জাতীয়

গণতন্ত্রের যে চর্চা শুরু হয়েছে, তা যেন কখনো থেমে না যায়

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৮ মাসের অভাবনীয় দায়িত্ব পালন শেষে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঠিক আগের রাতে জাতির উদ্দেশে আবেগঘন ও দিকনির্দেশনামূলক বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ভাষণে তিনি দেশের বর্তমান স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

 

অধ্যাপক ইউনূস তাঁর ভাষণে বলেন, "আমরা যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন দেশ ছিল এক ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে। আমরা শূন্য থেকে শুরু করিনি—শুরু করেছিলাম মাইনাস থেকে। গত ১৮ মাস আমরা সেই জঞ্জাল পরিষ্কার করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দাঁড় করানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছি।" তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের জন্য এক নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে এবং এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই দেশকে প্রকৃত গণতন্ত্রের পথে ফেরাতে হবে।

 

সংস্কার ও অর্জনসমূহের চালচিত্র:
ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সরকারের উল্লেখযোগ্য সংস্কার কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জানান, তরুণদের স্বপ্নের ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন এবং প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়েছে, যার ৮৪ শতাংশ এরই মধ্যে বাস্তবায়িত।

  • আইনশৃঙ্খলা: পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব করতে ‘পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এখন আর কেউ পুলিশের ভয়ে ‘ডিলিট বাটন’ চাপতে হয় না কিংবা বেআইনিভাবে গুম হওয়ার আতঙ্কে থাকে না।

  • বিচার বিভাগ: বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করে শক্তিশালী সচিবালয় গঠন এবং বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

  • অর্থনীতি: ব্যাংকিং খাতের বিপর্যয় কাটিয়ে রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা দেশের স্থিতিশীল অর্থনীতির বড় প্রমাণ।

  • পররাষ্ট্রনীতি: ‘নতজানু’ পররাষ্ট্রনীতি ত্যাগ করে বাংলাদেশের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

 

ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও গণভবন জাদুঘর:
অধ্যাপক ইউনূস তাঁর ভাষণে একটি বিশেষ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ফ্যাসিবাদী শাসনের ইতিহাস ধরে রাখতে পলাতক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক বাসভবন ‘গণভবন’কে ‘জাতীয় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি দেশবাসীকে সপরিবারে এই জাদুঘর পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, "ক্ষমতা মানুষকে কতটা মনুষ্যত্বহীন করে তুলতে পারে, তার চাক্ষুষ প্রমাণ থাকবে এখানে।" এছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে তিনি ‘জুলাই সনদ’কে চিহ্নিত করেন, যা গণভোটে জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট পেয়েছে।

 

পরিশেষে, প্রধান উপদেষ্টা শহীদ ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং নতুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন দায়িত্ব হলো গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও জবাবদিহিতার এই চর্চা অব্যাহত রাখা।" দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মিছিলে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিদায় নেন বিশ্ববরেণ্য এই নেতা।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

জাতীয়

View more
ছবি: সংগৃহীত
নতুন মন্ত্রী ও এমপিদের শপথ আজ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ এক অবিস্মরণীয় দিন। দীর্ঘ দুই দশক পর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুটি পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হবে। সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তারেক রহমান। তাঁকে ও তাঁর মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।   বিরল এক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার: তারেক রহমানের এই শপথ গ্রহণ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে। তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে একই পরিবারের সন্তান দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্বে বসছেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির জয়ের নেপথ্য কারিগর তারেক রহমান এবার সরাসরি জনগণের রায়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে যাচ্ছেন। তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকে এমপি হিসেবে শপথ নেবেন।   বঙ্গভবন ছেড়ে সংসদ ভবনের আঙিনায়: প্রথা অনুযায়ী সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও, এবারই প্রথম সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উন্মুক্ত পরিবেশে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের এই ব্যতিক্রমী আয়োজনে দেশি-বিদেশি প্রায় ১ হাজার ২০০ অতিথি উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মদ মইজ্জু, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবালসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যেই সম্মতি জানিয়েছেন।   নতুন মন্ত্রিসভার অবয়ব ও সংসদীয় দল: সকালে এমপিদের শপথ শেষে বিএনপি সংসদীয় দলের সভায় তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর রাষ্ট্রপতি তাঁকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের প্রথম মন্ত্রিসভা হতে যাচ্ছে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা আর নবীনের মেধার এক অনন্য সমন্বয়। প্রাথমিকভাবে ৩০ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় জোটের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি এবং নুরুল হক নুর স্থান পেতে পারেন বলে জোরালো গুঞ্জন রয়েছে। সংসদ উপনেতা হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম শোনা যাচ্ছে।   চ্যালেঞ্জ যখন পাহাড়সম: নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষা করছে অসংখ্য প্রতিকূলতা। তারেক রহমান নিজেই উল্লেখ করেছেন যে— ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে তাঁর সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি গত দেড় দশকে দলীয়করণ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুশাসন ফিরিয়ে আনা এবং বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করা তাঁর অন্যতম অগ্রাধিকার।   আজকের এই শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে। সারা দেশ এখন এক নতুন নেতৃত্বের অধ্যায়ে প্রবেশের অপেক্ষায় উন্মুখ হয়ে আছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

গণতন্ত্রের যে চর্চা শুরু হয়েছে, তা যেন কখনো থেমে না যায়

ছবি: সংগৃহীত

চেক জালিয়াতিতে নতুন অধ্যাদেশ: মামলার বিচারিক এখতিয়ারে বড় পরিবর্তন

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থায় সংস্কার—অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রগতির হিসাব

জুলাই সনদ অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন: প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস বলেছেন, এই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো ‘জুলাই সনদ’, যা গণভোটে দেশের মানুষ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া বিদায়ী ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।   প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক ভালো-মন্দ কাজের কথা মানুষ ভুললেও জুলাই সনদ কখনো ভুলবে না। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সনদ বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করে তিনি সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও অধিকার রক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অভিনন্দন জানান।   ড. ইউনুস আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার। এই সরকারের মেয়াদে প্রায় ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন এবং প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়েছে, যার ৮৪ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। এসব সংস্কার নাগরিক অধিকার সংহত করেছে এবং বিচারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে।   আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশ আর মারণাস্ত্র ব্যবহার বা বিচারবহির্ভূত হত্যা চালায় না। জনবান্ধব পুলিশ নিশ্চিত করতে ‘পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সচিবালয় গঠন করা হয়েছে এবং মাজদার হোসেন মামলার রায় কার্যকর হয়েছে।   মানবাধিকার ও নারীর সুরক্ষা প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা জানান, গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করা হয়েছে। নারীর নিরাপত্তায় যৌন হয়রানি ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করা হয়েছে।   তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গভীর সংস্কার অপরিহার্য। মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং অনেক মামলার বিচারিক কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।   ভাষণে তিনি দেশের ক্রান্তিলগ্নে সশস্ত্র বাহিনীর ধৈর্য এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

১৭ ফেব্রুয়ারি: জীবনানন্দ দাশের জন্মদিন—মৌলিক বাংলা কাব্যের এক অমর প্রতিভা

গত রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার হাইকোর্ট আদেশ আপিলে স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত

পুরো রমজান মাস দেশের সব হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত
নতুন সরকার যখন বলবে তখনই ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী সেনাপ্রধান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ ভূমিকা এবং ব্যারাকে ফিরে যাওয়া নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গত রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সিএএস দরবারে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি জানান, নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিলেই সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যারাকে ফিরে যাবে।   সশস্ত্র বাহিনীর সকল পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া এক দিকনির্দেশনামূলক ভাষণে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, “দেশ সফলভাবে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। সেনাবাহিনী তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সাথে পালন করেছে। আমরা সর্বদা জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছি এবং যা করণীয় ছিল তা সম্পন্ন করেছি। সেনাবাহিনী এখন কেবল নতুন সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকবে।”   নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, ভোটের সময় সারাদেশে যে বিশাল সংখ্যক অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছিল, বর্তমানে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার প্রেক্ষাপটে সেই সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে এবং অনেককে ইতোমধ্যেই মূল কর্মস্থলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।   ভাষণে সেনাপ্রধান বিশেষ করে ইউনিট প্রধানদের প্রতি কঠোরভাবে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সেনাসদস্যদের মনোবল দৃঢ় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া বর্তমান সময়ে ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা তথ্যের (Fake News) বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং সচেতন থাকতে বাহিনীর সকল সদস্যকে পরামর্শ দেন তিনি।   উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি মিশনে নিয়োজিত সেনাসদস্যরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর বলিষ্ঠ ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

“আমি পদত্যাগ করিনি”: আইজিপি

ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীতে জয়ী-বিজিতদের মধ্যে সম্প্রীতির সুবাতাস

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

এবারের নির্বাচন সরকারের ‘মহাসাফল্য’: প্রধান উপদেষ্টা

0 Comments