যুক্তরাষ্ট্র ইরান

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন-ইরান আলোচনায় নতুন আশার সুর, ‘শিগগিরই শুরু হতে পারে’—গুতেরেস

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থগিত থাকা আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার ‘প্রবল সম্ভাবনা’ দেখছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়েছেন।   নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গুতেরেস বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক আইন বারবার লঙ্ঘিত হচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে এর প্রভাব বেশি দৃশ্যমান। শক্তি প্রয়োগের নীতিমালা উপেক্ষিত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   মহাসচিব বলেন, চলমান এই সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে দ্রুত আলোচনা পুনরায় শুরু করা জরুরি। পাশাপাশি বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।   এ সময় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান আলোচনাকেও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে গুতেরেস বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই ধরনের সংলাপ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।   বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের এই মন্তব্য নতুন করে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা জোরদার করছে। যুদ্ধবিরতি টেকসই রাখা এবং আলোচনার পথ খোলা রাখাই এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ১৪:০ 0
পাকিস্তানে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক বৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বাসের সংকটে থমকে চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের প্রশ্ন—‘আপনাদের কীভাবে বিশ্বাস করব?’

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময়ের উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনার পরও কূটনৈতিক পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।   বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে প্রায় ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনা চলে। কয়েক দশকের মধ্যে এটিই ছিল দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের প্রথম সরাসরি বৈঠক, যা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ইরানের পক্ষে ছিলেন দেশটির স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনার এক পর্যায়ে দুই পক্ষ প্রায় ৮০ শতাংশ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছালেও শেষ মুহূর্তে নিরাপত্তা গ্যারান্টি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়। এর ফলে চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।   বৈঠকের এক পর্যায়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মার্কিন প্রতিনিধিদের সরাসরি প্রশ্ন করেন, “আপনাদের কীভাবে বিশ্বাস করব?” তিনি অভিযোগ করেন, আগের আলোচনায় কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলাকালে হামলা না করার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এই আস্থাহীনতাই আলোচনার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়।   অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। তাদের দাবি—ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। ইরানের পক্ষ থেকে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা, হিমায়িত সম্পদ ফেরত এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার বিষয়টি জোরালোভাবে তোলা হয়।   আলোচনার পরিবেশ এক পর্যায়ে এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, পরিস্থিতি সামাল দিতে মধ্যস্থতাকারীরা দুই পক্ষকে আলাদা কক্ষে নিয়ে বিরতির ব্যবস্থা করেন। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বৈঠক শেষে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘চূড়ান্ত প্রস্তাব’ দিয়েছে এবং এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা ইরানের। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী।   বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ বেড়েছে, যা দুই দেশকেই আলোচনায় ফিরতে বাধ্য করছে। ফলে বৈঠকটি ব্যর্থ হলেও খুব শিগগিরই দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের দাবি, সরাসরি অস্বীকার ইরানের

হরমুজ প্রণালিতে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন ও মাইন অপসারণ কার্যক্রম শুরুর দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরান।   যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের ‘ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই পিটারসন’ ও ‘ইউএসএস মাইকেল মারফি’ নামের দুটি যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। তাদের দাবি, প্রণালিতে পেতে রাখা সামুদ্রিক মাইন অপসারণের বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ইরানের সামরিক বাহিনী এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন জাহাজ প্রবেশ বা অগ্রসর হওয়ার বিষয়ে সেন্টকমের দাবি সঠিক নয়।   তিনি আরও জানান, প্রণালিতে যেকোনো জাহাজের চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এই পাল্টাপাল্টি দাবি সামনে এলো, যখন পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১১, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামাবাদে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, পাকিস্তানে আরও ইরানি উড়োজাহাজ

চলমান যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলের মধ্যে নতুন দফায় সরাসরি আলোচনা চলছে। আলোচনাটি এখন গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।   মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তরের বরাতে জানা গেছে, ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে এই বৈঠক অব্যাহত রয়েছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও সেখানে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়টি।   সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করার জন্য চাপ দিচ্ছে। অন্যদিকে ইরানি প্রতিনিধিদল কিছু ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখালেও মার্কিন প্রধান দাবিগুলোর বিষয়ে এখনো কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি।   এদিকে আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের আরও কয়েকটি উড়োজাহাজ পৌঁছেছে। এক ঘণ্টার ব্যবধানে সেগুলো একটি সামরিক ঘাঁটিতে অবতরণ করে। এই উড়োজাহাজগুলোর আগমনের সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, আলোচনায় সহায়তার জন্য অতিরিক্ত বিশেষজ্ঞ দল আনা হয়েছে।   উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। একটি সমাধানে পৌঁছাতে দুই পক্ষই চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১১, ২০২৬ ১৪:০ 0
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক: কোন বিষয়গুলোতে আলোচনা, কী হতে পারে ফল

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিরতি আলোচনা আজ শনিবার রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হচ্ছে। চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এ বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   এরই মধ্যে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার। অন্যদিকে, ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে আছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।   গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায়। এতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বসহ বহু মানুষ নিহত হন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করে।   পরবর্তীতে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই পক্ষ, যার মেয়াদ ২২ এপ্রিল পর্যন্ত। সেই প্রেক্ষাপটেই শুরু হচ্ছে এই আলোচনা।   আলোচনার মূল বিষয়গুলো এই বৈঠকে উভয় পক্ষ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অবস্থান তুলে ধরবে। যুক্তরাষ্ট্র চায়— ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সীমিত করা হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা   অন্যদিকে, ইরানের দাবির মধ্যে রয়েছে— আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানো আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ করা হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণের স্বীকৃতি   এছাড়া লেবাননে চলমান সংঘাতও আলোচনার অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। ইরান বলছে, সেখানে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ না হলে কার্যকর কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়।   আলোচনার ধরন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আলোচনার প্রথম ধাপে দুই পক্ষ আলাদা কক্ষে বসবে এবং পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীরা বার্তা আদান-প্রদান করবেন। পরবর্তীতে সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।   নিরাপত্তার কারণে ইসলামাবাদে কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ‘রেড জোন’ সিল করে দেওয়া হয়েছে এবং সম্ভাব্য বৈঠকের স্থান হিসেবে একটি পাঁচতারকা হোটেলকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।   ফলাফল কী হতে পারে বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক থেকে তাৎক্ষণিক কোনো চূড়ান্ত সমাধান আসার সম্ভাবনা কম। দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস এখনো বড় বাধা হয়ে আছে।   তবে সীমিত পর্যায়ে কিছু অগ্রগতি হতে পারে, যেমন— যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো আস্থাবর্ধক পদক্ষেপ গ্রহণ হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া   বিশেষজ্ঞদের মতে, লেবানন ইস্যু এবং ইসরায়েলের ভূমিকা এই আলোচনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ইসরায়েল আলোচনায় সরাসরি অংশ না নেওয়ায় ভবিষ্যতে চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। কূটনৈতিক গুরুত্ব   এই বৈঠককে একটি ‘সিদ্ধান্তমূলক মুহূর্ত’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। কারণ, চরম উত্তেজনার মধ্যেও দুই পক্ষের আলোচনায় বসা নিজেই একটি বড় অগ্রগতি। পাকিস্তানও এই উদ্যোগকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছে। দেশটি আশা করছে, এই আলোচনার মাধ্যমে অন্তত একটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি হবে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১০, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ ঘিরে ইসলামাবাদে লকডাউন, কড়া নিরাপত্তা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানী  ইসলামাবাদ-এ জারি করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ও আংশিক লকডাউন। শহরজুড়ে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যেই শনিবার ইসলামাবাদে এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সেখানে পৌঁছেছেন।   নিরাপত্তার স্বার্থে শহরের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো ফাঁকা রাখা হয়েছে।   উচ্চ নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বৈঠকের জন্য তিন থেকে চারটি সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত স্থান হলো Serena Hotel Islamabad। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিনিধিদলগুলো এই হোটেলেই অবস্থান করতে পারেন।   এ কারণে হোটেলটির আশপাশের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে।   তবে কূটনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণে বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে অনীহা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানি কর্মকর্তারা। তাদের ভাষ্য, আলোচনাটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করাই এখন প্রধান লক্ষ্য এবং পাকিস্তান এখানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।   এই আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকার কথা রয়েছে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের। আর ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।   যুদ্ধবিরতির পর এমন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজনকে পাকিস্তান বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এই সংলাপ কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১০, ২০২৬ ১৪:০ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । ছবি: রয়টার্স
ট্রাম্প কি সত্যিই যুদ্ধ চেয়েছিলেন, নাকি যুদ্ধবিরতি? পর্দার আড়ালের কূটনীতি গল্প!

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান নিলেও পর্দার আড়ালে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতেই বেশি তৎপর ছিলেন এমন তথ্য উঠে এসেছে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানকে বেছে নেয় এবং ইসলামাবাদের মাধ্যমে তেহরানকে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি করানোর চেষ্টা চালায়। কয়েক সপ্তাহ ধরে এই কূটনৈতিক তৎপরতা চলতে থাকে।   এই উদ্যোগ এমন সময়ে নেওয়া হয়, যখন ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিচ্ছিলেন এবং দাবি করছিলেন, ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য আগ্রহী। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রই দ্রুত যুদ্ধ থামাতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।   মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া ছিল এই আলোচনার অন্যতম প্রধান শর্ত। বিশ্ববাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই প্রণালির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চালানো হয়।   পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা ইরানের কাছে পৌঁছে দিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। একাধিক পর্যায়ে উচ্চপর্যায়ের ফোনালাপ ও যোগাযোগের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে প্রস্তাব আদান-প্রদান হয়। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরান দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।   প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্বেগের অন্যতম কারণ ছিল বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তার অর্থনৈতিক প্রভাব। একই সঙ্গে ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে নতুন করে মূল্যায়ন তৈরি হয়।   আলোচনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন সময়সীমার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং উভয় পক্ষই কিছু শর্তে নমনীয়তা দেখাতে শুরু করে। যদিও ইরানের ভেতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কিছু জটিলতা ছিল, শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।   এই পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান নিজেকে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থাপন করলেও বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইসলামাবাদকে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার স্থান হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।   শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষ আলোচনায় বসতে সম্মত হওয়ায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি হয়, যা পরবর্তী কূটনৈতিক সমাধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ৮, ২০২৬ ১৪:০ 0
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবি: রয়টার্স ফাইল ছবি
ইরান আলোচনায় ট্রাম্পের প্রতিনিধিদল, ইসলামাবাদে যাচ্ছেন ভ্যান্স–কুশনাররা

ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট।   বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এই দলে থাকছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। পাকিস্তানের স্থানীয় সময় শনিবার সকালে এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।   হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র বলেন, ইরানের সঙ্গে এই সরাসরি বৈঠককে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং আলোচনার মাধ্যমে অগ্রগতি আশা করছে। এদিকে পাকিস্তানের দুটি সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদলটি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করবে।   যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ভূমিকা প্রসঙ্গে ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, শুরু থেকেই তিনি এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন এবং তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন প্রসঙ্গে তিনি জানান, দেশটির সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ৮, ২০২৬ ১৪:০ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । ছবি সংগৃহীত
‘যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়’

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ‘বিজয়’ হিসেবে দাবি করেছে হোয়াইট হাউজ। বুধবার (৮ এপ্রিল) এক প্রতিক্রিয়ায় এ দাবি তুলে ধরেন হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট।   বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ দিনের এই যুদ্ধবিরতিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্যের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে লেভিট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ৩৮ দিনের অভিযানে তাদের প্রধান সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে, এমনকি তা অতিক্রমও করেছে।   তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যই আলোচনার টেবিলে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। এর ফলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসন কঠিন আলোচনায় বসতে পেরেছে, যা শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুলে দিয়েছে।   হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে লেভিট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করা উচিত হবে না।   এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখতে হলে ইরানকে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত রাখতে হবে।   এই যুদ্ধবিরতি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে সম্মত হয়েছে এবং দ্রুতই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ৭, ২০২৬ ১৪:০ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

গ্রিন কার্ড পাওয়া আরো কঠিন হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে নিজ দেশে গিয়ে আবেদন করতে হবে অভিবাসীদের

ইসতিয়াক আহমেদ মে ২২, ২০২৬ ১৪:০ 0