সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

জন্মদিনে ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছেলেকে দেখতে ৩২০ মাইল পথ পাড়ি, তবু জড়িয়ে ধরতে পারলেন না মা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ১৩:৪৩
জন্মদিনে ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছেলেকে দেখতে ৩২০ মাইল পথ পাড়ি, তবু জড়িয়ে ধরতে পারলেন না মা
জন্মদিনে ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছেলেকে দেখতে ৩২০ মাইল পথ পাড়ি, তবু জড়িয়ে ধরতে পারলেন না মা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সবচেয়ে বড় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) ডিটেনশন সেন্টারে বন্দিদের সাথে স্বজনদের আলিঙ্গন বা শারীরিক স্পর্শ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের উত্তরে অবস্থিত প্রায় ১,৬০০ বন্দি ধারণক্ষমতার 'ক্যালিফোর্নিয়া সিটি' নামের এই বন্দিশালায় গত এক বছর ধরে 'কন্টাক্ট ভিজিট' বা সরাসরি সাক্ষাতের এই নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।

 

কোরসিভিক নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত এই কারাগারে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পরিবারের সদস্যরা কাঁচের দেয়ালের ওপাশ থেকে শুধু ফোনেই কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রিয়জনকে একটু ছুঁয়ে দেখার বা সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো সুযোগ তাদের দেওয়া হচ্ছে না।

 

এই অমানবিক নিয়মের কারণে চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বন্দি ও তাদের স্বজনরা। তেরেসা রেয়েস নামের এক মা ৩২০ মাইল পাড়ি দিয়ে ছেলের ৩২তম জন্মদিনে দেখা করতে এলেও তাকে একটু জড়িয়ে ধরতে বা কোনো উপহার দিতে পারেননি। অন্যদিকে, অ্যালেন টেসন নামের এক ফিলিপিনো-বংশোদ্ভূত বন্দি গত ফেব্রুয়ারি থেকে তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন।

 

তার স্ত্রী সামান্থা সানচেজ বর্তমানে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অথচ কাঁচের দেয়ালের কারণে স্বামীর একটু স্পর্শ বা মানসিক সমর্থন থেকে তিনি পুরোপুরি বঞ্চিত। সামান্থা ও তার সন্তানেরা এখন ব্যয়বহুল ভিডিও কলের ওপর নির্ভরশীল, যা তাদের আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

 

মানবাধিকার কর্মীদের মতে, কন্টাক্ট ভিজিট নিষিদ্ধ করা যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি বন্দিশালার জন্যই একটি চরম ও বিরল সিদ্ধান্ত। তারা অভিযোগ করছেন, বন্দিদের ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করে দ্রুত ডিপোর্টেশন বা দেশে ফেরতের আদেশে বাধ্য করতেই এমন কারাগার-সদৃশ অমানবিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।

 

সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস-এর অডিটে উঠে এসেছে যে, এই নিষেধাজ্ঞা খোদ কোরসিভিকের নিজস্ব নীতির পরিপন্থী, যেখানে স্পষ্ট বলা আছে নিরাপত্তার ঝুঁকি না থাকলে শারীরিক স্পর্শের সুযোগ দেওয়া উচিত। কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্ত জায়গার অভাব ও মাদক পাচারের আশঙ্কার কথা বললেও, দর্শনার্থী কক্ষে টেবিল ও পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে।

 

অমানবিক এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে এবার রুখে দাঁড়িয়েছেন বন্দি ও তাদের পরিবার। 'হাগস বিয়ন্ড বারস' (Hugs Beyond Bars) নামক একটি প্রচারণার মাধ্যমে তারা একজোট হয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়া কোলাবোরেটিভ ফর ইমিগ্রান্ট জাস্টিস (CCIJ)-এর মতো মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সহায়তায় তারা সরাসরি কারারক্ষী বা ওয়ার্ডেনের কাছে চিঠি দিচ্ছেন এবং কংগ্রেসে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছেন।

 

নিরাপত্তার খোঁড়া যুক্তিতে কর্তৃপক্ষ এই নিয়ম বহাল রাখলেও, স্বজনদের একটাই দাবি— দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর শেষে প্রিয়জনকে অন্তত একবার আলিঙ্গন করার মানবিক অধিকারটুকু তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হোক।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
এআই দিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার কণ্ঠস্বর নকল করে গ্রাহকদের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা নিয়ে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ব্যাংক থেকে ফোন এলেই সাবধান! এআই দিয়ে কণ্ঠস্বর নকল করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাংকের জালিয়াতি বিভাগের পরিচয়ে ফোন করে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার ডলার হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতো কণ্ঠস্বর নকল করা এবং ফোনে ব্যাংকের আসল নম্বরের মতো নম্বর দেখানোর মাধ্যমে গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জন করছে তারা।    যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন এ ধরনের প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক করে জানিয়েছে, পরিচিত ব্যাংকের নাম বা নম্বর দেখালেও ফোনের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তি প্রকৃত ব্যাংক কর্মকর্তা নাও হতে পারেন। টাকা সুরক্ষিত রাখার কথা বলে অ্যাকাউন্টের অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলাই এ ধরনের প্রতারণার অন্যতম কৌশল। আতঙ্কিত হয়ে গ্রাহক নির্দেশনা অনুসরণ করলে মুহূর্তেই হারিয়ে যেতে পারে হাজার হাজার ডলার। প্রতারকেরা প্রযুক্তির সাহায্যে নিজেদের পরিচয় বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে বলে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য প্রতারণা শনাক্ত করা আগের চেয়ে কঠিন হয়ে উঠেছে।   ব্যাংকের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার শিকার হয়েছেন টেরেসা ম্যাডক্স। তাঁর ফোনে এমন একটি কল আসে, যা দেখে মনে হচ্ছিল সেটি ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকের জালিয়াতি বিভাগ থেকে করা হয়েছে। ফোনে ব্যাংকের নাম দেখে তিনি কলটি গ্রহণ করেন। অপর প্রান্তের ব্যক্তি তাঁকে জানান, নিউইয়র্কে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে পাঁচটি লেনদেন হয়েছে। তিনি সেখানে গিয়েছিলেন কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। ম্যাডক্স জানান, ওই লেনদেনগুলো তাঁর করা নয়। এরপর তাঁকে অর্থ সুরক্ষিত রাখার কথা বলে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা সরিয়ে নিতে বলা হয়। সেই নির্দেশনা অনুসরণ করার পর তাঁর হাজার হাজার ডলার হারিয়ে যায়।   একই ধরনের প্রতারণার শিকার হন পেশায় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ও বায়ু চলাচলব্যবস্থার কারিগরি কর্মী কেনি সামনার। তাঁর ফোনে যে নম্বরটি দেখা যাচ্ছিল, সেটি ব্যাংকের জালিয়াতি বিভাগের প্রকৃত নম্বরের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল। ফলে কলটি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছিল তাঁর কাছে। কিন্তু অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করে তিনি দেখতে পান, তাঁর চেকিং অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ হাজার ডলার উধাও হয়ে গেছে।   যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ঝুঁকি, জালিয়াতি ও সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট পল বেন্ডা জানান, প্রতারকেরা এখন এআই ব্যবহার করে মানুষের কণ্ঠস্বর নকল করতে পারছে। পরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির মতো কথা বলে তারা সহজেই মানুষের বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করছে। এমনকি নিখুঁত ভাষায় ইমেইল লেখা এবং আসল ব্যাংকের ওয়েবসাইটের মতো দেখতে নকল ওয়েবসাইট তৈরির মাধ্যমেও গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।   প্রযুক্তির উন্নতির ফলে আগে যেসব লক্ষণ দেখে প্রতারণা শনাক্ত করা যেত, সেগুলোও এখন কম কার্যকর হয়ে পড়ছে। আগে ভুল বানান, ব্যাকরণগত ভুল কিংবা অস্বাভাবিক বাক্যগঠন সন্দেহের কারণ হতে পারত। কিন্তু এখন প্রতারকেরা অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য বার্তা তৈরি করতে পারছে। ফোনে পরিচিত কণ্ঠস্বর শোনা কিংবা ব্যাংকের আসল নম্বরের মতো নম্বর দেখা গেলেও সেটিকে পরিচয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা নিরাপদ নয়। এ ধরনের প্রতারণা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আমেরিকান ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন ‘ব্যাংক কখনো এসব চায় না’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে। সংস্থাটির সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অপ্রত্যাশিত ফোন বা বার্তা, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ, বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ এবং অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রতারণার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।   ব্যাংকের পরিচয়ে ফোন করে কেউ টাকা সরিয়ে নিতে বললে সেই নির্দেশ অনুসরণ করবেন না। কোনো লেনদেন যাচাই করার প্রয়োজন হলে ফোন কেটে দিয়ে ব্যাংকের কার্ডের পেছনে থাকা নম্বর অথবা ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যোগাযোগ নম্বরে নিজে ফোন করে নিশ্চিত হোন। ফোনে কেউ পাসওয়ার্ড, পিন, অ্যাকাউন্টের গোপন তথ্য কিংবা নিরাপত্তা যাচাইয়ের কোড চাইলে তা দেওয়ার আগে অবশ্যই বিষয়টি যাচাই করতে হবে। ইতোমধ্যে সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করে থাকলে, ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে ফেললে কিংবা অর্থ পাঠিয়ে দিলে দ্রুত ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজন হলে অ্যাকাউন্ট ও কার্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিন। দ্রুত ব্যাংককে জানালে আরও অর্থ হারানোর ঝুঁকি কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হতে পারে।   প্রতারকদের কৌশল যত উন্নত হচ্ছে, গ্রাহকদের সতর্ক থাকার প্রয়োজনও তত বাড়ছে। ব্যাংকের নাম, ফোন নম্বর কিংবা পরিচিত কণ্ঠস্বর দেখে কোনো কলকে বিশ্বাস না করে স্বাধীনভাবে যাচাই করাই নিরাপদ থাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ২৩:১৭
টেক্সাসের লারেডোর অভিবাসন আটককেন্দ্রে মারা গেছেন ডালাসে দীর্ঘদিন বসবাস করা এমিলিয়ানো আন্দ্রাদে-কোভরুবিয়াস। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

টেক্সাসের অভিবাসন কেন্দ্রে ডালাসের বাসিন্দার মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

অভিবাসন নথি ও অতীতের বিয়ে নিয়ে তদন্তের মুখে রয়েছেন মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ইলহান ওমর। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে তদন্তে ডিএনএ প্রমাণের দাবি, অভিবাসন জালিয়াতির অভিযোগ

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা চেয়েছে ইমিগ্র্যান্টস ইন্টারন্যাশনাল। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: সুষ্ঠু তদন্তের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্টস ইন্টারন্যাশনালের

নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা সমন্বয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পৃথক বিভাগ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণায় জোর দিতে ট্রাম্পের নির্দেশ, গঠন হচ্ছে বিশেষ বিভাগ

যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা বাড়াতে নতুন নির্বাহী আদেশে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার, ১৯ অক্টোবর, হোয়াইট হাউসে স্বাক্ষরিত এ আদেশের মাধ্যমে দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (এনআইএইচ) অধীনে নারীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি পৃথক বিভাগ গঠন এবং হোয়াইট হাউসে বিশেষ টাস্কফোর্স প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের স্ত্রী ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সমর্থনে নেওয়া এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো নারীদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যগত সমস্যা নিয়ে গবেষণা বাড়ানো, রোগ শনাক্তকরণে উন্নতি আনা এবং চিকিৎসার নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করা।   নতুন বিভাগের আওতায় মাতৃস্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য, বন্ধ্যত্ব, এন্ডোমেট্রিওসিস, জরায়ুর ফাইব্রয়েড এবং মেনোপজের মতো বিষয়গুলোতে গবেষণাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি হৃদ্‌রোগ, ক্যানসার, স্ট্রোক, আলঝেইমার, অস্টিওপোরোসিস ও রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যাও গবেষণার আওতায় আসবে। এসব রোগের অনেক ক্ষেত্রে নারীদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা প্রয়োজন হলেও পর্যাপ্ত গবেষণা ও তথ্যের ঘাটতি রয়েছে বলে নির্বাহী আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণার ফল দ্রুত চিকিৎসাসেবায় কাজে লাগানো এবং নারীদের জন্য কার্যকর ও সহজলভ্য চিকিৎসা নিশ্চিত করাও উদ্যোগটির অন্যতম লক্ষ্য।   নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এনআইএইচের অধীনে নতুন বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটি প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান নারীদের স্বাস্থ্য গবেষণাবিষয়ক কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। পাশাপাশি হোয়াইট হাউসের নতুন টাস্কফোর্সের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিষয়ক মন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র এবং হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস। বিভিন্ন সরকারি সংস্থার গবেষণা, নীতিনির্ধারণ ও কর্মসূচির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে এই টাস্কফোর্সের প্রধান দায়িত্ব।   অনুষ্ঠানে মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন, নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আগের প্রজন্মগুলো লড়াই করেছে, আর বর্তমান প্রজন্মের লক্ষ্য হবে এমন চিকিৎসা আবিষ্কার করা, যা নারীদের সুস্থ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপনে সহায়তা করবে। ট্রাম্পও বলেন, নারীদের যেসব রোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত গবেষণা হয়নি, সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন গবেষণা ও রোগ নির্ণয়ের প্রযুক্তি এগিয়ে নেওয়া হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গবেষণার গতি বাড়ানোর কথাও জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তবে নির্বাহী আদেশে নতুন উদ্যোগের জন্য নির্দিষ্ট কোনো অর্থ বরাদ্দের লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।   নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের উদ্যোগ অবশ্য এবারই প্রথম নয়। ১৯৯০ সালে এনআইএইচের অধীনে নারীদের স্বাস্থ্য গবেষণাবিষয়ক কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনও নারীদের স্বাস্থ্য গবেষণায় অর্থায়ন ও সরকারি কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য একটি উদ্যোগ নিয়েছিল। বাইডেন প্রশাসনের বিদায়ের আগে ওই কর্মসূচিতে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের সরকারি অর্থায়ন আকৃষ্ট হয়েছিল বলে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে। ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশে বাইডেনের ২০২৩ সালের স্মারকলিপি এবং ২০২৪ সালের নির্বাহী আদেশ বাতিল করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের বক্তব্য, নতুন কর্মসূচিতে শুধু গবেষণা নয়, গবেষণার ফল বাস্তব চিকিৎসাসেবায় প্রয়োগের ওপরও জোর দেওয়া হবে।   তবে নতুন উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে কিছু প্রশ্নও রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গবেষণা অনুদান কমিয়েছে। নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে দীর্ঘদিনের একটি গবেষণা কর্মসূচি উইমেনস হেলথ ইনিশিয়েটিভ আগেভাগে বন্ধ করার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছিল, যদিও প্রতিবাদের পর সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়। ফলে নতুন উদ্যোগের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কত অর্থ ব্যয় হবে এবং গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা নিশ্চিত করা যাবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। নির্বাহী আদেশে অবশ্য নারীদের স্বাস্থ্য গবেষণায় অর্থায়ন ও গবেষণার ফল চিকিৎসায় প্রয়োগের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।   মেলানিয়া ট্রাম্পের জন্যও এই উদ্যোগ ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাঁর নীতিগত কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি পালক পরিচর্যা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষায় প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন শিশুদের পুনর্মিলনের বিষয়ে কাজ করেছেন। এবার নারীদের স্বাস্থ্য গবেষণাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর উদ্যোগের পরিধি আরও বিস্তৃত হলো।   সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), হোয়াইট হাউস।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ২২:৬
অপরাধ, সড়ক নিরাপত্তা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আর্থিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮২টি শহরের মূল্যায়ন করা হয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে নিরাপদ ২০ শহরের তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে আলাস্কার জুনো

২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা লটারি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডিভি লটারি চালুর নির্দেশ, ১ নভেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের কলম্বাসে আলরাহমা মসজিদের কাছে গুলিবর্ষণের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে জানাজা চলাকালীন মসজিদের পাশে গোলাগুলি, নিহত এক

নিউইয়র্কের ম্যাকআর্থার বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ছোট বিমানবন্দর, সম্প্রসারণে ব্যয় ১৫ কোটি ডলার
নিউইয়র্কের ম্যাকআর্থার বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ছোট বিমানবন্দর, সম্প্রসারণে ব্যয় ১৫ কোটি ডলার

নিউইয়র্কের জেএফকে বা লাগোর্ডিয়া বিমানবন্দরের চিরচেনা ভিড় ও যানজট থেকে মুক্তি পেতে চান? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে দারুণ সুখবর। ইউএসএ টুডে-এর ২০২৬ সালের জরিপে আমেরিকার সেরা ছোট বিমানবন্দরের স্বীকৃতি পেয়েছে নিউইয়র্কের রনকনকোমায় অবস্থিত লং আইল্যান্ড ম্যাকআর্থার এয়ারপোর্ট (আইএসপি)।   গত বছর এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও, এবার সবাইকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে বিমানবন্দরটি। ম্যানহাটন থেকে মাত্র ৫০ মাইল বা এক ঘণ্টার ড্রাইভের দূরত্বে অবস্থিত এই বিমানবন্দরটি যাত্রীদের দিচ্ছে ঝামেলাবিহীন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা এবং দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইটের সুবিধা। লং আইল্যান্ড রেল রোডের (এলআইআরআর) বা রাইডশেয়ারের মাধ্যমেও এখানে সহজেই পৌঁছানো যায়।   লং আইল্যান্ডের প্রায় ২৮ লাখ বাসিন্দার সবচেয়ে কাছের এই বিমানবন্দরটি বিখ্যাত হ্যাম্পটনস, ওয়াইন কান্ট্রি, ফায়ার আইল্যান্ড এবং গ্যাটসবি-যুগের ম্যানশনের মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোর যাতায়াত সহজ করে তুলেছে। যাত্রীরা এখানে বড় বিমানবন্দরের মতো দীর্ঘ পথ হাঁটা বা বিশাল লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।   গাড়ি থেকে নেমে মাত্র ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই বোর্ডিং গেটে পৌঁছানো সম্ভব। এখানে রয়েছে আরামদায়ক বসার জায়গা, ফ্রি ওয়াই-ফাই, ডানকিন বা পয়েন্ট/ব্লু পাব-এর মতো ডাইনিং সুবিধা এবং আধুনিক গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্টেশন সেন্টার। এছাড়াও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য এডিএ-কমপ্লায়েন্ট সুবিধা এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাত্রীদের ভ্রমণকে আরও সহজ করেছে।   বিমানবন্দরটির সেবার মান আরও বাড়াতে ১৫০ মিলিয়ন বা ১৫ কোটি ডলারের একটি বিশাল সম্প্রসারণ প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। গত জুন মাসে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এর উত্তর দিকে একটি নতুন টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ডেভেলপারদের সাথে আলোচনা চূড়ান্ত করেছে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ফ্লাইটের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং রনকনকোমা এলআইআরআর স্টেশনের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা।   এর ফলে যাত্রীরা আরও সহজে ও দ্রুত ট্রেনে করে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। এই আধুনিকায়ন প্রকল্পটি ম্যাকআর্থার এয়ারপোর্টকে দেশের অন্যতম প্রধান একটি যোগাযোগ কেন্দ্রে পরিণত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।   বর্তমানে এই বিমানবন্দর থেকে সাউথওয়েস্ট, ফ্রন্টিয়ার, জেটব্লু, আভেলো, ব্রিজ এবং কেপ এয়ারের মতো এয়ারলাইন্সগুলো নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এখান থেকে ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো, টাম্পা, ফোর্ট মায়ার্সসহ ইস্ট কোস্টের বাল্টিমোর, বোস্টন, চার্লসটন এবং রিচমন্ডের মতো গন্তব্যগুলোতে সরাসরি ভ্রমণ করা যায়। ছুটির দিনে ভ্রমণের জন্য নিউইয়র্কবাসীদের কাছে দিন দিন এই বিমানবন্দরটি একটি আকর্ষণীয় ও স্বস্তিদায়ক বিকল্প হয়ে উঠছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১৯:১৪
মাত্র ২২ হাজার ডলারে বাড়ির মালিক হওয়ার সুযোগ নিউইয়র্কে, চলছে আবাসন লটারি

মাত্র ২২ হাজার ডলারে বাড়ির মালিক হওয়ার সুযোগ নিউইয়র্কে, চলছে আবাসন লটারি

নিউইয়র্কে ৬২ বছর বয়সীদের জন্য সমুদ্রতীরবর্তী আবাসন, আয় না থাকলে ভাড়া শূন্য ডলার

নিউইয়র্কে ৬২ বছর বয়সীদের জন্য সমুদ্রতীরবর্তী আবাসন, আয় না থাকলে ভাড়া শূন্য ডলার

লুইজিয়ানায় মদ্যপ চালকের গাড়ির ধাক্কায় নি হত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও তাঁর ফায়ারফাইটার বাগদত্ত

লুইজিয়ানায় মদ্যপ চালকের গাড়ির ধাক্কায় নি হত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও তাঁর ফায়ারফাইটার বাগদত্ত

0 Comments