আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটিতে আরও ১১০ কর্মী ছাঁটাই

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৬ ০:৩০
জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি | ছবি: গেটি ইমেজেস
জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি | ছবি: গেটি ইমেজেস

যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি তাদের আরও ১১০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। ফেডারেল তহবিলের ক্রমাগত ঘাটতি এবং আর্থিক সংকটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার এই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। গত বছর দুই হাজারেরও বেশি কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এটি প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় দফার বড় ধাক্কা, যা মূলত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর প্রভাব ফেলেছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে খরচ কমানোর সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর এই ছাঁটাই প্রক্রিয়াটি ছিল তাদের শেষ উপায়। ফেডারেল গবেষণা বাজেটে বরাদ্দ কমে যাওয়ার কারণে এর সাথে যুক্ত প্রশাসনিক অবকাঠামোতেও পরিবর্তন আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। এর আগে আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে ২০২৫ সালের জুন মাসে নতুন কর্মী নিয়োগ স্থগিত এবং কর্মীদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

 

আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে গত বছর থেকে জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এর মধ্যে ৮০ হাজার ডলারের বেশি বেতন পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বন্ধ করা, অন্যান্য অতিরিক্ত খরচ কমানো, শূন্য পদগুলো বিলুপ্ত করা এবং আগামী পাঁচ বছরের মূলধনী প্রকল্পের খরচ ২০ শতাংশ কমিয়ে আনা অন্যতম। তা সত্ত্বেও নতুন করে এই ছাঁটাই এড়ানো সম্ভব হয়নি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তহবিল সংকটের সূত্রপাত মূলত ২০২৫ সালের মার্চ মাসে, যখন মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা বা ইউএসএআইডি থেকে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে তখন বিশ্বের ৪৪টি দেশে নিয়োজিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ হাজার ২০০ জনেরও বেশি কর্মীকে চাকরি হারাতে হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট বা এনআইএইচ-এর অনুদান কমানোর সিদ্ধান্তের ফলেই এই বিপর্যয় ঘটে।

 

এনআইএইচ থেকে সবচেয়ে বেশি অনুদান পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি অন্যতম, যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন যুগান্তকারী চিকিৎসা গবেষণায় ব্যবহৃত হতো। কিন্তু ২০২৫ সালের জুন মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৯০টি বড় গবেষণা প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, যার ফলে সরাসরি ৫০ মিলিয়ন ডলারের ফেডারেল গবেষণা তহবিল হারায় প্রতিষ্ঠানটি। এই বড় আর্থিক ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে এবং ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখন নতুন কৌশল ও পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
মাত্র ৮৭ হাজার ডলারে বাড়ি, তবু জনশূন্য হয়ে পড়ছে নিউইয়র্কের ইউটিকা। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের যে শহরে মাত্র ৮৭ হাজার ডলারে মিলছে বাড়ি, তবু কেন মানুষ ছেড়ে যাচ্ছে শহরটি?

নিউইয়র্কের আপস্টেটের শহর ইউটিকায় যেন চলছে নতুন বাসিন্দা খোঁজার এক মরিয়া চেষ্টা। নিউইয়র্ক সিটির আকাশছোঁয়া জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিপরীতে এই শহরটি নীরবে রাজ্যের অন্যতম সাশ্রয়ী আবাসন বাজারে পরিণত হয়েছে। একাধিক মার্কেট ট্র্যাকারের তথ্য অনুযায়ী, এলাকাভেদে এখানকার একেকটি বাড়ির গড় মূল্য মাত্র ৮৭ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৭ হাজার ডলারের মধ্যে। মাসিক ভাড়াও শুরু হয় মাত্র ৯০০ ডলার থেকে। সামগ্রিকভাবে নিউইয়র্ক রাজ্যের গড়ের চেয়ে ইউটিকার জীবনযাত্রার ব্যয় প্রায় ২৮ থেকে ৩৩ শতাংশ কম।   নিউইয়র্ক সিটির লাগামহীন ব্যয়ের কারণে যারা শহর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন, তাদের কাছে এই পরিসংখ্যানকে স্বপ্নের মতো মনে হতে পারে। নিউইয়র্ক সিটি থেকে চার ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত এই শহরে জীবনযাত্রার খরচ এত কম হওয়া সত্ত্বেও একটি বড় প্রশ্ন থেকেই যায়—কেন এই শহরের জনসংখ্যা ক্রমশ কমছে?   জিলো (Zillow)-এর তথ্যমতে, গত এক বছরে ইউটিকার বাড়ির দাম প্রায় ৯ শতাংশ বাড়লেও এখানকার একটি বাড়ির গড় দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৪১২ ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ে একটি বাড়ির গড় মূল্য যেখানে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার, সেখানে ইউটিকার এই দামকে নিতান্তই নগণ্য বলা চলে।   শহরের আবাসন বাজারের এই সস্তা দরের বেশ কিছু বাস্তব উদাহরণ রয়েছে। স্প্রিং স্ট্রিট ওয়েস্টে অবস্থিত পাঁচ বেডরুম ও এক বাথরুমের একটি সিঙ্গেল-ফ্যামিলি বাড়ির তালিকাভুক্ত মূল্য মাত্র ৮৯ হাজার ৯০০ ডলার। এছাড়া তিন বেডরুমের একটি বাড়ি বিক্রি হচ্ছে ৯৯ হাজার ৯০০ ডলারে। শহরের একটু দামি এলাকার কথা বিবেচনা করলেও, মোহক স্ট্রিটে ২ হাজার ৫৩২ স্কয়ার ফুটের পাঁচ বেডরুম ও আড়াই বাথরুমের একটি বাড়ির দাম হাঁকা হয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ ডলার।   কিন্তু মুদ্রার উল্টোপিঠের চিত্রটা বেশ হতাশাজনক। এত সস্তায় আবাসন সুবিধা পাওয়ার পরও মানুষ ইউটিকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। বর্তমানে শহরটির জনসংখ্যা বছরে প্রায় ০.৭৪ শতাংশ হারে কমছে। ২০২০ সালের আদমশুমারির পর থেকে শহরটির জনসংখ্যা ৪ শতাংশেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির বাইরের আপস্টেট মিউনিসিপ্যালিটিগুলোর মধ্যে ইউটিকা থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ স্থানান্তর হয়েছে, যার সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন।   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোহক ভ্যালির এক প্রবীণ রিয়েল এস্টেট এজেন্ট এই পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, "এটি হয়তো আপনার কেনা সবচেয়ে সস্তা বাড়ি হবে, কিন্তু আপনার সন্তানদের এখানে থাকার জন্য রাজি করানোটা হবে সবচেয়ে কঠিন কাজ।" সাউদার্ন টিয়ার বা ক্যাপিটাল রিজিয়নের সাথে ইউটিকার তুলনা করে সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে তিনি পরিস্থিতিটি এভাবেই তুলে ধরেন। তার মতে, "এখানে বাড়ির দাম কোনো সমস্যা নয়। দাম ছাড়া বাকি সবকিছুই আসলে সমস্যা।"   শহরবাসীর এই প্রস্থানের শেকড় লুকিয়ে আছে কয়েক দশক আগের ইতিহাসে। ‘রাস্ট বেল্ট’ এলাকার অন্যান্য শহরের মতো ইউটিকাকেও শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার চরম খেসারত দিতে হচ্ছে। জেনারেল ইলেকট্রিক (GE) এবং লকহিড মার্টিনের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কারখানা বন্ধ করে শহরতলিতে চলে যাওয়ার ফলে ইউটিকা তার মূল অর্থনৈতিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। বিপুল সংখ্যক চাকরি হারানোর কারণে শহরের কর রাজস্ব কমে যায় এবং অনেক বাসিন্দা চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়েন।   ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউটিকার মানুষের ব্যক্তিগত আয়ের মধ্যমা (মিডিয়ান ইনকাম) ছিল মাত্র ৩০, ৭৮৫ ডলার, যেখানে একটি পরিবারের আয়ের মধ্যমা প্রায় ৫২,০০০ ডলার; যা নিউইয়র্ক রাজ্যের গড়ের চেয়ে অনেক নিচে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগের (Department of Labor) তথ্যানুযায়ী, এই শহরের বেকারত্বের হার ৪.৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এখানকার দারিদ্র্যের হার ২৭ শতাংশেরও বেশি, যা জাতীয় গড়ের প্রায় দ্বিগুণ।   অর্থনৈতিক এই দৈন্যদশার কারণেই মূলত সস্তায় বাড়ি পাওয়ার পরও মানুষ শহর ছাড়ছেন। সম্প্রতি নিজের বাড়ি বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করেছেন এমন এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "ব্রুকলিনে একটি বাড়ি কিনতে শুধু ডাউনপেমেন্ট হিসেবে যে টাকা দিতে হয়, সেই টাকায় আপনি এখানে আস্ত একটি বাড়ি পেয়ে যাবেন। কিন্তু ভাড়ায় খাটানোর জন্য বাড়ি কেনা যায়, এখানে নিজেরা থাকার কোনো কারণ কাউকে বোঝানোই এখানকার সবচেয়ে বড় সমস্যা।"

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ১০, ২০২৬ ২০:৩০
ক্যালিফোর্নিয়ায় জ্বালানি ট্যাংকারে ভয়াবহ আগুন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্ধ হাইওয়ে। ছবি:সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় জ্বালানি ট্যাংকারে ভয়াবহ আগুন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্ধ হাইওয়ে

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের আবাসন ও ভূমি ব্যবহার সংক্রান্ত গণশুনানি। ছবি:সংগৃহীত

নিউইয়র্কে আবাসন ও ভূমি ব্যবহার নিয়ে একাধিক গণশুনানি, নজরে সাশ্রয়ী আবাসন

কুইন্সের ফ্লাশিং ও অ্যাস্টোরিয়ার বহুজাতিক খাবারের ব্যবসা ও রেস্তোরাঁ এলাকা। ছবি:সংগৃহীত

কুইন্সে বাড়ছে নতুন রেস্তোরাঁ, বৈচিত্র্যময় খাবারে জমে উঠছে অভিবাসী কমিউনিটির ব্যবসা

নিউইয়র্কের ৩১ লাখ অভিবাসী শহরের অর্থনীতি, শ্রমবাজার, ব্যবসা ও সেবাখাতে রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান, গড়ে তুলছেন বহুজাতিক নগর সমাজ।
নিউইয়র্কের অর্থনীতির চালিকাশক্তিতে ৩১ লাখ অভিবাসী

নিউইয়র্ক শহরের জনসংখ্যা, শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতে অভিবাসীদের ভূমিকা দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। নগর কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৩ সালে নিউইয়র্ক সিটিতে বিদেশে জন্মগ্রহণকারী মানুষের সংখ্যা প্রায় ৩১ লাখে পৌঁছেছে। শহরের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৮ শতাংশ এবং কর্মশক্তির ৪৩ শতাংশই এই জনগোষ্ঠীর।   জুন ২০২৬ সালে প্রকাশিত ‘দ্য নিউয়েস্ট নিউইয়র্কার্স’ প্রতিবেদনে নিউইয়র্কের অভিবাসী জনগোষ্ঠীর আকার, বৈচিত্র্য এবং অর্থনৈতিক অবদানের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অভিবাসীরা কেবল শহরের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ নন; ব্যবসা-বাণিজ্য, স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্যসেবা, আবাসন, পর্যটন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতেও তাদের ব্যাপক অংশগ্রহণ রয়েছে।   প্রতিবেদনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিউইয়র্কে বসবাসকারী বিদেশে জন্মগ্রহণকারীর সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বড় শহরের সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। লস অ্যাঞ্জেলেস, হিউস্টন, শিকাগো ও সান হোসে—এই চার শহরে থাকা বিদেশে জন্মগ্রহণকারী মানুষের মোট সংখ্যার তুলনায় নিউইয়র্কের সংখ্যা বেশি।   শহরের পাঁচ বরোর প্রায় সব এলাকাতেই অভিবাসী জনগোষ্ঠীর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। বিশেষ করে কুইন্স ও ব্রুকলিনে বিদেশে জন্মগ্রহণকারী বাসিন্দার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফ্লাশিং-মারে হিল, এলমহার্স্ট, করোনা, ইস্ট ফ্ল্যাটবুশ, গ্রেভসেন্ড ও ওয়াশিংটন হাইটসের মতো এলাকাগুলোতে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের ঘনবসতি রয়েছে।   নিউইয়র্কের অভিবাসী সমাজের বৈচিত্র্যও প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উঠে এসেছে। চীন ও ডোমিনিকান রিপাবলিক শহরের বিদেশে জন্মগ্রহণকারী জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে। এরপর রয়েছে জ্যামাইকা ও মেক্সিকো। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যেও বাংলাদেশের অবস্থান উল্লেখযোগ্য। বিদেশে জন্মগ্রহণকারী সবচেয়ে বড় ১০টি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বাংলাদেশ সপ্তম অবস্থানে রয়েছে।   অভিবাসীদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যায় কর্মক্ষেত্রে। নগর কর্তৃপক্ষের তথ্য বলছে, নিউইয়র্কের মোট কর্মশক্তির ৪৩ শতাংশ বিদেশে জন্মগ্রহণকারী। অর্থাৎ শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা ও সেবাখাতে কর্মরত বিপুলসংখ্যক মানুষ অভিবাসী জনগোষ্ঠীর অংশ।   স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সহায়তা খাতে তাদের উপস্থিতি বিশেষভাবে দৃশ্যমান। এ খাতে কর্মরত প্রায় ৫ লাখ ১৯ হাজার মানুষের মধ্যে ৪৪ শতাংশ বিদেশে জন্মগ্রহণকারী। বিশেষ করে বাড়িভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে অভিবাসী কর্মীদের ওপর উল্লেখযোগ্য নির্ভরতা রয়েছে।   খাদ্য ও পানীয়, আবাসন এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট কাজেও অভিবাসীদের অংশগ্রহণ অনেক বেশি। এসব খাতে কর্মরতদের প্রায় প্রতি পাঁচজনের মধ্যে তিনজন বিদেশে জন্মগ্রহণকারী। ফলে রেস্তোরাঁ, হোটেল, পর্যটনসেবা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন নগরজীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অভিবাসী শ্রমিকদের অবদান সরাসরি প্রতিফলিত হচ্ছে।   অভিবাসনের প্রভাব শুধু কর্মসংস্থান বা অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়। নিউইয়র্কের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যেও এর বড় প্রভাব রয়েছে। শহরের প্রায় অর্ধেক বাসিন্দা নিজেদের বাড়িতে ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ব্যবহার করেন।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউইয়র্কের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বাসিন্দা হয় নিজেরাই বিদেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, নয়তো অন্তত একজন অভিবাসী বাবা-মায়ের সন্তান। অর্থাৎ অভিবাসনের প্রভাব শহরের একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিউইয়র্কের সমাজ ও সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করছে।   নগর কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনটি নিউইয়র্কের অর্থনৈতিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এনেছে। বিপুলসংখ্যক অভিবাসী কর্মী বিভিন্ন খাতে কাজ করার পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা, ভোক্তা হিসেবে বাজারকে সক্রিয় রাখা এবং শহরের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সমৃদ্ধ করতেও ভূমিকা রাখছেন।   বিশ্লেষকদের কাছে এ পরিসংখ্যানের তাৎপর্য হলো নিউইয়র্কের অর্থনীতি ও শ্রমবাজারকে অভিবাসী জনগোষ্ঠী থেকে আলাদা করে দেখা বাস্তবসম্মত নয়। শহরের জনসংখ্যা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা এবং সেবাব্যবস্থার সঙ্গে অভিবাসীদের অংশগ্রহণ গভীরভাবে যুক্ত। তাই নিউইয়র্কের ভবিষ্যৎ নগর অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামো বোঝার ক্ষেত্রেও অভিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: আগস্ট ১০, ২০২৬ ১৮:১১
বিমান চালানোর প্রশিক্ষণের সময় ককপিটে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি; ছেলের অনুপ্রেরণায় পাইলট হওয়ার গল্পটি নতুন করে আলোচনায়। ছবি:সংগৃহীত

ছেলেকে মুগ্ধ করতে বিমান চালানো শিখেছিলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, দুই দশক পর পাইলট ম্যাডক্সও

বিমানবন্দরে আইসিইর হাতে আটক হওয়া মিয়ামি ইউনাইটেডের আর্জেন্টাইন ফুটবলার মাতিয়াস পোররাইন। ছবি:সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচের আগে বিমানবন্দরে আইসিইর হাতে আটক ফ্লোরিডার আর্জেন্টাইন ফুটবলার

পুলিশ কর্মকর্তা হাকিম ফারথিং।

মাতাল চালকের গাড়িচাপায় মৃত্যু, ২৪ বছর পরও হাকিমকে স্মরণ করে পুরস্কার দেয় মার্কিন পুলিশ

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ছবি: সংগৃহীত
ক্ষতির আশঙ্কার কথা বলে হাম, মাম্পস ও রুবেলার টিকা আলাদা দেওয়ার পরামর্শ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের টিকা দেওয়ার পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১০ আগস্ট তিনি একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন, যেখানে একসঙ্গে একাধিক টিকা না দিয়ে আলাদা সময়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বিশেষ করে হাম, মাম্পস ও রুবেলার সমন্বিত এমএমআর টিকা তিনটি পৃথক টিকায় ভাগ করে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের একটি বড় অংশ বলছেন, এই পরিবর্তনের পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই এবং এতে শিশুদের টিকাপ্রতিরোধযোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।   নতুন নির্দেশনায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় শিশুদের বেশি টিকা দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিশুরা ৭২টি পর্যন্ত টিকার ডোজ পায় এবং একসঙ্গে একাধিক টিকা দেওয়া শিশুদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে “৭২টি জ্যাব” কথাটি মূলত পুরো শৈশব ও কৈশোরজুড়ে সুপারিশকৃত ডোজগুলো যোগ করে তৈরি একটি রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত সংখ্যা; এটিকে একই সময়ে দেওয়া ৭২টি ইনজেকশন হিসেবে দেখা ঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের টিকা সূচি বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী কয়েক বছর ধরে ধাপে ধাপে ভাগ করা থাকে।    ট্রাম্প একই বক্তব্যে নবজাতকদের হেপাটাইটিস বি টিকা দেওয়ারও বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এই টিকা ১৪ বা ১৫ বছর বয়সে দেওয়া উচিত। কিন্তু বর্তমান মার্কিন স্বাস্থ্য নির্দেশনায় বিষয়টি এত সরল নয়। ২০২৫ সালের শেষ দিকে নীতি পরিবর্তনের পর হেপাটাইটিস বি নেগেটিভ মায়ের সন্তানের ক্ষেত্রে জন্মের সময় টিকা দেওয়া হবে কি না, তা বাবা-মা ও চিকিৎসকের যৌথ সিদ্ধান্তের আওতায় আনা হয়েছে। তবে যেসব মায়ের হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ রয়েছে বা সংক্রমণের অবস্থা জানা নেই, তাদের নবজাতককে জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যেই হেপাটাইটিস বি টিকা দেওয়ার সুপারিশ বহাল রয়েছে।    এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন শিশুদের জন্য সর্বজনীনভাবে সুপারিশকৃত টিকার তালিকাও ছোট করেছে। আগে ১৭টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা সবার জন্য সুপারিশ করা হলেও নতুন কাঠামোয় সেটি ১১টি মূল রোগে সীমিত করা হয়। ফ্লু, রোটাভাইরাস, হেপাটাইটিস এ ও বি এবং কিছু মেনিনজাইটিস টিকাকে ঝুঁকি বা চিকিৎসকের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে দেওয়ার শ্রেণিতে নেওয়া হয়। এই পরিবর্তন নিয়ে আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকসসহ একাধিক চিকিৎসক সংগঠন আপত্তি জানিয়েছে।    সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে এমএমআর টিকা নিয়ে। ট্রাম্প বলেছেন, হাম, মাম্পস ও রুবেলার টিকা একসঙ্গে না দিয়ে তিনটি আলাদা টিকা হিসেবে পৃথক সময়ে দেওয়া উচিত। তিনি আরও দাবি করেন, একসঙ্গে দিলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে হাম, মাম্পস ও রুবেলার পৃথক একক টিকা বাজারে সহজলভ্য নয়। নতুন নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে হলে নির্মাতাদের নতুন করে পৃথক টিকা উৎপাদনের প্রয়োজন হতে পারে।    ট্রাম্পের বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো, তিনি একসঙ্গে দেওয়া টিকাকে “লেথাল” বা প্রাণঘাতী হওয়ার সম্ভাবনার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই দাবির পক্ষে প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। এমএমআর টিকা ও অটিজমের মধ্যে সম্পর্ক থাকার পুরোনো দাবিটিও বহু গবেষণায় খণ্ডিত হয়েছে। যে গবেষণা থেকে প্রথম এই বিতর্ক ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছিল, সেটি পরে প্রত্যাহার করা হয় এবং গবেষণাটির তথ্য জালিয়াতির অভিযোগও প্রমাণিত হয়।    শিশুকে একই ভিজিটে একাধিক টিকা দেওয়ার বিষয়টিও দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, প্রয়োজনীয় টিকাগুলো অযথা আলাদা আলাদা সময়ে দেওয়া হলে শিশুর পূর্ণ টিকা গ্রহণ শেষ হতে বেশি সময় লাগবে। সেই সময়ের ব্যবধানে তারা হাম, হুপিং কাশি বা অন্য টিকাপ্রতিরোধযোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকতে পারে।

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ১০, ২০২৬ ১৬:২১
ঘরে বসেই দেখছেন সোশ্যাল সিকিউরিটির টেক্সট প্রতিটি। ছবি: সংগৃহীত

চাকরি করছেন যুক্তরাষ্ট্রে? যেভাবে দেখবেন আপনার নামে কত সোশ্যাল সিকিউরিটি ট্যাক্স জমা হয়েছে

বাংলাদেশি অধ্যাপক জাহিদ হাসান

কোয়ান্টাম ফিজিক্সে ইতিহাস গড়ে যুক্তরাষ্ট্রে নোবেলের আলোচনায় বাংলাদেশি অধ্যাপক জাহিদ হাসান

যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতার অর্থ সব উপকারভোগী একই দিনে পান না। জন্মতারিখ ও ভাতার ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত দিনে ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি টাকা সবার ব্যাংকে একই দিনে আসে না

0 Comments