আমেরিকা

এপস্টাইনের সাথে ‘দারুণ সময়’ কেটেছে ট্রাম্পের: বিস্ফোরক জবানবন্দী ক্লিনটনের

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

প্রয়াত কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সাথে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুসম্পর্ক ছিল বলে দাবি করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। ক্লিনটনের ভাষ্যমতে, ট্রাম্প একসময় নিজেই তাকে বলেছিলেন যে এপস্টাইনের সাথে তার বেশ ‘দারুণ সময়’ (great times) কেটেছে।


সোমবার (২ মার্চ, ২০২৬) হাউস ওভারসাইট কমিটির একটি ভিডিও জবানবন্দিতে ক্লিনটন এসব কথা বলেন। জেফরি এপস্টাইনের যৌন পাচার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে এই জবানবন্দি নেওয়া হয়।


জবানবন্দিতে বিল ক্লিনটন জানান, তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে এপস্টাইনের কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাক্ষী নন। তবে ট্রাম্পের সাথে কথোপকথনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ট্রাম্প এপস্টাইনকে বেশ পছন্দ করতেন এবং তাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ ছিল।


একই তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক ফার্স্ট লেডি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনও পৃথকভাবে ভিডিও জবানবন্দি দিয়েছেন। হিলারি জানান, এপস্টাইনের সাথে তার কখনো দেখা হওয়ার কথা মনে পড়ছে না এবং তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তার কাছে কোনো তথ্য নেই।


ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে এপস্টাইনের সাথে তার সম্পর্কের কথা অস্বীকার না করলেও, পরবর্তীকালে এপস্টাইনের অপরাধ প্রকাশ পাওয়ার পর তিনি তার থেকে দূরত্ব বজায় চলেন। তবে ক্লিনটনের এই নতুন দাবি ট্রাম্পের পুরনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


জেফরি এপস্টাইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বন্দি অবস্থায় আত্মহত্যা করেন। তার বিরুদ্ধে বহু অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে যৌন নির্যাতনের জন্য পাচার করার অভিযোগ ছিল। তার সাথে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম জড়িয়ে থাকায় এই তদন্তটি অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
বিক্ষোভ
ইরানে হা/মলা বন্ধের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাতে সোমবার (২ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন। তীব্র শীত উপেক্ষা করে দেশটির প্রধান শহরগুলোতে আয়োজিত এই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ থেকে অবিলম্বে সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানানো হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।   ‘জাতীয় প্রতিবাদ দিবস’ পালন   যুদ্ধ ও দখলদারিত্ব বিরোধী সংগঠন ‘অ্যানসার কোয়ালিশন’ সোমবারকে ‘ইরান যুদ্ধ বন্ধ করো’ স্লোগানে জাতীয় প্রতিবাদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছিল। তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বোস্টন, নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো এবং পোর্টল্যান্ডসহ অসংখ্য শহরে পরিকল্পিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।   শহরভিত্তিক বিক্ষোভের চিত্র: বোস্টন: তীব্র তুষারপাত ও হিমাঙ্করের নিচের তাপমাত্রা উপেক্ষা করে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। তারা এই অভিযানকে একটি ‘অনৈতিক ও বিপজ্জনক যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নিউ ইয়র্ক (ম্যানহাটান): ম্যানহাটানে বিক্ষোভকারীদের একটি বিশাল দল শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা করে। তাদের হাতে থাকা ব্যানার ও পোস্টারে লেখা ছিল— ‘এখনই ইরান থেকে হাত গুটিয়ে নাও’। লস অ্যাঞ্জেলেস: ক্যালিফোর্নিয়ার এই শহরে বিক্ষোভকারীরা বিশাল র‍্যালি বের করেন। তারা ‘ইরানে কোনো যুদ্ধ নয়’ স্লোগান দিয়ে মার্কিন প্রশাসনকে সংঘাত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। শিকাগো ও অন্যান্য: এছাড়া ওরেগন, উইসকনসিনের ম্যাডিসন এবং শিকাগোতেও ছোট-বড় অসংখ্য প্রতিবাদ সমাবেশের খবর পাওয়া গেছে।   ভিন্নমত টাইমস স্কয়ারে   তবে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ভিন্ন চিত্রও লক্ষ্য করা গেছে। সেখানে কয়েক ডজন ইরানি-আমেরিকান নাগরিক ইরানের সর্বোচ্চ নেতার নিহতের খবরকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেন। তারা ইরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের দাবি জানান। টিনা রাহভার নামে এক ইরানি-আমেরিকান বিক্ষোভকারী বলেন, “নিজের মাতৃভূমি আক্রান্ত হলে কেউ খুশি হয় না। কিন্তু যখন একটি দেশের জাতি মুক্তির জন্য বোমা হামলার আকুতি জানায়, তখন বুঝতে হবে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ।”   ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবরের পর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ইরানি কমিউনিটির মধ্যে এই মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একদিকে সাধারণ মানুষ যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে শঙ্কিত, অন্যদিকে প্রবাসীদের একাংশ একে পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ৩, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

স্টারমারের সহযোগিতায় ক্ষিপ্ত ট্রাম্প, তলানিতে ব্রিটেন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

ছবি: সংগৃহীত।

‘ঝুঁকি বেশি, লাভও বেশি’, যে লোভে হাজার হাজার মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিলেন ট্রাম্প

সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

এপস্টাইনের সাথে ‘দারুণ সময়’ কেটেছে ট্রাম্পের: বিস্ফোরক জবানবন্দী ক্লিনটনের

Trump
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘চিরকাল’ যুদ্ধ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুত আছে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা ‘মাঝারি ও উচ্চ-মাঝারি’ মানের যুদ্ধাস্ত্রের বিশাল মজুদ দিয়ে ‘চিরকাল’ পর্যন্ত যুদ্ধ চালানো সম্ভব বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার স্থানীয় সময় মধ্যরাতের ঠিক আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social–এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে এ মন্তব্য করেন।   ট্রাম্প লিখেছেন, “আমাদের কাছে এসব অস্ত্রের মজুদ কার্যত অফুরন্ত। যুক্তরাষ্ট্র পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে, এবং আমরা বড় জয় পাওয়ার জন্য প্রস্তুত!!!”   একই পোস্টে নিজের পূর্বসূরি জো বাইডেন এর সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, বাইডেন ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ‘অত্যন্ত উন্নত মানের’ অস্ত্র সরবরাহ করেছেন।   উল্লেখ্য, মেয়াদের শেষ দিকে বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেনকে শক্তিশালী দূরপাল্লার ATACMS ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেয়, যা প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।   মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব ইউরোপে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ও অস্ত্র সরবরাহ নীতি নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান কী হবে তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ৩, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান হামলা নিয়ে কংগ্রেসে ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প — সামরিক অভিযানের সময়সীমা অনিশ্চিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানে ‘কঠোর আঘাত’ এখনো করিনি, ‘মূল আক্রমণ শিগগিরই’: ট্রাম্প

হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানে হামলায় ‘সবার সমর্থন’ ছিল: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউসে নিজের ডেস্কে । ছবি: রয়টার্স
সৌদি যুবরাজের চাপেই কি ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প?

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট–এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানে সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর ওপর মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশ সৌদি আরব–এর উচ্চপর্যায়ের চাপ ছিল।   বিশেষ করে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানে হামলার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কাছে লবিং চালান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সৌদি যুবরাজ প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও গোপনে মার্কিন সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নেন। একই সময় ইসরায়েল–এর সরকারও ইরানকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিয়ে আসছিল।   গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর অবস্থান শনাক্ত করে পরিকল্পিত হামলার সুযোগ খুঁজছিল। পরে বিমান হামলা চালানো হলে প্রথম দফার অভিযানে খামেনিসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার দাবি করা হয়, যদিও স্বাধীনভাবে এই তথ্য যাচাই করা যায়নি।   মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি ছিল না। তবুও হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা কয়েক দশক ধরে অনুসৃত মার্কিন সামরিক নীতিতে পরিবর্তন নির্দেশ করে।   হামলার সময় ট্রাম্প এক ভিডিও বার্তায় বলেন, তাঁর সিদ্ধান্ত ইতিহাসে ব্যতিক্রমী হতে পারে। তিনি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।   বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের অবস্থানের পেছনে দুটি কৌশল থাকতে পারে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা থেকে নিজেদের তেল অবকাঠামো রক্ষা এবং মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বজায় রাখা।   এদিকে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ২, ২০২৬ 0
ডোনাল্ড ট্রাম্প

ট্রাম্পের দাবি: এক হামলায় ইরানের ৯টি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাসের বারে বন্দুকবাজের তাণ্ডবে নিহত ৩, পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হামলাকারীর

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নতুন নেতৃত্বের সাথে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্প

0 Comments