রাজনীতি

যাত্রা শুরু করল নতুন মন্ত্রিসভা

১১ তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জনাব তারেক রহমান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হলো। দীর্ঘ ২০ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গতকাল মঙ্গলবার এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে এবং তাঁর নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করান।

 

প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলী। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে; যেখানে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জো, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে এবং ভারত ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের অনন্য নজির
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাঁদের সুযোগ্য সন্তান হিসেবে তারেক রহমানের এই দায়িত্ব গ্রহণ বিশ্ব রাজনীতিতে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। গত ৩৬ বছরের মধ্যে তিনিই বাংলাদেশের প্রথম পুরুষ প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

 

অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের এক চমৎকার ভারসাম্য দেখা গেছে। পূর্ণমন্ত্রীদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অর্থ ও পরিকল্পনা এবং সালাহউদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. খলিলুর রহমান।

প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় বড় চমক হয়ে এসেছেন যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা। গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর (শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ), গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি (অর্থ, পরিকল্পনা ও স্বরাষ্ট্র) এবং ববি হাজ্জাজ (শিক্ষা)-এর মতো তরুণ নেতারা নতুন সরকারে গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছেন। এছাড়া ইশরাক হোসেন এবং শামা ওবায়েদের মতো নবীন মুখগুলোকেও বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

চ্যালেঞ্জ ও অঙ্গীকার
শপথের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আইন সবার জন্য সমান এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।”

তবে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের সময় একটি জটিলতাও লক্ষ্য করা গেছে। বিএনপি সদস্যরা শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও, প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও দ্বিতীয়বার শপথ নেন। এই ইস্যুতে দ্বিমতের কারণে জামায়াত ও এনসিপি জোটের নেতারা বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেননি।

 

বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নতুন সরকারের সাফল্য কামনা করে বলেন, “জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের ছবি মনে রেখেই যেন প্রতিটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”

 

আজ বুধবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সচিবালয়ে প্রথম অফিস করবেন তারেক রহমান। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

রাজনীতি

View more
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে: ধর্মমন্ত্রী

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ মাথায় নিয়ে দেশে ফিরে মন্ত্রী হওয়ার ঘটনাকে অলৌকিক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন নবনিযুক্ত ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। একইসঙ্গে নিজ নির্বাচনী এলাকা মুরাদনগরকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করার কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।   মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ধর্মমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। উম্মাহর খেদমত ও দেশের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী যেন নিরাপদ থাকেন, সেজন্য সবাইকে নফল নামাজ পড়ে দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ফুলের মালার চেয়ে দোয়া তার কাছে বেশি মূল্যবান।   নিজের রাজনৈতিক জীবনের চড়াই-উতরাই স্মরণ করে কায়কোবাদ বলেন, একসময় ভাবতেও পারিনি দেশে ফিরে নির্বাচন করতে পারব, আজ আল্লাহর ইচ্ছায় আমি মন্ত্রী। এই সম্মানের মর্যাদা রক্ষায় আমি বদ্ধপরিকর। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অন্যায়, অনিয়ম বা দুর্নীতিতে জড়িত হলে দল থেকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হবে।   মুরাদনগর হবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত জনপদ। তিনি নেতাকর্মীদের মাস্তানি পরিহার করে সততার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কাজ করে জীবিকা নির্বাহের পরামর্শ দেন।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ডা. শফিকুর রহমান

জুলাইকে অস্বীকার করা মানে শহিদদের অপমান: বিপিএনকে শফিকুর রহমানের কড়া বার্তা

মন্ত্রিসভা বৈঠক

নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আজ বিকেলে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌ‌দি যুবরাজের অভিনন্দন

ছবি: সংগৃহীত
রাস্তা পরিস্কারের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি এলাকায় কাজ শুরু জামায়াত আমিরের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তাঁর মেয়াদের প্রথম দিনটি শুরু করেছেন এক ব্যতিক্রমী ও দৃষ্টান্তমূলক কাজের মাধ্যমে। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর রাজধানীর মিরপুর মনিপুর এলাকার বাইতুর নুর মসজিদের সামনের রাস্তা নিজ হাতে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করেন তিনি।   নির্বাচনী প্রচারণায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই তিনি এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নামেন। এ সময় তাঁর সাথে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। পরিচ্ছন্নতা কাজ শেষে ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে নয়, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য শুধু ড্রেন বা রাস্তার ময়লা পরিষ্কার করা নয়, বরং সমাজ ও মানুষের মনের ভেতরে জমে থাকা বছরের পর বছরের আবর্জনা ও কলুষতা দূর করা। পরিবেশ সুন্দর হলে মানুষের মনোজগতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, যা এক দরদী ও দায়িত্বশীল জাতি গঠনে সহায়তা করে।”   তিনি আরও ঘোষণা করেন, এটি কোনো সাময়িক বা লোকদেখানো কর্মসূচি নয়। জামায়াতে ইসলামীর প্রতিটি ইউনিটকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে তারা প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর অন্তত আধা ঘণ্টা নিজ নিজ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তিনি মিরপুর-কাফরুল এলাকাকে একটি ‘মডেল এলাকা’ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং দল-মত ও ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।   এক প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপির সংসদ সদস্যদের ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদে’র শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “বিএনপির এই শপথ না নেওয়া মূলত জুলাই বিপ্লবকে অপমানের শামিল। আজ জুলাই বিপ্লব সফল না হলে কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না, আর আমিও বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না। এই ঐতিহাসিক অর্জনকে সম্মান জানানো আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।”   ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি ঢাকায় থাকলে নিয়মিত এই কাজে অংশ নেবেন এবং ঢাকার বাইরে গেলেও তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে এই পরিচ্ছন্নতার ধারা অব্যাহত রাখবেন। নতুন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই ‘সেবকের ভূমিকা’ সাধারণ মানুষের মাঝে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নিয়মের বাইরে খাজনা আদায় করলে চাঁদাবাজির মামলা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান

১১ তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জনাব তারেক রহমান

ছবি: সংগৃহীত

মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেলেন যেসব আইনজীবী

ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় দলের অধিনায়ক থেকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের ক্রীড়া ও রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। ২০০৩ সালে সাফ শিরোপাজয়ী জাতীয় দলের কিংবদন্তি গোলরক্ষক ও সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক এখন দেশের নতুন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বুঝে নেন। মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন এবং আরিফ খান জয়ের পর বাংলাদেশের ইতিহাসে মাত্র তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিলেন এই লড়াকু ক্রীড়াবিদ।   ১৯৯২ থেকে ২০১৩—দীর্ঘ দুই দশকের ফুটবল ক্যারিয়ারে আমিনুল হক ছিলেন মাঠের অঘোষিত সম্রাট। বিশেষ করে ২০০৩ সালে তাঁর অধিনায়কত্বেই বাংলাদেশ ফুটবলের সর্বোচ্চ সাফল্য সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন করে। সে সময়কার বিদেশি কোচ জর্জ কোটান বলেছিলেন, আমিনুলের ইউরোপের লিগে খেলার মতো অসামান্য দক্ষতা রয়েছে। মাঠের সেই বীরত্বগাথা শেষে যখন অনেকেই আরামদায়ক জীবন বেছে নেন, আমিনুল তখন বেছে নিয়েছিলেন জনগণের অধিকার আদায়ের কঠিন রাজনীতি।   ২০১৪ সালে যখন তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দেন, তখন দেশে ছিল আওয়ামী লীগের শাসনামল। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তাঁকে অবর্ণনীয় নির্যাতন, অসংখ্য মিথ্যা মামলা আর কারাবরণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ সম্মান বয়ে আনা একজন খেলোয়াড় হয়েও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন তিনি বারবার। তবুও দমে না গিয়ে প্রতিটি আন্দোলনে রাজপথে বুক পেতে লড়েছেন। তাঁর এই ত্যাগ আর অবিচল নিষ্ঠার প্রতিদান হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।   যদিও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি জয়ী হতে পারেননি, তবে দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে তাঁর গভীর জ্ঞান ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে দল। নির্বাচনের আগেই তারেক রহমানের সাথে বৈঠকে ক্রীড়াঙ্গন সংস্কারের যে খসড়া তিনি পেশ করেছিলেন, তার অনেক কিছুই বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে স্থান পেয়েছে।   এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে যেভাবে তিনি একসময় বাংলাদেশকে রক্ষা করেছেন, ঠিক সেভাবেই আগামীর ‘নতুন বাংলাদেশে’ স্থবির হয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনকে তিনি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। ফুটবল মাঠের সেই সফল নেতা কি পারবেন দেশের পুরো ক্রীড়া ব্যবস্থার ‘ম্যাচ’ জিততে? উত্তরের অপেক্ষায় পুরো বাংলাদেশ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
মীর শাহে আলম

উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে প্রতিমন্ত্রী বগুড়ার মীর শাহে আলম

চট্টগ্রাম-বরিশালে আ.লীগ কার্যালয় খুলেছে নেতাকর্মীরা

মুজিবের ভাস্কর্য পরিষ্কার, দলীয় ব্যানার টাঙিয়ে স্লোগান

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ভারতে হাসিনার অবস্থান ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে বাধা হবে না

0 Comments