আন্তর্জাতিক

ইরান সংকটের মাঝেই সিরিয়া থেকে সেনা কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র ছবি এএফপি
সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র ছবি এএফপি

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সিরিয়া থেকে অবশিষ্ট মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, সিরিয়া সরকার নিজ সীমান্তের ভেতরে সন্ত্রাস দমনে নেতৃত্ব দিতে সম্মত হয়েছে। ফলে সেখানে বড় আকারে মার্কিন সেনা মোতায়েন রাখার প্রয়োজনীয়তা আগের তুলনায় কমে এসেছে।

 

২০১৫ সাল থেকে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের প্রভাব মোকাবিলায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন বাহিনী সিরিয়ায় অবস্থান করছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক সমীকরণের কারণে সেনা উপস্থিতি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।

 

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, সিরিয়া থেকে প্রায় এক হাজার সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনাটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তন আনা হতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকবে।

 

খবরটি প্রথম প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে এমন সময় এ তথ্য সামনে এলো, যখন ইরানের নিকটবর্তী এলাকায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। বিবিসি ভেরিফাই নিশ্চিত করেছে যে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের ওই অঞ্চলে অবস্থান করছে। এটি ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ ও একাধিক যুদ্ধবিমানসহ মোতায়েন রয়েছে।

 

এছাড়া বিশ্বের বৃহৎ যুদ্ধজাহাজগুলোর একটি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকেও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি শিগগিরই সেখানে পৌঁছাবে।

 

জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক বাহিনীকে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। তবে ইরানকে ঘিরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।

 

এরই মধ্যে চলতি বছরের শুরুতে দক্ষিণ সিরিয়ার আল তানফ গ্যারিসন এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আল শাদ্দাদি ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

 

২০২৪ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে এবং জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস দুর্বল হয়ে পড়ে। এরপর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন দামেস্কের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

নভেম্বরে হোয়াইট হাউজে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা এর সঙ্গে ট্রাম্প বৈঠক করেন। দেশটির ইতিহাসে সিরিয়ার কোনো নেতার এটিই ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ইতালিতে তিন বছরের জন্য শ্রমিক নিয়োগের প্রথম ধাপ শেষ
ইতালিতে তিন বছরের জন্য শ্রমিক নিয়োগের প্রথম ধাপ শেষ

ইতালিতে আগামী তিন বছরের জন্য (২০২৬–২০২৮) প্রায় ৫ লাখ শ্রমিক নিয়োগের প্রথম ধাপ শেষ হয়েছে। বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, এই ধাপে মোট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ জন প্রার্থী আবেদন জমা দেন। কড়াকড়ি এবং জটিল প্রক্রিয়ার কারণে এবারের আবেদন সংখ্যা কিছুটা কম হওয়ায়, যোগ্য প্রার্থীদের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি বলে মনে করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।   ভিসা প্রক্রিয়ায় এবার শ্রমিকদের বিভিন্ন খাতে ভাগ করা হয়েছে। সিজনাল বা মৌসুমী কাজ, কৃষি ও পর্যটন খাতে কোটা ছিল ৮৮ হাজার, নন-সিজনাল কাজে ৭৬ হাজার ২০০ এবং স্বনির্ভর কাজের জন্য ৬৫০ জন শ্রমিকের সুযোগ রাখা হয়েছে।   ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধাপে ধাপে আবেদন নেওয়া হয়। শেষ দিনে বিশেষ করে গৃহস্থালি বা ডোমেস্টিক কাজে আবেদন জমা দেওয়ার চাপ বেশি ছিল।   ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এবারের আবেদন প্রক্রিয়া তেমন সহজ ছিল না। আবাসন সনদ এবং রেসিডেন্স সংক্রান্ত কঠোর নিয়মের কারণে অনেকেই আবেদন করতে পারেননি। যারা এই জটিল ধাপ পার হয়ে আবেদন করতে পেরেছেন, তাদের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা এবার অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি।   তারা আরও সতর্ক করেছেন, এই সুযোগকে কাজে লাগানোর সময় সাধারণ মানুষ যেন দালালদের ফাঁদে না পড়ে। এছাড়া চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী ধাপে ১ লাখ ৬৫ হাজার শ্রমিকের জন্য আবেদন শুরু হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
সবার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত

সবার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত

ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র ছবি এএফপি

ইরান সংকটের মাঝেই সিরিয়া থেকে সেনা কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার সাথে যৌথ মহড়া ও রকেট নিক্ষেপের ঘোষণা ইরানের, বন্ধ আকাশপথ!

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চরম উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই নিজেদের সামরিক শক্তির জানান দিতে বড় ধরণের রকেট নিক্ষেপ মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে ইরান। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে এই গুরুত্বপূর্ণ মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। রকেট উৎক্ষেপণের সময় নিরাপত্তার খাতিরে ওই অঞ্চলের আকাশসীমা দিয়ে সকল ধরণের বিমান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বৈমানিক সংস্থা 'নোটাম' (NOTAM)-কে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে তেহরান।   বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বিমান চলাচল প্রশাসনের ওয়েবসাইটে ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া এই বিশেষ সতর্কবার্তাটি দেখা গেছে। মূলত রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতেই এই ধরণের আকাশপথ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।   চলতি সপ্তাহে ইরান কেবল আকাশপথেই নয়, জলপথেও ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে। এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে নৌমহড়া সম্পন্ন করেছে দেশটি। তবে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, আজ বৃহস্পতিবার রুশ নৌবাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে এক বিশাল নৌমহড়ায় অংশ নিতে যাচ্ছে ইরান। বিশ্ব রাজনীতির বিশ্লেষকরা এই ত্রিদেশীয় সমীকরণকে মার্কিন আধিপত্যের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দেখছেন।   এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এখন সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই তারা পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের বিশাল বহর ওই অঞ্চলে মোতায়েন করেছে। গত দুই সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে দুই দফা কূটনৈতিক আলোচনা হলেও পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। উল্টো মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুধবার এক কড়া বিবৃতিতে বলেছেন, "ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে নাকি সরাসরি সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে— সে ব্যাপারে ওয়াশিংটন গুরুত্বের সাথে ভাবছে।"   সব মিলিয়ে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে এখন বারুদের গন্ধ। একদিকে ইরানের রকেট মহড়া ও রাশিয়ার সাথে সামরিক জোটবদ্ধতা, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মারমুখী অবস্থান— বিশ্বকে এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আপাতত গোটা বিশ্বের নজর এখন ইরানের আকাশ এবং সমুদ্রপথের এই শক্তির লড়াইয়ের দিকে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
গাজার শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা মাইসুন আল-বারবারাউইর ছেলের হাতে ধরা লন্ঠন। ছবি: আল জাজিরা

রমজানে গাজাবাসী: যুদ্ধ ও ইসরায়েলের হুমকির মধ্যেও আশা ও প্রার্থনা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে: বড় যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ট্রাম্প প্রশাসন

ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির জনসমর্থন ইতিহাসের সর্বনিম্ন

ছবি: সংগৃহীত
মুসলিমদের রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন ট্রাম্প

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আমেরিকা ও বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত মুসলিম সম্প্রদায়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৭ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছাবার্তা প্রদান করেন।   শুভেচ্ছাবার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রমজানকে আধ্যাত্মিক নবায়ন, গভীর আত্মমনন এবং সৃষ্টিকর্তার অগণিত নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এক পবিত্র সময় হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, লাখ লাখ মার্কিন মুসলিম নিষ্ঠার সঙ্গে নামাজ ও রোজার মাধ্যমে এই মাসটি পালন করেন, যা পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন শক্তিশালী করার পাশাপাশি সহমর্মিতা, দানশীলতা এবং বিনয়ের মতো মানবিক মূল্যবোধগুলোকে জাগ্রত করে।   ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করার অধিকার আমেরিকার সমৃদ্ধি ও শক্তির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। তিনি অঙ্গীকার করেন, সব আমেরিকান যেন কোনো ধরনের ভয় বা নিপীড়ন ছাড়াই তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, তার প্রশাসন সেটি নিশ্চিত করবে।   বিবৃতির শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে শান্তি ও ঐক্যের জন্য প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, "এই সদিচ্ছার মৌসুমে আমি সবার ঘরে সুখ ও পরিতৃপ্তি এবং আগামী বছরের জন্য আশীর্বাদ কামনা করছি।"

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন হুমকির জবাব দিতে ইরানের পাশে রাশিয়া

ছবি: সংগৃহীত।

ইরান সীমান্তে অর্ধশত যুদ্ধবিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

রাফাল, ক্ষেপণাস্ত্র ও হেলিকপ্টার নির্মাণে ভারত-ফ্রান্স ঐতিহাসিক চুক্তি

রাফাল, ক্ষেপণাস্ত্র ও হেলিকপ্টার নির্মাণে ভারত-ফ্রান্স ঐতিহাসিক চুক্তি

0 Comments