সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় যুবলীগ নেতা অনিক গ্রেপ্তার
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ভাষানটেক থানা যুবলীগের সহসভাপতি শাহ আলম অনিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের আবাসন প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে অবস্থিত সালমানের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতেও ভাঙচুর হয়। সালমান পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত স্টুডিওর ভিডিও প্রকাশ করেন।
হামলার কারণ নিয়ে সালমান ও পুলিশের বক্তব্যে পার্থক্য রয়েছে। সালমান চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন। অন্যদিকে পুলিশের ভাষ্য, আবাসন প্রকল্পটির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা হয়েছে; স্টুডিওটি হামলাকারীদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিল না।
এর আগে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করার কথা জানিয়েছিল। অনিকের গ্রেপ্তারের পর তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও মামলার অগ্রগতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: প্রথম আলো
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বাংলাদেশ
View moreআগামী দুই মাসে তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি চলছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। অক্টোবর ও নভেম্বরে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ঢাকা। তবে এখন পর্যন্ত এই তিন দেশ সফরের সম্ভাব্য সূচিতে প্রতিবেশী ভারতের নাম নেই। কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে প্রথমে জাপান সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে সম্ভাব্য এই দ্বিপক্ষীয় সফর তিন থেকে চার দিনের হতে পারে। সফরটি সামনে রেখে ঢাকা ও টোকিওর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। জাপান সফরে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের পাশাপাশি বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, জনশক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে। জাপানও বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ জানিয়েছে। এরপর নভেম্বরে তুরস্ক সফরের কথা রয়েছে তারেক রহমানের। দেশটির আনতালিয়ায় আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ৩১তম সম্মেলন - কপ৩১। প্রধানমন্ত্রীকে ওই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও এর আগে তারেক রহমানের কপ৩১-এ অংশ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। তুরস্কের পর নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে সৌদি আরব সফরের সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে সম্ভাব্য এই দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজন নিয়ে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সৌদি সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, জ্বালানি, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, বাংলাদেশি জনশক্তির সুযোগ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে সফরের চূড়ান্ত তারিখ ও পূর্ণ কর্মসূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এদিকে সম্ভাব্য এই তিন দেশ সফরের তালিকায় ভারত না থাকলেও দিল্লি সফরের আলোচনা শেষ হয়ে যায়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও তাকে আলাদাভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যদিও তিনি সেখানে যাননি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১৫ সেপ্টেম্বর জানায়, দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণের বিষয়ে তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কাছ থেকে কোনো চূড়ান্ত জবাব তারা পায়নি। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ২১ সেপ্টেম্বর কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, দুই পক্ষ নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে সম্ভাব্য ভারত সফরের তারিখ নিয়েও আলোচনা করছে। ফলে বর্তমানে ভারত সফর বাতিল হয়েছে বা হচ্ছে না - এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগও নেই। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শেষে প্রধানমন্ত্রীর পরবর্তী কূটনৈতিক সফরের সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে এখন সামনে রয়েছে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব। তিন সফরের প্রস্তুতি এগোলেও তারিখগুলো এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। একই সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়েও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় যুবলীগ নেতা অনিক গ্রেপ্তার
বাংলাদেশি অধ্যাপক লতিফুর খান অ্যালগরিদমে মার্কিন সেনাবাহিনী ও নাসার তথ্য থাকে সুরক্ষিত
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর, জমি নিয়ে বিরোধের কথা বলছে পুলিশ
রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে ক্ষোভ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। পোস্টে সালমানের একটি ভিডিও শেয়ার করে শফিকুর রহমান ঘটনাটিকে চাঁদাবাজদের হামলা বলে উল্লেখ করেন। একের পর এক এমন ঘটনা ঘটছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে কারা হামলা চালিয়েছে বা এর পেছনে চাঁদাবাজি ছিল কি না, তা তদন্তে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়। সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, শনিবার রাতে তাঁর স্টুডিওতে ঢুকে হামলাকারীরা সরঞ্জাম ও আসবাব ভাঙচুর করে এবং কিছু মালামাল নিয়ে যায়। ঘটনার পর নিজের ফেসবুক পেজে ভিডিও প্রকাশ করে ক্ষতিগ্রস্ত স্টুডিওর অবস্থা দেখান তিনি। সালমানের ভাষ্য অনুযায়ী, চাঁদার দাবিকে কেন্দ্র করে আবাসন প্রকল্পে হামলা হয়েছিল এবং তার মধ্যেই তাঁর স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনায় তাঁর কোনো কর্মী আহত হননি। হামলার কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জাহাজের খালাসি থেকে ব্রিটেনে বসতি, সিলেটিদের অভিবাসনের ইতিহাস
চাঁদা না দেওয়ায় সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুরের পর লুট মূল্যবান জিনিস
রাষ্ট্রের প্রতিটি দপ্তরে তাঁর সৃষ্টি, অথচ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি আজও
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে আনাস আহমেদ জিসান নামের ১২ বছর বয়সী এক শিশু গত দুই সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সে আর ফিরে আসেনি। দীর্ঘ ১৪ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্তানের কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও হতাশায় দিন পার করছেন তার বাবা-মা। জানা যায়, নিখোঁজ শিশু আনাস রূপগঞ্জ থানার অন্তর্গত বরপা এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। নিখোঁজ হওয়ার দিন আনুমানিক সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সে হারিয়ে যায়। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় শিশুটির পরনে ছিল লাল রঙের গেঞ্জি এবং জিন্সের প্যান্ট। ঘটনার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে হন্যে হয়ে খোঁজাখুঁজি করেছেন। কিন্তু কোথাও তার কোনো হদিস মেলেনি। আদরের সন্তানকে হারিয়ে পরিবারটিতে এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই কঠিন ও অসহায় পরিস্থিতিতে শিশুটির বাবা আমির হোসেন তার সন্তানের সন্ধানে স্থানীয় প্রশাসনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি যদি শিশু আনাসের সন্ধান পেয়ে থাকেন বা এ বিষয়ে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তবে জরুরি ভিত্তিতে তার বাবার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে (০১৮৪৬৯১৭২১৬) যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পারমাণবিক শক্তিতে নতুন অধ্যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বেসামরিক সহযোগিতা চুক্তি
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে নিয়োগ, বেতন ৬১ হাজার টাকা, আবেদন শেষ ৩০ সেপ্টেম্বর