংসদ সদস্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। স্থানীয় সূত্র ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, ৮ মার্চ রাত ১০টার দিকে নাসির উদ্দিন তার শ্বশুরবাড়ি কিসমত গ্রামে যাওয়ার জন্য অটোরিকশায় চলছিলেন। ভাউপুর গ্রামের আলী মিয়ার বাড়ির সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা সৈয়দ আহমেদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন ও রুহুল আমিনের ছেলে ইলিয়াস তার অটোরিকশা আটকিয়ে নাসিরকে গলায় ছুরি ধরে নামিয়ে নেন। এরপর তাঁকে ভাউপুর দক্ষিণপাড়া নুরানি মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে গিয়ে মারধর এবং টাকা-পয়সা আছে কিনা জানতে চেষ্টা করা হয়। অত্যাচারে হতাশ হয়ে নাসির জানান, টাকা তার শ্বশুরবাড়িতে আছে। রাত পৌনে ১১টার দিকে সাদ্দাম ও ইলিয়াস নাসিরকে জিম্মি করে শ্বশুর হাজি হাশেমের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে একই গ্রামের আরও তিনজন—শাহ আলম (শামসুল হকের ছেলে), মো. রাসেল (রোয়াব মিয়ার ছেলে) ও কামাল হোসেন (মৃত ছাদেকের ছেলে)—সাথে যোগ দিয়ে পুরো পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন। ডাকাতির সময় নাসিরের এক বছর বয়সী ছেলের গলায় ছুরি ধরে হুমকি দেওয়া হয় এবং ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও স্ত্রী ব্যবহৃত প্রায় চার ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়। পরবর্তী দিন গ্রামবাসী একত্র হয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবি জানালে সংসদ সদস্য আবুল কালাম মনোহরগঞ্জ থানার ওসিকে তৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। ৯ মার্চ নাসির উদ্দিন থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম হোসেন ও শাহ আলম (সালাউদ্দিন)কে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় চার ভরি স্বর্ণ ও এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা। মনোহরগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম জানিয়েছেন, বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। সর্বশেষ ক্যালিফোর্নিয়ার বে এরিয়ায় এক দুঃসাহসিক স্ম্যাশ-অ্যান্ড-গ্র্যাব ডাকাতির ঘটনায় মাত্র এক মিনিটের মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ ডলারের স্বর্ণ ও হীরার গয়না লুট করে পালিয়ে গেছে একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত। পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করেই একটি জুয়েলারি দোকানে ঢুকে পড়ে এবং হাতুড়ি ও ভারী বস্তু দিয়ে কাচের শোকেস ভাঙতে শুরু করে। দোকানের কর্মচারীরা আতঙ্কে নিরাপদ স্থানে সরে যান, আর সেই সুযোগে ডাকাতরা দ্রুত মূল্যবান গয়না ব্যাগে ভরে ফেলে। পুরো ঘটনাটি ঘটে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ সেকেন্ডের মধ্যে, যা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ডাকাতরা ঘটনাস্থল থেকে একাধিক গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত এলাকায় অভিযান চালায় এবং সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই ডাকাতির সাথে একটি সংগঠিত অপরাধচক্র জড়িত। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ক্যালিফোর্নিয়া সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মব-স্টাইল স্ম্যাশ-অ্যান্ড-গ্র্যাব ডাকাতি বেড়ে গেছে। বিশেষ করে বিলাসবহুল দোকান, জুয়েলারি শপ ও ব্র্যান্ডেড স্টোরগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে, কারণ অল্প সময়ে বড় অঙ্কের মালামাল লুট করা সম্ভব। পুলিশ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
We use cookies to improve your experience, deliver personalized content and ads, and analyze our traffic. By continuing to browse our site, you agree to our use of cookies. Cookie Policy