বিশ্ব

কাতারের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
কাতারের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা
কাতারের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের হামলার পর দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় পৌনে ৭টার দিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাস লাফফান শিল্পাঞ্চলে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীরা কাজ করছেন।

 

তারা আরও জানায়, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 

এর আগে কাতার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, লাস রাফফান এলাকার গ্যাস স্থাপনায় হামলার ফলে যে আগুন লেগেছিল, তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে কয়েক ঘণ্টা পর নতুন করে শিল্পাঞ্চলে আগুনের ঘটনা ঘটে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

 

সূত্র: আল জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

বিশ্ব

View more
যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য কেনার অভিযোগে এফবিআই
যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য কেনার অভিযোগে এফবিআই

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) আবারও দেশটির নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। বিশেষ করে মানুষের বর্তমান অবস্থান বা লোকেশন ডেটা সংগ্রহের বিষয়টি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।   বুধবার মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সামনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন ফেডারেল তদন্তে সহায়তার জন্য সংস্থা বাণিজ্যিকভাবে বাজার থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করছে। ২০২৩ সালের পর প্রথমবার কোনো শীর্ষ কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি স্বীকার করলেন।   জানা গেছে, মূলত বিভিন্ন ডেটা ব্রোকারের কাছ থেকে এ তথ্য কেনা হয়। এসব ব্রোকার সাধারণ মোবাইল অ্যাপ ও গেমের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের লোকেশনসহ ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে। এর আগে সাবেক পরিচালক ক্রিস্টোফার জানিয়েছেন, সংস্থা পূর্বেও তথ্য কিনলেও তা সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হয়নি।   তবে ওরেগনের সিনেটর রন ওয়াইডেন প্রশ্ন করলে যে ভবিষ্যতে এফবিআই এই তথ্য কেনা বন্ধ করবে কি না, পরিচালক কাশ প্যাটেল সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তিনি শুধু জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালনের স্বার্থে এফবিআই ‘সব ধরনের বৈধ উপায়’ ব্যবহার করতে পিছপা হবে না।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সর্বত্র বন্ধু থাকলেও কোথাও সুবিধা পাচ্ছে না ভারত

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা

কাতারের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা

কাতারের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা

ছবি: সংগৃহীত
ঈদ উপলক্ষে পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা এবং সাম্প্রতিক কাবুলে প্রাণঘাতী হামলার প্রেক্ষাপটে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। সৌদি আরব, কাতার এবং তুরস্ক-এর অনুরোধে এবং সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে দুই দেশ এই সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধবিরতি ২৩ মার্চ মধ্যরাত পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন কার্যকর থাকবে।   এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার মাত্র দুই দিন আগে কাবুলের ক্যাম্প ফিনিক্স—একটি সাবেক ন্যাটো ঘাঁটি, যা বর্তমানে মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত—সেখানে ভয়াবহ বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান।   এই হামলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে। তালেবান সরকারের দাবি, সোমবার (১৬ মার্চ) রাতের ওই হামলায় ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং ২৬৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মতে, এটি একটি বেসামরিক পুনর্বাসন কেন্দ্র ছিল।   অন্যদিকে জাতিসংঘ জানায়, নিহতের সংখ্যা ১৪৩ এবং আহত ১১৯ জন।   ইসলামাবাদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তারা কোনো বেসামরিক স্থাপনায় নয়, বরং সন্ত্রাসীদের গোলাবারুদ, ড্রোন ও আত্মঘাতী হামলাকারীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এবং তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ পৃথকভাবে এই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   পাকিস্তান জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে যদি কোনো আন্তঃসীমান্ত বা ড্রোন হামলা ঘটে, তাহলে তারা আবারও অভিযান শুরু করবে। একইভাবে তালেবানও জানায়, যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে তারা প্রস্তুত।   এক সময় মিত্র থাকলেও গত এক বছরে দুই দেশের সম্পর্ক ব্যাপকভাবে অবনতি হয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগান তালেবান তাদের দেশে হামলা চালানো জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে তালেবান এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। চীনসহ বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও, গত মাসে পাকিস্তানের সরাসরি আফগান ভূখণ্ডে হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সীমা লঙ্ঘন করেছে ইরান: কাতার

ছবি: সংগৃহীত

কাতারে এলএনজি উৎপাদন ক্ষেত্রে ফের হামলা, বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড

ফাইল ছবি

নতুন হামলা হলে আরব জ্বালানি স্থাপনায় বড় আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের

ছবি: রয়টার্স
কাতার-সৌদি-আমিরাতের তেল ও গ্যাস স্থাপনায় ইরানের আঘাত

ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে, যেখানে জ্বালানি স্থাপনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ইরান কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।   এর আগে, গত ১৮ মার্চ ইরানের বুশেহর অঞ্চলের উপকূলবর্তী আসালুয়েহ এলাকায় অবস্থিত সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র এবং উত্তরাঞ্চলের বন্দর আনজালিতে নৌবাহিনীর একটি স্থাপনায় হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ইসরাইলের বিরুদ্ধে। এই গ্যাসক্ষেত্রটি বিশ্বের সবচেয়ে বড়, যেখানে ইরান ও কাতার যৌথভাবে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করে।   এই হামলার পর তেহরান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায় এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে কাতার সতর্ক করে জানায়, জ্বালানি খাতে আঘাত পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।   ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কিছু তেল ও গ্যাস স্থাপনার আশপাশে অবস্থানরত মানুষদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান জানায়। এরপর রাতেই বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।   হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কাতারের রাস লাফফান শিল্পাঞ্চল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির হাবশান গ্যাসক্ষেত্র ও বাব তেলক্ষেত্র এবং সৌদি আরবের দুটি তেল শোধনাগারের কথা বলা হয়েছে। কাতার জানায়, হামলার ফলে রাস লাফফান এলাকায় আগুন লাগে এবং কিছু অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়, যদিও কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের একটি গ্যাসক্ষেত্র সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়।   এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের অভিযোগ, ইরান মূলত মার্কিন স্থাপনাকে লক্ষ্য করলেও বাস্তবে আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামোও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।   উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ঘটনার সময় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বিভিন্ন আরব ও ইসলামিক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে ছিলেন, যেখানে চলমান সংকট ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল।   হামলার পর কাতার এটিকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে এবং দেশে অবস্থানরত ইরানি সামরিক ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ট্রাম্প প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তা ক্যারি প্রিজিন বোলার

ইসরায়েলের দখলে মার্কিন সরকার, ট্রাম্পের সাবেক সহযোগীর বিস্ফোরক মন্তব্য

ছবি সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত থামাতে আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক

ফাইল ফটো।

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দিয়ে মিলবে না নাগরিকত্ব: কড়া বার্তা মার্কিন দূতাবাসের

0 Comments