প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রত্যাশিত দেশ গড়ে তুলতে সরকার সর্বাত্মকভাবে দিন-রাত কাজ করবে। তিনি দাবি করেন, গত ১৬ বছরে দেশে উন্নয়ন হয়নি এবং দেশের উন্নয়নের জন্য তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। উন্নয়নের সুফল পেতে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বানও জানান তিনি। সোমবার দিনাজপুর সার্কিট হাউজ মাঠে এক সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় নানাবাড়ির স্মৃতির কথা উল্লেখ করে দিনাজপুর এলাকার উন্নয়নে নিজের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, শিগগিরই দেশের শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেই বৈঠকে সারা দেশে শিল্প কারখানা স্থাপন করে কীভাবে দেশের উন্নয়ন করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে দিনাজপুরে শিল্প কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, সরকারের মেয়াদ এখনো এক মাসও পূর্ণ হয়নি। এর মধ্যেই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, ধর্মীয় গুরুদের সম্মানি ভাতা প্রদান এবং খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি জানান, আগামী মাসে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দিনাজপুরসহ সারা দেশের পানির সমস্যা সমাধান হবে এবং কৃষি জমিতে সেচের জন্য পানির সংকট কমবে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ওপরে উঠলে আর্সেনিক সমস্যাও কমে আসবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল হালিম, দিনাজপুর চেম্বার অ্যান্ড কমার্সের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, জেলা জমিয়তে ইসলামীর সভাপতি মতিউর রহমান কাশেমী এবং জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম।
মহান ভাষা দিবসে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের প্রটোকল নিয়ে দিনাজপুরে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) কর্তৃক প্রটোকল লঙ্ঘন করে সংসদ সদস্যের আগে শ্রদ্ধা নিবেদনের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন দিনাজপুর-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। বিষয়টিকে 'গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন' হিসেবে আখ্যায়িত করে এর কড়া জবাব নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। শনিবার দুপুরে দিনাজপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন এই জনপ্রতিনিধি। জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, প্রটোকল অনুযায়ী সংসদ সদস্যের পর জেলা প্রশাসকের শ্রদ্ধা জানানোর নিয়ম থাকলেও, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তার তোয়াক্কা করা হয়নি। এমনকি মাইকিং করার সময়ও সংসদ সদস্যের নামের আগে জেলা প্রশাসকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, যা শিষ্টাচার বহির্ভূত। সংসদ সদস্য আরও বলেন, "একজন পার্লামেন্ট মেম্বার নিশ্চয়ই ডিসির নিচে নন। তারা দাবি করছেন এই নিয়ম নাকি তাদের জানাই নেই। প্রশাসনের এমন আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। আগামীকাল আইনশৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে আমি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট জবাব চাইব।" প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে দিনাজপুর গোড়-এ শহিদ ময়দানের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে যান সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক। সেখানে ডিসি রফিকুল ইসলাম আগে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে মাইকে ঘোষণাকারী জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করলেও তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। সরকারি মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন এবং ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। একটি স্পর্শকাতর রাষ্ট্রীয় দিবসে প্রশাসনের এমন 'প্রটোকল বিভ্রাট' নিয়ে এখন জেলাজুড়ে বইছে আলোচনার ঝড়।
পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। চট্টগ্রাম নগরীর জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় একজন ক্রেতা ৯০ টাকায় এক ডজন ডিম, ৮০ টাকায় এক লিটার দুধ এবং ৭০০ টাকায় এক কেজি গরুর মাংস কিনতে পারছেন। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া পুরো রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিন দুটি ট্রাকে করে নগরীর বিভিন্ন স্থানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ভোক্তা এই সুবিধা পাবেন। কম দামে নিত্যপণ্য পেয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্তোষ দেখা গেছে। এদিকে দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ বড় ময়দান সংলগ্ন সড়কের পাশেও সুলভ মূল্যে ডিম, মুরগি ও গরুর মাংস বিক্রি শুরু হয়েছে। সেখানে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকা, সোনালী মুরগি ২৭৫ টাকা এবং ডিম প্রতি হালি ৩২ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। দিনাজপুরে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি গরুর মাংস, দুটি মুরগি এবং তিন হালি ডিম কিনতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষিতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর আগামীকাল বুধবার থেকে তিনদিনের জন্য আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, হিলি বন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ১৩ ফেব্রুয়ারি বন্দর বন্ধ থাকবে সাপ্তাহিক ছুটির কারণে। জাতীয় নির্বাচনের কারণে ১১ এবং ১২ ফেব্রুয়ারি এই বন্দর দিয়ে কোনো আমদানি বা রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে না। তবে, ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে পুনরায় সব নিয়মিত বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে। বন্দর সংক্রান্ত সূত্র জানিয়েছে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম তিনদিন বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন সেবার ক্ষেত্রে ভিন্ন সময়সূচি থাকবে। হিলি স্থলবন্দর প্রশাসনের কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান জানান, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা থেকে পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত ইমিগ্রেশন সেবা বন্ধ থাকবে। অন্যান্য দিন সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী পাসপোর্টধারী যাত্রীরা বন্দর ব্যবহার করতে পারবেন।
যারা মা-বোনদের কাপড় খুলে ফেলতে চায়, তাদের ভোটের মাধ্যমে লাল কার্ড দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুরে এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এই আহ্বান জানান। হাসনাত বলেন, আমরা প্রত্যেকটা ভোটারের কাছে যাবো। বার বার যাবো। এই জুলাই যোদ্ধারা, যারা মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে এসেছে, তাদেরকে ভাট দখলের ভয় দেখায়েন না। যারা ভোট দখল করতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে আমাদের ছাত্র শক্তি ও শিবিরের ভাইয়েরাই যথেষ্ট। সমাবেশে উপস্থিত মা-বোনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের সন্তান নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে। জুলাইয়ে আপনারা যেভাবে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন, সেভাবে এই শাপলা কলিকে জেতানোর জন্য ফজরের নামাজ পড়ে ভোট দিয়ে বাসায় গিয়ে নাস্তা করবেন।’ তিনি বলেন, ‘আপনাদের আচলে পরম মমতায় আমাদের আগলে রাখবেন। যারা মা-বোনের কাপড় খুলে ফেলতে চায়, তাদের ভোটের মাধ্যমে লাল কার্ড দেখাবেন। যারা আপনাদের বিবস্ত্র করতে চাই, তারা ক্ষমতায় এলে সমগ্র বাংলাদেশকে বিবস্ত্র করে ফেলবে। যারা আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি করতে চাই, মাথার হিজাব খুলে ফেলতে চাই, তাদের ভোট দিয়ে জবাব দেবেন।’
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে নারী-বিদ্বেষী বক্তব্য প্রচারের ঘটনায় কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আপনারা জাতির সামনে বলছেন, আপনাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা প্রমাণ করেছেন, আপনাদের কোনো হ্যাকিং হয়নি। বাঁচার জন্য আপনারা মিথ্যা কথা বলছেন। যারা নির্বাচনের আগে জনগণের সঙ্গে মিথ্যা বলতে পারে, তারা নির্বাচনের পরে কী পরিমাণ মিথ্যা বলতে পারে—তা সহজেই অনুমেয়।’ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর সদর উপজেলার উপশহর কলেজ মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামী দেশের নারীদের ঘরের ভেতর আটকে রাখতে চায়। সে কারণেই দলটির শীর্ষ নেতা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাখো কর্মজীবী মা-বোনদের নিয়েও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অথচ এখন সেই দলই আবার নিজেদের নারী কর্মীদের গ্রামে গ্রামে পাঠাচ্ছে এনআইডি নম্বর ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহের জন্য। তিনি অভিযোগ করেন, হয়তো কাউকে সামান্য অর্থও দেওয়া হতে পারে, কিন্তু পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। তিনি বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরাও ঘর থেকে বের হয়ে দলের কাজে অংশ নেন। সে ক্ষেত্রে তাদের দলের নেতারা নারীদের সম্পর্কে কী ধরনের মানসিকতা পোষণ করেন, সে প্রশ্ন তোলার অধিকার সবার রয়েছে। তারেক রহমান ইসলামের ইতিহাস উল্লেখ করে বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর স্ত্রী হজরত খাদিজা (রা.) ছিলেন একজন কর্মজীবী ও সফল ব্যবসায়ী নারী। বদরের যুদ্ধে মুসলমান বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও রসদের ব্যবস্থাপনা তিনি করেছিলেন। একই যুদ্ধে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও হজরত আয়েশা (রা.)–এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছিল, যা আজকের নার্সিং ব্যবস্থার প্রাথমিক রূপ। তিনি বলেন, সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামের এক নেতা বাংলাদেশের কর্মজীবী নারী, মা ও কন্যাদের সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। যারা নিজেদের দেশের মানুষকে এভাবে অবমাননাকর ভাষায় চিহ্নিত করে, তাদের কাছ থেকে জনগণ ভালো কিছু আশা করতে পারে না। নারী উন্নয়ন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, নারী সমাজকে সহযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সরকারে থাকাকালে মেয়েদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে চালু করেছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রতিটি পরিবারের একজন মা বা গৃহিণীর কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, নারী-পুরুষ উভয়ের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে বাংলাদেশ কখনো এগোতে পারবে না। নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলেই কেবল দেশ এগোবে। নির্বাচন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, অতীতে যেভাবে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে এবং বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে, এখন আবার একটি মহল নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, এ উদ্দেশ্যে জামায়াত তাদের লোকজনকে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহে পাঠাচ্ছে। এ বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। ভোট গণনা নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোট গণনায় দেরি হওয়ার অজুহাতে কেউ যদি সুযোগ নিতে চায়, তাহলে তা প্রতিরোধ করতে হবে। বাংলাদেশের মানুষের ভোট দেওয়ার ও ভোট গণনার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। জনসভায় তারেক রহমান ঘোষণা দেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে। কৃষিকার্ডের মাধ্যমে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থাও করা হবে। যুবক-যুবতীদের জন্য আইটি পার্ক স্থাপনসহ কর্মসংস্থানের বিকল্প সুযোগ তৈরির প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকারে এলে যশোরের উলাশী খাল পুনঃখননসহ সারাদেশে হাজার হাজার খাল খনন করে কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে এবং জিয়াউর রহমানের আমলে চালু ‘জিকে প্রকল্প’ পুনরায় কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ সব ধর্মের সম্মানিত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী ভাতা চালুর প্রতিশ্রুতিও দেন। মুক্তিযুদ্ধে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ সবার—মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের। ঐক্যবদ্ধভাবেই দেশ স্বাধীন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ঐক্যবদ্ধ হয়েই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। জনসভার শেষ পর্বে তিনি যশোরের ছয়টি আসনসহ বৃহত্তর যশোর-কুষ্টিয়ার ২২টি আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের বিজয়ের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস বেগমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস