আমেরিকা

দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের দাবিকে অবৈধ বলল যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৪ দেশ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১২, ২০২৬ ১০:৪৩
দক্ষিণ চীন সাগর বিরোধ নিষ্পত্তিতে ২০১৬ সালের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক রায়ের প্রতি আবারও সমর্থন জানাল ১৪ দেশ। ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ চীন সাগর বিরোধ নিষ্পত্তিতে ২০১৬ সালের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক রায়ের প্রতি আবারও সমর্থন জানাল ১৪ দেশ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপ ও এশিয়ার আরও ১২টি দেশ যৌথভাবে পুনর্ব্যক্ত করেছে যে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের বিস্তৃত সামুদ্রিক দাবির কোনো আইনি ভিত্তি নেই। দেশগুলো ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ঐতিহাসিক রায়ের প্রতি আবারও সমর্থন জানিয়েছে।

 

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় সমুদ্রসীমা নির্ধারণে জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সনদ (UNCLOS) অনুসরণ করতে হবে এবং ২০১৬ সালের রায় দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধ নিষ্পত্তিতে এখনো প্রাসঙ্গিক।

 

২০১৬ সালে নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক স্থায়ী সালিশি আদালত ফিলিপাইনের করা মামলায় রায় দেয় যে, দক্ষিণ চীন সাগরের অধিকাংশ এলাকায় চীনের তথাকথিত “নাইন-ড্যাশ লাইন” দাবির কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। তবে চীন ওই রায় প্রত্যাখ্যান করে এবং শুরু থেকেই জানিয়ে আসছে যে তারা এ সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না।

 

সাম্প্রতিক যৌথ বিবৃতিকে বেইজিংয়ের প্রতি একটি কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দক্ষিণ চীন সাগরে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক আইন বজায় রাখার প্রশ্নে পশ্চিমা ও এশীয় দেশগুলোর অবস্থান আরও জোরালো হচ্ছে।


দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। প্রতিবছর ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্যবাহী জাহাজ এ পথ দিয়ে চলাচল করে। চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই ও তাইওয়ান এ অঞ্চলের বিভিন্ন দ্বীপ ও সামুদ্রিক এলাকার ওপর দাবি জানিয়ে আসছে, যা দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক উত্তেজনার অন্যতম প্রধান কারণ।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ইরানে হামলার ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় ইরানের সাবমেরিন ও জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ স্থাপনায় আঘাত

ইরানের একটি সাবমেরিন ও নৌযান রক্ষণাবেক্ষণ স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, রোববার রাতে একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করে এ হামলা চালানো হয়েছে, যার উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করা।    সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, “গত রাতের হামলায় বাণিজ্যিক নৌপরিবহনে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ইরানের সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”   তাৎক্ষণিকভাবে হামলায় হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।    সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা ও হামলার মাধ্যমে ইরান বৈশ্বিক সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। অন্যদিকে তেহরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং পাল্টা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির সমালোচনা করছে।    বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন করা হয়। এ জলপথে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, শিপিং খাত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১৬:২৬
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি  ছবি:সংগৃহীত

গৃহহীনদের শিবির নিয়ে প্রশ্নে সরাসরি জবাব এড়ালেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি

গুলাগুলির স্থানে পুলিশ পরিদর্শন। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে গুলি করে হত্যা, আটক দুই কিশোর

ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েলোস্টোন পার্কে বন্য মহিষের হামলায় গুরুতর আহত বৃদ্ধ, সুস্থ হয়েই করলেন পশুটির প্রশংসা

পুলিশের হাতে আটককৃত তিনজন ছবি : সংগৃহীত
হোটেল নজরদারিতে মাদক, অস্ত্র উদ্ধার; নিউ জার্সিতে তিনজন গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের সিককাস (Secaucus) শহরের একটি হোটেলকে কেন্দ্র করে পরিচালিত পরিকল্পিত পুলিশি নজরদারি অভিযানে বিপুল পরিমাণ সন্দেহভাজন মেথঅ্যামফেটামিন, একটি লোডেড আগ্নেয়াস্ত্র, স্টান গান এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিককাস পুলিশ।   পুলিশ জানায়, গত ১১ জুলাই রুট–৩ ইস্ট এলাকায় অবস্থিত একটি হোটেলের বাইরে সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর নজরদারির সময় ৩২ বছর বয়সী ল্যারি ডব্লিউ. উরতার্তেকে একটি বড় ব্যাগ একটি রাইডশেয়ার গাড়িতে তুলতে দেখা যায়। পরে পুলিশ গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে ব্যাগের ভেতর থেকে সন্দেহভাজন মেথঅ্যামফেটামিন উদ্ধার করে।   তদন্তে জানা যায়, রাইডশেয়ার চালক ব্যাগে কী ছিল তা জানতেন না। তিনি কেবল ভাড়ায় ব্যাগটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়।   পরে আরেকটি রাইডশেয়ার গাড়িতে থাকা অবস্থায় উরতার্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তার কাছ থেকে আরও সন্দেহভাজন মেথঅ্যামফেটামিন, ১৫ রাউন্ড গুলিভর্তি .৪০ ক্যালিবার গ্লক পিস্তল, একটি স্টান গান এবং সন্দেহভাজন জিএইচবি (GHB) উদ্ধার করে। তদন্তে আরও জানা যায়, তার বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি এবং নিউ জার্সির ক্লিফটন এলাকায় আগের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও ছিল।   একই অভিযানে ২৮ বছর বয়সী অস্টিন ল্যাট্রিস ব্রাউনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধেও পূর্বের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল এবং তার কাছ থেকে সন্দেহভাজন মেথঅ্যামফেটামিন উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া ৫৫ বছর বয়সী ফ্র্যাঙ্কলিন ফারিনোকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম রাখার অভিযোগে আটক করা হয়েছে।   সিককাস পুলিশের প্রধান ডেনিস মিলার বলেন, অপরাধীরা হোটেলগুলোকে অবৈধ কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।   পুলিশ উরতার্তের বিরুদ্ধে মাদক বিতরণ, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন, মাদক অপরাধ সংঘটনের সময় অস্ত্র রাখাসহ একাধিক অভিযোগ এনেছে। ব্রাউনের বিরুদ্ধে মাদক রাখার অভিযোগ এবং পূর্বের পরোয়ানা কার্যকর করা হয়েছে। ফারিনোর বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।   তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া প্রত্যেক ব্যক্তি আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১৫:২০
ভয়াবহ ভাইরাস সমক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষামূলক কাজ করছে ডাক্তার। ছবি:সংগৃহীত

কঙ্গোতে ইবোলা আরও ভয়াবহ, নতুন দুই প্রদেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে সতর্কতা জোরদার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের

সাবেক কর নিরীক্ষায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ সুরক্ষা চুক্তি বাতিল করলেন মার্কিন ফেডারেল বিচারক। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের IRS সমঝোতা বাতিল, আইনজীবী ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পর্যালোচনার নির্দেশ

ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দাদের জন্য নতুন ইভি কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার ডলার রিবেট ঘোষণা। ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথমবার ইলেকট্রিক গাড়ি কিনলে মিলবে ৩,৫০০ ডলার

ঝুঁকি নিয়ে বিনা পারিশ্রমিকে হরমুজ প্রণালি পাহারা আর নয়; মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি পাহারার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে খরচ দিতে হবে: ট্রাম্প

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র নেবে এবং এটি পাহারা দেওয়ার জন্য ধনী দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।    ট্রাম্প বলেন, “আমরাই প্রণালিটির অভিভাবক হব। এতদিন যুক্তরাষ্ট্র বিনা পারিশ্রমিকে এটি পাহারা দিয়েছে। এখন আর তা হবে না। আমাদের মানুষকে ঝুঁকিতে ফেলে এই দায়িত্ব পালন করলে তার বিনিময়ে অর্থ পাওয়া উচিত।”   মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি পাহারা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র “অনেক অর্থ” পাবে এবং ধনী মিত্র দেশগুলো এ ব্যয় বহন করবে। তাঁর ভাষায়, “আমরা শুধু আমাদের ব্যয় ফেরত চাই।”    ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক সামরিক পাল্টাপাল্টি হামলার পর হরমুজ প্রণালি ঘিরে দুই দেশের বিরোধ আরও বেড়েছে। ইরান-সমর্থিত পক্ষগুলো প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকার দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র বলছে, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের জন্য এটি উন্মুক্ত এবং কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে নয়।    সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনারও সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ আলোচনার পর যেসব বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল, ইরানি প্রতিনিধিরা পরে সেগুলো পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়। তবে কী ধরনের পরিবর্তন চাওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।    অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, পরিস্থিতি আরও অবনতির হাত থেকে রক্ষা করতে কাতার, পাকিস্তান ও ওমানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।    বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই জলপথে যেকোনো অস্থিরতা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং বিশ্ববাজারে তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১০:৪৫
মহিষের হামলায় শরীরে একাধিক হাড় ভাঙলেও অ্যাম্বুলেন্স আসা পর্যন্ত রসিকতা করে সাহস জোগালেন ম্যাকড্যানিয়েল। ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে বুনো মহিষের গুঁতায় ৮ ফুট ওপরে ছিটকে পড়া বৃদ্ধের পরিচয় মিলল, ভেঙেছে শরীরের একাধিক হাড়

বিডিফোর্ডে গুলির ঘটনায় একজনের মৃত্যু; তদন্তে মেইন স্টেট পুলিশের পাশাপাশি এফবিআই যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আইসিই অভিযান ঘিরে গুলি, প্রাণ গেল এক ব্যক্তির

তাজা ফলমূল ও শাকসবজিতে ক্ষতিকর পরজীবীর প্রাদুর্ভাব; যুক্তরাষ্ট্রে শত শত মানুষকে নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জরুরি সতর্কতা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ফল ও শাকসবজি থেকে ছড়াচ্ছে পেটের বিপজ্জনক রোগ, আক্রান্ত হাজারো মানুষ

0 Comments