রাজনীতি

ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ যুবদল নেতা জুয়েলের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ লক্ষ্য করা গেছে রাজধানীর গুলশান এলাকায়। নির্বাচনের মাত্র দুই দিন পরই রাজপথ থেকে নির্বাচনী প্রচারণামূলক ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার অপসারণের কাজ শুরু করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল।

 

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গুলশান ও বনানী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিজ উদ্যোগে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন তিনি। পরিবেশদূষণ রোধ এবং পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ লাঘব করতেই এই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান এই যুবনেতা।

 

অভিযান চলাকালে শরীফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, “আমরা শুধু রাজনীতি করি না, আমরা এই মাটির সন্তান। একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে বিএনপি সবসময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনের প্রচারণার জন্য আমরা যেসব সামগ্রী ব্যবহার করেছিলাম, সেগুলো এখন সরিয়ে ফেলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই না আমাদের কারণে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হোক বা সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটুক।”

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এটি কোনো সাময়িক লোকদেখানো কাজ নয়; ইতিপূর্বেও বড় কোনো রাজনৈতিক সমাবেশের পর বিএনপি একইভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে। নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর উদাত্ত আহ্বান— নিজ নিজ এলাকার সৌন্দর্য রক্ষায় সবাই যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিজ উদ্যোগে প্রচারসামগ্রী অপসারণ করেন।

 

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান। নির্বাচনের পর রাজপথের এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বিষয়টিকে ‘নতুন বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত
দুর্বৃত্তের হামলায় পিরোজপুরে বিএনপির দুই নেতা গুরুতর জখম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই পিরোজপুরে এক নৃশংস রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় একদল দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতা। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়।   আহতরা হলেন পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মল্লিক নাছির এবং তাঁর ভাতিজা ও শংকরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু। উল্লেখ্য, আহত নাছির সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।   আহত রিয়াজ উদ্দিনের ভাষ্যমতে, রোববার রাতে কাজ শেষে তাঁরা দুজন একই মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে আসা একদল অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি তাঁদের গতিরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।   স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাজিব পাইক জানান, দুজনের শরীরেই গভীর জখম রয়েছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।   এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন জাহান হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সাথে কথা বলেছেন। তিনি জানান, পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ামাত্রই কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।   নির্বাচন পরবর্তী এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মনে নতুন করে ভয়ের সঞ্চার হয়েছে। সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির পথে এ ধরণের অন্তরায় রুখতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় আলোচনায় যেসব নতুন মুখ

ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত সরকারে নয়, সংসদে থাকবে বিরোধী ভূমিকায়: ডা. তাহের

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-৮–এ হারলেও যেভাবে সিনেটে যাচ্ছেন পাটওয়ারী

ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ যুবদল নেতা জুয়েলের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ লক্ষ্য করা গেছে রাজধানীর গুলশান এলাকায়। নির্বাচনের মাত্র দুই দিন পরই রাজপথ থেকে নির্বাচনী প্রচারণামূলক ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার অপসারণের কাজ শুরু করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল।   রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গুলশান ও বনানী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিজ উদ্যোগে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন তিনি। পরিবেশদূষণ রোধ এবং পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ লাঘব করতেই এই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান এই যুবনেতা।   অভিযান চলাকালে শরীফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, “আমরা শুধু রাজনীতি করি না, আমরা এই মাটির সন্তান। একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে বিএনপি সবসময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনের প্রচারণার জন্য আমরা যেসব সামগ্রী ব্যবহার করেছিলাম, সেগুলো এখন সরিয়ে ফেলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই না আমাদের কারণে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হোক বা সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটুক।”   তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এটি কোনো সাময়িক লোকদেখানো কাজ নয়; ইতিপূর্বেও বড় কোনো রাজনৈতিক সমাবেশের পর বিএনপি একইভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে। নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর উদাত্ত আহ্বান— নিজ নিজ এলাকার সৌন্দর্য রক্ষায় সবাই যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিজ উদ্যোগে প্রচারসামগ্রী অপসারণ করেন।   উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান। নির্বাচনের পর রাজপথের এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বিষয়টিকে ‘নতুন বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

৬০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রথম এমপি হলেন গয়েশ্বর

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির

ছায়া মন্ত্রিসভার কাজ কী হবে, কীভাবে গঠন করবে— ব্যাখ্যা দিলেন শিশির মনির

ছবি: সংগৃহীত

যারা বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও হুইপ পদে আলোচনায়

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
“দেশের জন্য একত্রে কাজের পথ আলোচনা করলাম”– আখতার হোসেন

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতের মধ্যে রাজনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বিএনপির নেতা তারেক রহমান নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক মতভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও দেশের জন্য কীভাবে একত্রে কাজ করা সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা করা।   আখতার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের সংস্কার, বিচার সংক্রান্ত বিষয় এবং দেশের অগ্রগতির জন্য কৃষিক্ষেত্র, শিক্ষা, শিল্প-বাণিজ্যসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়নের বিষয়গুলো আলোচনা করেছি।   তিনি আরও জানান, নির্বাচনের পর বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও সমস্যার বিষয়ে তাদের দলের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে অবহিত করা হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্ব এসব ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।   সাক্ষাতকালে ফুলের তোড়া ও শাপলা প্রতীকের প্রতিচ্ছবি উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। এছাড়া ২৪-এর অভ্যুত্থানের সময় শহীদের হাতে লেখা চিঠিও তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।   আখতার হোসেন বলেন, “রাজনৈতিক পথ ও বক্তব্য আলাদা হলেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এই সাক্ষাৎ নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের এক পরিচায়ক হিসেবে ধরা যেতে পারে।”

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। ছবি: সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত।

নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে দেখা করলেন তারেক রহমান

জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান

জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান

0 Comments