বিশ্বজুড়ে সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির বার্তা নিয়ে আবারও সরব হয়েছেন পোপ লিও। বর্তমানে আফ্রিকা সফররত পোপ আজ অ্যাঙ্গোলায় এক প্রার্থনা সভা শেষে দেওয়া ভাষণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নেতাদের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
পোপ লিও বলেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতে লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি বিশ্ববাসীর জন্য একটি "আশার কারণ" হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, "এটি লেবাননের সাধারণ মানুষ এবং পুরো লেভান্ত (পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল) অঞ্চলের জন্য স্বস্তির এক ঝলক আলোর মতো।"
অ্যাঙ্গোলায় বিশাল এক জনসভার শেষে দেওয়া ভাষণে তিনি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়ে বলেন, "যারা একটি কূটনৈতিক সমাধানের জন্য কাজ করছেন, আমি তাদের শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করছি। আমি প্রার্থনা করি যাতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এই শত্রুতার অবসান ঘটে এবং শান্তি স্থায়ী রূপ পায়।"
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের সংঘাত ও উত্তেজনার পর লেবাননে এই যুদ্ধবিরতি পোপের মতে এই অঞ্চলের অস্থিরতা কমানোর ক্ষেত্রে একটি বড় সুযোগ। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা পোপের এই আহ্বানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন, যা বিশ্বনেতাদের ওপর নতুন করে কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
আলজেরিয়ার একটি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডে ১১ জন নিহত এবং ১৯ জন আহত হওয়ার ঘটনায় দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেলমাজিদ তেব্বুনের কাছে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি প্রেস এজেন্সি (SPA) জানিয়েছে, পৃথক শোকবার্তায় সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজ নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোরের আগে আলজেরিয়ার মাসকারা প্রদেশের মোহাম্মাদিয়া শহরের একটি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে আগুন লাগে। এএফপি জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র তাপপ্রবাহের সময় দীর্ঘক্ষণ চালু থাকা একটি এয়ার কন্ডিশনারের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। আলজেরিয়ার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৫২ বছর বয়সী এক পরিচর্যাকারী রয়েছেন। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন শিশু রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে, উত্তর আলজেরিয়াজুড়ে গত এক সপ্তাহে প্রায় এক হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও দেশটিতে গ্রীষ্মকালীন দাবানল এখন নিয়মিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খরা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উত্তর আলজেরিয়ায় প্রতি বছর দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব অগ্নিকাণ্ডে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, পুড়ে গেছে হাজার হাজার হেক্টর বনভূমি, কৃষিজমি এবং অসংখ্য বসতবাড়ি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতি, রাজনৈতিক মেরুকরণ, অভিবাসন অভিযান এবং নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ইউরোপে পাড়ি দিচ্ছেন রেকর্ডসংখ্যক মার্কিন নাগরিক। সাম্প্রতিক একাধিক তথ্য ও স্বাধীন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশত্যাগের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন এমন মানুষের সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি ও আয়ারল্যান্ডকে নতুন ঠিকানা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। প্রতিবেদনে নিউইয়র্কের ৭৮ বছর বয়সী টি জে মালোনের উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। তিনি চলতি বছরের শেষ দিকে পর্তুগালের আলগারভ অঞ্চলে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, বন্দুক সহিংসতা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তাকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার মানুষের নিট জনসংখ্যা হ্রাস ঘটেছে। ১৯৩০-এর দশকের মহামন্দার পর এটিই প্রথমবারের মতো দেশটি নিট অভিবাসন হ্রাসের মুখে পড়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অনেক মার্কিন নাগরিকের কাছে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, তুলনামূলক নিরাপদ জীবন, কম রাজনৈতিক বিভাজন, উন্নত কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য এবং শান্ত পরিবেশ ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে ইউরোপের কয়েকটি দেশে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা, অবসরজীবন ও দূর থেকে কাজের সুযোগও এই প্রবণতাকে উৎসাহিত করছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মার্কিন নাগরিকদের আবাসন, নাগরিকত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি বসবাসসংক্রান্ত আবেদনও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে পর্তুগাল ও দক্ষিণ ইউরোপের কয়েকটি দেশ মার্কিন নাগরিকদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবার খরচ এবং সামাজিক পরিবেশ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এসব কারণ একত্রে অনেক মার্কিন নাগরিককে নতুন জীবন শুরু করার জন্য ইউরোপের দিকে ঝুঁকতে উৎসাহিত করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে সরকার ও সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। গভর্নর বব ফার্গুসনের প্রশাসনের বেতন প্রস্তাবকে ‘অপমানজনক’ আখ্যা দিয়ে আগামী ৩১ আগস্ট কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন ফেডারেশন অব স্টেট এমপ্লয়িজ । ৫০ হাজারের বেশি সরকারি ও পাবলিক সেক্টরের কর্মচারীর প্রতিনিধিত্বকারী এই ইউনিয়ন বর্তমানে ২০২৭-২০২৯ মেয়াদের নতুন চুক্তি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছে। তবে ইউনিয়নের অভিযোগ, রাজ্যের বাজেট সংকটের অজুহাত দেখিয়ে গভর্নরের আলোচক দল কার্যত বেতন বৃদ্ধি না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছে। ইউনিয়নের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা কঠিন আলোচনা আশা করেছিল, কিন্তু সরকারের প্রস্তাব ছিল ‘অপমানজনক’ এবং কর্মীদের প্রতি নিরুৎসাহজনক। তাদের দাবি, নতুন চুক্তিতে কর্মীদের পারিশ্রমিক বাড়ানোর জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ রাখার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। ইউনিয়নের সভাপতি মাইক ইয়েসট্রামস্কি বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি দ্রুত বাড়লেও সরকারি কর্মীদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এছাড়া চুক্তির অন্যান্য বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে দীর্ঘসূত্রিতা ও বিকল্প প্রস্তাব না দেওয়ায় কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বেড়েছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের অফিস অব ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, চলমান আলোচনার নির্দিষ্ট বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে নির্ধারিত ১ অক্টোবরের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছাতে তারা ইউনিয়নের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের আগের চুক্তিতে সরকারি কর্মীরা দুই বছরে ৫ শতাংশ জীবনযাত্রার ব্যয়ভিত্তিক বেতন বৃদ্ধি পেয়েছিলেন। তবে ইউনিয়নের দাবি, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সেই বৃদ্ধি কর্মীদের প্রকৃত আয় ধরে রাখতে যথেষ্ট নয়। সমঝোতা না হলে ৩১ আগস্টের কর্মবিরতি রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।