সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিশ্ব

সুপার পাউডার থেকে সুপার পাওয়ার: প্লাজমা প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে দিচ্ছে চীন

ইসমাইল হোসাইন প্রকাশ: এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ২:২৯
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব এবং সামরিক শক্তিতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে এবার ‘সুপার পাউডার’ প্রযুক্তিতে বড় ধরনের সাফল্য দেখালো চীন। সম্প্রতি চীনের গুয়াংডং প্রদেশে বিশ্বের বৃহত্তম 'প্লাজমা মিল' (Plasma Mill) সুবিধা উন্মোচন করা হয়েছে, যা দেশটির প্রতিরক্ষা এবং উন্নত প্রযুক্তি খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম, যেমন— রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম স্টিলথ যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী হাইপারসনিক মিসাইল তৈরির মূল ভিত্তি হলো মাইক্রন-স্কেলের এই বিশেষ সুপার পাউডার। এতদিন এই পাউডার উৎপাদনে সীমাবদ্ধতা থাকলেও চীনের নতুন এই প্লাজমা মিলটি আগের পদ্ধতির চেয়ে ১০ গুণ বেশি দক্ষ।


দেখতে সাধারণ ড্রামের মতো মনে হলেও এই প্লাজমা মিলগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধাতব অংশকে আণুবীক্ষণিক কণায় রূপান্তর করে। যেমন— স্টিলথ বিমানের গায়ে যে বিশেষ আবরণ (Radar-absorbing coating) থাকে, তা তৈরি হয় ম্যাগনেটিক আয়রন ফ্লেক বা লোহার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা থেকে। এছাড়া জেট ইঞ্জিনের টারবাইন ব্লেড তৈরির জন্য এই উন্নত পাউডার অপরিহার্য, যা উচ্চ তাপে সংকুচিত করে নিখুঁত আকার দেওয়া হয়।


প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত অস্ত্রশস্ত্র ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে এতদিন যুক্তরাষ্ট্রের যে আধিপত্য ছিল, চীনের এই নতুন শিল্প-বিপ্লব তাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দেবে। এখন থেকে চীন অনেক বড় পরিসরে এবং অনেক দ্রুত এই জটিল উপকরণগুলো উৎপাদন করতে পারবে।


চীনের এই নতুন উদ্ভাবন শুধুমাত্র সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, বরং মহাকাশ গবেষণা এবং উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিক্স খাতেও দেশটিকে বিশ্বসেরা হওয়ার দৌড়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে দিল।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
প্রেমিকের নতুন বাইকের শখ পূরণ করতে ৯ ভরি স্বর্ণ চুরির অভিযোগ উঠেছে ১৯ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রীর বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত
প্রেমিককে নতুন বাইক কিনে দিতে স্বর্ণ চুরির অভিযোগ, কলেজছাত্রী গ্রেপ্তার

ভারতের তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর জেলার পোল্লাচিতে বাবার বন্ধুর বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার চুরির অভিযোগে ১৯ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, চুরি করা স্বর্ণ বিক্রি করে পাওয়া অর্থ দিয়ে প্রেমিকের জন্য নতুন মোটরসাইকেল কিনে দেন তিনি।   গ্রেপ্তার তরুণীর নাম আর. জয় প্রিন্সি। তিনি পোল্লাচি গভর্নমেন্ট আর্টস কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। পুলিশের দাবি, গত ১৬ আগস্ট প্রিন্সি তার বাবার বন্ধু এইচ. তামিলসেলভানের বাড়িতে যান। এ সময় বাড়ির আলমারিতে রাখা প্রায় ৭২ গ্রাম স্বর্ণালংকার চুরি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বাংলাদেশি হিসাবে এটি প্রায় ৬ ভরি ২ আনা স্বর্ণ।   পরে চুরি করা স্বর্ণ পোল্লাচির একটি জুয়েলারি দোকানে প্রায় আড়াই লাখ রুপিতে বিক্রি করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্তকারীদের ভাষ্য, সেই অর্থ দিয়েই নিজের প্রেমিক ২০ বছর বয়সী জনাগান শিবার জন্য একটি নতুন মোটরসাইকেল কেনেন প্রিন্সি।   নতুন মোটরসাইকেল কেনার পর শোরুমে প্রিন্সি ও তার প্রেমিকের উদযাপনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পর ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় আসে।   এদিকে স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে তামিলসেলভান পোল্লাচি ইস্ট থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ প্রিন্সিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি চুরির কথা স্বীকার করেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।   এরপর তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়। তবে প্রিন্সির প্রেমিক জনাগান শিবা এখনও পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ৫:৩৪
ইরানের মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলের মতো করে তৈরি করা একটি ছবি ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

নিজের মুখের আদলে ইরানের মানচিত্র পোস্ট করলেন ট্রাম্প

উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো ৫ হাজার টনের নতুন যুদ্ধজাহাজ ‘ক্যাং কন’। ছবি: সংগৃহীত

পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থায় নতুন যুদ্ধজাহাজ ‘ক্যাং কন’, প্রতিরোধ জোরদার কিম জং উনের

হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ করার প্রস্তাব  প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ করার প্রস্তাব প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সৈন্যদের আর্থিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি পেন্টাগনের
ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সৈন্যদের আর্থিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি পেন্টাগনের

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে নিহত এক মার্কিন সেনা কর্মকর্তার পরিবারকে যুদ্ধকালীন কিছু আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছিল। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়নি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করে মার্কিন এয়ার ফোর্স। পরে জানানো হয়, ওই পরিবারের প্রাপ্য সুবিধাগুলো আসলে দেওয়া হয়েছে।   ঘটনাটি মার্কিন বিমানবাহিনীর মেজর অ্যালেক্স ক্লিনারের পরিবারকে ঘিরে। ৩৩ বছর বয়সী ক্লিনার মার্চে পশ্চিম ইরাকে একটি KC-135 জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ছয় সদস্যের একজন। বিমানটি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযানে সহায়তা করছিল।   ক্লিনারের স্ত্রী লিবি ক্লিনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেন, স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা না হওয়ায় পরিবারটি কিছু যুদ্ধকালীন সুবিধার জন্য যোগ্য নয়।   বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। এরপর এয়ার ফোর্স লিবি ক্লিনারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার স্বামীর বেতন ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনা করে।   এয়ার ফোর্স জানায়, ক্লিনারের প্রাপ্য সব কমব্যাট থিয়েটার সুবিধা তার বকেয়া বেতনসহ আগেই অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর মধ্যে ছিল হ্যাজার্ড পে এবং কমব্যাট জোন ট্যাক্স সুবিধা। তবে এসব সুবিধা কীভাবে বেতন বিবরণীতে দেখানো হয়েছিল, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।   মার্কিন সামরিক ব্যবস্থায় তথাকথিত কমব্যাট পে পেতে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা সবসময় প্রয়োজন হয় না। নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালন এবং শত্রুতামূলক হামলার মতো পরিস্থিতির ওপর এসব সুবিধা নির্ভর করতে পারে।   ইরান সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করা নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স সম্প্রতি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি যুদ্ধ বলতে চান না। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সংঘাতটিকে ‘মিলিটারি কনফ্লিক্ট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।   অন্যদিকে, ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং প্রায় ৭৯০ জন আহত হয়েছেন বলে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   লিবি ক্লিনারের জন্য তার স্বামীর মৃত্যুর পর একটি গোফান্ডমি তহবিলও খোলা হয়েছিল। সেখানে ১৫ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   লিবি বলেন, শোকাহত সামরিক পরিবারগুলোকে যেন সরকারি সুবিধা পেতে জটিল সামরিক পরিভাষা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বুঝতে না হয়, সেটিই তার মূল উদ্দেশ্য। তিনি চান, তার অভিজ্ঞতার পর অন্য পরিবারগুলো যেন শুরু থেকেই নিজেদের প্রাপ্য সুবিধা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পায়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ১:৩৫
যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধ বৈধতা দিচ্ছে ইউক্রেন

যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধ বৈধতা দিচ্ছে ইউক্রেন

পাঁচ বছর বয়সী বেনেডিক্ট ব্লাইথ

স্কুলের গরুর দুধের অ্যালার্জিতে শিশুর মৃত্যু, বাবা-মায়ের প্রচেষ্টায় ইংল্যান্ডের স্কুলে নতুন নিরাপত্তা নিয়ম

স্কুলের ছবিতে লুকিয়ে থাকতে পারে পরিবারের ঠিকানা

স্কুলের ছবিতে লুকিয়ে থাকতে পারে পরিবারের ঠিকানা, সতর্ক করল ব্রিটিশ পুলিশ

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি
“প্রধানমন্ত্রী মোদি সূর্যের শক্তি চিনেছেন এবং তা ভারতের কল্যাণে কাজে লাগিয়েছেন”: শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সৌরবিদ্যুৎ নীতির প্রশংসা করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি। দিল্লির শ্রী রাম কলেজ অব কমার্সের (এসআরসিসি) শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে সূর্য যেমন ছিল, এখনও তেমনই আছে; তবে মোদি সূর্যের শক্তিকে চিনে তার সম্ভাবনাকে দেশের মানুষের কাজে লাগিয়েছেন।   যোশির দাবি, ২০১৪ সালে ভারতে সৌরবিদ্যুতের সক্ষমতা ছিল মাত্র প্রায় ২ দশমিক ৬ গিগাওয়াট। বর্তমানে তা বেড়ে ১৬৫ গিগাওয়াটে পৌঁছেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই ভারতের স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ছিল ১৬৪ দশমিক ৫৯ গিগাওয়াট।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের সম্প্রসারণের ফলে ভারতের বিদ্যুৎ খরচ কমানোর পাশাপাশি পরিবেশের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাঁর বক্তব্যে মোদি সরকারের গত ১২ বছরের নীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের বিভিন্ন দিকও উঠে আসে।   এসআরসিসির শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদিও উপস্থিত ছিলেন। ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির শতবর্ষ উপলক্ষে তিনি ১৩ বছর পর আবার কলেজটিতে যান। এর আগে ২০১৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে তিনি এসআরসিসিতে গিয়েছিলেন।   অনুষ্ঠানে যোশি আরও বলেন, ২০১৪ সালে ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ২৪৯ গিগাওয়াট, যা বর্তমানে বেড়ে প্রায় ৫৫২ গিগাওয়াট হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০২ গিগাওয়াট অ-জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক সক্ষমতা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ ১৩:৪৬
ভারতে সরকারি সার্কিট হাউসে নামাজ

ভারতে সরকারি সার্কিট হাউসে নামাজ, সপা নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ইরানের ৩ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা

ইরানের ৩ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, পাল্টা হামলার হুমকি তেহরানের

পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা’ মার্কিন দূতদের

পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা’ মার্কিন দূতদের

0 Comments