বাংলাদেশ

ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ:

ভারত-পাকিস্তান-চীন-মার্কিন টানাপোড়েনে বাড়ছে কৌশলগত চাপ

শাহারিয়া নয়ন প্রকাশ: এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ১৮:৪৫
ছবি: আমেরিকা বাংলা
ছবি: আমেরিকা বাংলা

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন করে জটিল সমীকরণ তৈরি হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশকে ঘিরে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সক্রিয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কূটনৈতিক তৎপরতা, নিরাপত্তা বিবেচনা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা- পরিস্থিতি ক্রমেই বহুমাত্রিক রূপ নিচ্ছে।

 

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ঘিরে বিশেষায়িত বাসভবন নির্মাণের পরিকল্পনার খবর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে সম্ভাব্য বাসভবনে বাংকার ও সুড়ঙ্গ রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। যদিও সরকারিভাবে এটিকে নিরাপত্তাজনিত প্রস্তুতি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, বিশ্লেষকদের মতে এর পেছনে রাজনৈতিক বার্তাও থাকতে পারে।

 

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী বাসভবন এখনো নির্ধারিত না হওয়ায় প্রশাসনিক মহলেও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সম্ভাব্য স্থান খুঁজছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সুবিধা নিশ্চিত করা যাবে।

 

এদিকে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে ঘিরে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে সক্রিয় কৌশল গ্রহণ করেছে। নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত দায়িত্ব নেওয়ার পরই চীনের প্রভাব মোকাবিলার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। এর জবাবে ঢাকায় চীনা দূতাবাস কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর তৃতীয় কোনো দেশের প্রভাব গ্রহণযোগ্য নয়।

 

ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও নতুন মাত্রা পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সফর ও আলোচনাকে সরকার ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরলেও, পর্দার আড়ালে ভিন্ন ধরনের হিসাব-নিকাশ চলছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পাকিস্তানও আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুনভাবে সক্রিয় হয়ে উঠছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তাদের ভূমিকা আলোচনায় এসেছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ এখন এক ধরনের ‘কৌশলগত ভারসাম্য’ নীতিতে এগোচ্ছে যেখানে একাধিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এই বহুমুখী কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ নয় এবং ভবিষ্যতে এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা, নীতি অপরিবর্তিত থাকার স্পষ্টীকরণ

ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের সাম্প্রতিক ভিসা প্রক্রিয়া সংক্রান্ত একটি আপডেটকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রত্যাশীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তবে দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও কনস্যুলার নীতিমালার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ভিসা আবেদন, সাক্ষাৎকার এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট শিডিউলিং আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে চালু আছে। নীতিমালায় কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়নি।   দূতাবাসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পরিবর্তন এসেছে মূলত ভিসা আবেদন-পরবর্তী প্রক্রিয়ায়, যেখানে অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন একটি ধাপ যুক্ত করা হয়েছে। ১ জুন থেকে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারীদের এখন দুইবার ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে উপস্থিত হতে হবে।   প্রথম দিন থাকবে নথি যাচাই-বাছাই, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি সংগ্রহের প্রক্রিয়া। এ সময় আবেদনকারীদের সব মূল কাগজপত্র ও কপি সঙ্গে রাখতে হবে। একই সঙ্গে পূর্বে নির্দেশিত নিয়ম অনুযায়ী CEAC অ্যাকাউন্টে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট আপলোড করা থাকতে হবে।   দ্বিতীয় দিন অনুষ্ঠিত হবে কনস্যুলার অফিসারের সঙ্গে ভিসা ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকার। দূতাবাস সূত্রে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় সব নথি সঠিকভাবে জমা থাকলে সাধারণত একই সপ্তাহের মধ্যে সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করা হবে।   যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী ঘোষণা অনুযায়ী, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্রান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। বাংলাদেশও ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীরা এখনো ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন, সাক্ষাৎকার দিতে পারবেন এবং দূতাবাস অ্যাপয়েন্টমেন্টও নির্ধারণ করবে। তবে এই সময়কালে ভিসা ইস্যু কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।     দূতাবাসের ব্যাখ্যায় স্পষ্ট করা হয়েছে, নতুন “two-day processing” ব্যবস্থা পূর্বের ভিসা ইস্যু স্থগিতাদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করেনি। অর্থাৎ আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপগুলো চলমান থাকলেও ভিসা ইস্যু সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।   এ অবস্থায় অভিবাসন প্রত্যাশীদের জন্য প্রক্রিয়াগত ধাপগুলো অব্যাহত থাকলেও চূড়ান্ত ভিসা প্রদানের সিদ্ধান্ত পূর্বের স্থগিত নীতির অধীনেই পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: মে ৩১, ২০২৬ ১৬:৫২
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেন হাজারো মুসল্লি । ছবি: বাসস

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত, রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

ছবি: সংগৃহীত

ঈদের ছুটিতে মেট্রোরেল চলাচলের নতুন সময়সূচি প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি নয়, ঢাকায় এআই ক্যামেরা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

ছবি: সংগৃহীত
বোয়িং চুক্তির পর বিমানকে ১৪টির বদলে ১০ উড়োজাহাজ কেনার সংশোধিত প্রস্তাব এয়ারবাসের

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 'এয়ারবাস' বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য তাদের বহরের একটি সংশোধিত নতুন প্রস্তাব জমা দিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী বোয়িংয়ের সাথে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটির সাম্প্রতিক মাল্টি-বিলিয়ন ডলারের চুক্তির পরই এয়ারবাস তাদের আগের প্রস্তাব কমিয়ে ১০টি উড়োজাহাজে নামিয়ে এনেছে। এয়ারবাস ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র জানিয়েছে, ইউরোপীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি বিমানের টেকনো-ফাইন্যান্স কমিটির কাছে এই নতুন প্রস্তাব পেশ করেছে, যেখানে ৪টি এ৩৫০-৯০০ ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজ এবং ৬টি এ৩২১ নিও ন্যারো-বডি জেটের অফার দেওয়া হয়েছে।   গত ৩০ এপ্রিল মার্কিন বোয়িংয়ের সাথে বিমানের ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র কয়েক দিন পরই এয়ারবাসের এই সংশোধিত প্রস্তাবটি সামনে এল। বোয়িংয়ের সাথে হওয়া ওই চুক্তির আওতায় বিমান বোয়িং থেকে ৮টি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্সসহ মোট ১৪টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার একটি কৌশলগত প্রচেষ্টা হিসেবেই এয়ারবাস তাদের আগের প্রস্তাবটি কাটছাঁট করেছে। এর আগে এয়ারবাস ১০টি এ৩৫০ ওয়াইড-বডি জেট এবং ৪টি এ৩২০ নিও ন্যারো-বডি উড়োজাহাজসহ মোট ১৪টি বিমানের প্রস্তাব দিয়েছিল।   গত ৫ মে এয়ারবাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড ডেলাহে সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে বিমানের জন্য একটি মিশ্র বহর কাঠামো তৈরিতে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করে এয়ারবাস এবং সরকারি পক্ষও ভবিষ্যতে বহর উন্নয়নে একসাথে কাজ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করে। এয়ারবাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, সংশোধিত প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর তারা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি লক্ষ্য করেছেন। তবে বিমানের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম এ প্রসঙ্গে জানান, প্রস্তাব পাওয়ার মানেই এই নয় যে বিমান অবশ্যই উড়োজাহাজ কিনবে।   সরকার ২০৩৪-৩৫ অর্থ বছরের মধ্যে বিমানের বহর ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার একটি দীর্ঘমেয়াদী রোডম্যাপ পর্যালোচনা করছে। এয়ারবাস জানিয়েছে, বিমান মিশ্র বহর চালুর সিদ্ধান্ত নিলে তারা ২০৩৩ সালের মধ্যে উড়োজাহাজ সরবরাহ করতে পারবে, অন্যদিকে বোয়িং তাদের ১৪টি উড়োজাহাজ ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহ করবে। বর্তমানে বিমানের বহরে থাকা ১৯টি উড়োজাহাজের মধ্যে ১৪টিই বোয়িংয়ের তৈরি। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির কূটনীতিকরা বিমানের বহরে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাংলাদেশকে উৎসাহিত করে আসছেন। তবে বোয়িং নীতিনির্ধারকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী যোগাযোগ এবং বিস্তৃত পরিসরের অফার দিয়ে বিমানের বহরে তাদের আধিপত্য বজায় রেখেছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ১৬, ২০২৬ ২২:১৪
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সার্টিফিকেট দিয়ে কি যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি করা যায়? যা জানা জরুরি

ছবি: আমেরিকা বাংলা

সংসদ অবৈধ করার ‘স্লো গেম’?, নতুন করে প্রশ্নের মুখে অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রোববার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন | ছবি: পিএমও

জনগণের শান্তি–নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রাশিয়ান ডে উপলক্ষে শোভাযাত্রা | ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ান ডে উপলক্ষে রূপপুর গ্রিনসিটিতে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে রাশিয়ার ৮১তম বিজয় দিবস উপলক্ষে রাশিয়ান ডে পালিত হয়েছে।   শনিবার (৯ মে) সকালে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসিক (গ্রিন সিটি) এলাকায় শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।   এ আয়োজন মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে রাশিয়া ও সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্রগুলোতে পালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মরণমূলক কর্মসূচি।   শোভাযাত্রায় রূপপুর প্রকল্পে কর্মরত ২৫০ জনেরও বেশি রাশিয়ান নাগরিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের পূর্বপুরুষ, মুক্তিযোদ্ধা ও আত্মত্যাগকারী শহীদদের ছবি হাতে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান।   আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো শহীদ ও যুদ্ধাহতদের স্মরণ করা, ইতিহাস ও ত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো, শান্তি ও মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। শোভাযাত্রাকে ঘিরে পুরো গ্রিন সিটি এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।   এছাড়াও দিনটি পালন উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় গ্রীন সিটির অভ্যন্তরের স্টেডিয়ামে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।   পাবনা প্রতিনিধি, এম এস রহমান

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৮, ২০২৬ ২২:১৫
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। ফাইল ছবি

অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাতে ঢাকার সহযোগিতা চাইল ভারত

মিরপুরে ১৫০টির বেশি স্পটে চাঁদাবাজি । ছবি: আমেরিকা বাংলা

মিরপুরে ‘মিলেমিশে’ চাঁদাবাজি, তালিকায় শতাধিক বিএনপির নেতা কর্মীর নাম

ছবি: সংগৃহীত

গ্রিসের কারাগারে বাংলাদেশির মৃত্যু, স্বজন না মেলায় সেখানেই দাফন

0 Comments