মিসর

উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের হামলা
উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের হামলা: কড়া নিন্দা জানাল মিসর

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কুয়েত ও বাহরাইনসহ আরব দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিসর। কায়রো এই হামলাকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের ‘চরম লঙ্ঘন’ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ‘অগ্রহণযোগ্য উসকানি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।   আল জাজিরার প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, আরব ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলে— এমন যেকোনো পদক্ষেপকে মিসর দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে। একই সঙ্গে অঞ্চলে উত্তেজনা কমিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।   বিবৃতিতে কুয়েত ও বাহরাইনের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে মিসর জানায়, তাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় যেকোনো হুমকির মোকাবিলায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হচ্ছে। মিসরের দৃষ্টিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা কেবল ওই দেশগুলোর জন্যই নয়, বরং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং মিসরের নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।   ইরানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করে মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এ ধরনের পুনরাবৃত্ত হামলার পক্ষে কোনো যৌক্তিক কারণ বা গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা থাকতে পারে না। এসব কর্মকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে। এমন পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসছে বিভিন্ন মহল থেকে।

নীলুফা নিশাত জুলাই ৮, ২০২৬ ১৪:০
মিসরের সেনাবাহিনীর একটি দল। ছবি: এএফপি
মিসরের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগে ইসরায়েল

মিসরের ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতা এবং সিনাই উপদ্বীপে সামরিক উপস্থিতি জোরদারের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক মহলে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে এ বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।   মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি প্ল্যাটফর্ম নিউজ–১ দেশটির নিরাপত্তা মূল্যায়নের সূত্র উল্লেখ করে দাবি করেছে যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিসরীয় সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সামরিক উন্নয়ন কর্মসূচি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তেল আবিবের নীতিনির্ধারকেরা।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের কিছু নিরাপত্তা মূল্যায়নে ধারণা করা হচ্ছে, মিসরের সামরিক ক্রয়, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিসর দেশটির পশ্চিম ও দক্ষিণ সীমান্তের প্রচলিত নিরাপত্তা চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মহলে প্রশ্ন উঠেছে, এই সক্ষমতা বৃদ্ধির পেছনে কায়রোর দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্য কী হতে পারে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরুর পর এবং আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তারের প্রেক্ষাপটে সিনাই উপদ্বীপে মিসরের সামরিক তৎপরতা আরও ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। বিশেষ করে অঞ্চলটিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামরিক স্থাপনা শক্তিশালী করার বিভিন্ন উদ্যোগ তেল আবিবের নজরে রয়েছে।   ইসরায়েলি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিজেদের সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় যেকোনো সামরিক পরিবর্তনকে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করে দেশটি। বিশেষ করে সিনাই উপদ্বীপের ক্ষেত্রে এ সংবেদনশীলতা আরও বেশি, কারণ অঞ্চলটি ১৯৭৯ সালের মিসর-ইসরায়েল শান্তিচুক্তির আওতায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত।   তবে একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনাই অঞ্চলে উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কায়রো ও তেল আবিবের মধ্যে বিস্তৃত নিরাপত্তা সমন্বয় ও সহযোগিতা বজায় রয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের দ্রুত পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যেই এই আলোচনা সামনে এসেছে। আঞ্চলিক উত্তেজনা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সম্ভাব্য নতুন হুমকির প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশ নিজেদের প্রতিরক্ষা কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করছে এবং সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদারে পদক্ষেপ নিচ্ছে।  

Unknown জুন ২৪, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদারে যৌথ যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ শুরু করেছে মিশর ও তুরস্ক

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দূরত্ব কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়ার মধ্যে এবার সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে মিসর ও তুরস্ক। দুই দেশ যৌথ বিমান বাহিনীর মহড়া শুরু করেছে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   মিসরের সশস্ত্র বাহিনী বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটির একাধিক বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণে যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা এবং যৌথ অভিযানে সমন্বয় সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।   মিসরের সামরিক মুখপাত্র জানান, প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে উভয় দেশের বহুমুখী যুদ্ধবিমান অংশ নিচ্ছে। কয়েক দিনব্যাপী চলা এই মহড়ায় আধুনিক নিরাপত্তা ও যুদ্ধক্ষেত্রের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অনুশীলন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মহড়ার প্রথম ধাপে দুই দেশের পাইলট ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে তাত্ত্বিক আলোচনা, পেশাগত মতবিনিময় এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে যৌথ অভিযানের ধারণা ও কৌশলগত সমন্বয় আরও সুসংহত করার চেষ্টা চলছে।   পরবর্তী ধাপে বাস্তব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মিসর ও তুরস্কের পাইলটরা যৌথভাবে প্রশিক্ষণ উড্ডয়ন পরিচালনা করছেন এবং বিভিন্ন কল্পিত সামরিক পরিস্থিতিতে সমন্বিত অভিযান পরিচালনার অনুশীলন করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এসব কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো যৌথ অভিযানে পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত সমন্বয় আরও কার্যকর করা। মিসরের সামরিক বাহিনী বলেছে, এই মহড়া অংশগ্রহণকারী সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন, যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে যৌথ বিমান অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই যৌথ মহড়া শুধু সামরিক প্রশিক্ষণ নয়, বরং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এক সময় আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে কায়রো ও আঙ্কারার মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য ছিল। বিশেষ করে ২০১৩ সালে মিসরের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে শীতল হয়ে পড়ে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উভয় দেশ সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়। কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, রাষ্ট্রদূত বিনিময় এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে।   মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় মিসর ও তুরস্কের এই ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা কৌশল এবং রাজনৈতিক ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমান যৌথ বিমান মহড়া সেই পরিবর্তিত সম্পর্কেরই একটি বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। উভয় দেশই আশা করছে, এই ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত সামরিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের পথ সুগম করবে।  

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুন ১২, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

আমেরিকার বিলাসবহুল শহর। ছবি:সংগৃহীত

নতুন বাসিন্দা খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য, দিচ্ছে ২৩ হাজার ডলার পর্যন্ত প্রণোদনা

সিদ্দিকুর রহমান আগস্ট ৩, ২০২৬ ১৪:০