জাতীয়

জামায়াত নেতার টাকা বহন ইস্যুতে ‘আমাকে মিসকোট করা হয়েছে’: ইসি সচিব

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

‘৫০ লক্ষ নয়, পাঁচ কোটে টাকা বহন করলেও কোনো অসুবিধা নেই’- এমন বক্তব্য দেননি বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

 

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে একথা জানিয়েছেন তিনি।

 

কত টাকা নেওয়া যাবে, কত টাকা নিতে পারবেন বা নেওয়া যাবে না এ বিষয়ে বলার এখতিয়ার তার নেই বলেও দাবি করেন আখতার আহমেদ।

 

তিনি দাবি করেন, ‘এটা বলার এখতিয়ার, অধিকার বা ক্ষমতা আমার নেই এবং আমি এটা বলিনি।’

 

‘কোনো একটা অর্থের বিষয়ে আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। আমি বলেছি, যারা এটা ইন্টারসেপ্ট করেছে তারা এ ব্যাপারে অর্থের সোর্স, অ্যামাউন্ট এবং পারপাস অব দি ফান্ড এটার ব্যাপারে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন,’ বলেও জানান তিনি।

 

এক্ষেত্রে আইনি ব্যাখার বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, ‘যারা এটা ইন্টারসেপ্ট করেছেন তারা দেবেন আইনি ব্যাখ্যা, আমার কাছে তো না।’

 

বুধবার দুপুরে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের কাছ থেকে ৭৪ লাখ টাকা জব্দ করে পুলিশ।

 

এই ঘটনার পর, নির্বাচনি আইনে টাকা বহনের বিষয়ে কী বলা আছে এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের বরাত দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে একটি বক্তব্য প্রচার করা হয়। যেখানে দাবি করা হয়, টাকার উৎস এবং ব্যবহারের খাত যদি বৈধ হয়, তবে ৫০ লক্ষ নয়, এমনকি পাঁচ কোটি টাকা বহন করলেও কোনো আইনি বাধা নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

জাতীয়

View more
ভোট কেনাবেচার প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে ইসি
ভোট কেনাবেচায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইসির

দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভোট কেনাবেচার অভিযোগ উঠেছে—এমন প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন স্পষ্টভাবে বলেছে, ভোট কেনাবেচা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এ ধরনের কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   বুধবার ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিকের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, একটি রাজনৈতিক দল দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোট কেনাবেচার অভিযোগ তুলেছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।   ইসি আরও জানায়, অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)

ভোট কেনাবেচা করলেই কঠোর শাস্তি: নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত নেতার টাকা বহন ইস্যুতে ‘আমাকে মিসকোট করা হয়েছে’: ইসি সচিব

ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে হঠাৎ অসুস্থ, করণীয় কী

ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে হঠাৎ অসুস্থ, করণীয় কী?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে যেভাবে গঠিত হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ও উচ্চকক্ষ

আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সমান্তরালে দেশবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে এক ঐতিহাসিক ‘গণভোট’। এই গণভোটে যদি প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধনীর পক্ষে ‘হ্যাঁ’ রায় আসে, তবে বাংলাদেশের ৫৪ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে সূচিত হবে এক নতুন দিগন্ত। বর্তমানের একক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার পরিবর্তে প্রবর্তিত হবে ‘দ্বিকক্ষবিশিষ্ট’ সংসদীয় ব্যবস্থা, যেখানে জাতীয় সংসদের (নিম্নকক্ষ) পাশাপাশি যুক্ত হবে একটি শক্তিশালী ‘উচ্চকক্ষ’।   কীভাবে গঠিত হবে এই উচ্চকক্ষ? গণভোটে জনসমর্থন মিললে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে প্রথমে একটি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠিত হবে। এই পরিষদ ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করবে। সংস্কার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রাপ্ত মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে (পিআর পদ্ধতি) ১০০ সদস্যের এই উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। অর্থাৎ, কোনো দল যদি নির্বাচনে মোট ভোটের ৪০ শতাংশ পায়, তবে উচ্চকক্ষে তারা ৪০টি আসন পাবে। এমনকি নিম্নকক্ষে কোনো আসন না পাওয়া ক্ষুদ্র দলগুলোও যদি মাত্র ১ শতাংশ ভোট পায়, তবে উচ্চকক্ষে তাদের অন্তত ১ জন প্রতিনিধি নিশ্চিত থাকবে। এর ফলে বিশেষজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী এবং পেশাজীবীদের রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।   উচ্চকক্ষের ক্ষমতা ও কাজ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট এই ব্যবস্থায় উচ্চকক্ষের প্রধান দায়িত্ব হবে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া আইনগুলো পুনঃপর্যালোচনা ও ত্রুটিমুক্ত করা। বিশেষ করে সংবিধান সংশোধনীর ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের বিশেষ ভেটো বা পর্যালোচনার ক্ষমতা থাকবে। যদিও উচ্চকক্ষ সরাসরি সরকারের ওপর ‘অনাস্থা প্রস্তাব’ আনতে পারবে না, তবে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তারা প্রশ্ন উত্থাপন ও নীতিগত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করবে। কোনো ইস্যুতে দুই কক্ষের মধ্যে মতভেদ দেখা দিলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আইনি সুযোগও রাখা হয়েছে এই প্রস্তাবে।   বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটেনের ‘হাউস অব লর্ডস’, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সিনেট’ এবং ভারতের ‘রাজ্যসভা’র মতো গণতান্ত্রিক কাঠামোর আদলেই এই নতুন ব্যবস্থার পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া আরও সুসংহত এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে। এখন দেখার বিষয়, কালকের ব্যালটে এদেশের ভোটাররা বাংলাদেশের আগামীর জন্য কোন পথে রায় দেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

নির্বাচনে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

এনসিপির পক্ষ থেকে রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন

এনসিপির পক্ষ থেকে রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন

নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়াতে সতর্কবার্তা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী

নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়াতে সতর্কবার্তা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী

নির্বাচন কমিশনের লোগো
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন রেকর্ডসংখ্যক বিদেশি

নির্বাচনী ইতিহাসে নতুন মাইলফলক! গত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় এবার বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেড়েছে কয়েক গুণ। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এরই মধ্যে ঢাকায় পা রেখেছেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৯৭ জন বিদেশি সাংবাদিক।   কেন এই নির্বাচন বিশ্বজুড়ে এতোটা গুরুত্বপূর্ণ?   বিস্ময়কর সংখ্যা: ২০২৪ সালের দ্বাদশ নির্বাচনের তুলনায় এবার পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। যেখানে ১০ম নির্বাচনে পর্যবেক্ষক ছিল মাত্র ৪ জন, সেখানে এবার সেই সংখ্যা ৩৯৪!   বড় সংস্থার অংশগ্রহণ: এএনএফরেল, কমনওয়েলথ, আইআরআই এবং এনডিআই-এর মতো প্রভাবশালী সংস্থাগুলো সরাসরি মাঠে থাকছে।   বিশ্বের ২১টি দেশের উপস্থিতি: পাকিস্তান, তুরস্ক, রাশিয়া, চীন এবং জাপানসহ বিশ্বের অন্তত ২১টি দেশ থেকে প্রতিনিধিরা এসেছেন এই নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণ করতে।   স্বতন্ত্র সক্ষমতা: বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের অন্তত ৫১ জন প্রতিনিধি নিজস্ব উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।   ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে শুরু করে সার্কভুক্ত দেশগুলো—সবার চোখ এখন বাংলাদেশের দিকে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে এই বিপুল সংখ্যক আন্তর্জাতিক উপস্থিতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এক নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
অর্ধকোটি টাকাসহ জেলা জামায়াত আমির গ্রেপ্তার ঘটনাকে ‘নাটক’ বলছে দল

অর্ধকোটি টাকাসহ জেলা জামায়াত আমির গ্রেপ্তার: ঘটনাকে ‘নাটক’ বলছে দল

ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট ও সরঞ্জাম

ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট ও সরঞ্জাম

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকার সিইসি’র

0 Comments