জাতীয়

দেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু আয় ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রাথমিক হিসেবে বর্তমানে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ ডলারে, যা গত অর্থবছরে ছিল ২ হাজার ৭৩৮ ডলার।


দেশীয় মুদ্রায় এই আয়ের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫১১ টাকা, যা গত বছর ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ১০২ টাকা। অর্থাৎ টাকার অঙ্কে মানুষের আয় বাড়লেও প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ে রয়ে গেছে নানা প্রশ্ন।


বিবিএস জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির মোট আকার আগের বছরের ৪৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৪৫৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। তবে এই অর্জনটি প্রত্যাশিত ৪৬২ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার টানা তিন বছর ধরে নিম্নমুখী রয়েছে, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন না হলে রেমিট্যান্স বন্ধের ঘোষণা প্রবাসীদের একাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি অংশ কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রবাসী কমিউনিটির বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া বার্তায় বলা হচ্ছে—যদি নতুন সরকার জুলাই সনদ সংসদে পাস না করে বা কার্যকর না করে, তাহলে তারা রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।   প্রবাসীদের কয়েকটি ফোরামে আলোচনায় উঠে এসেছে, “জনগণের সমর্থনে গৃহীত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সেটি জাতির প্রত্যাশার বিরুদ্ধে যাবে।” কেউ কেউ এটিকে “নৈতিক প্রতিবাদ” হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন। যদিও এখনো পর্যন্ত এটি কোনো কেন্দ্রীয় বা সমন্বিত সংগঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত মতামত হিসেবে সামনে আসছে।   অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ব্যয় এবং সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতায় রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে বড় পরিসরে রেমিট্যান্স বন্ধ বা কমে গেলে তার প্রভাব পড়তে পারে ব্যাংকিং খাত, বাজারদর ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট অবস্থান জানানো জরুরি। একই সঙ্গে প্রবাসীদের আবেগ ও দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন।   এ বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নির্ভর করবে সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং প্রবাসী কমিউনিটির সংগঠিত অবস্থানের ওপর।   ‘আমেরিকা বাংলা’ বিষয়টির ওপর নজর রাখছে এবং নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা সিদ্ধান্ত এলে তা হালনাগাদভাবে প্রকাশ করা হবে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন যমুনা

যমুনায় উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীরা কে কোথায় থাকবেন

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত

তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে বাজেটে অগ্রাধিকার, আধুনিক প্রশিক্ষণের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

মব কালচার’-এ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
দেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু আয় ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রাথমিক হিসেবে বর্তমানে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ ডলারে, যা গত অর্থবছরে ছিল ২ হাজার ৭৩৮ ডলার। দেশীয় মুদ্রায় এই আয়ের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫১১ টাকা, যা গত বছর ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ১০২ টাকা। অর্থাৎ টাকার অঙ্কে মানুষের আয় বাড়লেও প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ে রয়ে গেছে নানা প্রশ্ন। বিবিএস জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির মোট আকার আগের বছরের ৪৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৪৫৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। তবে এই অর্জনটি প্রত্যাশিত ৪৬২ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার টানা তিন বছর ধরে নিম্নমুখী রয়েছে, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
বদলি হওয়া সেনা কর্মকর্তারা, ছবি: সংগৃহীত।

সেনাবাহিনীতে আবারও বড় রদবদল

নির্বাচন কমিশন।

১০ লাখের বেশি ভোট কমলো গণভোটে

কবি মোহন রায়হান

রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে কবি মোহন রায়হানের পুরস্কার স্থগিতের অভিযোগ

১২ লাখ কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ করছে সরকার

দেশের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।   বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতের ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন।   তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগের ফলে আনুমানিক ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার ঋণভার থেকে কৃষকরা মুক্তি পাবেন। সরকারের লক্ষ্য হলো গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী করা এবং দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এছাড়া ধারণা করা হচ্ছে, এই ঋণ মওকুফ গ্রাম থেকে শহরমুখী অভিবাসনের প্রবণতা কমাবে এবং গ্রামীণ বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।   বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কৃষি খাতের পাওনা এই উদ্যোগের আওতায় আসবে। বিশেষজ্ঞরা কৃষি খাতের এই পদক্ষেপকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ বাংলাদেশি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

শিগগিরই এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ

পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মো. মাসুদ আলমের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কাঁদতে কাঁদতে এই তরুণ বলছিলেন, তিনি কিছু জানেন না । ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

পুলিশ কি কথায় কথায় মারধর করতে পারে? আইনের দৃষ্টি কি বলে

0 Comments