বিশ্ব রাজনীতি

ইরানে হামলা হলে রুখে দাঁড়াবে আফগানিস্তান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করেছে আফগানিস্তান। তালেবান শাসিত দেশটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ড কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায় তবে তেহরানকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদানের ইঙ্গিতও দিয়েছে কাবুল।

 

গত রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ইয়াকুব তাঁর দেশের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি বলেন, “আফগানিস্তান বিশ্বের কোনো দেশের জন্যই হুমকি নয়। আমরা কোনো পক্ষকেই আমাদের দেশের মাটি ব্যবহার করে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সুযোগ দেব না।” তিনি বিদেশি রাষ্ট্রগুলোকে আফগানিস্তানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ না করার জন্য কঠোর আহ্বান জানান।

 

এদিকে, তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বিবিসি পার্সিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরও জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা কোনো যুদ্ধ চাই না এবং আশা করি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সৃষ্ট এই সামরিক উত্তেজনা আলোচনার মাধ্যমেই মিটে যাবে। তবে যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই হামলা চালায় এবং ইরান আমাদের কাছে কোনো ধরনের সহায়তা চায়, তবে আফগানরা তাদের সক্ষমতার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”

 

জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রশংসা করে দাবি করেন যে, ইরান নিজেকে রক্ষা করতে পুরোপুরি সক্ষম। তিনি উদাহরণ হিসেবে ইসরায়েলের সাথে ইরানের গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেই সংঘাতে ইরান বিজয়ী হয়েছিল।

 

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তানের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। একদিকে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ঘোষণা আর অন্যদিকে প্রতিবেশীর প্রতি সংহতি প্রকাশের মাধ্যমে তালেবান সরকার ওয়াশিংটনকে এক ধরণের সতর্কবার্তা প্রদান করল। এখন দেখার বিষয়, কাবুলের এই প্রকাশ্য অবস্থান ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা নিরসনে কোনো প্রভাব ফেলে কি না।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

বিশ্ব রাজনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরানে হামলা হলে রুখে দাঁড়াবে আফগানিস্তান

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করেছে আফগানিস্তান। তালেবান শাসিত দেশটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ড কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায় তবে তেহরানকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদানের ইঙ্গিতও দিয়েছে কাবুল।   গত রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ইয়াকুব তাঁর দেশের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি বলেন, “আফগানিস্তান বিশ্বের কোনো দেশের জন্যই হুমকি নয়। আমরা কোনো পক্ষকেই আমাদের দেশের মাটি ব্যবহার করে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করার সুযোগ দেব না।” তিনি বিদেশি রাষ্ট্রগুলোকে আফগানিস্তানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ না করার জন্য কঠোর আহ্বান জানান।   এদিকে, তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বিবিসি পার্সিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরও জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা কোনো যুদ্ধ চাই না এবং আশা করি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সৃষ্ট এই সামরিক উত্তেজনা আলোচনার মাধ্যমেই মিটে যাবে। তবে যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই হামলা চালায় এবং ইরান আমাদের কাছে কোনো ধরনের সহায়তা চায়, তবে আফগানরা তাদের সক্ষমতার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”   জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রশংসা করে দাবি করেন যে, ইরান নিজেকে রক্ষা করতে পুরোপুরি সক্ষম। তিনি উদাহরণ হিসেবে ইসরায়েলের সাথে ইরানের গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেই সংঘাতে ইরান বিজয়ী হয়েছিল।   আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তানের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। একদিকে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ঘোষণা আর অন্যদিকে প্রতিবেশীর প্রতি সংহতি প্রকাশের মাধ্যমে তালেবান সরকার ওয়াশিংটনকে এক ধরণের সতর্কবার্তা প্রদান করল। এখন দেখার বিষয়, কাবুলের এই প্রকাশ্য অবস্থান ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা নিরসনে কোনো প্রভাব ফেলে কি না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
শাহবাজ শরিফ ও নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ পেতে পারেন ভারত ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

এবার যুদ্ধ শুরু হলে কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না, হুঁশিয়ারি ইরানের

দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ল, মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ল, মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

লাখ লাখ উটকে কেন পাসপোর্ট দিচ্ছে সৌদি আরব?
লাখ লাখ উটকে কেন পাসপোর্ট দিচ্ছে সৌদি আরব?

লাখ লাখ উটের জন্য আনুষ্ঠানিক পাসপোর্ট ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির কর্মকর্তাদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উটের পরিচয়, মালিকানা ও চলাচল সংক্রান্ত তথ্য একক ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে, যা দেশের মূল্যবান প্রাণিসম্পদের ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করবে।   সৌদি সরকারের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চালু হওয়া এই পাসপোর্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে উট পালন খাতের নজরদারি জোরদার করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে সবুজ রঙের পাসপোর্ট দেখানো হয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রতীক ও সোনালি রঙের উটের ছবি রয়েছে।   সরকারি হিসাবে, ২০২৪ সালে সৌদি আরবে উটের সংখ্যা ছিল প্রায় ২২ লাখ। এই খাত থেকে প্রতি বছর দেশটির অর্থনীতিতে দুই বিলিয়ন রিয়ালের বেশি অবদান আসে। বিশ্বজুড়ে উটের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন কোটি; এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ আরব বিশ্বে রয়েছে। উটের সংখ্যায় আরব দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে সোমালিয়া, এরপর সুদান, মৌরিতানিয়া, সৌদি আরব ও ইয়েমেন।   উট সৌদি আরবের জাতীয় প্রতীকের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশটিতে নিয়মিত উটের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যেখানে সেরা উটকে পুরস্কৃত করা হয়। জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উটের উপস্থিতি সৌদি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ।   উপসাগরীয় অঞ্চলে উটের ভূমিকার ইতিহাস কয়েক শতাব্দী পুরোনো। বিশ শতকের শুরু পর্যন্ত মক্কা ও মদিনায় যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল উট। মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া ও দূরপ্রাচ্য থেকে আগত হাজিরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে উটের কাফেলায় করেই পবিত্র নগরীগুলোতে পৌঁছাতেন।   প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় সৌদি আরবে পাওয়া পাথরে খোদাই করা উটের ভাস্কর্যগুলোর বয়স ৭ থেকে ৮ হাজার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। গবেষকদের মতে, এগুলো এমন এক সময়ের নিদর্শন, যখন উট এখনও গৃহপালিত হয়নি এবং আজকের মরুভূমির জায়গায় ছিল সবুজ তৃণভূমি ও হ্রদ।   ইতিহাসবিদদের মতে, শুষ্ক মরুভূমিতে টিকে থাকার জন্য উট ছিল অপরিহার্য। ইসলাম-পূর্ব যুগের কবিতায় যেমন উটের উল্লেখ পাওয়া যায়, তেমনি ইসলামের ইতিহাসেও উটের গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে। নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উট ‘কাসওয়া’ ইসলামী ঐতিহ্যের একটি পরিচিত নাম।   আধুনিক যুগে পরিবহনে উটের ব্যবহার কমে গেলেও সৌদি নেতৃত্বের সঙ্গে উটের ঐতিহাসিক সম্পর্ক এখনো দৃঢ়। আধুনিক সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজ ও বর্তমান বাদশাহ সালমান উটপ্রেমের জন্য পরিচিত। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কাছেও উন্নত জাতের উট রয়েছে।   বর্তমানে সৌদি আরব উটকে কেন্দ্র করে নতুন শিল্প গড়ে তুলছে। উটের দুধ, দুধের গুঁড়া, আইসক্রিম, লোম ও চামড়া থেকে তৈরি পোশাক ও পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে। সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতায় উট শিল্পকে তেলবহির্ভূত আয়ের অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্তকে সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে—যেখানে অর্থনৈতিক লাভের পাশাপাশি সৌদি আরব তাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকেও আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে।

Unknown ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
মার্কিন হামলার হুমকির মুখে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি

মার্কিন হামলার হুমকির মুখে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি

গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেঙে পড়ল, নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি দুই পক্ষের

গাজায় যুদ্ধবিরতি নড়বড়ে, নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি দুই পক্ষের

ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন মোড়: রাশিয়ার বড় স্থল আক্রমণ, পূর্বাঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে কিয়েভ

ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন মোড়: রাশিয়ার বড় স্থল আক্রমণ, পূর্বাঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে কিয়েভ

সিঙ্গাপুরে চুরির অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক আটক, কারাদণ্ড ও বড় অঙ্কের জরিমানা
সিঙ্গাপুরে চুরির অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক আটক, কারাদণ্ড ও বড় অঙ্কের জরিমানা

সিঙ্গাপুরে চুরির অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করে দোষী সাব্যস্ত করেছে দেশটির আদালত। ঘটনাটি ঘটে রাজধানীর একটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায়, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি একাধিক দোকান থেকে মূল্যবান পণ্য চুরি করার সময় নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়েন। পরবর্তী তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি বড় অঙ্কের জরিমানা প্রদান করেন।   আদালতের নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন খুচরা দোকানকে লক্ষ্য করে চুরি করতেন। তিনি পোশাক, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং প্রসাধনীসহ উচ্চমূল্যের পণ্য আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ আনা হয়। দোকান কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ ও উদ্ধারকৃত মালামালের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়।   বিচার চলাকালে আদালত উল্লেখ করে, সিঙ্গাপুরে আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হয় না। রায়ে বলা হয়, এ ধরনের অপরাধ শুধু ব্যবসায়িক ক্ষতি করে না, বরং সমাজে আস্থার পরিবেশ নষ্ট করে। তাই অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় অভিযুক্তকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সাজা শেষে তাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।   সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী, চুরি ও আর্থিক অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি তুলনামূলকভাবে কঠোর। জরিমানা, কারাদণ্ডের পাশাপাশি অভিবাসন সংক্রান্ত ব্যবস্থাও নেওয়া হয়ে থাকে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রেও আইন প্রয়োগে কোনো ব্যতিক্রম করা হয় না।   এই ঘটনায় প্রবাসী মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, একজন ব্যক্তির অপরাধ পুরো প্রবাসী সম্প্রদায়ের ভাবমূর্তিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। তারা বিদেশে বসবাসরত নাগরিকদের স্থানীয় আইন, সংস্কৃতি ও সামাজিক নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।   আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা বিদেশে বসবাসকারী কর্মী ও পর্যটকদের জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা। উন্নত দেশগুলোতে নজরদারি ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং আইন লঙ্ঘনের পরিণতি দ্রুত ও কঠোর হয়। সিঙ্গাপুরে এই রায় আবারও দেখিয়ে দিল, আইনের চোখে সবাই সমান এবং অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই।

Unknown ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
তেলবাজারে নতুন অস্থিরতা

ইরানের সিদ্ধান্তে তেলবাজারে নতুন অস্থিরতা

বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তানের ‘ ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ভারতের অস্বস্তি!

বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তানের ‘ ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ভারতের অস্বস্তি!

ছবি: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনাকে ‘ভালো সূচনা’ বললেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0 Comments