আন্তর্জাতিক

ভারত থেকে মণিপুরের ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’: ভাইরাল ভিডিওর নেপথ্যে কী?

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি ভিডিও দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে—ভারত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর। লন্ডনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের এই দৃশ্য দেখে অনেকেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু এই দাবির সত্যতা কতটুকু? আমাদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এক ভিন্ন চিত্র।


পুরানো ভিডিওতে নতুন বিভ্রান্তি
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার নয়। এটি মূলত ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর লন্ডনে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের দৃশ্য। সেই সময়ে দুই ব্যক্তি নিজেদের ‘মণিপুর রাজ্য পরিষদ’-এর প্রতিনিধি দাবি করে একটি ‘প্রবাসী সরকার’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ভিডিওর পেছনের ব্যানারেও সেই তারিখটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।


আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অভাব
সে সময় ওই দুই ব্যক্তি দাবি করেছিলেন যে তারা মণিপুরের মহারাজার পক্ষে কথা বলছেন। তবে তাদের এই ঘোষণার কোনো আইনি ভিত্তি বা আন্তর্জাতিক মহলে কোনো গ্রহণযোগ্যতা ছিল না। কোনো রাষ্ট্র বা জাতিসংঘ এই দাবিকে স্বীকৃতি দেয়নি। বর্তমানেও মণিপুর ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গরাজ্য হিসেবেই রয়েছে।


বর্তমান পরিস্থিতি ও সতর্কতা
মণিপুরে বর্তমানে জাতিগত উত্তেজনা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত জটিলতা থাকলেও, নতুন করে স্বাধীনতা ঘোষণার কোনো নির্ভরযোগ্য খবর স্থানীয় বা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি। মূলত ৫ বছর আগের একটি বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার ভিডিওকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ‘মণিপুরের স্বাধীনতা’র খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। যেকোনো চাঞ্চল্যকর তথ্যে বিশ্বাস করার আগে তার উৎস ও সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ভারত থেকে মণিপুরের ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’: ভাইরাল ভিডিওর নেপথ্যে কী?

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি ভিডিও দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে—ভারত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর। লন্ডনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের এই দৃশ্য দেখে অনেকেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু এই দাবির সত্যতা কতটুকু? আমাদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এক ভিন্ন চিত্র। পুরানো ভিডিওতে নতুন বিভ্রান্তি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার নয়। এটি মূলত ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর লন্ডনে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের দৃশ্য। সেই সময়ে দুই ব্যক্তি নিজেদের ‘মণিপুর রাজ্য পরিষদ’-এর প্রতিনিধি দাবি করে একটি ‘প্রবাসী সরকার’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ভিডিওর পেছনের ব্যানারেও সেই তারিখটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অভাব সে সময় ওই দুই ব্যক্তি দাবি করেছিলেন যে তারা মণিপুরের মহারাজার পক্ষে কথা বলছেন। তবে তাদের এই ঘোষণার কোনো আইনি ভিত্তি বা আন্তর্জাতিক মহলে কোনো গ্রহণযোগ্যতা ছিল না। কোনো রাষ্ট্র বা জাতিসংঘ এই দাবিকে স্বীকৃতি দেয়নি। বর্তমানেও মণিপুর ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গরাজ্য হিসেবেই রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি ও সতর্কতা মণিপুরে বর্তমানে জাতিগত উত্তেজনা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত জটিলতা থাকলেও, নতুন করে স্বাধীনতা ঘোষণার কোনো নির্ভরযোগ্য খবর স্থানীয় বা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি। মূলত ৫ বছর আগের একটি বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার ভিডিওকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ‘মণিপুরের স্বাধীনতা’র খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। যেকোনো চাঞ্চল্যকর তথ্যে বিশ্বাস করার আগে তার উৎস ও সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি ট্রাম্প প্রশাসনের

আফগানিস্তানে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে বাদ্যযন্ত্র, তালিবানি ফতোয়ায় বিপন্ন সুর ও সংস্কৃতি

আফগানিস্তানে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে বাদ্যযন্ত্র, তালিবানি ফতোয়ায় বিপন্ন সুর ও সংস্কৃতি

কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ছুটি, নিউ ইয়র্কে যুগান্তকারী পদক্ষেপ মেয়র মামদানির

কর্মীদের জন্য অতিরিক্ত ছুটি, নিউ ইয়র্কে যুগান্তকারী পদক্ষেপ মেয়র মামদানির

গাজার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না: হুঁশিয়ারি হামাসের
গাজার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না: হুঁশিয়ারি হামাসের

গাজার নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতায় আন্তর্জাতিক বাহিনীকে স্বাগত জানালেও অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ মানবে না ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।   সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত শান্তি পর্ষদের বৈঠকে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনের সিদ্ধান্তের পর এই অবস্থান পরিষ্কার করল সংগঠনটি।   হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, "আমরা এমন একটি শান্তিরক্ষী বাহিনী চাই যারা কেবল যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ এবং দখলদার বাহিনীর সাথে একটি বাফার জোন হিসেবে কাজ করবে। তবে ফিলিস্তিনিদের নিজস্ব প্রশাসনিক বা অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে তাদের নাক গলানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।"   উল্লেখ্য, ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের উদ্বোধনী বৈঠকে পাঁচটি দেশ— ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো এবং আলবেনিয়া গাজায় সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আইএসএফের কমান্ডার মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স জানিয়েছেন, এই বাহিনীতে ২০ হাজার সেনা রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে ইন্দোনেশিয়া একাই ৮ হাজার পর্যন্ত সেনা পাঠাতে আগ্রহী।   অন্যদিকে, মিশর ও জর্ডান সরাসরি সেনা না পাঠিয়ে ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের দায়িত্ব নিয়েছে।   মূলত গাজায় দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বাহিনী গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও, হামাস শুরুতেই তাদের কাজের পরিধি নিয়ে নিজেদের লাল রেখা স্পষ্ট করে দিল।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ট্রাম্পের শুল্ক নীতি অবৈধ ঘোষণা, বাংলাদেশের কোন লাভ হবে

ট্রাম্পের শুল্ক নীতি অবৈধ ঘোষণা, বাংলাদেশের কোন লাভ হবে?

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও তাঁর ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা ট্রাম্পের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও তাঁর ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা ট্রাম্পের? চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

মাতৃভাষা দিবসে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাংলায় বার্তা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

মাতৃভাষা দিবসে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাংলায় বার্তা: শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘হাস্যকর’ আখ্যা ট্রাম্পের: বিচারকদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল আলোচিত শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করার পর মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে সরাসরি ‘হাস্যকর’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বিচারকদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, এই ধরনের রায় দেওয়ার জন্য তাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বিচারকদের দেশপ্রেম এবং সংবিধানের প্রতি আনুগত্য নিয়েও গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন।   শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের ৯ জন বিচারপতির মধ্যে ৬ জনের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ট্রাম্পের শুল্কনীতি বাতিল করা হয়। এই রায়ের কিছু সময় পরই নিজের প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ক্ষোভ উগরে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেন, আদালতের এই সদস্যরা সঠিক এবং গ্রহণযোগ্য শুল্কনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নিজেদের অযোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। ট্রাম্পের মতে, বিচারকদের মধ্যে দেশের স্বার্থ রক্ষার সাহসের অভাব রয়েছে এবং তারা মূলত রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   আদালতের এই রায়কে অগ্রাহ্য করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার প্রশাসন দমে যাওয়ার পাত্র নয়। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই ধাক্কা সামলে উঠতে এখন সমন্বয় প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং বিকল্প উপায়ে আগের চেয়েও বেশি অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চালাবে তার সরকার। ট্রাম্পের ভাষায়, যেসব বিচারপতি এই রায়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তারা আসলে ‘কট্টর বামপন্থি ডেমোক্র্যাটদের হাতের পুতুল’ হিসেবে কাজ করছেন।   প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার শুল্কনীতির সাফল্য তুলে ধরে দাবি করেন, গত এক বছরে তার এই পদক্ষেপের কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজার অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছেছে। ডিওডব্লিউ (DOW) এবং এস অ্যান্ড পি (S&P) সূচকের রেকর্ড উত্থানকে তিনি তার অর্থনৈতিক নীতির বিজয় হিসেবে দেখছেন। এছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার এবং দেশ থেকে ফেন্টানাইলের মতো মাদক চোরাচালান ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনার পেছনেও এই শুল্কনীতির বড় ভূমিকা ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। আদালতের রায়কে ভুল আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প এখন তার লক্ষ্য অর্জনে নতুন কৌশল ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
লেবাননে ইসরায়েলের আঘাতে হিজবুল্লাহর কমান্ডারসহ ১২ জন নিহত

লেবাননে ইসরায়েলের আঘাতে হিজবুল্লাহর কমান্ডারসহ ১২ জন নিহত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতি বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতি বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত

রণধীর জয়সওয়াল | ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে আগ্রহী নয়াদিল্লি

0 Comments