রাজনীতি

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন রিজভী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ছাড়পত্র প্রদান করে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা।

 

রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার জানান, প্রচণ্ড জ্বর, ঠাণ্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে গত সপ্তাহে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন।

 

মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর রিজভীর শরীরে এখন আর কোনো জ্বর নেই এবং তাঁর শ্বাসকষ্টের সমস্যাও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট সন্তোষজনক হওয়ায় তাঁকে সোমবার দুপুরে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে পুরোপুরি সুস্থ হতে তাঁকে আরও কিছুদিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

 

তাঁর অসুস্থতার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। প্রিয় নেতার সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরার সংবাদে নেতা-কর্মীদের মাঝে এখন স্বস্তি ও আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে ১১ দলের বিজয় থামানোর দাবি: মিয়া গোলাম পরওয়ার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিরুদ্ধে সূক্ষ্ম ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং ভোটারদের ওপর সহিংসতার অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য জোট। সোমবার বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত সমাবেশে জোটের নেতারা এসব অভিযোগ করেন।   জোটের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনের দিন প্রশাসনকে ব্যবহার করে ‘ডিপ স্টেট’ এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচনের নামে দেশের মানুষকে বোকা বানানো হয়েছে, এবং নির্বাচনের ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রভাবিত করা হয়েছে।   খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে নির্বাচিত প্রার্থীদের জাতীয় সংসদে যাওয়ার পথে বাধা তৈরি হয়। এছাড়া নির্বাচনের পর জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর দমন-পীড়ন, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, শারীরিক লাঞ্ছনা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।   খুলনা-৫ আসনে হেরে যাওয়া জামায়াতের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচনে অনিয়ম করে ১১-দলীয় প্রার্থীদের বিজয় থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি নির্বাচনের পর সহিংসতার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের দাবি জানান।   জোটের অন্যান্য নেতারা বিএনপিকে ‘ভুল পথ’ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানান। ঢাকা-১২ আসনের বিজয়ী জামায়াত প্রার্থী সাইফুল আলম মিলন বলেন, দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হবে।   সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা বায়তুল মোকাররম থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব হয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ইসলামী আন্দোলনের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তারেক রহমান

ফাইল ছবি

শপথের পর সংসদীয় দলের প্রথম সভা ডেকেছে বিএনপি

জুলাই জাতীয় সনদে এনসিপির চূড়ান্ত স্বাক্ষর

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অবশেষে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টায় দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় পৌঁছে সনদে স্বাক্ষর করেন।   প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এনসিপির পক্ষে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন সনদে স্বাক্ষর করেন। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা—সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন, জাবেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম মূসা।   ব্রিফিংয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সনদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট ব্যাতিরেকে আমাদের দল স্বাক্ষর করেছে। দেরিতে স্বাক্ষর করলেও আমরা সর্বোচ্চ তৎপরতা দেখিয়েছি।”   প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেন, “এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে, তার জন্য প্রতিটি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।”   জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ সাত মাস ধরে ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেদিন ২৪টি দল স্বাক্ষর করেছিল, পরে আরও একটি দল সই করেছে।   এর আগে এনসিপি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়নি, তবে পরে সনদে স্বাক্ষর করেছেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল পরে সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ পেতে পারে।   গত ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন। এই আদেশের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতেছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

জুলাই জাতীয় সনদে এনসিপির চূড়ান্ত স্বাক্ষর

ফাইল ছবি

বিজয়ের পর বিএনপির প্রথম বড় সিদ্ধান্ত: তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী

বিরোধী রাজনীতির নতুন অধ্যায়: জামায়াতের সামনে সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ

বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়
ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে এক হৃদ্যতাপূর্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই অভিনন্দন ও সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।   অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও ফেনী-১ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর হাসান রবিন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিএনপি চেয়ারম্যানকে ফুলেল তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং ঐতিহাসিক এই বিজয়ে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।   সাক্ষাৎকালে মহানগর নেতারা উল্লেখ করেন যে, তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় ঐক্য ও সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামোর কারণেই এই বিশাল বিজয় সম্ভব হয়েছে। তাঁরা আগামী দিনে জনগণের প্রতিটি প্রত্যাশা পূরণে এবং রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সংগঠনের ভিত্তি আরও মজবুত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।   তারেক রহমান নেতাকর্মীদের এই ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বিজয় আমাদের দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সময় দেশকে সুসংগঠিত করার এবং প্রতিটি মানুষের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার। দেশ পুনর্গঠনের এই মহৎ কাজে সবাইকে সমন্বিতভাবে এবং সক্রিয়ভাবে রাজপথে থাকতে হবে।”   নির্বাচন পরবর্তী এই সাক্ষাতের মাধ্যমে রাজধানীর রাজনীতিতে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি হাই কমান্ডের এই সরাসরি দিকনির্দেশনা আগামী দিনে দলটিকে আরও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন তৃণমূলের কর্মীরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন রিজভী

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশ–ভারতের সম্পর্ক কোনো একটি ইস্যুতে ‘জিম্মি’ হওয়া উচিত নয়: দ্য হিন্দুকে ফখরুল

তারেক রহমান ও আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী

হেফাজত আমিরকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ তারেক রহমানের

0 Comments