আমেরিকা

স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তিতে ওয়াশিংটনের রাজপথে গর্জাবে ‘ফ্রিডম ২৫০ গ্র্যান্ড প্রিক্স’

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১৬:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং কার্যালয় হোয়াইট হাউস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং কার্যালয় হোয়াইট হাউস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা ‘ফ্রিডম ২৫০ গ্র্যান্ড প্রিক্স’-এর প্রস্তুতির অগ্রগতি তুলে ধরেছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী আগস্টে ওয়াশিংটন ডিসির ঐতিহাসিক সড়কগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশেষ ইন্ডিকার (INDYCAR) স্ট্রিট রেস।

 

ট্রাম্প চলতি বছর জানুয়ারিতে এক নির্বাহী আদেশে এই প্রতিযোগিতার অনুমোদন দেন। এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে এবং ন্যাশনাল মলের আশপাশে অনুষ্ঠিত প্রথম ইন্ডিকার স্ট্রিট রেস। আয়োজকদের ভাষ্য, এই রেসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের পাশাপাশি দেশটির মোটরস্পোর্টস ঐতিহ্যও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।

 

প্রতিযোগিতাটি ২১ থেকে ২৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। রেসের পথ রাখা হয়েছে পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল, ওয়াশিংটন মনুমেন্ট, ন্যাশনাল মল এবং আশপাশের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর পাশ দিয়ে। আয়োজকদের দাবি, অনেক দর্শক নির্ধারিত এলাকায় বিনামূল্যে রেস উপভোগ করতে পারবেন।

 

ইন্ডিকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ১.৭ মাইল দীর্ঘ এই স্ট্রিট সার্কিটে বিশ্বের শীর্ষ ওপেন-হুইল রেসিং চালকরা অংশ নেবেন। নিরাপত্তা, দর্শকদের সহজ প্রবেশ এবং রাজধানীর ঐতিহাসিক সৌন্দর্য তুলে ধরার বিষয়টি মাথায় রেখেই সার্কিটের নকশা করা হয়েছে।

 

হোয়াইট হাউস বলছে, এই গ্র্যান্ড প্রিক্স যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ হবে। তবে রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে মোটর রেস আয়োজন নিয়ে নিরাপত্তা, যান চলাচল এবং ব্যয়ের বিষয়েও আলোচনা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
প্রতিষ্ঠানের পটক ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যসেবা জালিয়াতির বিরুদ্ধে অভিযান, নিষিদ্ধ ১ হাজার ২১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা খাতে জালিয়াতির অভিযোগে দেশজুড়ে তদন্তের পর ১ হাজার ২১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ করেছে দেশটির স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (ডিএইচএস)।   রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের মহাপরিদর্শকের কার্যালয় (ওআইজি) কংগ্রেসে জমা দেওয়া অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তের ভিত্তিতে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মেডিকেয়ার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে ফেডারেল পর্যায়ে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত রয়েছে।   তদন্তে বড় কয়েকটি মামলাও উঠে এসেছে। এর মধ্যে টেলিমেডিসিন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তাকে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের জালিয়াতি পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মেডিকেয়ার সুবিধা সংক্রান্ত অতিরিক্ত বিলের অভিযোগে কাইজার পারমানেন্টের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং সিভিএস হেলথের এ্যাটনা-র সঙ্গে মোট ৬৭ কোটি ৪০ লাখ ডলারের সমঝোতা হয়েছে।   তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেডারেল পর্যায়ে ফৌজদারি ও দেওয়ানি পদক্ষেপের সংখ্যা আগের সময়ের তুলনায় কমেছে। সর্বশেষ সময়ে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ৬০৪টি, যা আগের প্রতিবেদনের ৮৩৩টি ঘটনার চেয়ে কম।   স্বাস্থ্যসেবা জালিয়াতি ঠেকাতে হোয়াইট হাউসের একটি বিশেষ টাস্কফোর্সের সঙ্গেও কাজ করছে ওআইজি। এই উদ্যোগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা মন্ত্রী রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র এবং মেডিকেয়ার প্রধান মেহমেত ওজ যুক্ত রয়েছেন।   তবে সরকারি কর্মকর্তাদের কিছু দাবির সঙ্গে ওআইজির প্রতিবেদনের তথ্যের পার্থক্য রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি এমন কিছু অর্থের অনিয়ম নিয়েও আলাদাভাবে দাবি করা হয়েছে।   ওআইজি জানিয়েছে, বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্বাস্থ্যসেবা খাতে কিছু অনিয়মিত অর্থপ্রদানের ঘটনা পাওয়া গেছে। তবে এসব নিরীক্ষায় সরাসরি কোনো সংঘবদ্ধ জালিয়াতির পরিকল্পনার প্রমাণ উল্লেখ করা হয়নি। কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় অর্থের অপচয় ও অনিয়ম বন্ধে তদন্ত ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১৮:৫৪
৭০ বছর বয়সী আটক হওয়া বৃদ্ধ গ্যারি এডওয়ার্ড গ্লোয়াকজ। ছবি : সংগৃহীত

১৯৮৭ সালের অমীমাংসিত হত্যাকাণ্ডের তথ্য দিতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ, পরে নিজেই গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তি

নিহত হওয়া শিশু চোজেন মরিস। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ৪ বছরের শিশুর গুলিতে ২ বছরের শিশুর মৃত্যু, বেড়াতে এসে ঘটল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা

"ভবিষ্যৎ সঞ্চয় ও আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত এক প্রবীণ দম্পতি।" ছবি:সংগৃহীত

জুলাইয়ের দ্বিতীয় ধাপে যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, সর্বোচ্চ ৫,১৮১ ডলার পাচ্ছেন যোগ্যরা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ছবি:সংগৃহীত
গণমাধ্যমে তথ্য ফাঁস তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন টাস্কফোর্স, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (DOJ) এবং প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) যৌথভাবে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এর উদ্দেশ্য সংবেদনশীল সরকারি তথ্য গণমাধ্যমে ফাঁসের ঘটনা তদন্ত করা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।    মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X)-এ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বলেন, তিনি পেন্টাগনের অফিস অব জেনারেল কাউন্সেল (OGC)-কে তথ্য ফাঁস-সংক্রান্ত তদন্ত পরিচালনার পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছেন।   হেগসেথ বলেন,“আমি ওয়ার ডিপার্টমেন্টের অফিস অব জেনারেল কাউন্সেলকে দায়িত্ব দিয়েছি। তারা গণমাধ্যমে তথ্য ফাঁসের তদন্তে প্রয়োজনীয় সব তথ্য, নথি ও সহায়তা পেতে পারবে।”   তিনি আরও জানান, পেন্টাগনের সব বিভাগকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে এবং OGC-এর তথ্য চাওয়ার অনুরোধের জবাব ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দিতে হবে। হেগসেথের ভাষায়, অনুমতি ছাড়া সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস করলে তা মার্কিন সেনাদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।   এই সিদ্ধান্ত এমন সময় নেওয়া হলো, যখন সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের কয়েকজন সাংবাদিককে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র খুঁজতে গ্র্যান্ড জুরির সামনে হাজির হওয়ার জন্য সমন পাঠিয়েছে বিচার বিভাগ। DOJ দাবি করেছে, সাংবাদিকরা নয়, বরং তথ্য ফাঁসকারীদের শনাক্ত করাই তাদের লক্ষ্য।   তবে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ও গণমাধ্যম এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছে। তাদের আশঙ্কা, তথ্য ফাঁসের তদন্তের নামে সরকার হুইসেলব্লোয়ারদের ভয় দেখাতে এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগজনক।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১৭:২
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং কার্যালয় হোয়াইট হাউস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তিতে ওয়াশিংটনের রাজপথে গর্জাবে ‘ফ্রিডম ২৫০ গ্র্যান্ড প্রিক্স’

ইরানে হামলার ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় ইরানের সাবমেরিন ও জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ স্থাপনায় আঘাত

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি  ছবি:সংগৃহীত

গৃহহীনদের শিবির নিয়ে প্রশ্নে সরাসরি জবাব এড়ালেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি

গুলাগুলির স্থানে পুলিশ পরিদর্শন। ছবি:সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে গুলি করে হত্যা, আটক দুই কিশোর

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ইস্ট সেন্ট লুইস শহরে একই পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো একাধিক গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত এবং আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৫ ও ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের একজন নিহতদের আত্মীয় এবং হত্যাকাণ্ডে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার সন্দেহ রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   রোববার শহরের একটি সরকারি আবাসন এলাকা, একটি পার্ক এবং আরেকটি বাসভবন—এই তিনটি স্থানে অল্প সময়ের ব্যবধানে গুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ও আহত সবাই একই পরিবারের সদস্য হওয়ায় ঘটনাগুলোকে একটি ধারাবাহিক হামলা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে।   নিহতরা হলেন ৭৪ বছর বয়সী প্যাট্রিসিয়া মে, ৪৯ বছর বয়সী চেরি মে, ২৪ বছর বয়সী ডেভিন মে, ২৫ বছর বয়সী শানিয়া থম্পসন এবং ২১ বছর বয়সী কুয়েন্টিন থম্পসন। আহত দুজনের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তারা হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।   ঘটনার পর সন্দেহভাজনদের বহনকারী একটি গাড়ি থামিয়ে দুই কিশোরকে আটক করে পুলিশ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা পরস্পরের আত্মীয়। তবে তাদের সম্পর্কের বিস্তারিত জানানো হয়নি। তদন্তকারীদের ধারণা, আটক হওয়া কিশোরদের একজন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত। একই সঙ্গে তিনি নিহতদেরও একজন স্বজন।   ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের পুলিশের পরিচালক ব্রেন্ডেন কেলি বলেন, এটি অত্যন্ত নৃশংস ও মর্মান্তিক ঘটনা। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, হামলাটি নির্দিষ্ট একটি পরিবারকে লক্ষ্য করেই চালানো হয়েছে। তবে এর পেছনের উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়।   স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কোর্টনি হফম্যান বলেন, একটি পরিবারের ওপর কেন এমন ভয়াবহ হামলা চালানো হলো—তদন্তে এখন সেই প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১৫:৪৬
ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েলোস্টোন পার্কে বন্য মহিষের হামলায় গুরুতর আহত বৃদ্ধ, সুস্থ হয়েই করলেন পশুটির প্রশংসা

পুলিশের হাতে আটককৃত তিনজন ছবি : সংগৃহীত

হোটেল নজরদারিতে মাদক, অস্ত্র উদ্ধার; নিউ জার্সিতে তিনজন গ্রেপ্তার

ভয়াবহ ভাইরাস সমক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষামূলক কাজ করছে ডাক্তার। ছবি:সংগৃহীত

কঙ্গোতে ইবোলা আরও ভয়াবহ, নতুন দুই প্রদেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে সতর্কতা জোরদার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের

0 Comments