পুলিশের ধাওয়ার সময় উল্টে গেলো গাড়ি, আটক চালক
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্টকটনে পুলিশের ধাওয়ার সময় একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশ একটি গাড়িকে অনুসরণ করছিল। ধাওয়ার একপর্যায়ে চালক দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ চালককে আটক করে। গাড়িটি উল্টে যাওয়ার কারণে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা অপরাধের অভিযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধাওয়ার পরিস্থিতি এবং পুলিশের পদক্ষেপ নিয়েও তদন্ত চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, গাড়িটি উল্টে যাওয়ার দৃশ্যটি বেশ আকস্মিক ছিল। তবে এ ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গাড়ি ধাওয়া করতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঘটনা নতুন নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও পুলিশের ধাওয়ার নীতিমালা নিয়ে নিয়মিত আলোচনা হয়ে থাকে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে নিহত নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে একটি স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি এবং এনওয়াইপিডি কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। তারা নিহত কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছবি তোলাতেও অংশ নেন তারা। দিদারুল ইসলাম ২০২৫ সালে দায়িত্ব পালন করার সময় গুলিতে নিহত হন। তার মৃত্যু নিউইয়র্কের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করে। স্মরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা দিদারুল ইসলামের পেশাগত নিষ্ঠা, মানুষের সেবায় তার অবদান এবং আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তারা বলেন, কর্তব্য পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো কর্মকর্তাদের অবদান কখনো ভুলে যাওয়া যায় না। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তাদের সংখ্যা দীর্ঘদিন ধরে বাড়ছে। তারা শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও কমিউনিটির সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দিদারুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীর এই আয়োজন তার পরিবারের প্রতি সমর্থন জানানো এবং একজন নিহত পুলিশ কর্মকর্তার আত্মত্যাগকে স্মরণ করার উদ্দেশ্যেই করা হয়।
স্কুল খোলার আগে জর্জিয়ার ব্যস্ত মোড়ে বদলে যাচ্ছে যান চলাচলের নিয়ম
দিন যাচ্ছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিম্ন পর্যায়ে নামছে, নির্বাচনের আগেই চিন্তায় রিপাবলিকানরা
লিন্ডসে গ্রাহামকে ‘আমেরিকার অনন্য দেশপ্রেমিক’ আখ্যা দিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের রিচার্ডসনে একটি বড় আকারের ব্যাপটিস্ট চার্চ কিনেছে মুসলিম সংগঠন সালাহউদ্দীন ফিউচার একাডেমি (এসএএফএ)। আইনি জটিলতার অবসানের পর সংগঠনটি ওই চার্চ প্রাঙ্গণকে ইসলামিক স্কুল, সেমিনারি এবং মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। সালাহউদ্দীন ফিউচার একাডেমি একটি কে-১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষাকে একীভূত করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা। নতুন কেনা এই সম্পত্তিতে এসএএফএর পাশাপাশি অথেনটিক ইলম মিশন (এআইএম) যৌথভাবে দাওয়াহ একাডেমি অ্যান্ড সেমিনারি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম জাতীয় পর্যায়ের আবাসিক দাওয়াহ সেমিনারিগুলোর একটি হবে, যেখানে ইসলামিক স্টাডিজে উচ্চশিক্ষাসহ বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা করা হবে। এআইএম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য হলো এমন যোগ্য ও নীতিবান নেতৃত্ব তৈরি করা, যারা জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সঙ্গে ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন এবং ধর্মীয় বিষয়ে প্রামাণিক জ্ঞান তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। চার্চ হস্তান্তরের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এআইএমের এক বক্তা বলেন, যে ভবন একসময় মুসলিমদের খ্রিষ্টধর্মে ধর্মান্তরের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতো, সেটিই এখন মুসলিম শিক্ষা ও ধর্মীয় কার্যক্রমের কেন্দ্র হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সম্পত্তি কেনা নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে আইনি বিরোধ চলছিল। এসএএফএর অভিযোগ ছিল, ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রায় ৩.৮ মিলিয়ন ডলারে সম্পত্তিটি কেনার জন্য চার্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয় এবং তারা ৩৮ হাজার ডলার অগ্রিম অর্থ প্রদান করে। তবে নির্ধারিত সময়ে হস্তান্তর না হওয়ায় বিরোধ তৈরি হয়। চার্চ কর্তৃপক্ষ দাবি করে, তাদের পাস্টর চুক্তির বিষয়টি ভুলভাবে বুঝেছিলেন এবং তিনি এটিকে বিক্রয় চুক্তি নয়, বরং সম্পত্তি তালিকাভুক্তির কোনো নথি ভেবেছিলেন। এরপর এসএএফএ চুক্তি কার্যকর করার দাবি জানিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করে। পরে আদালতের চূড়ান্ত রায় ছাড়াই বিষয়টি নিষ্পত্তি হয় এবং সম্পত্তি হস্তান্তরের পথ পরিষ্কার হয়। টেক্সাসে মুসলিম সম্প্রদায়ের উপস্থিতি গত কয়েক দশকে বেড়েছে। বিভিন্ন জনমিতিক তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যটির মোট জনসংখ্যার একটি ছোট অংশ মুসলিম হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে টেক্সাস অন্যতম বড় অঙ্গরাজ্যগুলোর একটি। ধর্মীয় স্থাপনার পরিবর্তিত ব্যবহার যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কোনো ঘটনা নয়। বিভিন্ন সময় গির্জা, সিনাগগ বা অন্য ধর্মীয় স্থাপনা নতুন সম্প্রদায়ের উপাসনালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে। রিচার্ডসনের এই ঘটনা দেশটিতে ধর্মীয় বৈচিত্র্য ও সম্প্রদায়ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিস্তার নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীর পরিচয় চুরি করে সোশ্যাল সিকিউরিটির অর্থ আত্মসাৎ, যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
পুলিশের ধাওয়ার সময় উল্টে গেলো গাড়ি, আটক চালক
৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় নতুন দাবানল নিয়ে শ'ঙ্কায় ফ্রান্স, সরানো হলো দুই লাখের বেশি মানুষ
বিশ্বখ্যাত ভোগ্যপণ্য প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার তাদের কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই বছরের সুরক্ষা চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। ৬৫ বিলিয়ন ডলারের ম্যাককরমিকের সঙ্গে একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার পর কর্মীদের উদ্বেগ কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিগ্রহণের পর সম্ভাব্য পুনর্গঠন ও কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কার মধ্যে ইউনিলিভার কর্মীদের জন্য এই সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কর্মীদের চাকরি ও কর্মপরিবেশ সংক্রান্ত কিছু নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। ইউনিলিভার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভোগ্যপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। খাবার, প্রসাধনী, গৃহস্থালি পণ্যসহ বিভিন্ন খাতে তাদের কার্যক্রম রয়েছে। ম্যাককরমিকের সঙ্গে এই বড় ধরনের ব্যবসায়িক সমন্বয় প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক বাজার অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই করা হচ্ছে। তবে বড় ধরনের একীভূতকরণের ক্ষেত্রে সাধারণত খরচ কমানো, বিভাগ পুনর্গঠন এবং কর্মী ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের আশঙ্কা থাকে। এ কারণেই শ্রমিক সংগঠন ও কর্মীদের মধ্যে চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। শ্রম অধিকার সংশ্লিষ্টদের মতে, অধিগ্রহণের পর কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কর্মীদের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক দক্ষতা ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। ইউনিলিভারের এই সিদ্ধান্ত বড় করপোরেট একীভূতকরণের সময় কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
টানা তৃতীয় বছর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ক্ষুধার্ত অঙ্গরাজ্য টেক্সাস
দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্য, শীর্ষ নেতাদের শ্রদ্ধা