বিনোদন

কারামুক্তির আশায় আদালতে আপিল শন দিদি কম্বস

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
বিখ্যাত মার্কিন হিপ-হপ তারকা এবং মিউজিক মোগল শন ‘দিদি’ কম্বস
বিখ্যাত মার্কিন হিপ-হপ তারকা এবং মিউজিক মোগল শন ‘দিদি’ কম্বস

বিখ্যাত মার্কিন হিপ-হপ তারকা এবং মিউজিক মোগল শন ‘দিদি’ কম্বসকে কারাগার থেকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং তার সাজার রায় বাতিলের দাবিতে আজ ফেডারেল আপিল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তার আইনজীবীরা। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, দিদির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মূলত ব্যক্তিগত ও শৌখিন বিনোদনের অংশ ছিল, যা মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনী দ্বারা সুরক্ষিত।


গত বছরের জুলাই মাসে একটি দীর্ঘ আট সপ্তাহের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দিদি দুটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। অভিযোগগুলো ছিল তার তৎকালীন বান্ধবী ক্যাসি ভেনচুরা এবং ছদ্মনামধারী আরেকজন নারীর সাথে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার জন্য যৌনকর্মীদের (Escorts) যাতায়াতের ব্যবস্থা করা। এর ফলে গত অক্টোবর মাসে তাকে ৫০ মাসের কারাদণ্ড দেন জেলা বিচারক অরুণ সুব্রামানিয়ান। বর্তমানে তিনি নিউ জার্সির ফোর্ট ডিক্স ফেডারেল কারাকেন্দ্রে বন্দি আছেন।


আজকের শুনানিতে দিদির আইনজীবী আলেকজান্দ্রা শাপিরো এবং তার দল যুক্তি দেন যে, এই ঘটনাগুলো মূলত ‘ভয়ারিজম’ (Voyeurism) বা ‘অ্যামেচার পর্নোগ্রাফি’র অংশ ছিল। তাদের মতে, এটি কোনো অপরাধমূলক পাচার নয়, বরং পারস্পরিক সম্মতিতে তৈরি করা ভিডিও। আইনজীবীরা দাবি করেন, জেলা আদালত সাজা প্রদানের সময় দিদির সেই সব আচরণের কথা বিবেচনা করেছে যা থেকে তিনি মূল বিচারে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন (যেমন: সেক্স ট্রাফিকিং এবং র‍্যাকেটিয়ারিং)। তারা একে একটি ‘অযৌক্তিক’ ও ‘কঠোর’ সাজা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।


অন্যদিকে, সরকারি কৌঁসুলিরা এই যুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন যে, দিদি তার ক্ষমতা ও মাদক ব্যবহার করে নারীদের এই ভিডিও বা ‘ফ্রিক অফ’ সেশনে বাধ্য করতেন। প্রসিকিউটররা এই সাজার মেয়াদ বহাল রাখার পক্ষে অটল অবস্থান নিয়েছেন।


দিদি শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন এবং ক্যাসি ভেনচুরার কাছে তার অতীত আচরণের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন। আজ আপিল আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করছে দিদি আগামী ২০২৮ সালের নির্ধারিত তারিখের আগেই মুক্তি পাবেন কি না।


যদি আপিল আদালত আইনজীবীদের যুক্তি গ্রহণ করে, তবে দিদির সাজা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে অথবা তিনি সরাসরি কারামুক্তি পেতে পারেন। তবে আদালত এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।


যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন জগতের অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির বিচারিক লড়াই এখন বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের আকর্ষণের কেন্দ্রে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিনোদন

View more
বিখ্যাত মার্কিন হিপ-হপ তারকা এবং মিউজিক মোগল শন ‘দিদি’ কম্বস
কারামুক্তির আশায় আদালতে আপিল শন দিদি কম্বস

বিখ্যাত মার্কিন হিপ-হপ তারকা এবং মিউজিক মোগল শন ‘দিদি’ কম্বসকে কারাগার থেকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং তার সাজার রায় বাতিলের দাবিতে আজ ফেডারেল আপিল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তার আইনজীবীরা। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, দিদির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মূলত ব্যক্তিগত ও শৌখিন বিনোদনের অংশ ছিল, যা মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনী দ্বারা সুরক্ষিত। গত বছরের জুলাই মাসে একটি দীর্ঘ আট সপ্তাহের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দিদি দুটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। অভিযোগগুলো ছিল তার তৎকালীন বান্ধবী ক্যাসি ভেনচুরা এবং ছদ্মনামধারী আরেকজন নারীর সাথে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার জন্য যৌনকর্মীদের (Escorts) যাতায়াতের ব্যবস্থা করা। এর ফলে গত অক্টোবর মাসে তাকে ৫০ মাসের কারাদণ্ড দেন জেলা বিচারক অরুণ সুব্রামানিয়ান। বর্তমানে তিনি নিউ জার্সির ফোর্ট ডিক্স ফেডারেল কারাকেন্দ্রে বন্দি আছেন। আজকের শুনানিতে দিদির আইনজীবী আলেকজান্দ্রা শাপিরো এবং তার দল যুক্তি দেন যে, এই ঘটনাগুলো মূলত ‘ভয়ারিজম’ (Voyeurism) বা ‘অ্যামেচার পর্নোগ্রাফি’র অংশ ছিল। তাদের মতে, এটি কোনো অপরাধমূলক পাচার নয়, বরং পারস্পরিক সম্মতিতে তৈরি করা ভিডিও। আইনজীবীরা দাবি করেন, জেলা আদালত সাজা প্রদানের সময় দিদির সেই সব আচরণের কথা বিবেচনা করেছে যা থেকে তিনি মূল বিচারে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন (যেমন: সেক্স ট্রাফিকিং এবং র‍্যাকেটিয়ারিং)। তারা একে একটি ‘অযৌক্তিক’ ও ‘কঠোর’ সাজা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে, সরকারি কৌঁসুলিরা এই যুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন যে, দিদি তার ক্ষমতা ও মাদক ব্যবহার করে নারীদের এই ভিডিও বা ‘ফ্রিক অফ’ সেশনে বাধ্য করতেন। প্রসিকিউটররা এই সাজার মেয়াদ বহাল রাখার পক্ষে অটল অবস্থান নিয়েছেন। দিদি শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন এবং ক্যাসি ভেনচুরার কাছে তার অতীত আচরণের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন। আজ আপিল আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করছে দিদি আগামী ২০২৮ সালের নির্ধারিত তারিখের আগেই মুক্তি পাবেন কি না। যদি আপিল আদালত আইনজীবীদের যুক্তি গ্রহণ করে, তবে দিদির সাজা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে অথবা তিনি সরাসরি কারামুক্তি পেতে পারেন। তবে আদালত এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন জগতের অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির বিচারিক লড়াই এখন বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের আকর্ষণের কেন্দ্রে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
‘দম’ ছবির পোস্টার

নিউইয়র্কের পর্দায় ‘দম’: প্রবাসে বাংলা সিনেমার নতুন দিগন্ত

জোসেফ আকিনফেনওয়া-ডনাস, যিনি আজ বিশ্বজুড়ে 'জোবয়' নামেই পরিচিত

ভাইরাল এড শিরান কভার থেকে গ্লোবাল স্টার: জোবয়ের বিশ্বজয়ের অবিশ্বাস্য গল্প

মেরিল স্ট্রিপ। এএফপি

নতুন মার্কিন আইনের বিরুদ্ধে সরব হলিউড কিংবদন্তি মেরিল স্ট্রিপ

ছবি: সংগৃহীত
মা হতে যাচ্ছেন কারিশমা তান্না; আগস্টে আসছে নতুন অতিথি

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিশমা তান্না তাঁর ভক্তদের এক দারুণ সুখবর দিয়েছেন। প্রথমবারের মতো মা হতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। সোমবার (৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজেই এই ঘোষণা দেন। স্বামী বরুণ বাঙ্গেরার সঙ্গে জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরুর আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন তিনি।   কারিশমা তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘অলৌকিক কিছু ঘটতে চলেছে। আগস্টে আমাদের জীবনের সেরা উপহারটি আসছে।’ পোস্ট করা ছবিগুলোতে হবু মা-বাবাকে বেশ উৎফুল্ল দেখা গেছে। সেখানে দেখা যায় তাঁরা ছোট ছোট জুতা এবং ‘মা’ ও ‘বাবা’ লেখা টুপি হাতে বিভিন্ন ভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন। দুই থেকে তিন হওয়ার এই আনন্দঘন মুহূর্তটি মুহূর্তেই নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।   এই সুখবর পাওয়ার পর থেকেই বলিউড তারকারা এবং কারিশমার ভক্তরা তাঁকে অভিনন্দনে ভাসাচ্ছেন। তালিকায় রয়েছেন খুশি কাপুর, দিয়া মির্জা, জ্যাসমিন ভাসিন, তাহিরা কাশ্যপ এবং সোনাল চৌহানসহ আরও অনেক তারকা। ২০২২ সালে ব্যবসায়ী বরুণ বাঙ্গেরাকে বিয়ে করেছিলেন কারিশমা। দীর্ঘ চার বছরের দাম্পত্য জীবনে এবার নতুন অতিথি আসার খবরে এই দম্পতির ঘরে বইছে খুশির জোয়ার।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
হিরো আলম। ছবি: সংগৃহীত

হিরো আলম এবার দলীয় প্রতীকে ঢাকা সিটি নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত।

বৃষ্টি ও ভূমিকম্পের তাণ্ডব: ধসে পড়ল রাজ কাপুরের পৈত্রিক ভিটে ‘কাপুর হাভেলি’

মেঘনা আলম

সৌন্দর্য দিয়ে ভালোবাসা ধরে রাখতে পারিনি: মেঘনা আলম

সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল
আবারও কারাগারে গায়ক নোবেল

আদালতের দেওয়া শর্ত ভঙ্গ করায় আবারও কারাগারে যেতে হলো বিতর্কিত সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের মামলায় জামিন বাতিল করে আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আপোষের শর্তে নোবেলকে অস্থায়ী জামিন দেওয়া হয়েছিল। শর্ত ছিল, তিনি অভিযোগকারীর পাওনা টাকা ফেরত দেবেন এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন। কিন্তু জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নোবেল সেই শর্তের তোয়াক্কা করেননি। ভুক্তভোগী নারীর অর্থ ফেরত না দেওয়া এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিয়ে না করায় বাদীপক্ষ জামিন বাতিলের আবেদন জানায়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আনাননিয়া শবনম রোজ নামে এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে নোবেলের বিরুদ্ধে। পিবিআই-এর তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, নোবেলের বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে ডেমরা থানায় মামলা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। সেই সময় কারাগারে বাদীকে বিয়ে করার শর্তে মুক্তি পেলেও বারবার আইনি মারপ্যাঁচে জড়াচ্ছেন এই গায়ক।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

১৫ বছর বয়সে লুবাবার বিয়ে: বাল্যবিবাহ প্রমাণিত হলে শাস্তি হবে?

সিমরিন লুবাবা। ছবি: সংগৃহীত

শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা বিয়ে করলেন, পোস্ট ঘিরে জল্পনা, চুপ পরিবার

কার্তিক আরিয়ান। ছবি: সংগৃহীত

কেন হঠাৎ বিমান চালানো শিখছেন কার্তিক আরিয়ান, জানা গেল কারণ

0 Comments