ফ্লোরিডা ছাড়ছেন

বয়স্ক দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত
এক সময় অবসরের স্বর্গ, এখন ব্যয়ের চাপে ফ্লোরিডা ছাড়ছেন অবসরপ্রাপ্তদের একাংশ

যুক্তরাষ্ট্রে অবসরজীবনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোর একটি ফ্লোরিডা। উষ্ণ আবহাওয়া, সমুদ্রসৈকত, অঙ্গরাজ্যের আয়কর না থাকা এবং একসময় তুলনামূলক কম খরচে বাড়ি কেনার সুযোগের কারণে উত্তর ও মধ্য-পশ্চিমাঞ্চল থেকে বহু আমেরিকান অবসরের পর সানশাইন স্টেট হিসেবে পরিচিত ফ্লোরিডায় চলে আসতেন। কিন্তু সেই পুরোনো হিসাব এখন বদলে যাচ্ছে। বাড়ির দাম, বাড়ির বীমা, কনডোর মাসিক ফি এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অবসরপ্রাপ্তদের একটি অংশ ফ্লোরিডা ছেড়ে তুলনামূলক কম ব্যয়ের অঙ্গরাজ্যে চলে যাচ্ছেন।   এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় উদাহরণ মায়ামি। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস বা বিইএর সর্বশেষ আঞ্চলিক মূল্যস্তরের তথ্য অনুযায়ী, মায়ামি মহানগর এলাকা এখন দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এলাকাগুলোর একটি। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সামগ্রিক মূল্যস্তরের হিসাবে মায়ামি নিউইয়র্ক মহানগর এলাকাকেও ছাড়িয়ে গেছে এবং সান ফ্রান্সিসকোর পর দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয়ের মহানগর এলাকায় উঠে এসেছে।   ২৭ জুলাই প্রকাশিত দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন সাশ্রয়ী অবসরজীবনের গন্তব্য হিসেবে পরিচিত মায়ামির কিছু এলাকায় এখন জীবনযাত্রার ব্যয় নিউইয়র্কের চেয়েও বেশি।   যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও মহানগর এলাকায় পণ্য, সেবা ও আবাসনসহ সামগ্রিক মূল্যস্তরের পার্থক্য পরিমাপ করে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের তথ্য ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ করা হয়েছে।   ফ্লোরিডার পুরো চিত্র অবশ্য মায়ামির মতো নয়। অঙ্গরাজ্যের অনেক শহর ও ছোট এলাকায় এখনো দক্ষিণ ফ্লোরিডার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম খরচে বসবাস করা সম্ভব। কিন্তু অবসরপ্রাপ্তদের কাছে সবচেয়ে পরিচিত কিছু উপকূলীয় এলাকায় খরচ বৃদ্ধির প্রভাব অনেক বেশি।   সবচেয়ে বড় চাপগুলোর একটি বাড়ির ইন্সুরেন্স। হারিকেন, বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগের ঝুঁকি, বাড়ি পুনর্নির্মাণের ব্যয় এবং ফ্লোরিডার বীমা বাজারের দীর্ঘদিনের অস্থিরতা বাড়ির মালিকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট মাসিক আয় বা অবসরকালীন সঞ্চয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জন্য কয়েক হাজার ডলারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় পুরো অবসরকালীন বাজেট বদলে দিতে পারে।   বাড়ির ঋণ পুরোপুরি পরিশোধ হয়ে গেলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। বাড়ির বীমা, সম্পত্তি কর, বাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ, গাড়ির বীমা এবং অন্যান্য খরচ অব্যাহত থাকে।   কনডো মালিকদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। ২০২১ সালে মায়ামি এলাকার সার্ফসাইডে চ্যামপ্লেইন টাওয়ার্স সাউথ ধসে ৯৮ জন নিহত হওয়ার পর ফ্লোরিডা পুরোনো কনডো ভবনের নিরাপত্তা ও আর্থিক রিজার্ভ নিয়ে কঠোর আইন করে। ভবনের প্রয়োজনীয় মেরামতের অর্থ আগে থেকেই সংরক্ষণ করার নিয়ম অনেক কনডো অ্যাসোসিয়েশনের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহের প্রয়োজন তৈরি করেছে।   ফলে কিছু কনডো মালিকের মাসিক বা বার্ষিক অ্যাসোসিয়েশন ফি বেড়েছে। কোথাও আবার ভবনের বড় ধরনের সংস্কার ও মেরামতের জন্য মালিকদের কাছ থেকে বিশেষ অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। বহু বছর আগে কম দামে কনডো কিনে অবসর নেওয়া মানুষের জন্য এই অতিরিক্ত ব্যয় নতুন আর্থিক চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   ফ্লোরিডা থেকে ‘হাফব্যাক’ স্থানান্তর - ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি আলোচিত প্রবণতা, যাকে বলা হচ্ছে ‘হাফব্যাক’ স্থানান্তর।   দীর্ঘদিনের একটি পরিচিত প্রবণতা ছিল নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, পেনসিলভানিয়া বা মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলের ঠান্ডা অঙ্গরাজ্য থেকে অবসরের পর সরাসরি ফ্লোরিডায় চলে আসা।   এখন তাদের একটি অংশ আবার পুরোপুরি উত্তরে ফিরে না গিয়ে মাঝামাঝি কোনো অঙ্গরাজ্যে চলে যাচ্ছেন। এ কারণেই এই প্রবণতাকে ‘হাফব্যাক’ বলা হচ্ছে।   সাম্প্রতিক রিয়েলটর ডটকমের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই প্রবণতায় নর্থ ক্যারোলাইনা, সাউথ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া ও টেনেসি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।   এসব অঙ্গরাজ্যের অনেক এলাকায় ফ্লোরিডার তুলনায় বাড়ির দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় কম। একই সঙ্গে তুলনামূলক উষ্ণ আবহাওয়া পাওয়া যায় এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে থাকা পরিবারের সদস্যদের কাছেও যাতায়াত সহজ।   ফলে একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ফ্লোরিডার জীবনযাত্রার কিছু সুবিধা ছেড়ে দিলেও তার বিনিময়ে মাসিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর সুযোগ পেতে পারেন।   তবে ‘অবসরপ্রাপ্তরা ফ্লোরিডা থেকে পালাচ্ছেন’ এমনভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করাও পুরো চিত্র তুলে ধরে না। ফ্লোরিডা এখনো বিপুলসংখ্যক নতুন বাসিন্দাকে আকর্ষণ করছে এবং দেশটির অন্যতম বড় অবসরপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল।   বরং পরিবর্তনটি হচ্ছে অবসরের গন্তব্য নির্বাচনের হিসাবের মধ্যে। একসময় শুধু উষ্ণ আবহাওয়া, সস্তা বাড়ি এবং অঙ্গরাজ্যের আয়কর না থাকার কারণে ফ্লোরিডা অনেকের কাছে প্রায় স্বাভাবিক পছন্দ ছিল। এখন সেখানে যাওয়ার আগে বাড়ির বীমা, কনডো ফি, সম্পত্তি কর, গাড়ির বীমা এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়ও হিসাব করতে হচ্ছে।   ফ্লোরিডার একটি বড় আর্থিক সুবিধা অবশ্য এখনো রয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত অঙ্গরাজ্য আয়কর নেই। ফলে সোশ্যাল সিকিউরিটি সুবিধা, পেনশন, ব্যক্তিগত অবসর হিসাব বা অন্যান্য অবসরকালীন আয়ের ওপর ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের আয়কর দিতে হয় না।   অবসরপ্রাপ্তদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। কিন্তু অঙ্গরাজ্যের আয়করে যে অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে, বাড়ি ও বীমার বাড়তি খরচ সেই সুবিধার কতটা কমিয়ে দিচ্ছে, সেটি এখন ব্যক্তিভেদে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।   বিশেষ করে মায়ামির মতো এলাকায় শুধু কর বিবেচনা করে অবসরের গন্তব্য নির্বাচন করলে প্রকৃত খরচের পুরো চিত্র পাওয়া যায় না।   ফ্লোরিডার আকর্ষণ কি তাহলে শেষ? এখনই এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।অঙ্গরাজ্যটির আবহাওয়া, সমুদ্রসৈকত, বড় অবসরপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা এবং অঙ্গরাজ্যের আয়কর না থাকার কারণে ফ্লোরিডা ভবিষ্যতেও বহু মানুষের পছন্দের অবসরকালীন গন্তব্য থাকবে।   একই সঙ্গে ফ্লোরিডার ভেতরেও জীবনযাত্রার ব্যয়ে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। মায়ামি বা দক্ষিণ ফ্লোরিডার ব্যয় দিয়ে পুরো অঙ্গরাজ্যের অবস্থা বিচার করা যাবে না। তুলনামূলক সাশ্রয়ী শহর ও ছোট জনপদ এখনো রয়েছে।   তারপরও একটি পরিবর্তন স্পষ্ট। বহু আমেরিকানের কাছে ‘অবসর মানেই ফ্লোরিডা’ এই দীর্ঘদিনের ধারণা এখন আর আগের মতো সরল নয়।   বিশেষ করে নির্দিষ্ট মাসিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল অবসরপ্রাপ্তদের জন্য প্রশ্নটি এখন শুধু কোথায় রোদ, সমুদ্র আর উষ্ণ আবহাওয়া পাওয়া যাবে তা নয়। বরং ১০ বা ২০ বছর পরও সেই জায়গায় বাড়ি, বীমা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা সম্ভব হবে কি না, সেটিই হয়ে উঠছে অবসর পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিসাব।

সিদ্দিকুর রহমান জুলাই ২৭, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

US Releases Official 10-Step Guide to Becoming an American Citizen Through Naturalisation

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেতে ১০ ধাপের সরকারি নির্দেশনা প্রকাশ, গ্রিন কার্ডধারীদের জন্য যা জানা জরুরি

বায়জিদ হাসান জুলাই ২৪, ২০২৬ ১৪:০