রাজনীতি

ঝালকাঠিতে সাদিক কায়েম

হামলার নির্দেশদাতা ও জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
ঝালকাঠিতে সাদিক কায়েম
ঝালকাঠিতে সাদিক কায়েম

ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর সংঘটিত নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম। অন্যথায় সারা দেশে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আবারও সর্বাত্মক আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথ দখলের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

 

শুক্রবার বিকেলে ঝালকাঠিতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে আয়োজিত এক নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সাদিক কায়েম বলেন, "শহীদ উসমান হাদি হত্যার প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো মূল হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হয়নি। আজ যমুনার সামনে ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ মানুষের ওপর যারা হামলা চালিয়েছে, তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় শহীদ আবু সাইদ ও শহীদ ওয়াসিমের উত্তরসূরীরা আবারও রাজপথে নেমে আসবে এবং ছাত্র-জনতার শক্তিতে রাজপথ প্রকম্পিত হবে।"

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবিপ্লবী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। ভারতীয় তাবেদাররা আবারও চক্রান্তের জাল বুনছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "দিল্লির তাবেদার ও ভারতীয় আগ্রাসনের পক্ষে যারা দাঁড়িয়ে আছে, এবার তাদের রুখে দেওয়ার সময় এসেছে। দেশের ছাত্র-জনতাকে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।"

 

বক্তব্য শেষে তিনি ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার নির্দেশদাতা ও সরাসরি জড়িতদের দ্রুততম সময়ে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

রাজনীতি

View more
সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান
‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’, যা জানাল ফ্যাক্টচেকার

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান মারা গেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সম্প্রতি যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ডে ‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’ শীর্ষক দাবিটি প্রচার হতে দেখা যায়। তবে রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, শামীম ওসমানকে নিয়ে যমুনা টিভি এমন কোনো সংবাদ বা ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি।   অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় যমুনা টিভির গ্রাফিক্স কার্ডের আদলে এই ভুয়া কার্ডটি তৈরি করা হয়েছে। যমুনা টিভির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেলে এই সংক্রান্ত কোনো খবরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এছাড়া ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটিতে ব্যবহৃত ফন্টের সঙ্গে যমুনা টিভির নিয়মিত ব্যবহৃত ফন্টের স্পষ্ট অমিল রয়েছে। অন্য কোনো মূলধারার গণমাধ্যমও এমন কোনো তথ্য প্রদান করেনি।   উল্লেখ্য, রাজনৈতিকভাবে আলোচিত ব্যক্তিদের নিয়ে প্রায়ই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়া ফটোকার্ড ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। শামীম ওসমানের মৃত্যুর সংবাদটি একটি পরিকল্পিত গুজব মাত্র। জনসাধারণকে এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে বিভ্রান্ত না হতে এবং তথ্য যাচাই করে শেয়ার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার দলীয় কার্যালয়ে তারেক রহমান

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। ছবি: এনসিপির মিডিয়া উইংয়ের সৌজন্যে

‘ডিপ স্টেট’ থেকে ২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব ছিল: আসিফ মাহমুদ

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দলের আমির শফিকুর রহমান। জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা। ২৫ মার্চ। ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত আমির শফিকুর রহমান: গোশত মানেন, ঝোল খাইতে রাজি না

২০১৩ সালের আওয়ামী লীগ আমলের মামলায় পাটগ্রাম পৌর জামায়াত আমির গ্রেফতার

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির সোহেল রানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ব্র্যাক কার্যালয়ের সামনে থেকে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। জানা গেছে, ২০১৩ সালে রাজনৈতিক সহিংসতা চলাকালে আওয়ামী লীগের দায়ের করা একটি হত্যা মামলা এবং পুলিশের করা আরও দুটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের পরোয়ানা ছিল।   তৎকালীন সময়ে বিএনপি ও জামায়াত জোটের কর্মসূচী চলাকালে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ওই সংঘর্ষে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি-আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন কর্মী নিহত হন। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই সোহেল রানার বিরুদ্ধে এই মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছিল। পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে আদালতের ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।   এদিকে সোহেল রানার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা বিকেলে শহরে মিছিল বের করে এই গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি তোলেন। উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নেতাকে মুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে নতুন কোনো মামলায় যেন তাকে না জড়ানো হয় সেই আহ্বান জানিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও অপূর্ণ বহু প্রত্যাশা: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সঠিক পথে না ফিরলে পরিণতি হবে ফ্যাসিবাদীদের মতো—শফিকুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে আমির: জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি বন্ধ না করলে পরিণতি ভালো হবে না

ছবি: সংগৃহীত
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সরকার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেছে: জামায়াত সেক্রেটারি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা ও 'জুলাই জাতীয় সনদ' বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থেকে বর্তমান সরকার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে সাংগঠনিক সফরে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে 'দ্বিচারিতা' হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, সহস্রাধিক প্রাণের বিনিময়ে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, সরকারের বর্তমান কার্যক্রমে তার প্রতিফলন মিলছে না।   মিয়া গোলাম পরওয়ার বিশেষ করে বিএনপির ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, দলটি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করলেও এখন সেই পথ থেকে সরে এসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই সনদকে চ্যালেঞ্জ না করার প্রতিশ্রুতি থাকলেও পরোক্ষভাবে একটি পক্ষকে দিয়ে আদালতে রিট করিয়ে বিষয়টিকে বিচারাধীন করা হয়েছে, যা সরকারের পরোক্ষ মদদেই হয়েছে। জামায়াত নেতার মতে, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও গণভোটের পক্ষে জনসমর্থন বেশি ছিল এবং পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোহাই দিয়ে এই সনদকে অস্বীকার করা গণতন্ত্রকামী দলের কাজ হতে পারে না।   রাজনৈতিক সংকট নিরসনে তিনি সরকারকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়ে বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ এবং প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করাই এখন একমাত্র সমাধান। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা এই সংকটের সমাধান পার্লামেন্টে করবেন নাকি জনগণকে আবারও রাজপথের আন্দোলনে ঠেলে দেবেন। বিমানবন্দরে পৌঁছালে জেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে অভ্যর্থনা জানান।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সংবিধান সংশোধন এখন সময়ের দাবি: সিলেটে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত

জনগণের সমর্থন পেলে লড়াই চালিয়ে যাব—হাসনাত আব্দুল্লাহ

ছবি: সংগৃহীত

দেশের মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম

0 Comments