সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একদিনেই দুই ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে হত্যার দায়ে বিচারের মুখোমুখি ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ১৪:১
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একদিনেই দুই ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে হত্যার দায়ে বিচারের মুখোমুখি ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একদিনেই দুই ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে হত্যার দায়ে বিচারের মুখোমুখি ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একদিনেই নিজের দুই ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত নারী প্রথমবার সান্তা ক্লারা কাউন্টি আদালতে হাজির হয়েছেন। ৩৩ বছর বয়সী অ্যানিলা বেবির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সান হোসে এলাকায় অ্যান মেরি ম্যাথিউকে শ্বাসরোধ ও ছুরিকাঘাতে হত্যার মাত্র দেড় ঘণ্টার মাথায় মিলপিটাসে অঞ্জনা হরি নামের আরেক বান্ধবীকে গাড়িচাপা দিয়ে খুন করেন।

 

ফার্স্ট-ডিগ্রি মার্ডার বা পূর্বপরিকল্পিত খুনের এই জোড়া অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে ৫০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে।

 

তদন্তকারীদের তথ্যমতে, গত ২৮ আগস্ট সান হোসের লিন্ডা ভিস্তা স্ট্রিটে ম্যাথিউয়ের বাড়িতে প্রথম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটররা জানান, অপ্রত্যাশিতভাবে বাড়িতে হাজির হয়ে অ্যানিলা এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। পরবর্তীতে ম্যাথিউয়ের স্বামী তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। এই ঘটনার পরপরই মিলপিটাসের একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের পার্কিং লটে অঞ্জনাকে ডেকে পাঠানো হয়।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি গাড়ির সামনে আসতেই চালক দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে তাকে চাপা দিয়ে হত্যা করেন। ঘটনাস্থল থেকে গাড়ি নিয়ে পালানোর সময় রক্তমাখা পোশাক ও মুখমণ্ডলে আঘাতসহ অ্যানিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তে আরও জানা যায়, হামলার সময় ম্যাথিউয়ের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলা হলেও বাইরে অ্যানিলার স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়।

 

ডেপুটি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মারিসা ম্যাককিউন জানিয়েছেন, দুটি হত্যাকাণ্ডই ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং নৃশংস। ফরেনসিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে দুই খুনের যোগসূত্র নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তিনি বলেন, এই ঘটনার সবচেয়ে মর্মান্তিক দিক হলো অভিযুক্ত ও নিহতরা প্রত্যেকেই মা ছিলেন এবং একে অপরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

 

ঠিক কী কারণে অ্যানিলা নিজের কাছের বন্ধুদের এভাবে নির্মমভাবে হত্যা করেছেন, তা নিয়ে নিহতদের পরিবার চরম বিভ্রান্তি ও শোকের মধ্যে রয়েছে। আগামী ১৭ নভেম্বর অ্যানিলাকে পুনরায় আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে এবং বর্তমানে তাকে জামিন ছাড়াই কারাগারে রাখা হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
মধ্যপ্রাচ্যের ১৩ দেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরান-সমর্থিত হুথিদের হা মলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের ১৩ দেশে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি

মধ্যপ্রাচ্যের ১৩টি দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সশস্ত্র হা মলা, মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্য করে হুমকি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে এই সতর্কতা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। এর মধ্যে পাঁচটি দেশে মার্কিন নাগরিকদের ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্য আটটি দেশের ক্ষেত্রে ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের চার স্তরের ভ্রমণ সতর্কতা ব্যবস্থায় ইরান, ইরাক, লেবানন, সিরিয়া ও ইয়েমেনকে সর্বোচ্চ ঝুঁকির ‘লেভেল ৪’ পর্যায়ে রাখা হয়েছে। এই স্তরের অর্থ, এসব দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিচ্ছে মার্কিন সরকার। অন্যদিকে ইসরায়েল, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরও আটটি দেশ রয়েছে ‘লেভেল ৩’ সতর্কতার আওতায়। এসব দেশে যাওয়ার আগে ভ্রমণকারীদের পরিকল্পনা নতুন করে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। সতর্কতার মাত্রা অধিকাংশ দেশের ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকলেও গত শুক্রবার ১৩টি দেশের জন্য নির্দেশনাগুলো হালনাগাদ করা হয়। নতুন তথ্যের মধ্যে রয়েছে ইরান-সমর্থিত হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার আশঙ্কা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। সতর্কবার্তায় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হুথিদের হামলার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এবং যাতায়াত ব্যবস্থায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। সংস্থাটি আরও সতর্ক করেছে, চলমান স ং ঘা ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তাৎক্ষণিক এলাকার বাইরেও পরিস্থিতি জটিল করে তুলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণকারীদের জন্য সম্ভাব্য হুমকি শুধু সশস্ত্র হা মলায় সীমাবদ্ধ নয়। ইরান, ইরাক, লেবানন, সিরিয়া ও ইয়েমেনে অপ হ র ণ এবং জিম্মি করার ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, লেবানন, সিরিয়া ও ইয়েমেনে নাগরিক অস্থিরতার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরাক ও ইয়েমেনে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ঝুঁকির বিষয়টিও ভ্রমণকারীদের বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে। এসব দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন এমন মার্কিন নাগরিকদের ‘স্মার্ট ট্রাভেলার এনরোলমেন্ট প্রোগ্রাম’ বা এসটিইপিতে নিবন্ধনের পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর। এই কর্মসূচিতে নাম নিবন্ধন করলে সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটের কাছ থেকে নিরাপত্তা সতর্কতা এবং জরুরি পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়। পরিস্থিতির অবনতি হলে কীভাবে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হবে, সে প্রস্তুতি আগেই রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। ভ্রমণকারীদের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর নিয়মিত অনুসরণ করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দেশ ছাড়ার জন্য বিকল্প পরিকল্পনা রাখতে বলা হয়েছে। বিশেষভাবে জানানো হয়েছে, জরুরি প্রস্থানের পরিকল্পনা যেন মার্কিন সরকারের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য এই সতর্কতার আগে আরও কয়েকটি দেশের ভ্রমণ নির্দেশনা পরিবর্তন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে কেনিয়ার জন্য সতর্কতার মাত্রা ‘লেভেল ২’ থেকে বাড়িয়ে ‘লেভেল ৩’ করা হয়। অপরাধ, স্বাস্থ্যঝুঁকি, নাগরিক অস্থিরতা, অপ হ র ণ এবং সন্ত্রাসবাদের আশঙ্কাকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। চীন ভ্রমণকারী মার্কিন নাগরিকদের জন্যও সতর্কতা রয়েছে। দেশটিতে অন্যায়ভাবে আ ট ক হওয়া, ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং এমন বিধিনিষেধের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে, যা কোনো ব্যক্তিকে চীন ছেড়ে যেতে বাধা দিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ১৩টি দেশের জন্য এই সতর্কতা এমন সময়ে এসেছে, যখন অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ রয়েছে। তবে সতর্কতা জারি বা নির্দেশনা হালনাগাদ করার অর্থ এই নয় যে প্রতিটি দেশের ঝুঁকির মাত্রা নতুন করে বাড়ানো হয়েছে। অধিকাংশ দেশের সতর্কতার স্তর অপরিবর্তিত থাকলেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে নতুন তথ্য যুক্ত করা হয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৮:৫৮
ইরানের মিনাবের শিশুদের প্রসঙ্গ তুলে ভ্যান্সকে কটাক্ষ ইরানি দূতাবাসের

বড় হয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করো, কেন মিনাবের শিশুদের মৃ ত্যুতে শোক জানাননি, ভ্যান্সের ছেলেকে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি জব্দের ঘটনা বাড়ছে (ছবি: সম্পাদিত)

যুক্তরাষ্ট্রে ঋণদাতাদের বাড়ি দখল বেড়েছে ৪২ শতাংশ, চাপ বাড়লেও আতঙ্কিত হতে মানা বিশেষজ্ঞদের

. ৯০ দিনের স্বনির্ভরতার প্রস্তুতিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি

বড় সংঘা তের আশঙ্কায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ৯০ দিন স্বনির্ভর রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন

হিউস্টনে সেপ্টেম্বরে কমেছে ৭ হাজার ৩০০ চাকরি
টেক্সাসের হিউস্টনের শ্রমবাজারে হঠাৎ মন্দার সংকেত, এক মাসে কমেছে ৭ হাজার ৩০০ কর্মসংস্থান

টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টন অঞ্চলে সেপ্টেম্বরে ৭ হাজার ৩০০টি চাকরি কমেছে। বছরের এই সময়ে সাধারণত কর্মসংস্থান বাড়লেও এবার তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে। বিশেষ করে বেসরকারি খাতের প্রধান শিল্পগুলোতে একযোগে চাকরি কমে যাওয়ায় স্থানীয় শ্রমবাজার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের কর্মসংস্থান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাসটিতে হিউস্টনে চাকরি কমার হার ১৯৯০ সালের পর ওই মাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পতন। মৌসুমি পরিবর্তনের প্রভাব সমন্বয় করার পরও কর্মসংস্থান কমেছে ১৪ হাজার ৬০০টি। সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে স্কুলের নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ায় শিক্ষা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগ বাড়ে। কিন্তু এবার সেই স্বাভাবিক প্রবণতা দেখা যায়নি। বেসরকারি খাতেই চাকরি কমার চাপ সবচেয়ে বেশি ছিল। সেপ্টেম্বরে এ খাতে মোট ১৯ হাজার ৪০০টি চাকরি কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে অবসর ও আতিথেয়তা খাতে। রেস্তোরাঁ, হোটেল এবং বিনোদনসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমসহ এই খাতে কর্মসংস্থান কমেছে ৭ হাজার ৩০০টি। এ ছাড়া পেশাগত ও ব্যবসায়িক পরিষেবা খাতে ৩ হাজার ৯০০টি এবং বাণিজ্য, পরিবহন ও ইউটিলিটি খাতে ২ হাজার ৬০০টি চাকরি কমেছে। অর্থাৎ, শুধু একটি শিল্পে নয়, হিউস্টনের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ একাধিক খাতেই কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়েছে। তবে সরকারি খাতে কিছুটা নিয়োগ বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে এ খাতে ১২ হাজার ১০০টি চাকরি যুক্ত হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মী নিয়োগ এই বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তারপরও সরকারি খাতের চাকরি বৃদ্ধির পরিমাণ সেপ্টেম্বর মাসে সাধারণত যে হারে বাড়ে, এবার তা তার চেয়ে কম ছিল। ফলে সরকারি নিয়োগ বেসরকারি খাতের বড় ধরনের চাকরি হ্রাসের প্রভাব পুরোপুরি সামাল দিতে পারেনি। হিউস্টনের শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওয়ার্কফোর্স সলিউশনস গালফ কোস্টের অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ আহমাদিজাদেহ। তাঁর মতে, সেপ্টেম্বরে চাকরি কমার বিস্তৃতি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি ছিল। বিশেষ করে হিউস্টনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা শিল্পগুলোতেও পতন দেখা গেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, মাত্র এক মাসের পরিসংখ্যান দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা নির্ধারণ করা যায় না। তবে বিভিন্ন খাতে একসঙ্গে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তা বুঝতে পরবর্তী কয়েক মাসের কর্মসংস্থান প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ হবে। মাসিক হিসাবে চাকরি কমলেও গত এক বছরের চিত্র পুরোপুরি নেতিবাচক নয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিউস্টন অঞ্চলে মোট ৩৩ হাজার ৬০০টি নতুন চাকরি যুক্ত হয়েছে। এই সময়ে কর্মসংস্থান বেড়েছে ১ শতাংশ। এদিকে সেপ্টেম্বরে হিউস্টনের বেকারত্বের হার নেমে এসেছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশে। হারটি কমলেও তা টেক্সাস অঙ্গরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের বেকারত্বের হারের চেয়ে বেশি ছিল। অর্থাৎ, বার্ষিক হিসাবে নতুন চাকরি তৈরি এবং বেকারত্বের হার কমার ইতিবাচক দিক থাকলেও আঞ্চলিক শ্রমবাজারের কিছু দুর্বলতা রয়ে গেছে। ওয়ার্কফোর্স সলিউশনস গালফ কোস্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত হিউস্টন অঞ্চলে প্রায় ২৯ হাজার ৯০০টি নতুন চাকরি যুক্ত হতে পারে। তবে সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন শিল্পে দেখা দেওয়া পতন এই পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কতটা সম্ভব হবে, সেই প্রশ্ন সামনে এনেছে। অক্টোবর মাসের কর্মসংস্থানসংক্রান্ত পরিসংখ্যান আগামী ২০ নভেম্বর প্রকাশের কথা রয়েছে। ওই প্রতিবেদনে নতুন চাকরি সৃষ্টি, বিভিন্ন শিল্পের নিয়োগ পরিস্থিতি এবং বেকারত্বের হারের পরিবর্তন সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। আপাতত এক মাসের পতনকে দীর্ঘমেয়াদি মন্দার নিশ্চিত প্রমাণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে না; তবে হিউস্টনের শ্রমবাজারের পরবর্তী গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য নতুন তথ্যের দিকে নজর থাকবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৬:৩৩
নিউইয়র্ক সিটির ৩ হাজার সরকারি গাড়িতে যুক্ত হচ্ছে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি

নিউইয়র্ক সিটির ৩ হাজার সরকারি গাড়িতে বসছে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি, কমবে দ্রুতগতিতে চালানোর প্রবণতা

২১ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে আবেদন জমা দেওয়া জরুরি

গ্রিন কার্ডের আবেদনে বয়স ২১ হলেই বিপদ, সময়সীমা নিয়ে নতুন সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রে

সোশ্যাল সিকিউরিটির পেমেন্ট, সর্বোচ্চ ৫১৮১ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে বুধবার আসছে সোশ্যাল সিকিউরিটির পেমেন্ট, সর্বোচ্চ ৫১৮১ ডলার

স্ন্যাপ ও মেডিকেইডের সুবিধা ধরে রাখতে নিউইয়র্ক সিটির নতুন ওয়েবপেজ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
স্ন্যাপ ও মেডিকেইড সুবিধা ধরে রাখতে নিউ ইয়র্ক সিটির নতুন উদ্যোগ, চালু হলো বিশেষ ওয়েবসাইট

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে খাদ্যসহায়তা কর্মসূচি স্ন্যাপ (SNAP) ও সরকারি স্বাস্থ্যবিমা মেডিকেইডের সুবিধা ধরে রাখতে বাসিন্দাদের সহায়তায় নতুন ওয়েবপেজ চালু করেছে মেয়র জোহরান মামদানির প্রশাসন। এতে ফেডারেল সরকারের নতুন কাজের শর্ত, কারা এসব শর্ত থেকে ছাড় পেতে পারেন এবং সুবিধা চালু রাখতে কী পদক্ষেপ নিতে হবে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওয়েবপেজটি ব্যবহার করে বাসিন্দারা নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রযোজ্য নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন। বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে NYC.gov/workrules ঠিকানায়।   নতুন ওয়েবপেজে বয়স, চাকরি, পড়াশোনা ও পারিবারিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ব্যবহারকারীরা প্রাথমিকভাবে জানতে পারবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কাজের শর্ত প্রযোজ্য কি না। সম্ভাব্য ছাড়ের যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আবেদন বা তথ্য জমা দেওয়ার পদ্ধতিও সেখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি স্ন্যাপ ও মেডিকেইডের সহায়তা নম্বর, চাকরি ও প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং অনুমোদিত স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের তথ্য রয়েছে। যাঁরা খাদ্যসহায়তা বা স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য বিকল্প সহায়তা পাওয়ার পথও তুলে ধরা হয়েছে।   নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে স্ন্যাপের আওতায় কিছু প্রাপ্তবয়স্কের জন্য ফেডারেল কাজের শর্ত সম্প্রসারিত হয়েছে। বিশেষ করে ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সী, যাঁদের সঙ্গে ১৪ বছরের কম বয়সী সন্তান থাকে না এবং যাঁদের কাজ করতে শারীরিক বা মানসিক বাধা নেই, তাঁদের একটি অংশ নতুন নিয়মের আওতায় পড়তে পারেন। সাধারণভাবে তাঁদের মাসে অন্তত ৮০ ঘণ্টা কাজ করতে হয়, অথবা অনুমোদিত প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, স্বেচ্ছাসেবা কিংবা চাকরি খোঁজার কার্যক্রমে অংশ নিতে হয়। তবে সব স্ন্যাপ গ্রহীতার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়; যোগ্য ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট শর্তে ছাড় পেতে পারেন।   নতুন নিয়মের কারণে যাঁরা স্ন্যাপের সুবিধা হারিয়েছেন, তাঁদের আবার আবেদন করার সুযোগও রয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের কার্যালয় জানিয়েছে, ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ চালু হয়েছে। শহর কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এ বছর ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে সহায়তা করে খাদ্যসহায়তা ধরে রাখতে সাহায্য করা হয়েছে। তবে প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ বাসিন্দা নতুন কাজের শর্তের কারণে সুবিধা হারিয়েছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে। যোগ্যতা বা ছাড় নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বাসিন্দারা ৭১৮-৭৬২-৭৬৬৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা ACCESS HRA-এর মাধ্যমে তথ্য দেখতে পারেন।   মেডিকেইডের ক্ষেত্রেও নতুন ফেডারেল নিয়ম আসছে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নির্দিষ্ট কিছু প্রাপ্তবয়স্কের জন্য কাজ, প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা বা স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের প্রমাণ জমা দেওয়ার শর্ত চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সাধারণভাবে ১৯ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের মাসে অন্তত ৮০ ঘণ্টা যোগ্য কার্যক্রমে অংশ নেওয়া অথবা পরিবারের মাসিক আয় নির্দিষ্ট সীমায় থাকার প্রমাণ দিতে হতে পারে। গর্ভাবস্থা, অক্ষমতা, ছোট শিশু বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির দেখাশোনার মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ছাড়ের সুযোগও রয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নিয়মের কারণে শহরের প্রায় ৯ লাখ মেডিকেইড গ্রহীতা স্বাস্থ্যবিমা হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।   বাসিন্দাদের সহায়তায় সিটি প্রশাসন হেলথ অ্যান্ড অ্যাফোর্ডেবিলিটি রিসোর্স টিম বা HART নামের একটি দলও চালু করেছে। দলটি স্বাস্থ্যবিমায় নিবন্ধন ও সুবিধা ধরে রাখা, খাদ্যসহায়তা, নগদ সহায়তা, আবাসন সহায়তা এবং হাসপাতালের বিলসংক্রান্ত সহযোগিতা পেতে বাসিন্দাদের পথ দেখাবে। মেয়রের কার্যালয় জানিয়েছে, এ উদ্যোগে কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় সংগঠনগুলো যুক্ত রয়েছে। সিটির লক্ষ্য হলো, জটিল নিয়ম বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকার কারণে যোগ্য কেউ যেন জরুরি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন।   নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্যও নতুন ওয়েবপেজটি কাজে আসতে পারে, বিশেষ করে যাঁরা খাদ্যসহায়তা বা মেডিকেইডের ওপর নির্ভরশীল। তবে ওয়েবপেজে তথ্য দেখা বা প্রাথমিকভাবে যোগ্যতা যাচাই করা মানেই সুবিধা নিশ্চিত হওয়া নয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা আবেদনকারীর পরিস্থিতি ও নথি যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। তাই বাসিন্দাদের নিজেদের ক্ষেত্রে কোন নিয়ম প্রযোজ্য, ছাড় পাওয়ার সুযোগ আছে কি না এবং কী কী নথি জমা দিতে হবে, তা সরকারি ওয়েবসাইটে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে নগর প্রশাসন।   সূত্র: নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের কার্যালয়, নিউইয়র্ক সিটি স্বাস্থ্য বিভাগ।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ২৩:৪৭
উবার চালিয়ে প্রকৃত লাভ নির্ভর করে মোট আয়, কাজের সময় ও গাড়ির খরচের ওপর। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

নিউইয়র্ক নাকি লস অ্যাঞ্জেলেস, উবার চালিয়ে কোথায় বেশি আয় হয়?

ডেট্রয়েটে যোগ্য বাড়ির মালিকদের সম্পত্তি কর শতভাগ পর্যন্ত মওকুফের সুযোগ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

মিশিগানের ডেট্রয়েটে বাড়ির মালিকদের ১০০% পর্যন্ত কর মওকুফের সুযোগ, আবেদন শেষ ৬ নভেম্বর

কৃষ্ণাঙ্গদের গ্রেপ্তারে অঘোষিত প্রতিযোগিতা ও বর্ণবাদী চ্যাটের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনায় ৬ পুলিশ কর্মকর্তার পদত্যাগ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

কৃষ্ণাঙ্গদের গ্রেপ্তারের গোপন প্রতিযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ পুলিশ কর্মকর্তার পদত্যাগ

0 Comments