রাজনীতি

৭৪ লাখ টাকাসহ আটক হওয়া সেই জামায়াত নেতার হার্ট অ্যাটাক, সিসিইউতে ভর্তি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এক চাঞ্চল্যকর অভিযানে ৭৪ লাখ নগদ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের সিসিইউ-তে ভর্তি করা হয়।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেলাল উদ্দিন বর্তমানে হৃদরোগ বিভাগের সিসিইউ-১-এ চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ডা. আজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি হার্ট অ্যাটাক করেছেন। উচ্চ রক্তচাপের কারণে তাঁর হার্টবিট অস্বাভাবিক রয়েছে এবং বর্তমানে তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

 

ঘটনার প্রেক্ষাপট:
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান বেলাল উদ্দিন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা জামায়াতের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মান্নান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের ব্যাগ থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা জব্দ করে। সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল আলম রেজা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে বেলাল উদ্দিন প্রথমে ৫০ লাখ টাকার কথা বললেও গণনা শেষে ৭৪ লাখ টাকা পাওয়া যায়।

 

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিবাদ:
এই ঘটনাকে সুপরিকল্পিত ‘প্রহসন’ ও ‘মানসিক নির্যাতন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির অভিযোগ, বেলাল উদ্দিন একজন ব্যবসায়ী এবং কাস্টমসের নিয়ম মেনেই টাকা বহন করছিলেন। রংপুর মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল দাবি করেন, ষাটোর্ধ্ব এই প্রবীণ নেতাকে আটকের পর যে ধরনের ব্যবহার ও মানসিক চাপ দেওয়া হয়েছে, তাতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

 

অন্যদিকে, পুলিশ জানিয়েছে আটক নেতার দাবিগুলো (গার্মেন্টস ব্যবসা সংক্রান্ত) বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। নির্বাচনের মাত্র এক দিন আগে এমন বিপুল অর্থ উদ্ধারের ঘটনাটি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। দলের চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নির্বাচনের দিন দলের শীর্ষ নেতারা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকার নির্ধারিত কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেবেন ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লার দাউদকান্দির গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং মির্জা আব্বাস ঢাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজে ভোট দেবেন। কেরানীগঞ্জের আরাকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নরসিংদীর পলাশের চারনগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ড. আব্দুল মঈন খান এবং চট্টগ্রামের মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। অন্যদিকে, কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউটে সালাহউদ্দিন আহমদ, সিরাজগঞ্জের সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভোলার লালমোহনে আব্দুল ওয়াহাব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের মতিহারা সরকারি হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দেবেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
রায়গঞ্জে ছাত্রদল নেতাসহ ১৮ জনের জামায়াতে যোগদান

রায়গঞ্জে ছাত্রদল নেতাসহ ১৮ জনের জামায়াতে যোগদান

ভোটার স্লিপের সঙ্গে টাকা বিলির সময় বিএনপি নেতাসহ ‘আটক’ ২

ভোটার স্লিপের সঙ্গে টাকা বিলির সময় বিএনপি নেতাসহ ‘আটক’ ২

৭৪ লাখ টাকাসহ আটক হওয়া সেই জামায়াত নেতার হার্ট অ্যাটাক, সিসিইউতে ভর্তি

জামায়াত আমির
নিজ আসনে ১৩ বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে যা বললেন জামায়াত আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকতে রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনি পরিবেশ চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ১৩টি নির্বাচনি বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।   ডা. শফিকুর রহমান তাঁর পোস্টে জানান, ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের জনপ্রিয়তা দেখে ভীত হয়ে একটি বিশেষ পক্ষ এই হামলা চালিয়েছে। তিনি সরাসরি প্রতিপক্ষকে ইঙ্গিত করে বলেন, “পেশীশক্তির রাজনীতি এখন শেষ হয়ে গিয়েছে। যারা দেশের আগামীর পলিসি ও পরিকল্পনা নিয়ে আমাদের সাথে সুস্থ আলোচনায় বসতে ব্যর্থ, তারাই এখন নিচু স্তরের সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছে।”   জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “সন্ত্রাস ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের থামিয়ে দেওয়ার দিন শেষ। যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা ভুলে যাচ্ছে—এই জাতি জুলাই বিপ্লব পেরিয়ে এসেছে। জনগণকে আর কোনোভাবেই দমানো সম্ভব নয়।”   তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, ভয়-ভীতির এই সংস্কৃতি সাধারণ মানুষের রায় পরিবর্তন করতে পারবে না। মানুষের হৃদয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ যেভাবে জায়গা করে নিয়েছে, আগামীকাল ভোটের মাধ্যমেই তার চূড়ান্ত প্রতিফলন ঘটবে ইনশাআল্লাহ। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে রাজধানীর একটি হেভিওয়েট আসনে এমন নাশকতার ঘটনায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি দাবি করছেন স্থানীয়রা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
হাতপাখা কর্মীর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে

হাতপাখা কর্মীর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)

রাত ৮টায় এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন

বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন

জামায়াতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ মাহদী আমিনের

নীলফামারীতে পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যাহ্নভোজ করালেন বিএনপি প্রার্থী
নীলফামারীতে পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যাহ্নভোজ করালেন বিএনপি প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কাউন্টডাউন যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই নীলফামারীর রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নজিরবিহীন ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে নীলফামারী-২ (সদর) আসনের বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত একটি ‘মধ্যাহ্নভোজ’ নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে।   ঘটনাটি গত ৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) নীলফামারী সদর আধুনিক হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভা পরবর্তী সময়ের। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, জনসভা শেষ হওয়ার পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ওই আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শাহরিন ইসলাম তুহিনের উদ্যোগে জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলামসহ কর্তব্যরত একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার জন্য বিশেষ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। ওই ভোজে জেলা পুলিশের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতির খবর পাওয়া গেছে।   নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো প্রকার উপহার, বিশেষ আতিথেয়তা বা ব্যক্তিগত সুবিধা প্রদান করতে পারেন না। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের এমন আপ্যায়ন গ্রহণ করা নির্বাচনকালীন পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।   এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও গভীর উদ্বেগ ও সংশয় তৈরি হয়েছে। নাগরিক সমাজ প্রশ্ন তুলছে—যাদের ওপর নির্বাচনের নিরাপত্তা ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দায়িত্ব, তারা যদি কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীর আতিথেয়তা গ্রহণ করেন, তবে নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে কতটুকু?   যদিও এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসন বা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি এমন কোনো অনুষ্ঠানে ছিলেন না এবং সেখানে কারা উপস্থিত ছিলেন সে বিষয়েও তাঁর কিছু জানা নেই।   গণতন্ত্রের উৎসবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশ্নাতীত নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটার ও সচেতন মহল। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচন কমিশন এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

পীরগঞ্জে ভোটারের মাঝে টাকা বিতরণকালে ২ জাপা নেতাকে জরিমানা

হাসনাত আবদুল্লাহ

কালো টাকা প্রবেশ ও ভোট কেনার অভিযোগ হাসনাতের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

জেলা আমির নির্যাতনের দায়ে নীলফামারী এসপির প্রত্যাহার দাবি জামায়াতের

0 Comments