সূর্য

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ছবি সংগৃহীত আমেরিকা বাংলা
বুধবার একই সময়ে সূর্যের আলোয় থাকবে পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষ

বুধবার (৮ জুলাই) বিশ্বের মানুষ প্রত্যক্ষ করতে যাচ্ছে একটি বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা। গ্রিনউইচ মান সময় (GMT) অনুযায়ী সকাল ১১টা ১০ মিনিটে পৃথিবীর প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষ একই সময়ে সূর্যের আলোতে অবস্থান করবেন। পৃথিবীর অক্ষের হেলানো অবস্থান, উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালীন দীর্ঘ দিনের প্রভাব এবং বিশ্বের জনসংখ্যার ভৌগোলিক বণ্টনের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।   জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ওই সময় বিশ্বের অধিকাংশ জনবহুল অঞ্চল দিনের আলোয় থাকবে। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকার বড় অংশ এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার উল্লেখযোগ্য এলাকায় সূর্যের আলো থাকবে। ফলে বিশ্বের প্রায় সব বড় জনসংখ্যার দেশ একই সময়ে দিনের আলোয় অবস্থান করবে।   বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, জাপান, নাইজেরিয়া এবং ইউরোপের অধিকাংশ দেশের মানুষ ওই সময় সূর্যের আলো উপভোগ করবেন। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার বড় অংশ উত্তর গোলার্ধে বসবাস করায় এই বিরল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।   বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এটি কোনো সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রগ্রহণ, উল্কাবৃষ্টি বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক মহাজাগতিক ঘটনা নয়। এটি পৃথিবীর স্বাভাবিক ঘূর্ণন এবং সূর্যকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণের ফল। পৃথিবীর অক্ষ প্রায় ২৩.৫ ডিগ্রি হেলে থাকার কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যে পরিবর্তন আসে।   জুলাই মাসে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল থাকায় দিনের সময় দীর্ঘ হয় এবং সূর্যের আলো দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে থাকে।   ওই সময় বিশ্বের মাত্র এক শতাংশ মানুষ অন্ধকারে থাকবেন। তারা মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু দূরবর্তী দ্বীপ, দক্ষিণ মহাসাগরের কিছু এলাকা এবং খুব কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থান করবেন। এসব অঞ্চলের জনসংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় বৈশ্বিক হিসাবেও তাদের সংখ্যা খুবই সামান্য।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ একই সময়ে কখনোই সূর্যের আলোতে থাকতে পারেন না। কারণ পৃথিবী গোলাকার এবং এটি নিজের অক্ষের ওপর ঘুরছে। ফলে পৃথিবীর এক পাশে যখন দিন, অন্য পাশে তখন রাত। তবে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ যদি দিনের অংশে অবস্থান করেন, তাহলে এমন বিরল পরিসংখ্যান তৈরি হতে পারে।   জুলাই মাসে উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘ দিনের কারণে ইউরোপ, এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল সূর্যালোকিত থাকে। একই সময়ে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকারও বড় অংশে সকাল বা বিকেলের আলো থাকে। এই সমন্বয়ের ফলে বিশ্বের প্রায় সব জনবহুল এলাকা একই সময়ে আলোকিত অবস্থায় থাকে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর জনসংখ্যা সমানভাবে ছড়িয়ে নেই।   বিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ উত্তর গোলার্ধে বসবাস করেন। এশিয়াতেই বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষের বাস। তাই উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘ দিনের সময় পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই সূর্যের আলোতে থাকেন।   এ ধরনের ঘটনা প্রতি বছর একইভাবে ঘটে না। পৃথিবীর কক্ষপথে অবস্থান, ঋতুর পরিবর্তন এবং পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে দিনের দৈর্ঘ্যের পার্থক্যের কারণে নির্দিষ্ট সময়েই এমন বিরল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এ কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের কাছে এটি বিশেষ আগ্রহের বিষয়।   বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, এই ঘটনার সঙ্গে আবহাওয়া, জলবায়ু বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও কোনো প্রভাব ফেলবে না। এটি কেবল পৃথিবীর জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক অবস্থান এবং বৈশ্বিক জনসংখ্যার বিন্যাসের একটি আকর্ষণীয় উদাহরণ।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে "পৃথিবীর সবচেয়ে আলোকিত মুহূর্ত" হিসেবে উল্লেখ করছেন। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি মূলত একটি পরিসংখ্যানভিত্তিক ঘটনা, যেখানে একই সময়ে সূর্যের আলোয় থাকা মানুষের অনুপাত হিসাব করা হয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এমন ঘটনা পৃথিবীর গতিবিধি, ঋতু পরিবর্তন এবং সূর্যের সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক। একই সঙ্গে এটি স্মরণ করিয়ে দেয়, পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে দিন ও রাত ভিন্ন হলেও আমরা সবাই একই গ্রহের একই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থার অংশ।   বুধবারের এই বিরল মুহূর্ত তাই বৈজ্ঞানিকভাবে একটি অনন্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যখন বিশ্বের প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষ একই সময়ে সূর্যের আলোয় অবস্থান করবেন।

সিদ্দিকুর রহমান জুলাই ৭, ২০২৬ ১৪:০
দারায় কৃষিজমিতে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণ
দারায় কৃষিজমিতে ইসরায়েলের গোলাবর্ষণ, আকাশে ড্রোন নজরদারি

সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের দারা প্রদেশে আবারও গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। প্রদেশটির পশ্চিমাঞ্চলের গ্রামীণ কৃষিজমিকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এই হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।   বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরের দিকে জামলাহ গ্রামের আশপাশের ফসলি জমিতে একটি কামানের গোলা আঘাত হানে। একই সময় ওই এলাকার আকাশে একটি ইসরায়েলি নজরদারি ড্রোন ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা’র সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে আনাদোলু এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।   প্রাথমিকভাবে এই গোলাবর্ষণে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।   এর আগে গত রোববারও দারা প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের আবদিন গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনী একটি আকস্মিক অভিযান চালায়। অভিযানের পর গ্রামটির উপকণ্ঠে গোলাবর্ষণ করা হলে স্থানীয় বাসিন্দারা পাথর ছুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে ইসরায়েলি সেনারা সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলেও সমালোচনার জন্ম দেয়।   বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর থেকেই সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় অভিযান, তল্লাশি, গ্রেপ্তার এবং সামরিক চেকপোস্ট স্থাপনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।   সাম্প্রতিক এই গোলাবর্ষণের ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। যদিও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।   এই প্রতিবেদনটি আনাদোলু এজেন্সির তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

নীলুফা নিশাত জুলাই ১, ২০২৬ ১৪:০
গাজা-লেবাননসহ একাধিক ফ্রন্টে অভিযানে ইসরায়েলের ব্যয় ২০৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে
গাজা-লেবাননসহ একাধিক ফ্রন্টে অভিযানে ইসরায়েলের ব্যয় ২০৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

গত প্রায় তিন বছরে গাজা, লেবানন, সিরিয়া ও ইরানে পরিচালিত সামরিক অভিযানে ইসরায়েলের মোট ব্যয় প্রায় ২০৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে বলে দেশটির একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হিব্রু ভাষার সংবাদমাধ্যম জমান ইসরায়েল—যা দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের হিব্রু সংস্করণ—এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটি পরে আন্তর্জাতিক মাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডও উল্লেখ করেছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতগুলোর ফলে ইসরায়েল সরকারের সরাসরি ব্যয়ই ১১৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ব্যাংক অব ইসরায়েলের তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এর মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, বেসামরিক বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে ১৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার এবং ঋণের সুদ পরিশোধে খরচ হয়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া সামরিক সহায়তার আর্থিক মূল্যও এই হিসাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জামসহ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার পরিমাণ প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার।   তবে ব্যয় শুধু সরকারি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সংঘাতের কারণে অর্থনীতিতে বড় ধরনের উৎপাদন ক্ষতিও হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার বলে অনুমান করা হয়েছে। আর ২০২৬ সালের সম্ভাব্য পরিস্থিতি যুক্ত করলে তা ৫৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।   সব মিলিয়ে সরকারি ব্যয়, বিদেশি সামরিক সহায়তা এবং উৎপাদন ক্ষতি একত্রে বিবেচনা করলে সংঘাতগুলোর মোট অর্থনৈতিক প্রভাব প্রায় ২০৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   তবে এই বিশ্লেষণে ব্যক্তিগত ক্ষতি বা বেসরকারি খাতের সব ধরনের লোকসান পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে প্রকৃত অর্থনৈতিক চাপ আরও বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংশ্লিষ্টরা। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এই ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।   প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় করের হার বৃদ্ধি পেয়েছে, জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে এবং এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।   ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক সংঘাতকে অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক সময় হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই যুদ্ধগুলোর আর্থিক অভিঘাত আগামী বহু বছর ধরে দেশটির অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।

নীলুফা নিশাত জুন ২৫, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত।
মার্কিন আধিপত্যের অবসান: সব সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিল সিরিয়া

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এবার দেশটির সমস্ত সামরিক ঘাঁটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে সিরিয়া সরকার। বৃহস্পতিবার হাসাকা প্রদেশের ‘কাসরাক’ বিমান ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনাদের শেষ বহরটি চলে যাওয়ার মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক হস্তান্তরের কাজ শেষ হয়। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালে আইএস বিরোধী অভিযানের নামে সিরিয়ায় পা রাখা মার্কিন বাহিনী দীর্ঘ ১২ বছর পর তাদের উপস্থিতি গুটিয়ে নিল। সিরীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুর্দি নেতৃত্বাধীন ‘সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস’ (এসডিএফ)-কে জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনার সফল প্রক্রিয়ারই প্রতিফলন এই ঘাঁটি দখল। প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা দামেস্কে এসডিএফ-এর শীর্ষ সামরিক কমান্ডার মাজলুম আবদি এবং রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইলহাম আহমদকে স্বাগত জানান। সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পুরো রাষ্ট্রকে একক কর্তৃপক্ষের অধীনে আনার লক্ষ্যে এটি একটি বিশাল মাইলফলক। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে যে, একটি সুপরিকল্পিত ও শর্তসাপেক্ষ রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সিরিয়ার প্রধান ঘাঁটিগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে। গত জানুয়ারিতে দামেস্ক ও এসডিএফ-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির ধারাবাহিকতায় কুর্দি যোদ্ধারা এখন সিরীয় জাতীয় সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, গত নভেম্বরে সিরিয়ার আন্তর্জাতিক জোট (Coalition against ISIL)-এ যোগদান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সিরীয় প্রশাসনের গঠনমূলক আলোচনার ফলে এই সেনা প্রত্যাহারের পথ সুগম হয়। উল্লেখ্য যে, নিরাপত্তাজনিত কারণে মার্কিন সেনাদের শেষ বহরটি ইরাকের পরিবর্তে জর্ডান সীমান্ত দিয়ে সিরিয়া ত্যাগ করেছে। বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে এই ঘটনাকে নতুন এক অধ্যায় হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

ইসমাইল হোসাইন এপ্রিল ১৬, ২০২৬ ১৪:০
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার ও সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা
ডাউনিং স্ট্রিটে শারা-স্টারমার বৈঠক: নতুন সিরিয়া গঠনে বিশ্বনেতাদের সমর্থন

সিরিয়ার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এক ঝটিকা সফরে বের হয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা।  এরই ধারাবাহিকতায় আজ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমারের সরকারি বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন এই দুই নেতা। বৈঠকে সিরিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি, মানবিক সহায়তা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ডাউনিং স্ট্রিট সূত্রে জানা গেছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সিরিয়ার গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। উল্লেখ্য যে, লন্ডনে আসার ঠিক একদিন আগেই আহমেদ আল শারা বার্লিনে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ইউরোপের প্রভাবশালী দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে পর পর এই বৈঠকগুলো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সিরিয়ার নতুন সরকারের অবস্থানকে আরও সুসংহত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইসমাইল হোসাইন মার্চ ৩০, ২০২৬ ১৪:০
ড্রোন হামল
ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন হামলা প্রতিহত, সিরিয়ায় রক্ষা পেল মার্কিন ঘাঁটি

সিরিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন হামলার চেষ্টা প্রতিহত করেছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   রোববার (২৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে সিরিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী সিপান হামো জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলের কার্সাক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরাক থেকে চারটি ড্রোন ছোড়া হয়। তবে সেগুলো আকাশেই ভূপাতিত করা হয়েছে।   তিনি বলেন, “এই হামলার জন্য ইরাককে দায়ী করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”   এর আগে সিরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আল-তানফ ঘাঁটিতেও একই ধরনের ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়। ওই ঘাঁটিতে আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা উপস্থিতি ছিল।   আঞ্চলিক সূত্রগুলো বলছে, ইরাকভিত্তিক ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে। পাল্টা জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও এসব গোষ্ঠীর ওপর হামলা চালিয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানপন্থি বিভিন্ন গোষ্ঠী বিশেষ করে ইরাক, লেবানন ও ইয়েমেনভিত্তিক সংগঠনগুলো ক্রমেই সক্রিয় হয়ে উঠছে। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Unknown মার্চ ২৮, ২০২৬ ১৪:০
গত শুক্রবার দক্ষিণ সিরিয়ায় হামলা চালায় ইসরায়েল।
সিরিয়ায় ইসরায়েলি বিমান হামলাকে ‘নগ্ন আগ্রাসন’ বললো সৌদি আরব

সিরিয়ার সরকারি সামরিক শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলাকে ‘নগ্ন আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। শনিবার (২১ মার্চ) সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।   এএফপি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদ এই আগ্রাসন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার এবং ইসরায়েলি আইন লঙ্ঘনের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছে। তুরস্কও সৌদি আরবের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এই হামলাকে একটি ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।   ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গত শুক্রবার দাবি করেছিল, সিরিয়ার সুয়েইদা প্রদেশে দ্রুজ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার জবাবে তারা দক্ষিণ সিরিয়ায় এই আক্রমণ চালিয়েছে। ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, তারা সংখ্যালঘু এই গোষ্ঠীকে রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে। তবে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলের এই যুক্তিকে ‘বানোয়াট অজুহাত’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে।   দামেস্কের মতে, এটি সিরিয়ার ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্বের ওপর একটি জঘন্য আঘাত। গত বছরও ইসরায়েল একই ধরনের অজুহাতে সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছিল, যা ওই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা তৈরি করেছে।   সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সুয়েইদা প্রদেশে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত চারজন দ্রুজ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এরপর ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে সুয়েইদা শহরের আবাসিক এলাকাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   যদিও ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সরাসরি যুদ্ধ থেকে সিরিয়া এখন পর্যন্ত নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছে, তবে এই নতুন হামলা দেশটিকে আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে টেনে আনার ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান অভিযানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যখন পুরো মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত, তখন সিরিয়ায় এই নতুন ফ্রন্ট খোলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।   তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত ইসরায়েলের এই বেপরোয়া আচরণ এখনই থামানো। সিরিয়া এই হামলাকে তাদের আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখছে।   রিয়াদ ও আঙ্কারার এই যৌথ অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশগুলো এখন ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সোচ্চার। যুদ্ধের এই পর্যায়ে সিরিয়ার ভূখণ্ডে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে তা বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।   সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Unknown মার্চ ২০, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে এসেছে বড় অগ্রগতি। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

তাবাস্সুম জুলাই ২০, ২০২৬ ১৪:০