সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

মিয়ামি-ডেড

মিয়ামি-ডেড কাউন্টিতে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের মজুরি নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ছবি: আমেরিকা বাংলা
নতুন আইনে মিয়ামির হাজারো কর্মীর মজুরি ঘণ্টায় ২২ ডলার থেকে নামতে পারে ১৫ ডলারে

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নতুন আইনের প্রভাবে মিয়ামি-ডেড কাউন্টির হাজারো কর্মীর মজুরি কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতদিন কাউন্টির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য নির্ধারিত ‘লিভিং ওয়েজ’ বা জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যূনতম মজুরি বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর নতুন বিধানের কারণে ভবিষ্যতের সরকারি চুক্তিতে সেই বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না।   মিয়ামি-ডেড কাউন্টি ১৯৯৯ সাল থেকে ১ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের নির্দিষ্ট সেবা চুক্তির ক্ষেত্রে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য লিভিং ওয়েজ বাধ্যতামূলক করে আসছে। মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্দিষ্ট সেবা ও ছাড়পত্রভিত্তিক ব্যবসার ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল সরকারি অর্থে পরিচালিত কাজ করা কর্মীরা যেন স্থানীয় জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় অত্যন্ত কম মজুরি না পান এবং কর্মস্থলের কাছাকাছি জীবনযাপন করতে পারেন।   ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মিয়ামি-ডেডের লিভিং ওয়েজ ঘণ্টায় ১৮.৪০ ডলার, যদি কর্মী নির্ধারিত স্বাস্থ্যসুবিধা পান। স্বাস্থ্যসুবিধা না থাকলে হারটি ঘণ্টায় ২২.৫৩ ডলার। এই হার ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বা তার আগে দেওয়া পুরোনো চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য থাকছে। কাউন্টির সরকারি নোটিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বা তার পর দেওয়া নতুন চুক্তিতে ফ্লোরিডার আইন অনুযায়ী কাউন্টি আর নিজস্ব ন্যূনতম মজুরি বা সুবিধা বাধ্যতামূলক করতে পারবে না।   এর ফলে এখনই অধিকাংশ কর্মীর বেতন কমে যাচ্ছে না। যেসব কর্মী ইতোমধ্যে কাউন্টির সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় কাজ করছেন, তাদের বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত লিভিং ওয়েজ পাওয়ার কথা। সমস্যা তৈরি হবে চুক্তিগুলো শেষ হওয়ার পর। তখন একই কাজের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হলে নতুন আইনের কারণে কাউন্টি আর ঠিকাদারকে ১৮.৪০ বা ২২.৫৩ ডলারের লিভিং ওয়েজ দেওয়ার শর্ত দিতে পারবে না।   ফ্লোরিডার ন্যূনতম মজুরি ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ঘণ্টায় ১৫ ডলারে পৌঁছেছে। ২০২০ সালে রাজ্যের ভোটারদের অনুমোদিত সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে ধাপে ধাপে ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে এই পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে কোনো নতুন চুক্তির ক্ষেত্রে যদি নিয়োগকর্তা নিজে থেকে বেশি মজুরি না দেয় এবং অন্য কোনো চুক্তিগত বা আইনি বাধ্যবাধকতা না থাকে, তাহলে ১৫ ডলারই প্রযোজ্য ন্যূনতম মজুরি হবে।   হিসাবটি কর্মীদের জন্য বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে। বর্তমানে স্বাস্থ্যসুবিধা ছাড়া ঘণ্টায় ২২.৫৩ ডলার পাওয়া একজন পূর্ণকালীন কর্মীকে ভবিষ্যতে ১৫ ডলারে নামিয়ে আনা হলে প্রতি ঘণ্টায় ৭.৫৩ ডলার কমে যাবে। সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা এবং বছরে ৫২ সপ্তাহ কাজের হিসাবে এতে বছরে প্রায় ১৫ হাজার ৬৬২ ডলার আয় কমতে পারে। তবে এই হিসাব সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ব্যবধান বোঝায়, কারণ নতুন আইন কোনো নিয়োগকর্তাকে কর্মীদের বেতন সরাসরি ১৫ ডলারে নামিয়ে দিতে বাধ্য করছে না।   মিয়ামি-ডেডের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কাউন্টির লিভিং ওয়েজের আওতায় থাকা কর্মীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী, খাদ্যসেবা কর্মী, স্বাস্থ্যসেবা কর্মীসহ বিভিন্ন ধরনের পেশার মানুষ রয়েছেন। মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কিছু চুক্তিভিত্তিক কর্মীও এই ব্যবস্থার আওতায় ছিলেন। স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাউন্টির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ২০ হাজারের বেশি কর্মী এবং ফ্লোরিডার অন্যান্য স্থানীয় সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আরও হাজারো কর্মী দীর্ঘমেয়াদে এই পরিবর্তনের প্রভাবের মুখে পড়তে পারেন।   নতুন নিয়মের ভিত্তি তৈরি হয়েছে ২০২৪ সালে পাস হওয়া ফ্লোরিডার হাউস বিল ৪৩৩-এর মাধ্যমে। গভর্নর রন ডি স্যান্টিস ওই বছরের এপ্রিলে বিলে স্বাক্ষর করেন। তবে স্থানীয় সরকারের ঠিকাদারদের মজুরি নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত অংশটি ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আইনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নতুন চুক্তিতে ঠিকাদারদের মজুরি বা কর্মসংস্থান সুবিধা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না এবং মজুরি বা সুবিধার ভিত্তিতে কোনো ঠিকাদারকে বাড়তি সুবিধাও দিতে পারবে না।   আইনের সমর্থকেরা বলছেন, স্থানীয় সরকারের আলাদা আলাদা মজুরি শর্ত তুলে দিলে সরকারি চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবসাগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সরকারি কাজ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ফ্লোরিডা চেম্বার অব কমার্সও এই পরিবর্তনকে ব্যবসাবান্ধব পদক্ষেপ হিসেবে সমর্থন করেছে। তাদের যুক্তি, স্থানীয় পর্যায়ে আলাদা মজুরি কাঠামো না থাকলে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সরকারি চুক্তিতে অংশ নেওয়া সহজ হবে এবং সরকারের চুক্তি ব্যয় কমতে পারে।   তবে শ্রমিক সংগঠনগুলো এই আইনের বিরোধিতা করেছে। ৩২বিজে এসইআইইউ-এর ফ্লোরিডা পরিচালক হেলেন ও’ব্রায়েনের আশঙ্কা, ঠিকাদারদের মধ্যে কম দামে সরকারি কাজ পাওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হলে শ্রমিকদের মজুরি কমানোর প্রবণতা তৈরি হতে পারে। তার ভাষায়, এতে একটি ‘নিচের দিকে প্রতিযোগিতা’ তৈরি হতে পারে, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো চুক্তি পাওয়ার জন্য শ্রমিকদের পারিশ্রমিক যতটা সম্ভব কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে।   মিয়ামি-ডেড কাউন্টির মেয়র দানিয়েলা লেভিন কাভাও আইনটির বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি গভর্নর ডি স্যান্টিসকে বিলটিতে ভেটো দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, এর ফলে কাউন্টির হাজারো কর্মজীবী পরিবারের আয় কমে যেতে পারে। তার মতে, স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনা করে কাউন্টির নিজস্ব শ্রমবাজারের জন্য উপযুক্ত মজুরি নির্ধারণের সুযোগ থাকা উচিত।   এদিকে মিয়ামি-ডেডে জীবনযাত্রার ব্যয় ইতোমধ্যেই ফ্লোরিডার অনেক এলাকার তুলনায় বেশি। ইউনাইটেড ওয়েকে মিয়ামির ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাউন্টির ৫৬ শতাংশ পরিবার প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে আর্থিক চাপে রয়েছে। ২০২৬ সালের হিসাবে এমন পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার। এসব পরিবারের আয় অনেক ক্ষেত্রে দারিদ্র্যসীমার ওপরে হলেও আবাসন, খাবার, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু পরিচর্যা ও পরিবহনসহ প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে তাদের বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।   লিভিং ওয়েজ নিয়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা রয়েছে। মিয়ামি-ডেড কাউন্টির বর্তমান ২২.৫৩ ডলারের হারও স্থানীয় জীবনযাত্রার পুরো ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয় বলে গবেষণাভিত্তিক হিসাব রয়েছে। এমআইটির লিভিং ওয়েজ ক্যালকুলেটর অনুযায়ী, মিয়ামি-ডেডে সন্তানহীন একজন একক প্রাপ্তবয়স্কের মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে ঘণ্টায় প্রায় ২৫.৯৮ ডলার আয় প্রয়োজন। অর্থাৎ নতুন আইনের ফলে পুরোনো লিভিং ওয়েজ ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে দুর্বল হলে উচ্চ ব্যয়ের এই অঞ্চলের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মীদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়তে পারে।   তবে আইনটির প্রভাব ধীরে ধীরে দেখা যাবে। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর আগে দেওয়া চুক্তিগুলো নতুন আইনে বাতিল বা পরিবর্তিত হচ্ছে না। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন করে যে চুক্তিগুলো দেওয়া হবে, সেগুলোতেই মিয়ামি-ডেড কাউন্টির লিভিং ওয়েজ বাধ্যতামূলক করার ক্ষমতা থাকবে না। ফলে কর্মীদের মজুরি কমবে কি না, তা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে নতুন ঠিকাদারদের বেতন কাঠামো, শ্রমিক সংগঠনের চুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাদের সিদ্ধান্তের ওপর।   সূত্র: মিয়ামি হেরাল্ড, মিয়ামি-ডেড কাউন্টি, ফ্লোরিডা সিনেট

মোহাম্মদ ইব্রাহিম অক্টোবর ৪, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

মার্কিন নাগরিকদের নির্দিষ্ট চার ধরনের আত্মীয়কে পরিবারভিত্তিক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে

ফ্যামিলি ভিসায় পরিবারের ৪ সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রে নিতে পারেন মার্কিন নাগরিকরা, জানুন বিস্তারিত নিয়ম

অক্টোবর ১, ২০২৬ ১৪:০