সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

পাঁচ দশকের মাদক সাম্রাজ্যের অবসান, ব্রুকলিন আদালতে ‘এল মায়ো’র যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ২০, ২০২৬ ১৫:৩৯
অপরাধ জগতে "এল মায়ো" নামেও ব্যাপকভাবে পরিচিত ইসমায়েল জাম্বাদা গার্সিয়া। ছবি:সংগৃহীত
অপরাধ জগতে "এল মায়ো" নামেও ব্যাপকভাবে পরিচিত ইসমায়েল জাম্বাদা গার্সিয়া। ছবি:সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী মাদকচক্র সিনালোয়া কার্টেলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও দীর্ঘদিনের নেতা ইসমাইল ‘এল মায়ো’ জাম্বাদা গার্সিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ফেডারেল আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক মাদক পাচার, সংঘবদ্ধ অপরাধ পরিচালনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ কোকেন, হেরোইন, মেথামফেটামিন ও ফেন্টানিল সরবরাহের দায়ে ৭৬ বছর বয়সী এই মাদক সম্রাটের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয়।


রায় ঘোষণা করেন ব্রুকলিনের ফেডারেল বিচারক ব্রায়ান কোগান। আদালত বলেন, জাম্বাদার নেতৃত্বে পরিচালিত অপরাধচক্রের মাধ্যমে কয়েক দশক ধরে বিপুল পরিমাণ মাদক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে, যার সঙ্গে অসংখ্য হত্যাকাণ্ড, সহিংসতা এবং প্রাণঘাতী মাদক সংকট জড়িত। বিচারকের মতে, তার অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডই ছিল উপযুক্ত ও বাধ্যতামূলক শাস্তি।


রায় ঘোষণার আগে আদালতে বক্তব্য দিতে গিয়ে জাম্বাদা নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সহিংসতা কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান নয় এবং নতুন প্রজন্মকে অপরাধের পথ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তবে প্রসিকিউটররা আদালতে যুক্তি দেন, তার নেতৃত্বে পরিচালিত অপরাধচক্রের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে যে ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, তা কোনো অনুশোচনায় পূরণ হওয়ার নয়।


জাম্বাদা ২০২৫ সালে আদালতে অপরাধী চক্র পরিচালনা, মাদক পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছিলেন। তিনি স্বীকার করেন যে, সিনালোয়া কার্টেলের মাধ্যমে কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের নেতৃত্ব দিয়েছেন। দোষ স্বীকারের ফলে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া এড়ানো সম্ভব হলেও তাকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে বাধ্যতামূলক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত জাম্বাদার বিরুদ্ধে প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদ বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছে। তবে প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, এই বিপুল সম্পদের বড় অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।


২০২৪ সালের জুলাইয়ে টেক্সাসের এল পাসোতে নাটকীয় অভিযানে জাম্বাদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তে উঠে আসে, সিনালোয়া কার্টেলের আরেক নেতা জোয়াকিন ‘এল চাপো’ গুজমানের ছেলে জোয়াকিন গুজমান লোপেজ তাকে প্রতারণার মাধ্যমে বিমানে তুলে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্টেলের অভ্যন্তরে রক্তক্ষয়ী ক্ষমতার সংঘর্ষ শুরু হয়, যাতে বহু মানুষ নিহত ও নিখোঁজ হয়েছে।


ইসমাইল ‘এল মায়ো’ জাম্বাদা এবং জোয়াকিন ‘এল চাপো’ গুজমান যৌথভাবে সিনালোয়া কার্টেলকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মাদকচক্রে পরিণত করেন। ২০১৯ সালে এল চাপোও যুক্তরাষ্ট্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পান। এরপর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে জাম্বাদা কার্টেলের কৌশলগত নেতৃত্ব বজায় রেখেছিলেন এবং কখনো গ্রেপ্তার হননি—২০২৪ সালের গ্রেপ্তার পর্যন্ত।


শুনানিতে জাম্বাদার আইনজীবীরা বলেন, বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় তিনি ভুগছেন। বিচারক তার চিকিৎসার সুবিধা নিশ্চিত করতে উপযুক্ত কারা হাসপাতালে রাখার সুপারিশ করেন। তবে এতে সাজা বা দণ্ডের মেয়াদে কোনো পরিবর্তন হবে না।


এই রায় যুক্তরাষ্ট্রের মাদকবিরোধী অভিযানে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তবে সিনালোয়া কার্টেল এখনো সক্রিয় থাকায় এবং নেতৃত্ব নিয়ে অভ্যন্তরীণ সংঘাত চলতে থাকায় মেক্সিকোতে সহিংসতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফেন্টানিল ও অন্যান্য প্রাণঘাতী মাদকের বৈশ্বিক সরবরাহ নেটওয়ার্ক ভাঙতে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর যৌথ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই রায়।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে নীতিমালা পরিবর্তনের দাবি নিউইয়র্কের শিক্ষার্থীদের। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ক্যারিয়ার নিয়ে শঙ্কা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এআই ব্যবহার বন্ধের দাবিতে নিউ ইয়র্কে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার স্থগিতের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেছে প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ম্যানহাটনের লা গার্ডিয়া হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে মিছিল নিয়ে লিংকন সেন্টারের দিকে যায়। এআইয়ের বিস্তার তাঁদের ভবিষ্যৎ পেশা, সৃজনশীলতা ও নিজস্ব চিন্তাশক্তির জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে, এমন উদ্বেগ থেকেই এই কর্মসূচি পালন করে তারা। নিউইয়র্কের পাশাপাশি দেশটির বিভিন্ন স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়েও একই দিনে এআইবিরোধী প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়।   লা গার্ডিয়া হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা দুপুরে স্কুল থেকে বেরিয়ে ৬৫তম সড়ক ধরে মিছিল করে। এ সময় তাদের স্লোগান ছিল, ‘কার ভবিষ্যৎ? আমাদের ভবিষ্যৎ।’ স্কুলটির জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মিকে নিভেরগেল্ট বলেন, এআইয়ের প্রভাব নিয়ে যাদের প্রতিবাদ করতে হচ্ছে, তারা নিজেরাই শিক্ষার্থী। তাঁর মতে, প্রযুক্তিটির ব্যবহার তরুণদের চিন্তাভাবনা ও ভবিষ্যতের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের আরও গভীরভাবে ভাবা প্রয়োজন। শিল্পচর্চার ক্ষেত্রে নিজের সৃষ্টির স্বকীয়তা বজায় রাখার ওপরও জোর দেন তিনি।   শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বড় একটি জায়গা হলো শিল্প ও সৃজনশীল পেশায় এআইয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার। স্কুলটির শিক্ষার্থী টোবিন সরবেলো ভবিষ্যতে চলচ্চিত্রের সংগীত রচয়িতা হতে চান। কিন্তু তাঁর আশঙ্কা, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের পরিচালক কিংবা সংগীত প্রযোজকেরা মানুষের পরিবর্তে এআইয়ের তৈরি সংগীত ব্যবহার করতে পারেন। এতে নতুন শিল্পীদের কাজের সুযোগ কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের মতে, প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি কাজ তাঁদের নিজস্ব শিল্পীসত্তা ও পরিশ্রমের বিকল্প হয়ে উঠলে সৃজনশীলতার মূল্যও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।   শ্রেণিকক্ষেও এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন লা গার্ডিয়ার শিক্ষার্থীরা। তাদের বক্তব্য, স্কুলের বিভিন্ন কার্যক্রমে এআই দিয়ে তৈরি সংগীত ও পোস্টার ব্যবহারের ঘটনায় অনেকেই হতাশ হয়েছে। বার্ষিক প্রতিভা প্রদর্শনী ‘রাইজিং স্টারস’-এর প্রচারসামগ্রী তৈরিতেও এআই ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের প্রশ্ন, স্কুলে যখন মৌলিক শিল্পকর্ম তৈরিতে দক্ষ শিক্ষার্থীরা রয়েছে, তখন প্রচারপত্র তৈরির মতো কাজে এআইয়ের ওপর নির্ভর করতে হবে কেন। লেখালেখির ক্লাবের শিক্ষার্থী আলেকজান্দ্রে রোলাঁ-ডাইকহুইস বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখা গল্প তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পরিচয়ের প্রতিফলন, যা এআই দিয়ে তৈরি লেখার সঙ্গে এক করে দেখা যায় না।   নিউইয়র্কের সরকারি স্কুলগুলোতে এআই ব্যবহারের নীতিমালাও এ বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মেয়র জোহরান মামদানি ও স্কুল চ্যান্সেলর কামার স্যামুয়েলস ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য জেনারেটিভ এআই ব্যবহারে এক বছরের স্থগিতাদেশ ঘোষণা করেন। তবে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে নির্দিষ্ট শর্তে এআই ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। অনুমোদিত পাঁচটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় শিক্ষক-তত্ত্বাবধানে কিছু এআই সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি সব উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীর জন্য এআই বিষয়ে সচেতনতামূলক পাঠও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।   স্কুল কর্তৃপক্ষের এই নীতিতে ছোট শিক্ষার্থীদের স্বাধীন চিন্তাশক্তি ও মানবিক যোগাযোগ রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। কিন্তু লা গার্ডিয়ার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মনে করছে, এআইয়ের ব্যবহার আরও বিস্তৃত হওয়ার আগে এর প্রভাব, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের ঝুঁকি নিয়ে স্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। নিউইয়র্কের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও একই দিনে প্রতিবাদ হয়েছে। আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে ওপেনএআইয়ের কার্যালয়ের বাইরেও জড়ো হওয়ার পরিকল্পনা ছিল।   সূত্র: নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ, নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের কার্যালয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ০:১৫
শৈশবে প্রায় সাত ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন মার্কিন শিল্পী আকিয়ানে ক্রামারিক। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

শৈশবে নিখোঁজ থাকার সময় স্বর্গ দেখার দাবি যিশুর ছবি আঁকা শিল্পীর

আধুনিক নকশা ও উন্নত যাত্রীসেবায় নতুন পরিচিতি পেয়েছে নিউইয়র্কের লা গার্ডিয়া বিমানবন্দর। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

টানা তৃতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের সেরা বিমানবন্দর নির্বাচিত নিউইয়র্কের লা গার্ডিয়া

নথি দিতে প্রায় ৯ লাখ ৭৬ হাজার ডলার খরচ ও ২০৭৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষার হিসাব দিয়েছে নেব্রাস্কার স্বাস্থ্য বিভাগ বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি তথ্য চাওয়ায় ১০ লাখ ডলারের বিল, অপেক্ষা করতে হবে ৫০ বছর

নিউইয়র্কে ব্যক্তিগত পার্কিং লটে আইসের অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি বন্ধে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র জোহরান মামদানি। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
নিউইয়র্ক সিটিতে আইস এজেন্টদের পার্কিং সুবিধা না দেওয়ার আহ্বান মেয়র মামদানির

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা (আইস) যাতে ব্যক্তিমালিকানাধীন পার্কিং লট ও গ্যারেজকে অভিযানের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সে জন্য সম্পত্তির মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র জোহরান মামদানি। এ উদ্যোগে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন মার্কিন সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার, প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিসসহ শতাধিক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক চিঠিতে তাঁরা পার্কিংয়ের জায়গা আইসকে ভাড়া না দেওয়া, ধার না দেওয়া কিংবা অন্য কোনোভাবে ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়ার অনুরোধ জানান।   মামদানির এ উদ্যোগের পেছনে রয়েছে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের মার্বেল হিল এলাকায় আইসের অভিযানের সময় ২৮ বছর বয়সী অস্কার বেলগাল গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা। গত ৮ অক্টোবর গাড়িতে থাকা বেলগালকে আটকানোর চেষ্টা চলাকালে এক আইস কর্মকর্তা গুলি করেন। সে সময় তাঁর পাঁচ বছর বয়সী ছেলেও গাড়ির পেছনের আসনে ছিল। বেলগালের ঘাড়ে গুলি লাগে। এ ঘটনার আগে কাছের একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন পার্কিং লট থেকে আইসের কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে মেয়রের কার্যালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।   মেয়রের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক শহরের নিজস্ব সম্পত্তি, পার্কিং লট ও গ্যারেজকে নির্দিষ্ট আইনি অনুমতি ছাড়া কেন্দ্রীয় অভিবাসন অভিযানের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারে বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে এই বিধিনিষেধ ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গার ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য নয়। এ কারণে ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকদের স্বেচ্ছায় সহযোগিতা না করার আহ্বান জানিয়েছেন মামদানি ও অন্য জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের চিঠিতে বলা হয়েছে, পার্কিংয়ের জায়গা অভিযানের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা, কর্মী ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো উদ্বেগের মধ্যে পড়তে পারে।   নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় আইসের কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত পার্কিং সুবিধা ব্যবহার করেছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে কুইন্সের নর্দার্ন বুলেভার্ডে দুটি ব্যাংকের পার্কিং লট এবং ম্যানহাটনের মর্টন স্ট্রিটের একটি গ্যারেজের কথা রয়েছে। মামদানির কার্যালয় জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা আপত্তি জানানোর পর মর্টন স্ট্রিটের গ্যারেজ থেকে আইসের গাড়ি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনাকে সামনে রেখে মেয়র বলেছেন, পার্কিংয়ের জায়গার মালিকেরা চাইলে তাঁদের সম্পত্তি অভিবাসন অভিযানের প্রস্তুতিস্থল হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করতে পারেন।   এদিকে, মামদানি ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগের সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস)। বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কের রাস্তায় অপরাধ দমনে ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তাদের ভূমিকার জন্য মেয়রের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। সংস্থাটি দাবি করেছে, পার্কিংয়ের জায়গা না পেলেও তাদের অভিযান থামবে না। তবে ব্যক্তিগত পার্কিং লট ব্যবহারের বিষয়ে মালিকদের সিদ্ধান্ত এবং ফেডারেল কর্মকর্তাদের আইনগত ক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।   নিউইয়র্কে অভিবাসন অভিযান নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে মতবিরোধ নতুন নয়। মামদানি প্রশাসন শহরের সম্পত্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের প্রবেশাধিকার সীমিত করার নীতি অনুসরণ করছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন আইন প্রয়োগে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বেলগালকে গুলি করার ঘটনায়ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আইসের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, গ্রেপ্তারের সময় তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তার ঝুঁকি অনুভব করেছিলেন। বেলগালের আইনজীবীরা অবশ্য বলেছেন, গুলি চালানোর আগে কর্মকর্তারা নিজেদের পরিচয় দেননি। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।   সূত্র: নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের কার্যালয়, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

প্রকাশ: অক্টোবর ২০, ২০২৬ ২২:৩৫
সরকারি কর্মসূচিতে জালিয়াতি শনাক্তে নতুন পুরস্কার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

সরকারি কর্মসূচিতে জালিয়াতির তথ্য দিলে মিলবে ৩০ হাজার ডলার, নতুন উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রে

যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

৩ লাখের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র, অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান

শিক্ষার্থীর দিকে কাঁচি ছোড়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ফ্লোরিডার রাদারফোর্ড হাইস্কুলের শিক্ষিকা জুয়ানিতা ফোরহ্যান্ড। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ফ্লোরিডায় শিক্ষার্থীর দিকে কাঁচি ছুড়ে মারার অভিযোগে শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পাসপোর্ট ২০২৮ সালে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, অনলাইনে আবেদনের সুযোগ আসতে পারে আগামী বছর। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
২০২৮ সালে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পাসপোর্ট, অনলাইনে আবেদনের সুযোগ ২০২৭ সালেই

যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টের নকশায় পরিবর্তন আনছে দেশটির সরকার। নতুন নকশার পাসপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতীক ঈগলের ছবি এবং দেশটির প্রায় ২৫০ বছরের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো তুলে ধরা হবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত ২৯ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে নতুন নকশাটি উন্মোচন করেন। তবে নতুন পাসপোর্ট পেতে নাগরিকদের ২০২৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে, অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন করার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে আগামী বছর থেকেই।   নেক্সস্টার নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন পাসপোর্টের পাতায় পাতায় ঈগলের ছবি থাকবে। বর্তমানে পাসপোর্টের প্রচ্ছদে থাকা এই জাতীয় প্রতীকটি নতুন নকশাতেও রাখা হচ্ছে, তবে ভেতরের পাতাগুলোতেও এর উপস্থিতি দেখা যাবে। রুবিওর ভাষ্য অনুযায়ী, পাসপোর্টের নকশায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায় তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে রয়েছে লেক্সিংটনের যুদ্ধ, পশ্চিমাঞ্চলে দেশটির বিস্তার, রাইট ভ্রাতৃদ্বয়ের আকাশে উড্ডয়ন, ইও জিমায় মার্কিন পতাকা উত্তোলন এবং আর্টেমিস মহাকাশ অভিযানের পৃথিবীতে ফিরে আসার দৃশ্য।   পাসপোর্টের প্রচ্ছদেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন নকশায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সিলমোহর আরও বড় আকারে থাকবে এবং ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা’ লেখা থাকবে প্রচ্ছদের ওপরের দিকে। বর্তমান নকশায় সিলমোহর, ‘পাসপোর্ট’ এবং দেশের নাম নির্দিষ্ট বিন্যাসে থাকলেও নতুন নকশায় লেখার অবস্থান ও প্রতীকের আকারে পরিবর্তন আসবে। নকশাটির মাধ্যমে দেশের ইতিহাস, জাতীয় পরিচয় এবং নাগরিকত্বের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক তুলে ধরতে চায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।   নতুন পাসপোর্ট উন্মোচনের অনুষ্ঠানে রুবিও বলেন, পাসপোর্ট দেশের সঙ্গে নাগরিকের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের প্রতীক। তাঁর মতে, দেশের সীমান্তের বাইরে গেলেও নাগরিকের সঙ্গে এই সম্পর্ক বজায় থাকে। পাসপোর্টের পাতায় ঈগলের ছবি দেখে বিমানবন্দরে অপেক্ষার সময় যাত্রীরা আগ্রহ নিয়ে সেগুলো উল্টেপাল্টে দেখবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শিশুদের সময় কাটানোর জন্য ভিডিও গেমের বিকল্প হিসেবে ঈগলের ছবি দেখার বিষয়টি মজার ছলে উল্লেখ করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।   নতুন পাসপোর্টের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইনে আবেদন করার ব্যবস্থাও চালুর প্রস্তুতি চলছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছর থেকে নাগরিকেরা অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন। তবে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ চালু হওয়া এবং নতুন নকশার পাসপোর্ট হাতে পাওয়া দুটি আলাদা বিষয়। নতুন নকশার পাসপোর্ট ২০২৮ সালের আগে চালু হওয়ার কথা নয়। এতে আবেদনকারীদের জন্য ডিজিটাল সেবা বাড়লেও নতুন পাসপোর্ট পেতে আরও সময় অপেক্ষা করতে হবে।   এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সীমিত সংস্করণের ‘প্যাট্রিয়ট পাসপোর্ট’ প্রকাশ করেছিল দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ওই বিশেষ পাসপোর্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিকৃতি রাখা হয়েছিল। প্রথমে ওয়াশিংটন ডিসির পাসপোর্ট কার্যালয়ে এটি পাওয়া গেলেও পরে জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুই ডজন কার্যালয়ে এর প্রাপ্যতা বাড়ানো হয়। নতুন নিয়মিত পাসপোর্টের নকশা পরিবর্তনের উদ্যোগটি সেই বিশেষ সংস্করণ থেকে আলাদা।   সূত্র: নেক্সস্টার নিউজ, দ্য হিল।

প্রকাশ: অক্টোবর ২০, ২০২৬ ২১:১০
যুক্তরাষ্ট্রের ৫ অঙ্গরাজ্যে

যুক্তরাষ্ট্রের ৫ অঙ্গরাজ্যে গেলেই মিলতে পারে হাজারো ডলার, এক জায়গায় ২৩ হাজার ডলারের প্যাকেজ

নিউইয়র্কের নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য আসছে আর্থিক সহায়তার সুযোগ।

নিউইয়র্কে শীতের খরচ কমাতে মিলবে ৯৯০ ডলার পর্যন্ত সহায়তা, আবেদন ২ নভেম্বর

যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে মাঝ আকাশে আতঙ্ক

হঠাৎ নিচে নামতে শুরু করল উড়োজাহাজ, খুলে পড়ল অক্সিজেন মাস্ক আতঙ্কে যাত্রীরা

0 Comments