খেলাধুলা

নানা গুঞ্জন খণ্ডন করলেন তামিম ইকবাল, কোনো প্রস্তাব পাননি সাবেক অধিনায়ক

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত
সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল নিজেকে নিয়ে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হওয়া নানা গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ২টার দিকে তিনি নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ কথা জানান।

 

তামিম লিখেছেন, আজ সারা দিনে আমাকে ঘিরে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা গুঞ্জন দেখতে পেয়েছি, যা পুরোপুরি মিথ্যা। এমন কোনো প্রস্তাব আমি পাইনি। এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।

 

তিনি একই সঙ্গে অনুরোধ করেছেন, সকলকে অবগত থাকতে যাতে কোনো বিভ্রান্তিকর খবর ছড়িয়ে না পড়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

খেলাধুলা

View more
সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত
নানা গুঞ্জন খণ্ডন করলেন তামিম ইকবাল, কোনো প্রস্তাব পাননি সাবেক অধিনায়ক

সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল নিজেকে নিয়ে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হওয়া নানা গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ২টার দিকে তিনি নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ কথা জানান।   তামিম লিখেছেন, আজ সারা দিনে আমাকে ঘিরে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা গুঞ্জন দেখতে পেয়েছি, যা পুরোপুরি মিথ্যা। এমন কোনো প্রস্তাব আমি পাইনি। এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।   তিনি একই সঙ্গে অনুরোধ করেছেন, সকলকে অবগত থাকতে যাতে কোনো বিভ্রান্তিকর খবর ছড়িয়ে না পড়ে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
আসিফ নজরুল। ছবি: সংগৃহীত

বিসিবির ক্রীড়া কূটনীতিকে কৃতিত্ব, স্যালুট জানালেন আসিফ নজরুল

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। পিসিবি

পাকিস্তান কেন ভারতের সাথে খেলতে রাজি হয়েছে, জানালেন নাকভি

বয়কট প্রত্যাহার করল পাকিস্তান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

বয়কট প্রত্যাহার করল পাকিস্তান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

আইসিসির ইভেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত আইসিসি, পিসিবি এবং বিসিবি-র মধ্যকার ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শেষে এক স্বস্তিদায়ক সিদ্ধান্ত জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো ধরনের আর্থিক, প্রশাসনিক বা ক্রীড়াগত শাস্তি আরোপ করছে না ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।   আইসিসি তাদের এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, লাহোর আলোচনা অত্যন্ত গঠনমূলক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে, পাকিস্তান দলকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি করানোর ক্ষেত্রে বিসিবির ইতিবাচক মধ্যস্থতা ও সমর্থনের বিষয়টি আইসিসির কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।   শাস্তি নয়, মিলছে বড় ইভেন্ট: বিসিবি-কে একটি ‘মূল্যবান পূর্ণ সদস্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইসিসি জানিয়েছে, ২০ কোটির বেশি ভক্তের এই প্রাণবন্ত ক্রিকেট বাজারকে তারা কোনোভাবেই অবহেলা করতে চায় না। সমঝোতার অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই অর্থাৎ ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এককভাবে আইসিসির একটি বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে। তবে এটি আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া ও পরিচালনাগত শর্তের ভিত্তিতে চূড়ান্ত হবে।   পরিষ্কার অবস্থান বিসিবির: আইসিসি স্পষ্ট করেছে যে, বিসিবির ওপর কোনো জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না। এমনকি বিসিবি চাইলে তাদের আইনি অধিকার বা ডিসপিউট রেজোলিউশন কমিটির শরণাপন্ন হওয়ার সুযোগও বহাল থাকবে। আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তা এই পরিস্থিতিকে ‘দুঃখজনক কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ওপর প্রভাবহীন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইকোসিস্টেম দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ ও বৈশ্বিক সংযুক্তির দাবিদার।   উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক এবং ২০২৭ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে নির্ধারিত আছে। এর বাইরে লাহোর চুক্তির মাধ্যমে নতুন এই টুর্নামেন্ট প্রাপ্তি দেশের ক্রিকেটে এক নতুন প্রাণসঞ্চার করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশকে শাস্তি নয়, পুরস্কার দিল আইসিসি

বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তানের সহযোগিতার প্রশংসা, ভারত ম্যাচ খেলতে অনুরোধ বিসিবির

পদত্যাগ করলেন বার্সেলোনার সভাপতি

আইসিসি
পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে পাশে চাইছে আইসিসি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা এখন এক নতুন ও নাটকীয় মোড় নিয়েছে। নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারত ভ্রমণে অস্বীকৃতি জানানোয় আইসিসি কর্তৃক বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পাকিস্তান যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, সেখান থেকে সরে আসতে এবার তিনটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই সংকট নিরসনে এবং ‘পারস্পরিক সমঝোতা’র পথ খুঁজতে বর্তমানে লাহোরে অবস্থান করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম।   সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, মূলত আইসিসি এবং পাকিস্তানের মধ্যে একটি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতেই বিসিবি সভাপতির এই ঝটিকা লাহোর সফর। পরশু রাতে এক জরুরি বার্তা পেয়ে মধ্যরাতেই পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হন আমিনুল ইসলাম। গতকাল ভোরে লাহোরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালমান নাসির। সেখানে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি। পরবর্তীতে আইসিসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠকেও অংশ নেন তাঁরা।   এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি। পাকিস্তান আগেই ঘোষণা দিয়েছিল, বাংলাদেশের ওপর অন্যায্য সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তারা ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না। এখন আইসিসি চাইছে পাকিস্তানকে ওই ম্যাচ খেলতে রাজি করাতে, আর বিনিময়ে বাংলাদেশের জন্য কিছু বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে—বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ না নিলেও আইসিসির বার্ষিক রাজস্ব থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে বিদেশি দলগুলোর বাংলাদেশ সফর নিয়ে কোনো আইনি বা কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি না করার নিশ্চয়তা।   আইসিসির পক্ষ থেকে এই আলোচনার সমন্বয় করছেন সংস্থাটির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা। পাকিস্তানের অনড় অবস্থান এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সংকট উত্তরণে এই বৈঠকটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পিসিবি’র পক্ষ থেকে জুড়ে দেওয়া তিনটি শর্তের ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো না হলেও, ধারণা করা হচ্ছে এর মধ্যে আইসিসির ক্রিকেটীয় রাজনীতি এবং বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে।   ক্রিকেট বিশ্বের নজর এখন লাহোরের এই কূটনৈতিক তৎপরতার দিকে। শেষ পর্যন্ত কি পিসিবি তাদের ৩ শর্তে আইসিসিকে রাজি করাতে পারবে? নাকি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ছাড়াই শেষ হবে এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব—সেই উত্তর পাওয়া যাবে খুব শীঘ্রই।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
ভারত ম্যাচ না খেলায় ‘মোদির ক্ষোভ’, ভাইরাল ভিডিও ভূয়া

ভারত ম্যাচ না খেলায় ‘মোদির ক্ষোভ’, ভাইরাল ভিডিও ভূয়া

আইসিসি-র সাবেক সভাপতি এহসান মানি

পাকিস্তানের মন গলাতে জয় শাহকে যেতে বললেন মানি

sri lanka pakistan cricket board

পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ শ্রীলঙ্কার

0 Comments