জাতীয়

জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল ও এলএনজি কিনছে সরকার; ব্যয় হবে ২,২৪৯ কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
এক লাখ টন ডিজেল, দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার | ফাইল ছবি
এক লাখ টন ডিজেল, দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার | ফাইল ছবি

দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং দুই কার্গো এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার (৪ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটায় রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এই জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কাজাখস্তানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপি' থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানিতে ব্যয় হবে প্রায় ৬৮৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। প্রতি ব্যারেল ডিজেলের মূল্য ধরা হয়েছে ৭৫.০৬ ডলার। এছাড়া সিঙ্গাপুরের 'আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড' থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানিতে খরচ হবে প্রায় ১,৫৬০ কোটি টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির মূল্য ১৯ ডলারের কিছু বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হওয়া ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের নিয়মিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো 'ফোর্স মেজর' ঘোষণা করে ডিজেল পাঠাতে অপারগতা জানায়। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি আমদানির এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

চুক্তি অনুযায়ী, আমদানিতব্য ডিজেল জর্জিয়ার বাটুমি বন্দর থেকে লোড হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস করা হবে। কাজাখস্তানের এই প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত দর আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় সাশ্রয়ী বলে মূল্যায়ন কমিটি জানিয়েছে। তবে এলএনজি ও ডিজেলের এই চূড়ান্ত মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা ও বিনিময় হারের ওপর নির্ভর করে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। সরকার আশা করছে, এই আমদানির ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

জাতীয়

View more
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
গ্যাস লাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: হতাহতদের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।   ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকা করে তাৎক্ষণিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এছাড়া ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ পুরোপুরি শেষ হলে নিখোঁজদের প্রকৃত সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক চিত্র জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   কারখানাটির মালিক ও সংশ্লিষ্টদের কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনবহুল এলাকায় এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা স্থাপন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ কলকারখানা না থাকে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।   ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৭টি ইউনিট। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার ফাইটাররা। বর্তমানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। জনবহুল স্থানে এমন কারখানার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

জ্বালানি সাশ্রয়ে অফিসের নতুন সময়সূচি কার্যকর হচ্ছে রোববার থেকে

ছবি: সংগৃহীত

কোচিং সেন্টার বন্ধ ও নকলমুক্ত পরীক্ষার ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

এক লাখ টন ডিজেল, দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার | ফাইল ছবি

জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল ও এলএনজি কিনছে সরকার; ব্যয় হবে ২,২৪৯ কোটি টাকা

ছবি: পিআইডি
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও ই-ভিসার দাবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা কাউন্সিলের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ চাঙা করা এবং শিল্প খাতের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে নতুন এক সংলাপের সূচনা হয়। বৈঠকে ব্যবসায়ীরা মূলত নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ই-ভিসা চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।   বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের অর্থনীতিতে তৈরি হওয়া চাপ মোকাবিলায় ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের নিশ্চয়তা চেয়েছেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উদ্যোক্তাদের সরকারি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতে কোনো ঝামেলা ছাড়াই সহজে বাংলাদেশে আসতে পারেন, সেজন্য দ্রুত ই-ভিসা ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়েছে।   অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে আলোচনায় ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো এবং এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) সংস্কারের বিষয়টি উঠে আসে। ব্যবসায়ীরা নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের ওপর করের বোঝা না চাপিয়ে করের আওতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া মাঝারি উদ্যোক্তাদের রপ্তানিতে উৎসাহিত করতে লাইসেন্সপ্রাপ্তি সহজীকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গতি আনতে গভীর সমুদ্রবন্দর দ্রুত চালুর দাবি জানান তারা।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে ব্যবসায়ীদের বিদ্যমান সংকটগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেসবের একটি বিস্তারিত নোট গ্রহণ করেন। অর্থমন্ত্রী জানান, অতীতে ব্যবসায়ীদের অনেক সমস্যার সমাধান হলেও কিছু বিষয় এখনো ঝুলে আছে, যা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা হবে। বৈঠকে ডিবিএল, এপেক্স, প্রাণ-আরএফএল, ইনসেপ্টা ও রানার গ্রুপসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এআইআইবি প্রতিনিধিদলের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এআইআইবি প্রতিনিধিদলের বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত

শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল: জাপানের সাথে চুক্তি চূড়ান্তের পথে

ছবি: সংগৃহীত

পোশাকশ্রমিকদের জন্য দৈনিক বাড়তি ২ ঘণ্টা ওভারটাইমের অনুমতি সরকারের

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব
জনগণের অভিপ্রায় অস্বীকার মানে, জনগণের বিপক্ষে অবস্থান: সাবেক রাবি উপাচার্য

শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ভোটার 'হ্যা'-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে। কোনভাবেই এই সত্য মোছা যাবে না। দেশের মানুষের অভিপ্রায় হচ্ছে সংবিধানের ভিত্তি। এটাই শেষ কথা। এই অভিপ্রায় অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে, জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) সকালে ফেসবুকের এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।   অধ্যাপক নকীব বলেন, ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট 'হ্যা'-এর পক্ষে প্রচারণা করেছে। করতেই হবে। ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট ছিল ২৪-এর গনঅভ্যুত্থানের ফসল। এই গনঅভ্যুত্থানের সকল আকাঙ্খা তাদের ধারণ করতে হবে। সেই জায়গা থেকেই 'হ্যা'-এর পক্ষ নেওয়া। বড় রাজনৈতিক দলগুলো প্রকাশ্যে 'হ্যা'-এর পক্ষ নিয়েছে। এখন কথা পাল্টানো যাবে না।   সংবিধানে গণভোটের প্রভিশান নেই। এটাও যোগ করতে হবে। সংসদে থার্ড রেইট পলিটিশিয়ানদের আধিক্য। শুধুমাত্র এদের হাতে দেশ ছাড়া যাবে না। যেকোনো বড় পরিবর্তনের জন্য দেশের মালিক, আপামর মানুষের মতামত নিতে হবে। গণভোটে নেই, গণভোট যুক্ত করতে হবে।   তিনি আরো বলেন, যখনই শুনবেন 'পবিত্র সংবিধান' নিয়ে কথা হচ্ছে, তখনই বুঝবেন ধান্দাবাজ। সংবিধানের একটি লাইনও পবিত্র নয়। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা। প্রয়োজনে শতবার সংবিধানে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু প্রত্যেক পরিবর্তন হতে হবে দেশ এবং দেশের মানুষের স্বার্থে। দলীয় স্বার্থের সাথে সংবিধান মেলানো হচ্ছে প্রতারনা এবং ছোটলোকি।   রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বিষয় মোটেই কঠিন নয়। বুদ্ধি-বিবেক ঠিক থাকলে রাজনৈতিক দলগুলোর নিজ স্বার্থেই এসব নিয়ে 'তেনা প্যাচানো' বন্ধ করতে হবে।পাগলেও নাকি নিজের ভালো বোঝে, সংসদের কিছু ধান্দাবাজ দেখলে এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। গণমানুষের রায় মেনে নিন। তাতেই সবার জন্য কল্যাণ।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সরকার নিল ব্যয়সংকোচনমূলক কঠোর পদক্ষেপ

ছবি: ফাইল ফটো

দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ: ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ৬৮৫

ছবি: সংগৃহীত

নারী এমপিদের নিয়ে ‘কুৎসিত’ মন্তব্য: সংসদে বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা

0 Comments