খেলাধুলা

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে গুনতে হবে বিশাল অঙ্কের জামানত, বিপাকে ফুটবলার ও সমর্থকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নতুন ভিসা নীতি নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বিতর্ক। দ্য অ্যাথলেটিক-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার একটি ‘পাইলট ভিসা বন্ড প্রোগ্রাম’ চালু করেছে। এর ফলে আলজেরিয়া এবং সেনেগালসহ পাঁচটি দেশের নাগরিক ও ফুটবলারদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য মাথাপিছু ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার (প্রায় ৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা) পর্যন্ত জামানত বা ‘বন্ড’ জমা দিতে হতে পারে।


বর্তমানে যে পাঁচটি দেশ এই কড়া নিয়মের মুখে পড়েছে তারা হলো:১. আলজেরিয়া ২. সেনেগাল ৩. আইভরি কোস্ট ৪. কেপ ভার্দে ৫. তিউনিসিয়া (আগামী ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর)


যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। মূলত যারা ট্যুরিস্ট বা বিজনেস (B-1/B-2) ভিসায় দেশটিতে প্রবেশ করেন, তারা যেন ভিসার মেয়াদ শেষে নিজ দেশে ফিরে যান, তা নিশ্চিত করতেই এই মোটা অঙ্কের জামানত চাওয়া হচ্ছে। তবে এই নীতিতে খেলোয়াড় বা অ্যাথলেটদের জন্য কোনো আলাদা ছাড় রাখা হয়নি।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নিয়ম শুধুমাত্র সাধারণ দর্শকদের জন্য নয়, বরং অংশগ্রহণকারী দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের জন্যও প্রযোজ্য হতে পারে। এর ফলে একটি দলের পুরো বহরের জন্য কয়েক লক্ষ ডলারের জামানত প্রয়োজন হবে। 


যদিও এই টাকা দেশ ত্যাগের পর ফেরত পাওয়া যাবে, তবুও বিশাল এই অঙ্কের যোগান দেওয়া অনেক ফুটবল ফেডারেশন ও সাধারণ ভক্তদের জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি চার সদস্যের পরিবার যদি প্রিয় দলকে সমর্থন করতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চায়, তবে তাদের শুধুমাত্র বন্ড বাবদই প্রায় ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত জমা রাখতে হতে পারে।


এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তারা পর্দার আড়ালে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে যাতে অন্তত খেলোয়াড়, কোচ এবং অফিশিয়াল ডেলিগেশনের জন্য এই নিয়ম শিথিল করা হয়। তবে সমর্থকদের জন্য এই ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ এই তালিকার সরাসরি অন্তর্ভুক্ত না হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর ভিসা নীতি বিশ্বকাপের আমেজকে কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে। বিশেষ করে আফ্রিকান দেশগুলোর বড় সংখ্যক দর্শক এবার মাঠে উপস্থিত থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপের মতো একটি বৈশ্বিক আসরে যেখানে ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ পরিবেশ থাকার কথা, সেখানে এমন আর্থিক প্রতিবন্ধকতা আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সূত্র: দ্য অ্যাথলেটিক, এবিসি নিউজ, রয়টার্স।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে গুনতে হবে বিশাল অঙ্কের জামানত, বিপাকে ফুটবলার ও সমর্থকরা

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নতুন ভিসা নীতি নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বিতর্ক। দ্য অ্যাথলেটিক-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার একটি ‘পাইলট ভিসা বন্ড প্রোগ্রাম’ চালু করেছে। এর ফলে আলজেরিয়া এবং সেনেগালসহ পাঁচটি দেশের নাগরিক ও ফুটবলারদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য মাথাপিছু ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার (প্রায় ৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা) পর্যন্ত জামানত বা ‘বন্ড’ জমা দিতে হতে পারে। বর্তমানে যে পাঁচটি দেশ এই কড়া নিয়মের মুখে পড়েছে তারা হলো:১. আলজেরিয়া ২. সেনেগাল ৩. আইভরি কোস্ট ৪. কেপ ভার্দে ৫. তিউনিসিয়া (আগামী ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর) যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। মূলত যারা ট্যুরিস্ট বা বিজনেস (B-1/B-2) ভিসায় দেশটিতে প্রবেশ করেন, তারা যেন ভিসার মেয়াদ শেষে নিজ দেশে ফিরে যান, তা নিশ্চিত করতেই এই মোটা অঙ্কের জামানত চাওয়া হচ্ছে। তবে এই নীতিতে খেলোয়াড় বা অ্যাথলেটদের জন্য কোনো আলাদা ছাড় রাখা হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নিয়ম শুধুমাত্র সাধারণ দর্শকদের জন্য নয়, বরং অংশগ্রহণকারী দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের জন্যও প্রযোজ্য হতে পারে। এর ফলে একটি দলের পুরো বহরের জন্য কয়েক লক্ষ ডলারের জামানত প্রয়োজন হবে।  যদিও এই টাকা দেশ ত্যাগের পর ফেরত পাওয়া যাবে, তবুও বিশাল এই অঙ্কের যোগান দেওয়া অনেক ফুটবল ফেডারেশন ও সাধারণ ভক্তদের জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি চার সদস্যের পরিবার যদি প্রিয় দলকে সমর্থন করতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চায়, তবে তাদের শুধুমাত্র বন্ড বাবদই প্রায় ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত জমা রাখতে হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তারা পর্দার আড়ালে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে যাতে অন্তত খেলোয়াড়, কোচ এবং অফিশিয়াল ডেলিগেশনের জন্য এই নিয়ম শিথিল করা হয়। তবে সমর্থকদের জন্য এই ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ এই তালিকার সরাসরি অন্তর্ভুক্ত না হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর ভিসা নীতি বিশ্বকাপের আমেজকে কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে। বিশেষ করে আফ্রিকান দেশগুলোর বড় সংখ্যক দর্শক এবার মাঠে উপস্থিত থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপের মতো একটি বৈশ্বিক আসরে যেখানে ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ পরিবেশ থাকার কথা, সেখানে এমন আর্থিক প্রতিবন্ধকতা আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সূত্র: দ্য অ্যাথলেটিক, এবিসি নিউজ, রয়টার্স।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে হলেও আপত্তি নেই নিউজিল্যান্ডের

ইরানের নারী ফুটবল দলের কয়েকজন খেলোয়ার। ফাইল ফটো।

ইরানিদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পর্যটন ভিসায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

৫৪ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙার মুখে বায়ার্ন

কারাবাও কাপের শিরোপা নিয়ে সিটির উদ্‌যাপন। ম্যানচেস্টার সিটির এক্স হ্যান্ডল
আর্সেনালকে হারিয়ে কারাবাও কাপ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি: ও’রাইলির জোড়া গোলে গার্দিওলার রেকর্ড

ম্যানচেস্টার সিটি আর্সেনাল-এর মুখোমুখি কারাবাও কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি ২-০ গোলে জিতে মৌসুমের প্রথম শিরোপা নিশ্চিত করেছে। ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম-এ, যেখানে প্রায় ৯০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন।   ম্যাচের শুরুতেই সিটির গোলকিপার জেমস ট্রাফোর্ড ৭ মিনিটে ‘ট্রিপল সেভ’ করে আর্সেনালের নিশ্চিত গোল রোধ করেন। তবে ৬০ মিনিটে প্রথম গোল আসে নিকো ও’রাইলির কাছ থেকে। সিটি মিডফিল্ডার রায়ান চেরকি ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন, যা আর্সেনাল গোলকিপার কেপা আরিজাবালাগার হাত ফসকে গিয়ে নিকোকে প্রায় ফাঁকা পোস্টে গোল করার সুযোগ করে দেয়।   চার মিনিট পর দ্বিতীয় গোলও আসে নিকোর হেডে, যেখানে কেপা আবারও ভুল করেন। ডান দিক থেকে ক্রস করা হয় ম্যাথিয়াস নুনেসের মাধ্যমে, আর আর্সেনালের ডিফেন্ডারদের মধ্যে ফাঁকা অবস্থায় নিকো ও’রাইলির হেড জালে ঢুকে শিরোপা নিশ্চিত করে।   সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা আনন্দে সাইডলাইন ধরে অন্তত ২০ গজ দৌড়ান। এটি তার পঞ্চমবারের মতো কারাবাও কাপ জয় এবং টুর্নামেন্টে সিটির নবম শিরোপা। এ জয়ের মাধ্যমে তারা দীর্ঘদিনের শিরোপা খরা কাটিয়ে নতুন আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে।   আগামী ১৯ এপ্রিল প্রিমিয়ার লিগে পুনরায় মুখোমুখি হবে সিটি ও আর্সেনাল। এই জয় সিটির জন্য মানসিক প্রভাবও রাখছে, কারণ রিয়াল মাদ্রিদের কাছে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নেওয়ার পর বড় কোনো শিরোপা ছিল না।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

স্থগিত সিরিজ খেলতে আগস্টে বাংলাদেশে আসছে ভারত

ফ্যানি উতাগুশিমানিন্দে

১৫ বছরেই বিশ্বরেকর্ড: ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস রুয়ান্ডার কিশোরীর

ছবি: সংগৃহীত

ঈদের দিন ফুটবল যাত্রা: ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ ও ব্যাংককের পথে বাংলাদেশের তিন দল

ভক্তদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত
ভক্তদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে ভক্ত ও মুসলিম সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক-এ নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সবাইকে ঈদ মোবারক। আশা করি আপনারা পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে একটি বিশেষ দিন কাটাচ্ছেন। সবার জন্য শান্তি ও সুখ কামনা করছি।   পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলারের পোস্টটি প্রকাশের পরপরই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। মুহূর্তেই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং মন্তব্যের ঘরে ভক্তরা তাঁকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।   বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসর-এ খেলার সুবাদে মুসলিম সংস্কৃতির সঙ্গে রোনালদোর সংযোগ আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছাবার্তা শেয়ার করলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংকট পেরিয়ে দেশে ফেরা ইরানি নারী ফুটবলারদের রাজকীয় সংবর্ধনা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ম্যাচ ভেন্যু মেক্সিকোতে পরিবর্তনের আবেদনে যা জানাল ফিফা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনে প্রস্তুত মেক্সিকো: প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম

0 Comments