৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা সাদিক, মহানবীর অনুসারী বাড়ানোই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য
৫৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাদিক আফগানিস্তানের উরুজগান প্রদেশের বাসিন্দা। তাঁর রয়েছে চার স্ত্রী ও ৫৮ সন্তান। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীর সংখ্যা বাড়ানোর ইচ্ছা থেকেই এত বড় পরিবার গড়ে তুলেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে পরিবারের সদস্যদের খাবার, পোশাক ও শিক্ষার ব্যবস্থা করতে গিয়ে এখন চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর।
সাদিকের পরিবারের প্রতিদিনের খরচ মেটানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি একটি গাড়ির শোরুমে কাজ করেন। সেখানে প্রতিটি গাড়ি বিক্রি হলে প্রায় এক হাজার আফগানি আয় করেন। কিন্তু এই সামান্য আয় দিয়ে এত মানুষের খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কখনো কখনো পরিবারের শিশুরা খালি পেটেই ঘুমাতে যায়।
পরিবারের কিছু সন্তান জ্বালানি জোগাড়ের জন্য কাগজ ও প্লাস্টিক সংগ্রহ করে। ঘরে খাবারের সংকট থাকায় পরিবারটি সাধারণত দিনে দুই বেলা খেয়ে থাকে। সাদিকের ভাষ্য অনুযায়ী, বছরের পর বছর নানা কারণে তাঁর ১৪ সন্তান মা রা গেছে। এত বড় পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে তাঁকে প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
পরিবারটির বসবাসের ব্যবস্থাও খুবই সীমিত। ঘরে প্রয়োজনীয় আসবাব ও আরামদায়ক বিছানার অভাব রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অনেককে একটি পাতলা কম্বল ভাগাভাগি করে ঘুমাতে হয়। আর্থিক সংকটের কারণে সন্তানদের পড়াশোনার ব্যবস্থাও করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যতে তারা কীভাবে নিজেদের জীবন গড়ে তুলবে, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে সাদিকের।
নিজের এত বড় পরিবারের কথা বলতে গিয়ে সাদিক জানান, সন্তানদের সবার নামও তাঁর সব সময় মনে থাকে না। একবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তিনি নিজের মেয়েদের নাম নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছিলেন। তিনি নিজেও নিরক্ষর। ফলে পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা তাঁর জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
সাদিকের প্রথম বিয়ে হয়েছিল ২০ বছর বয়সে। তাঁর চার স্ত্রীর প্রত্যেকের বিয়ের সময় বয়স ছিল ১৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। অল্প বয়সে বিয়ে এবং ধারাবাহিক গর্ভধারণের বিষয়টি আফগানিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং অধিকার নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগের কথা সামনে আনে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাল্যবিয়ে ও অল্প বয়সে মাতৃত্ব নারীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি ও শিক্ষার সুযোগ না থাকলে মা ও শিশু—দুজনেরই ঝুঁকি বাড়ে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে দারিদ্র্য এবং প্রয়োজনীয় সেবার অভাব এসব সমস্যা আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সাদিকের পরিবারের পরিস্থিতি সেই বৃহত্তর সংকটেরই একটি উদাহরণ। পরিবারের সদস্যসংখ্যা বেশি হওয়ায় খাদ্য, বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে তাঁকে প্রতিদিন লড়াই করতে হচ্ছে। তাঁর আয় পরিবারের প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।
সাদিক সরকার, সহায়তা সংস্থা এবং সামর্থ্যবান ব্যবসায়ীদের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর প্রত্যাশা, কেউ এগিয়ে এলে সন্তানদের অন্তত খাবার ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা সহজ হবে। পরিবারের জন্য স্থিতিশীল জীবনের সুযোগ তৈরি করাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় চাওয়া।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreঅতিরিক্ত জীবনযাত্রার ব্যয়, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তার অভাবে মাতৃভূমি ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন ক্রমবর্ধমান সংখ্যক মার্কিন নাগরিক। স্বাস্থ্যসেবার আকাশচুম্বী খরচ, বন্দুক সহিংসতার আতঙ্ক এবং কর্মজীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে একটু শান্তির খোঁজে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্থায়ী হচ্ছেন তারা। একসময় যাকে 'আমেরিকান ড্রিম' বলা হতো, বর্তমান বাস্তবতায় অনেকেই সেই স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে ভিন্ন দেশে নতুন জীবনের সন্ধান করছেন। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্য থেকে পরিবার নিয়ে ইউরোপে পাড়ি জমানো জো রিগ্যান এমন অসংখ্য মার্কিনির একটি নিখুঁত উদাহরণ। দশ বছর পর বর্তমানে তিনি স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে ইতালির আব্রুজ্জোতে এক শান্তিপূর্ণ জীবন কাটাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন শিশু পরিচর্যা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের খরচ মেটাতে হিমশিম খেলেও, ইতালিতে তিনি মাত্র ২৪ হাজার ইউরো বা ২৭ হাজার ডলারে একটি বাড়ি কিনেছেন। এখন তাকে চিকিৎসা ব্যয় বা স্কুলে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র দুশ্চিন্তা করতে হয় না। বিদেশে বসবাসরত মার্কিনীদের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও দ্য ফেডারেল ভোটিং অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রামের (এফভিএপি) তথ্যমতে, ২০২৪ সালে প্রায় ৩৩ লাখ মার্কিন নাগরিক বিদেশে বসবাস করছিলেন, যা ২০১০ সালের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকানস ওভারসিজ-এর হিসাবে এই সংখ্যা প্রায় ৫৫ লাখ। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কেবল ২০২৫ সালেই কমপক্ষে ১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন নাগরিক যুক্তরাষ্ট্র ছেড়েছেন। ফ্লোরেন্স-ভিত্তিক মার্কিন আর্থিক উপদেষ্টা অ্যালেক্স ইনগ্রিম জানান, আগে মূলত অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বিদেশে পাড়ি জমালেও, গত কয়েক বছরে ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণ পরিবারগুলোর মধ্যে দেশ ছাড়ার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দেশ ছাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতাকে দায়ী করছেন অনেকেই। ২০১২ সালের স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে মর্মান্তিক গুলির ঘটনার পর থেকে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকরা চরম উদ্বিগ্ন। এর পাশাপাশি রয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিভাজন এবং অর্থনৈতিক অসন্তোষ। সাম্প্রতিক ইকোনমিস্ট/ইউগভ এবং রয়টার্স/ইপসস-এর জরিপে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাপনায় যথাক্রমে ৬৩ এবং ৭০ শতাংশ মার্কিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই দমবন্ধ করা পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে স্পেন, পর্তুগাল বা নেদারল্যান্ডসের মতো দেশগুলোতে ছুটে যাচ্ছেন তারা। জো রিগ্যানের ভাষায়, নতুন জীবনের এই প্রশান্তি ছেড়ে আর কখনোই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাওয়ার কোনো কারণ তিনি দেখেন না।
অস্ট্রেলিয়ায় নারী রাজনীতিকদের ওপর হা মলা, কয়েক দিনের ব্যবধানে আক্রান্ত দুই এমপি
দ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়ে বিরক্ত করতে সীমান্তে লাউডস্পিকার প্রস্তুত করছে উত্তর কোরিয়া
৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা সাদিক, মহানবীর অনুসারী বাড়ানোই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য
‘ফাদার অব অল বোম্বস’ নামে একটি নতুন অস্ত্র উন্মোচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি। বুধবার, ২১ অক্টোবর তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ করে ইরানের ইয়াং জার্নালিস্টস ক্লাব। তবে অস্ত্রটির ধরন, সক্ষমতা কিংবা উন্মোচনের নির্দিষ্ট সময় জানাননি তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ নামে পরিচিত বোমা ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলার পর এ ঘোষণা এল। তবে ট্রাম্প বোমাটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট করেননি। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোহেবি বলেছেন, তাঁরা নতুন অস্ত্রটি উন্মোচনের প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছেন এবং এটি প্রতিপক্ষের জন্য নতুন কিছু হবে। বিস্তারিত প্রকাশ না করায় ইরানের ঘোষিত অস্ত্রটি মার্কিন বোমার তুলনায় কতটা শক্তিশালী, তা নির্ধারণের তথ্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন বোমাটির আনুষ্ঠানিক নাম জিবিইউ-৪৩/বি ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স এয়ার ব্লাস্ট। প্রায় ৯ হাজার ৮০০ কিলোগ্রাম ওজনের এটি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারের অন্যতম বড় প্রচলিত অ-পারমাণবিক বোমা। ২০১৭ সালের এপ্রিলে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তানে আইএসের একটি সুড়ঙ্গ কমপ্লেক্সে প্রথমবার এটি ব্যবহার করা হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, ১৫ অক্টোবর রাতে নিউজম্যাক্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে হামলার প্রয়োজন হতে পারে বলে মন্তব্য করেন। একই সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবেন না এবং মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়ও বিবেচনা করছেন না বলে জানান। মোহেবি আরও দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আগের দেড় গুণ হয়েছে। তবে তিনি মজুতের নির্দিষ্ট সংখ্যা দেননি। নতুন অস্ত্রের ঘোষণার পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা, নির্ভুলতা ও ধ্বংসক্ষমতা বৃদ্ধির কথাও দাবি করেন তিনি।
ওমানের সুলতানকে নৈশভোজের সময় মহানবী (সা.)-এর বার্তা শোনালেন ব্রিটিশ রাজা চার্লস
প্যারিসে লুটপাটে ৩ সন্তানের বাবা বাংলাদেশি হাসানের দোকান তছনছ, বিপাকে দশ বছরের ব্যবসা
মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ
বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টন উচ্চমানের গম চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টন গম কেনার চুক্তি হয়েছিল, যার একটি বড় অংশ হিসেবে এই বিপুল পরিমাণ গম ইতোমধ্যে দেশে এসে পৌঁছাল। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এই আমেরিকান গম বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্যনিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি, বৃহৎ এই বাণিজ্যিক লেনদেন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করে তুলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।
মেয়ে নয়, বিয়েতে ব্রাইডসমেইড হলেন পাঁচ ছেলে বন্ধু, আলোচনায় ব্রাজিলীয় তরুণী
বিনামূল্যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের দিন শেষ হচ্ছে না, তবে এবার থেকে দেখতে হবে বিজ্ঞাপন