বাংলাদেশ

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে ঘিরে শাহবাগে উত্তেজনা, দুজনকে আটক

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

 

শনিবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার বিপরীতে জাতীয় জাদুঘরের ফটকের সামনে সাউন্ডবক্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর একটি কর্মসূচি শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রতিরোধ পর্ষদের ভিপি প্রার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি রিকশায় স্থাপন করা সাউন্ডবক্সে ভাষণ বাজানো হচ্ছিল। সেখানে ইমিসহ বামপন্থি কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলের আশপাশে পুলিশ থাকলেও শুরুতে কর্মসূচিতে বাধা দিতে দেখা যায়নি।

 

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অস্তিত্ব মুছে ফেলা যাবে না। আটক হওয়া সৈকতের প্রতিবাদেই তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানান তিনি।

 

তবে কিছু সময় পর একদল শিক্ষার্থী সেখানে এসে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজনা বাড়লে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মাইক বহনকারী রিকশাটি সরিয়ে দেয় এবং সাউন্ড সিস্টেম খুলে ফেলার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়।

 

পরে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

 

এ সময় সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী বলেন, আটক হওয়া আসিফ আহমেদ সৈকত নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি দাবি করেন, গত ১৫ জুলাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায়ও সৈকতের সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে।

 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ৭ মার্চের ভাষণের আড়ালে ক্যাম্পাসে আবার ছাত্রলীগের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

এর আগে শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং শহিদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক আসিফ আহমেদ সৈকতকে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকা থেকে সাউন্ডবক্সসহ আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় একমত পাকিস্তান ও ইরান: দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি আলাপ

আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে টেলিফোনে জরুরি আলাপচারিতা সেরেছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।  মধ্যপ্রাচ্যসহ সামগ্রিক অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে দুই নেতার মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতির গভীর বিশ্লেষণ এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেছেন। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভূত সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে জোর দিয়েছেন তারা।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ এক বার্তায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর এই আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, দুই মন্ত্রী সাম্প্রতিক নানা ইস্যু ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মজুদ ১ লাখ টনের বেশি, আরও ২.৮০ লাখ টন ডিজেল আসছে

ছবি: সংগৃহীত

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে ঘিরে শাহবাগে উত্তেজনা, দুজনকে আটক

কুড়িগ্রামে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে যাওয়ার সময় তিন নারীসহ গ্রেফতার চার। ছবি: সংগৃহীত
ধানমন্ডি ৩২-এ যাওয়ার পথে ৪ জন গ্রেফতার

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ফুল দিতে যাওয়ার সময় তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে ডিএমপির কলাবাগান থানাধীন স্কয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।   গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—রুনা বেগম (৫০), জনতা বেগম (৬৫), আকছারী খানম উর্মি (১৮) এবং সোহেল মিজি (৪৮)।   পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্কয়ার হাসপাতালের সামনে কলাবাগান থানা পুলিশের কিলো-২৬ নিয়মিত ডিউটির সময় দায়িত্বরত সদস্যরা দেখতে পান তিনজন নারী ও একজন পুরুষ ফুলের তোড়া হাতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে দিতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন।   পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ সদস্যরা তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন। বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নারী পুলিশের উপস্থিতিতে শালীনতা বজায় রেখে তাদের কলাবাগান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।   গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কলাবাগান থানার ওসি মো. ফজলে আশিক বলেন, ফুলসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়ার পথে হাতেনাতে চারজনকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।   তিনি আরও জানান, গ্রেফতারদের পেশা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং তাদের আওয়ামী লীগের কোনো পদ-পদবি নেই।

তাবাস্সুম মার্চ ৭, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

ভাইরাল সেই ছবি ঘিরে নতুন আলোচনা, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্বে ছিলেন ওসমান বিন হাদি

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ছবি: তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেওয়া

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন খালেদা জিয়া

ছবি: সংগৃহীত

তেজগাঁওয়ে মাদকসেবনকে কেন্দ্র করে কাচের টুকরার আঘাতে শিশুর মৃত্যু, অভিযুক্ত আটক

এএসপি জহিরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
এএসপি জহিরুল ইসলামকে ক্লোজড: নতুন দায়িত্ব বেতবুনিয়ায়

হবিগঞ্জের বাহুবল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জহিরুল ইসলামকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়েছে।  তাকে রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়া পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুলে (পিএসটিএস) সংযুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। গত ৪ মার্চ বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) মো. আলী হোসেন ফকিরের পক্ষে অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার শামিমা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত ওই আদেশে জহিরুল ইসলামকে ৫ মার্চের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছিন খাতুন সংবাদমাধ্যমকে জানান, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। দাপ্তরিক প্রয়োজনেই পুলিশ কর্মকর্তাদের এ ধরনের বদলি বা সংযুক্তির আদেশ দেওয়া হয়ে থাকে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

ট্রাক আটকে ১৫ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ, আশুলিয়ার এসআই ক্লোজড

ছবি: সংগৃহীত

রাঙামাটিতে এনসিপির ৭ নেতার একযোগে পদত্যাগ

ফাইল ফটো।

ইরাকে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু: শোকের ছায়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীতে

0 Comments