আন্তর্জাতিক

শিশুকে হাসপাতালে ফেলে গেছে পরিবার, কেউ পাশ দিয়ে গেলেই মাথা তুলে তাকায় ফেরার অপেক্ষায়

সামিয়া ইসলাম প্রকাশ: আগস্ট ১২, ২০২৬ ৯:৬
ইকুয়েডরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সেই চার মাস বয়সী শিশুকন্যা। ছবি: সংগৃহীত
ইকুয়েডরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সেই চার মাস বয়সী শিশুকন্যা। ছবি: সংগৃহীত

বয়স মাত্র চার মাস। জীবনের প্রায় পুরো সময়টাই কেটে গেছে হাসপাতালের বিছানায়। ইকুয়েডরের গুয়াকিল শহরের ফ্রান্সিসকো দে ইকাজা বুস্তামান্তে শিশু হাসপাতালে গত মার্চ থেকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে এই শিশুকন্যা। পরিবারের কেউ তার দায়িত্ব নিতে না আসায় সম্ভাব্য পরিত্যাগের ঘটনা হিসেবে বিষয়টি তদন্ত করছে দেশটির প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয়।

 

শিশুটির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ইকুয়েডরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে সেখানেই রয়েছে সে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটি বর্তমানে শারীরিকভাবে স্থিতিশীল এবং তাকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় যত্ন দেওয়া হচ্ছে।

 

তবে শিশুটিকে সত্যিই পরিবার পরিত্যাগ করেছে কি না এবং এর পেছনের পরিস্থিতি কী, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে ‘সম্ভাব্য পরিত্যাগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করছে ইকুয়েডরের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয়।

 

স্থানীয় কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে শিশুটির পরিবারের কেউ তার দায়িত্ব নিতে আসেননি। তার ভবিষ্যৎ সুরক্ষা ও আইনি অবস্থান কী হবে, সেটি নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট শিশু সুরক্ষা কর্তৃপক্ষও কাজ করছে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটিকে ঘিরে আরও একটি আবেগঘন বর্ণনা ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, হাসপাতালের বিছানার পাশ দিয়ে কেউ হেঁটে গেলে শিশুটি মাথা তুলে তাকানোর চেষ্টা করে। যেন পরিচিত কাউকে খুঁজছে কিংবা কেউ তাকে কোলে নেবে সেই অপেক্ষায় রয়েছে।

 

তবে শিশুটি কেন এভাবে তাকায় বা সে কী অনুভব করছে, তা নিশ্চিতভাবে জানার কোনো উপায় নেই। হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতেও এই আচরণের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই বর্ণনাকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে না দেখে শিশুটিকে ঘিরে মানুষের আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

 

চার মাস বয়সী একটি শিশুর দীর্ঘদিন হাসপাতালে পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বহু মানুষ তাকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। অনেকে আবার শিশুটির জন্য অর্থ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠাতে চান।

 

এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিক সতর্কতা দিতে হয়। ফ্রান্সিসকো দে ইকাজা বুস্তামান্তে শিশু হাসপাতাল স্পষ্ট জানিয়েছে, হাসপাতাল কিংবা ইকুয়েডরের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোনো দত্তক প্রক্রিয়া পরিচালনা করে না। শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট বিচারিক ও শিশু সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের।

 

একই সঙ্গে শিশুটির নামে অনলাইনে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েও সতর্ক করেছে হাসপাতাল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা শিশুটির জন্য কোনো ডোনেশন ক্যাম্পেইন শুরু করেনি এবং অর্থ পাঠানোর জন্য কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ফোন নম্বর কিংবা অন্য কোনো মাধ্যম অনুমোদন দেয়নি।

 

হাসপাতালের নাম বা শিশুটির ঘটনা ব্যবহার করে তৃতীয় পক্ষের কোনো অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগে টাকা না পাঠানোর আহ্বানও জানানো হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগের সঙ্গে হাসপাতালের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে।

 

শিশুটির ব্যক্তিগত পরিচয় ও পরিবারের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার কারণে তার ভবিষ্যৎ আইনি প্রক্রিয়ার অনেক তথ্যও জনসমক্ষে আসেনি।

 

আপাতত তার পৃথিবী হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং পরিচর্যাকারীদের ঘিরেই। তারা সার্বক্ষণিকভাবে শিশুটির চিকিৎসা ও যত্ন নিশ্চিত করছেন। একই সময়ে প্রসিকিউটররা খতিয়ে দেখছেন, কী পরিস্থিতিতে চার মাস বয়সী শিশুটিকে পরিবারের কাউকে ছাড়াই এত দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকতে হলো।

 

তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শিশুটির পরবর্তী সুরক্ষা ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে হবে। পরিবারে ফেরানো সম্ভব হবে কি না, নাকি অন্য কোনো আইনসম্মত সুরক্ষা ব্যবস্থায় তাকে নিতে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে তদন্ত ও শিশু সুরক্ষা প্রক্রিয়ার ওপর।

 

জীবনের প্রথম চার মাসেই পরিবারের পরিবর্তে হাসপাতালকে আশ্রয় হিসেবে পাওয়া এই শিশুর ঘটনা এখন ইকুয়েডরে শিশু সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে মানুষের দৃষ্টি কেড়েছে। হাসপাতালের বিছানায় চিকিৎসকদের যত্নে সে নিরাপদ ও স্থিতিশীল থাকলেও তার স্থায়ী ঠিকানা কোথায় হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়া চীনের পরীক্ষামূলক ম্যাগলেভ ট্রেন। ছবি: সংগৃহীত
মাত্র ৫ সেকেন্ডে শূন্য থেকে ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার গতি, নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ল চীনের ট্রেন

চীনের একটি পরীক্ষামূলক ম্যাগলেভ যান স্থির অবস্থা থেকে মাত্র ৫ দশমিক ৩ সেকেন্ডে ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছে। মধ্য চীনের হুবেই প্রদেশে এক কিলোমিটার দীর্ঘ বিশেষ পরীক্ষামূলক ট্র্যাকে এই পরীক্ষা চালানো হয়। অত্যন্ত অল্প দূরত্বে এত দ্রুত গতি অর্জনকে উচ্চগতির ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক প্রপালশন প্রযুক্তিতে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন গবেষকেরা।   তবে এটিকে যাত্রীবাহী বুলেট ট্রেন হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। পরীক্ষায় ব্যবহৃত যানটি ছিল প্রায় ১ দশমিক ১ টন ওজনের একটি ম্যাগলেভ মডেল ভেহিকল। এটি বর্তমানে যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে না।   চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, হুবেইয়ের ইস্ট লেক ল্যাবরেটরির গবেষকেরা এক হাজার মিটার দীর্ঘ পরীক্ষামূলক ট্র্যাকে যানটি চালান। স্থির অবস্থা থেকে যাত্রা শুরুর পর প্রায় ৬০০ মিটারের মধ্যেই এটি ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতিতে পৌঁছে যায়।   সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, পুরো পরীক্ষাটি শেষ হয় মাত্র আট সেকেন্ডে। সর্বোচ্চ গতি অর্জনের পর একই পরীক্ষামূলক ট্র্যাকের মধ্যেই যানটিকে নিয়ন্ত্রিতভাবে থামানো সম্ভব হয়।   গবেষকদের দাবি, স্বল্প দূরত্বের ম্যাগলেভ অ্যাকসেলারেশন পরীক্ষায় এটি নতুন বিশ্বরেকর্ড। এই সাফল্যের পেছনে ব্যবহার করা হয়েছে পার্মানেন্ট ম্যাগনেট ইলেকট্রিক সাসপেনশন গাইডেন্স এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক প্রপালশন প্রযুক্তির সমন্বিত ব্যবস্থা।   প্রচলিত ট্রেনের মতো ম্যাগলেভের চাকা রেলের সঙ্গে ঘর্ষণের মাধ্যমে চলে না। শক্তিশালী চৌম্বকীয় প্রযুক্তির সাহায্যে যানটি ট্র্যাকের ওপর ভাসমান অবস্থায় চলতে পারে। ফলে চাকা ও রেলের সরাসরি সংস্পর্শ না থাকায় অত্যন্ত উচ্চগতিতে চলার ক্ষেত্রে ঘর্ষণজনিত বাধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।   তবে ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার গতি অর্জন করাই একমাত্র চ্যালেঞ্জ ছিল না। এত অল্প দূরত্বে যানটির স্থিতিশীলতা ধরে রাখা, সঠিক অবস্থান নির্ণয়, অত্যন্ত কম বিলম্বের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং নির্ভুলভাবে মোটর নিয়ন্ত্রণের মতো প্রযুক্তিগত সমস্যাও সমাধান করতে হয়েছে গবেষকদের।   এই পরীক্ষার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে দ্রুত ব্রেকিং। ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছানোর পর যানটিকে এক কিলোমিটার দীর্ঘ ট্র্যাকের শেষ হওয়ার আগেই নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিতভাবে থামানো হয়েছে।   ইস্ট লেক ল্যাবরেটরির জন্য এটিই প্রথম গতির রেকর্ড নয়। একই গবেষণা দল ২০২৫ সালের জুনে পরীক্ষামূলক যানকে ঘণ্টায় ৬৫০ কিলোমিটার এবং জুলাইয়ে ঘণ্টায় ৭০০ কিলোমিটার গতিতে নিয়ে গিয়েছিল। এরপর ৮০০ কিলোমিটারের মাইলফলক স্পর্শ করে তারা নিজেদের আগের রেকর্ডও ভেঙেছে।   গবেষণাটির লক্ষ্য শুধু দ্রুতগতির ট্রেন তৈরি নয়। এক হাজার মিটারের এই পরীক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম ভবিষ্যতের ম্যাগলেভ পরিবহন ব্যবস্থা, অ্যারোস্পেস ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক লঞ্চ এবং অন্যান্য উচ্চগতির প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণায় ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।   চীন একই সময়ে যাত্রী পরিবহনের জন্য আলাদাভাবে সিআর৪৫০ হাইস্পিড ট্রেনও পরীক্ষা করছে। সেই ট্রেন পরীক্ষায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৫৩ কিলোমিটার গতি অর্জন করেছে এবং ভবিষ্যতে ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার বাণিজ্যিক গতিতে চালানোর জন্য তৈরি করা হচ্ছে।   সিআর৪৫০ এবং ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার গতির এই ম্যাগলেভ পরীক্ষাকে তাই এক করে দেখা যাবে না। সিআর৪৫০ পূর্ণাঙ্গ যাত্রীবাহী হাইস্পিড ট্রেন হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে ৮০০ কিলোমিটার গতির রেকর্ডটি একটি বিশেষ পরীক্ষামূলক ম্যাগলেভ মডেল ভেহিকলের।   ইস্ট লেক ল্যাবরেটরির এই পরীক্ষা দেখিয়েছে, অত্যন্ত সীমিত দূরত্বের মধ্যেও ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি ভারী যানকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অস্বাভাবিক উচ্চগতিতে নিয়ে গিয়ে আবার নিয়ন্ত্রিতভাবে থামানো সম্ভব। এই প্রযুক্তি সরাসরি যাত্রী পরিবহনে কবে ব্যবহার করা যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ভবিষ্যতের অতিদ্রুত পরিবহন ও অ্যারোস্পেস প্রযুক্তির গবেষণায় এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হয়ে উঠেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১২, ২০২৬ ৯:৩৯
ইকুয়েডরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সেই চার মাস বয়সী শিশুকন্যা। ছবি: সংগৃহীত

শিশুকে হাসপাতালে ফেলে গেছে পরিবার, কেউ পাশ দিয়ে গেলেই মাথা তুলে তাকায় ফেরার অপেক্ষায়

ভারতে সরকারিভাবে গোমূত্র সংগ্রহ ।ছবি:সংগৃহীত

ভারতে সরকারিভাবে গোমূত্র সংগ্রহ শুরু, লিটারপ্রতি ২০ রুপি দেয়ার পরিকল্পনা

বিবাহ জালিয়াতির ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর, উত্তরপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক জ্ঞান তিওয়ারি ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে তাঁর মেয়ে ডঃ প্রজ্ঞা তিওয়ারিকে সঙ্গে নিয়ে স্বামীর পরিবারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন। ছবি:সংগৃহীত

মেয়ের জামাই করেছেন ২৫ বিয়ে, শ্বশুর জানলেন আড়াই বছর পর

যুদ্ধের ফোর্স। ছবি:সংগৃহীত
২০২৫ সালে মার্কিন সামরিক অভিযানে নিহত ১৫৩ বেসামরিক, আহত ২৪৩

২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অভিযানে ১৫৩ জন বেসামরিক মানুষ নিহত এবং ২৪৩ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) পেন্টাগনের একটি মূল্যায়নের বরাত দিয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।   পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালে মার্কিন সামরিক অভিযানে মাত্র দুজন বেসামরিক নিহত ও দুজন আহত হওয়ার কথা নথিভুক্ত হয়েছিল।   মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে নথিভুক্ত বেসামরিক হতাহতের সব ঘটনাই ইয়েমেনে চালানো তিনটি মার্কিন হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইয়েমেনে চালানো ওই তিন হামলার বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মূল্যায়নে দেখা যায়, এসব অভিযানে বেসামরিক মানুষের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল ‘সম্ভাব্যতার দিক থেকে বেশি’।   তবে ইয়েমেনে মার্কিন সামরিক অভিযানের কারণে বেসামরিক হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইয়েমেনে আরও ১৫টি ঘটনার মূল্যায়ন চলছিল। বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এসব ঘটনা তদন্ত করছে সেন্টকম।   ইয়েমেনে মার্কিন সামরিক অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা। হুতিদের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযান মূলত লোহিত সাগর ও আশপাশের জলপথে জাহাজ চলাচলের ওপর তাদের হামলার প্রেক্ষাপটে পরিচালিত হয়।   তবে পেন্টাগনের নতুন হিসাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ক্যারিবীয় অঞ্চল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে ২০২৫ সালে মার্কিন বাহিনীর চালানো হামলায় হতাহতের তথ্য এই পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মার্কিন সাদার্ন কমান্ডের মূল্যায়নে তাদের দায়িত্বাধীন এলাকায় এমন কোনো ঘটনা পাওয়া যায়নি, যেখানে মার্কিন সামরিক অভিযানের কারণে বেসামরিক হতাহতের সম্ভাবনা ‘সম্ভাব্যতার দিক থেকে বেশি’ ছিল।   তবে ওই দুই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযানে প্রাণহানি নিয়ে আলাদা বিতর্ক রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পরিবহনের অভিযোগে বেশ কয়েকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ওয়াশিংটন এসব লক্ষ্যবস্তুকে ‘নার্কো-টেররিস্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।   প্রকাশিত বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, এসব অভিযানে ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে এসব মৃত্যুর ঘটনা পেন্টাগনের ২০২৫ সালের বেসামরিক হতাহতের নতুন হিসাবের অংশ নয়।   মাদকবাহী জাহাজে মার্কিন হামলার বৈধতা নিয়েও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রশ্ন তুলেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এসব অভিযানের বৈধতা এবং লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে, আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্যবস্তু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা কিছু অভিযোগের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।   ফলে পেন্টাগনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান শুধু ইয়েমেনে মার্কিন সামরিক অভিযানের বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতিকেই সামনে আনেনি; একই সঙ্গে সামরিক অভিযানের বৈধতা, বেসামরিক নাগরিক সুরক্ষা এবং বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি ব্যবহারের নীতি নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

মনজিলুর রহমান প্রকাশ: আগস্ট ১২, ২০২৬ ৫:২৫
বাংলাদেশি কৃষককে বিএসএফ ধরে নেওয়ার পর দুই ভারতীয়কে ধরে আনল গ্রামবাসী

বাংলাদেশি কৃষককে বিএসএফ ধরে নেওয়ার পর দুই ভারতীয়কে ধরে আনল গ্রামবাসী

ভারতের ১৩৭ যাত্রীবাহী বিমানে মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি, পরে জানা যায় পাইলট গাঁজা সেবন করেছিলেন

ভারতের ১৩৭ যাত্রীবাহী বিমানে মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি, পরে জানা যায় পাইলট গাঁজা সেবন করেছিলেন

কঙ্গোতে ভয়াবহ ইবোলায় প্রাণহানি ২০০০ ছাড়াল

কঙ্গোতে ভয়াবহ ইবোলায় প্রাণহানি ২০০০ ছাড়াল; ডব্লিউএইচও বলছে ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’

মেক্সিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা মেলিসা ব্যারেরা। ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার চাওয়ায় চাকরি হারিয়েছেন অনেকেই: মেলিসা ব্যারেরা

মেক্সিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা মেলিসা ব্যারেরা বলেছেন, ফিলিস্তিনের পক্ষে এবং গাজায় ইসরায়েলের হামলার সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার কারণে ‘স্ক্রিম’ ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে বাদ পড়ার ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। তার দাবি, এ ধরনের বক্তব্যের কারণে বিনোদন জগতের পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রেও অনেক মানুষ চাকরি হারিয়েছেন।   ‘লাতিনো ইউএসএ’কে দেওয়া এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ব্যারেরা উপস্থাপক মারিয়া হিনোজোসার সঙ্গে কথা বলার সময় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রযোজকদের হাতে তিনি ‘ব্ল্যাকলিস্টেড’ হয়েছেন কি না, সেই প্রশ্নে সম্মতি জানান। তিনি বলেন, এমন পরিণতির মুখোমুখি হওয়া তিনিই প্রথম নন এবং শেষও নন।   ব্যারেরার ভাষ্য অনুযায়ী, ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার এবং গাজার পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার কারণে আরও অনেক মানুষ পেশাগতভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তবে তিনি যেসব ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের নাম বা নির্দিষ্ট চাকরি হারানোর ঘটনা এই প্রতিবেদনের প্রাপ্ত তথ্য থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।   ব্যারেরাকে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ‘স্ক্রিম ৭’ থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি ‘স্ক্রিম’ এবং ‘স্ক্রিম ৬’ সিনেমায় স্যাম কার্পেন্টার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্পাইগ্লাস মিডিয়া জানিয়েছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যারেরার কিছু পোস্টকে তারা ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে বিবেচনা করেছে এবং প্রতিষ্ঠানটি ঘৃণাত্মক বক্তব্যের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সহনশীলতা দেখাবে না।    সেই সময় ব্যারেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজা ও ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে একাধিক পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। এর মধ্যে কয়েকটি পোস্টে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও জাতিগত নির্মূলের অভিযোগ তোলা হয়েছিল এবং গাজার পরিস্থিতিকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বর্ণনা করা হয়েছিল। স্পাইগ্লাস এসব বক্তব্যের কিছু অংশকে ইহুদিবিদ্বেষ এবং ঘৃণাত্মক বক্তব্যের সীমা অতিক্রমকারী হিসেবে দেখেছিল।    ব্যারেরা অবশ্য তখন ইহুদিবিদ্বেষ ও ইসলামোফোবিয়ার নিন্দা করেছিলেন। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেছিলেন, মানবাধিকার, স্বাধীনতা, শান্তি ও নিরাপত্তার পক্ষে কথা বলা থেকে তিনি সরে আসবেন না। তার বক্তব্য ছিল, নীরব থাকা তার জন্য কোনো বিকল্প নয়।    ‘স্ক্রিম’ ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে বাদ পড়ার পর ব্যারেরার ক্যারিয়ার নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। ২০২৪ সালে তিনি জানান, বরখাস্ত হওয়ার পর প্রায় ১০ মাস বড় ধরনের অভিনয়ের প্রস্তাব অনেকটাই কমে গিয়েছিল। পরে তিনি নিজের ক্যারিয়ার, মূল্যবোধ এবং জনসমক্ষে নিজের অবস্থান প্রকাশের বিষয়টি নতুন করে মূল্যায়ন করার কথা বলেন।    ব্যারেরা ‘লাতিনো ইউএসএ’র সঙ্গে আগেও কথা বলেছেন। ২০২৪ সালের এক সাক্ষাৎকারে তিনি মেক্সিকোর টেলিনোভেলা থেকে হলিউডে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পথ, অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ এবং নিজের অবস্থান প্রকাশে জনপ্রিয়তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।    ‘স্ক্রিম’ থেকে তার বাদ পড়ার ঘটনা সে সময় হলিউডে ফিলিস্তিনপন্থী বক্তব্য নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে আসে। ব্যারেরার পাশাপাশি অভিনেত্রী সুসান সারান্ডনসহ আরও কয়েকজন বিনোদন ব্যক্তিত্ব ফিলিস্তিনের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার কারণে পেশাগত প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছিলেন।    ব্যারেরার সর্বশেষ মন্তব্যে সেই পুরোনো বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। তার বক্তব্যের মূল প্রশ্ন হলো, কোনো শিল্পী বা পেশাজীবী আন্তর্জাতিক সংঘাত ও মানবাধিকার নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নিলে সেই মতপ্রকাশের কারণে তার পেশাগত সুযোগ কতটা প্রভাবিত হতে পারে। আর এ কারণেই ‘স্ক্রিম’ থেকে বাদ পড়ার ঘটনা ঘিরে তার অভিযোগ এখনও হলিউডে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে চলমান আলোচনার অংশ হয়ে আছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১১, ২০২৬ ১১:৩৬
শিশুর সিটবেল্ট না বাঁধায় কানাডায় পুরো ফ্লাইট বাতিল

সিটে বসে সিটবেল্ট বাঁধতে শিশুর অস্বীকৃতির জেরে বাতিল হয় যাত্রীবাহী ফ্লাইট।

ভূমিকম্পে পশ্চিম কলম্বিয়ায় ভবন ধস ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। ছবি:সংগৃহীত

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ভবন ধসে নিহত অন্তত ১১১, আহত বহু মানুষ

১০ আগস্ট ২০২৬-এর হামলায় নিজনেকামস্কের তানেকো তেল শোধনাগার ও আশপাশের এলাকায় হামলার খবর নিশ্চিত করেছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। ছবি:সংগৃহীত

রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় নিহত ১৩, আহত ৭৫

0 Comments