আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বন্দুকধারীর রক্তাক্ত তাণ্ডব, নিহত ১ আহত অন্তত ১০

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ১২:৩৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের মিডল্যান্ড শহরে এক ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকালে ঘটা এই হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন শহরের মেয়র লরি ব্লং।

 

মেয়রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই নৃশংস ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১১ জন হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে হামলাকারীকে একটি ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে তবে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি।

 

মিডল্যান্ড পুলিশ প্রধান গ্রেগ স্নো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালের দিকে শহরের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকার একটি ভবন থেকে আকস্মিক গুলির শব্দ শুনতে পান কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তারা।

 

এর পরপরই অত্যন্ত দ্রুততার সাথে পুরো এলাকাটি সিলগালা করে দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। হামলাকারীকে বাগে আনতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে ঘটনাস্থলে ভারী সাঁজোয়া যান (আর্মর্ড ইউনিট) মোতায়েন করা হয়েছে।

 

একই সাথে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও এই বিশেষ অভিযানে অংশ নিয়েছে। বন্দুকধারীর সঙ্গে পুলিশের এখনো এক টানা অচলাবস্থা চলছে বলে জানা গেছে।

 

এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক জরুরি বার্তায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভিনিউ এবং ওয়াল স্ট্রিটের আশেপাশের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

মিডল্যান্ড সিটি কাউন্সিলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জনসাধারণকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই এলাকাটি সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলার জোরালো অনুরোধ করা হয়েছে।

 

প্রথম উদ্ধারকারী দল (ফার্স্ট রেসপন্ডারস) এবং সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পুরো এলাকা জুড়ে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবিঃ গার্ডিয়ান
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় চিকিৎসাসামগ্রীর বিশাল গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার ট্রেসি শহরে অবস্থিত চিকিৎসাসামগ্রীর একটি বিশাল গুদামে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার পরপরই পুরো এলাকার আকাশ ঘন কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।   অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা বিবেচনা করে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে ওই এলাকার আশপাশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।   সান ফ্রান্সিসকো থেকে প্রায় ৫৫ মাইল পূর্বে অবস্থিত এই শিল্পাঞ্চলটিতে চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহকারী শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘মেডলাইন’-এর এই বিশাল বিতরণ কেন্দ্রটি অবস্থিত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনীকে চরম বেগ পেতে হয়।   সাউথ সান জোয়াকিন কাউন্টি ফায়ার অথরিটির প্রধান র‌্যান্ডাল ব্র্যাডলি জানান, মেডলাইনের গুদাম থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং রাস্তার অপর পাশে অবস্থিত একটি ফেডেক্স প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আঘাত হানে।   তবে দমকল কর্মীদের দ্রুত ও সাহসী তৎপরতায় ফেডেক্স ভবনের আগুন অল্প সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ট্রেসি শহরের পুলিশ বিভাগের সার্জেন্ট মাইকেল রিচার্ডস জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তীব্র বাতাসের কারণে আগুনের স্ফুলিঙ্গ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।   এই আশঙ্কায় তারা ওই এলাকার একটি বড় অংশ থেকে সাধারণ মানুষকে দ্রুত সরিয়ে নেন। উল্লেখ্য, প্রায় ১০ লাখ বর্গফুটের এই বিশাল গুদামটি যে শিল্প পার্কে অবস্থিত, সেখানে অ্যামাজন, হোম ডিপো এবং ফেডেক্সের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান বিতরণ কেন্দ্র রয়েছে।   এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মেডলাইন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, ঘটনার সময় গুদামে কর্মরত তাদের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন এবং তাদের সবাইকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।   কোম্পানির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডে ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করতে তারা বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলোর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন।

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ১৩:৪৫
ছবি:সংগৃহীত

মেডিকেড জালিয়াতির দায়ে যুক্তরাষ্ট্রে এক ব্যক্তিকে ৩৩০ হাজার ডলার জরিমানা ও কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বন্দুকধারীর রক্তাক্ত তাণ্ডব, নিহত ১ আহত অন্তত ১০

ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে রহস্যময় আলোক গোলক শনাক্ত, গোয়েন্দা তদন্তে নতুন অগ্রগতি

আমেরিকা বাংলা কোলাজ
বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে সক্রিয় প্রতারক চক্র, ভুয়া টিকিট ও ফিশিং ই-মেইলে সতর্কতা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পাশাপাশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি প্রতারক চক্র। ভুয়া টিকিট বিক্রি, জাল ভ্রমণ প্যাকেজ, ফিশিং ই-মেইল, নকল পণ্য বিক্রি এবং ভুয়া লাইভ স্ট্রিমিং সেবার মাধ্যমে অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।   নিউইয়র্ক স্টেট ডিভিশন অব কনজ্যুমার প্রোটেকশন জানায়, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে প্রতারণার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। সংস্থাটির মতে, বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরগুলোতে সীমিত টিকিট, উচ্চ চাহিদা এবং আবেগপ্রবণ পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে প্রতারকেরা বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ তৈরি করে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতারকেরা নিজেদেরকে কখনো টুর্নামেন্ট আয়োজক, কখনো টিকিট বিক্রেতা বা ট্রাভেল এজেন্ট হিসেবে পরিচয় দিয়ে ই-মেইল, টেক্সট বার্তা বা ফোন কলের মাধ্যমে মানুষকে প্রলুব্ধ করছে। এসব বার্তায় আকর্ষণীয় টিকিট অফার, কম দামের ভ্রমণ প্যাকেজ, বিনামূল্যে পুরস্কার জেতার সুযোগ কিংবা বিশেষ স্ট্রিমিং লিংকের কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য থাকে ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।   নিউইয়র্ক স্টেটের সেক্রেটারি ওয়াল্টার টি মসলি বলেন, বিশ্বকাপ শুরু হলে লাখো মানুষ আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রস্তুত থাকবেন। তবে একই সময়ে প্রতারক চক্রও সক্রিয় থাকবে। তাই দর্শকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা এবং শুধু যাচাই করা উৎস থেকেই টিকিট ও সেবা গ্রহণ করা উচিত।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ইভেন্টে প্রতারণার ধরন প্রায় একই থাকে। এর মধ্যে রয়েছে ভুয়া টিকিট বিক্রি, জাল রিসেল প্ল্যাটফর্ম, ফিশিং ই-মেইল ও টেক্সট, ভুয়া হোটেল বুকিং, নকল পণ্য বিক্রির ওয়েবসাইট এবং ভুয়া লাইভ স্ট্রিমিং সেবা। অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করা হয়।   কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী, অচেনা লিংকে ক্লিক না করা, সন্দেহজনক সংযুক্তি ডাউনলোড না করা এবং ব্যক্তিগত বা ব্যাংকিং তথ্য শেয়ার না করা উচিত। টিকিট কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভুয়া ওয়েবসাইট অনেক সময় আসল সাইটের মতো দেখতে হলেও ডোমেইন বা বানানে সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকে, যা খেয়াল করা জরুরি।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রতারণা বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে। সেখানে ভুয়া বিক্রেতারা স্ক্রিনশট, বারকোড বা কনফার্মেশন ই-মেইল দেখিয়ে ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মের বাইরে টাকা পাঠানোর অনুরোধ প্রায় নিশ্চিতভাবেই প্রতারণার ইঙ্গিত বহন করে।   টিকিট পুনর্বিক্রয়ের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত রিসেল প্ল্যাটফর্ম ছাড়া অন্য কোথা থেকে টিকিট কিনলে ঝুঁকি বেশি থাকে। বিক্রেতার পরিচয়, লাইসেন্স, রিভিউ এবং যোগাযোগের তথ্য যাচাই করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।   বিশ্বকাপ চলাকালে আবাসন ও পরিবহনের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়াম এবং আশপাশের এলাকায় দর্শনার্থীর চাপ থাকবে বেশি। এই সুযোগে ভুয়া হোটেল বুকিং ও কম দামের ভ্রমণ প্যাকেজের নামে প্রতারণার ঘটনা ঘটতে পারে। একইভাবে এনজে ট্রানজিটের নাম ব্যবহার করেও জাল পরিবহন টিকিট বিক্রির আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।   অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে তুলনামূলক সুরক্ষা পাওয়া যায়, কারণ অনেক ক্ষেত্রে প্রতারণা হলে চার্জ ব্যাকের মাধ্যমে অর্থ ফেরত পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে ক্যাশ, গিফট কার্ড বা অচেনা পেমেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন করলে অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ সীমিত। ভোক্তাদের সহায়তায় নিউইয়র্ক স্টেট ডিভিশন অব কনজ্যুমার প্রোটেকশন একটি হেল্পলাইন চালু রেখেছে, যেখানে ভোক্তারা সহায়তা নিতে পারেন। 

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ৮:১৯
নিউইয়র্কের আর্চি স্প্রিগনার পার্কে সবুজ মাঠে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ । আমেরিকা বাংলা কোলাজ

সবুজ মাঠে প্রবাসীদের মিলনমেলা, নিউইয়র্কে “বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল” জমকালো আয়োজন

ইয়ংকার্সের স্কুলে বুধবার শ্বাসরোধে মৃত্যুর শিকার ১২ বছর বয়সী জ্যাকব মেদিনা । ছবি: মেডিনা পরিবার

টিকটক ভিডিও চ্যালেঞ্জের মুখে নিউইয়র্কের ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক ও করের বোঝা এড়াতে মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রবণতা বাড়ছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: সংগৃহীত
চলতি সপ্তাহেই ইউরোপে ইরান চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, চলতি সপ্তাহের শেষেই ইউরোপের কোনো এক স্থানে এই চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই এই বড় কূটনৈতিক অগ্রগতির তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভির এক প্রতিবেদনে এই খবর প্রকাশ করা হয়েছে।   প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে জানান, বহুল প্রতীক্ষিত এই চুক্তির নথিপত্র প্রস্তুতের কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি খুব শিগগিরই সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি মনে করেন। ট্রাম্পের দাবি, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার বিষয়ে অন্যান্য পক্ষের মতোই ইরানও সমানভাবে আগ্রহী এবং তারা সফলভাবে আলোচনা শেষ করতে কাজ করছে।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বিশ্বাস করেন যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইতিমধ্যে এই সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তিটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিয়েছেন। তবে ট্রাম্প জানান, ইউরোপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি নিজে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এই অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মূল প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।   চুক্তির পরবর্তী ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে ট্রাম্প বলেন, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অনেক কমে আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ৪:৪৫
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ‘মহান ব্যক্তিত্ব’ বলে ট্রাম্পের প্রশংসা

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে ময়লা ফেলা ঠেকাতে ওকল্যান্ডে ৯৩ লাখ ডলারের তহবিল

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে পুরাতন পোশাক নষ্ট হওয়া ঠেকাতে পাবলিক লাইব্রেরিতে অভিনব উদ্যোগ

0 Comments