খেলাধুলা

বিসিএলে চার জোনের স্কোয়াড ঘোষণা, খেলবেন সাব্বির-তামিম-সাইফসহ দেশসেরা ক্রিকেটাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে গড়াবে ওয়ানডে ফরম্যাটের বিজয় সিরিজ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)। এই আসরের জন্য রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চার দলের অধিনায়ক এবং স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।

 

চারটি জোনের অধিনায়করা হলেন: সাউথ জোন: মেহেদী হাসান মিরাজ, নর্থ জোন: নাজমুল হোসেন শান্ত, ইস্ট জোন: ইয়াসির আলী চৌধুরী, সেন্ট্রাল জোন: মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।

চার জোনের স্কোয়াডের বিস্তারিত:

 

ইস্ট জোন:
পারভেজ হোসেন ইমন, জাকির হাসান, অমিত হাসান, মমিনুল হক, ইয়াসির আলী রাবিব, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, শাহাদাত হোসেন দিপু, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তানজিম হাসান সাকিব, খালেদ আহমেদ, নাসুম আহমেদ, নাঈম হাসান, নাইম হাসান সাকিব।

 

নর্থ জোন:
তানজিদ হাসান তামিম, হাবিবুর রহমান সোহান, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, আকবর আলী, সাব্বির রহমান, শেখ মেহেদী, এসএম মেহেরব হোসেন অহিন, তাইজুল ইসলাম, নাহিদ রানা, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

 

সাউথ জোন:
সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, জাওয়াদ আবরার, আজিজুল হাকিম তামিম, মোহাম্মদ মিঠুন, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হোসান হোসান, সামিউন বশির রাতুল, তানভির ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, রবিউল হক, রেজাউর রহমান রাজা, রুয়েল মিয়া, স্বাধীন ইসলাম।

 

সেন্ট্রাল জোন:
সাইফ হাসান, নাইম শেখ, জিসান আলম, আরিফুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইরফান শুক্কুর, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, রাকিবুল হাসান, রিজয়ান হোসেন, আবু হায়দার রনি, ইবাদত হোসেন, রিপন মণ্ডল, মারুফ মৃধা, ও ওয়াসি সিদ্দিকী।

 

বিসিএলের এই আসরে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের পাশাপাশি নতুন প্রতিভারাও মাঠে নামবেন। স্কোয়াড ঘোষণা হওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক লিগের উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবি - সংগৃহিত
রোনান সুলিভান: বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন রাজপুত্র এবং সাফ জয়ের মহানায়ক

  রোনান সুলিভান—বাংলাদেশের ফুটবল আকাশে উদিত হওয়া এক নতুন ধুমকেতু, যিনি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে লাল-সবুজের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে আনতে একাই পালন করেছেন মহাবীরত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা।   সুদূর আমেরিকা থেকে এসে বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামা এই তরুণের রক্তে মিশে আছে বাংলার চিরন্তন নাড়ির টান, যা তাকে বিদেশের আরামদায়ক জীবন ছেড়ে এই মাটির জন্য লড়তে উদ্বুদ্ধ করেছে।   ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমির মতো বিশ্বমানের ফুটবল পাঠশালায় নিজেকে গড়ে তোলা রোনান কেবল একজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় নন, বরং তিনি বাংলাদেশের আগামীর এক বিশাল ফুটবল প্রকল্পের প্রধান সেনাপতি।   সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে রোনানের পায়ের জাদু যেভাবে প্রতিপক্ষকে কুপোকাত করেছে, তা দেশের কোটি ফুটবল ভক্তের হৃদয়ে দীর্ঘকাল পর এক নতুন উন্মাদনা ও অসীম আশার আলো জ্বালিয়েছে।   টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচে তার ক্ষিপ্র গতি, অসামান্য ড্রিবলিং এবং নিখুঁত ফিনিশিং দেখে মনে হয়েছে বাংলাদেশের ফুটবল অবশেষে তার কাঙ্ক্ষিত গোল মেশিন বা এক সত্যিকারের ত্রাতা খুঁজে পেয়েছে।   পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তার লড়াকু মানসিকতা এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করার দক্ষতাই মূলত বাংলাদেশকে সাফের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে সবচাইতে বড় ও প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।   রোনানের দীর্ঘদেহী শারীরিক গঠন এবং বলের ওপর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ তাকে আধুনিক ফুটবলের এক পরিপূর্ণ স্ট্রাইকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার ডিফেন্ডারদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।   বিদেশের মাটিতে জন্ম ও বেড়ে উঠলেও রোনান প্রমাণ করেছেন যে নাড়ির টান এবং দেশের প্রতি মমত্ববোধ থাকলে যেকোনো বাধা ডিঙিয়ে বিদেশের মাঠ থেকেও জাতীয় দলের জন্য সাফল্য ছিনিয়ে আনা সম্ভব।   তার এই অভাবনীয় উত্থান বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশনের জন্য এক নতুন বার্তা দিচ্ছে যে, বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী প্রতিভাদের সঠিক মূল্যায়নে দেশের ফুটবলের চেহারা আমূল বদলে যেতে পারে।   রোনান সুলিভান কেবল বর্তমানের সাফ জয়ের নায়ক নন, বরং তিনি হচ্ছেন সেই বাতিঘর যাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ আগামীতে এশিয়ার বড় বড় ফুটবল শক্তিগুলোর চোখে চোখ রেখে লড়াই করার সাহস পাবে।   জাতীয় দলের মূল স্কোয়াডে রোনানের অন্তর্ভুক্ত হওয়া এখন সময়ের দাবি, কারণ তার মতো একজন জাত স্ট্রাইকারই পারে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের গোল খরা কাটিয়ে বড় বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে জয় ছিনিয়ে আনতে।   রোনানের স্বপ্ন এখন আরও বড়—লাল-সবুজের জার্সি গায়ে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করা এবং বাংলাদেশের ফুটবলকে দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডি ছাড়িয়ে এশিয়ার সেরাদের কাতারে নিয়ে যাওয়া যা এখন তার সামর্থ্যের ভেতরেই রয়েছে।   বাংলাদেশের ফুটবলের এই নতুন রাজপুত্রকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে তিনি হবেন এদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা আইকন, যার হাত ধরে বদলে যাবে এদেশের লক্ষ লক্ষ উদীয়মান তরুণ ফুটবলারের ভাগ্য।   সাফ জয়ের আনন্দ ছাপিয়ে এখন সাধারণ মানুষের মুখে একটিই নাম রোনান সুলিভান, যিনি প্রমাণ করেছেন ফুটবল কেবল একটি খেলা নয় বরং এটি একটি জাতির হাজার বছরের আবেগ ও আত্মপরিচয়।   সব বাধা পেরিয়ে রোনান এখন বাংলাদেশের আগামীর সুপারস্টার হওয়ার পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছেন এবং তার এই যাত্রা কেবল শুরু, যার শেষ হবে দেশের ফুটবলে এক নতুন স্বর্ণালী দিগন্তের উন্মোচনে।    

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পারভেজের ঝড়ো ইনিংস, মোস্তাফিজের জোড়া উইকেট—লাহোর কালান্দার্সের জয়

ছবি: সংগৃহীত

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নদের আর্থিক পুরস্কার দেবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

গোলকিপারের ‘ইনজুরি নাটক’ও কাজে এল না, টাইব্রেকারে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
১১ হাজার ডলার, বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে তীব্র সমালোচনা মুখে ফিফা

ফুটবল ভক্তদের উন্মাদনায় পানি ঢেলে দিল ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। বিশেষ করে ফাইনাল ম্যাচের টিকিটের দাম ১১ হাজার ডলার স্পর্শ করায় বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।  সাধারণ দর্শকদের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাওয়া এই মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে ফিফার ওপর ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরা। টিকিট বিক্রির চূড়ান্ত পর্বে দেখা গেছে, ফাইনালের সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির টিকিটের দাম বর্তমানে ১০,৯৯০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত সেপ্টেম্বরের তুলনায় প্রায় ৩৮ শতাংশ বেশি। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের সর্বোচ্চ মূল্যের টিকিটের (১,৬০৪ ডলার) তুলনায় এবারের দাম প্রায় সাত গুণ বেশি। কেবল এক নম্বর ক্যাটাগরিই নয়, ক্যাটাগরি-২ এবং ক্যাটাগরি-৩ টিকিটের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ৩০ থেকে ৩২ শতাংশ পর্যন্ত। টিকিট বিক্রির এই 'লাস্ট-মিনিট সেল' প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিগত বিভ্রাট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অনেক দর্শক টিকিট কাটার সময় গোলযোগের মুখে পড়েছেন, যা তাদের অসন্তোষকে আরও উসকে দিয়েছে। তবে এই সমালোচনাকে খুব একটা পাত্তা দিচ্ছেন না ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তার মতে, টিকিটের এই আকাশছোঁয়া দাম মূলত 'বিপুল চাহিদার' প্রতিফলন। উল্লেখ্য, আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ২০২৬ বিশ্বকাপেই প্রথমবারের মতো ৪৮টি দেশ অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। ১২ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ফুটবল মহাযজ্ঞের প্রায় ৭০ লক্ষ টিকিটের মধ্যে ইতিমধ্যে ৩০ লক্ষেরও বেশি বিক্রি হয়ে গেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

স্থবিরতা কাটাতে বিসিসিআইকে বিসিবির আনুষ্ঠানিক চিঠি!

বাংলাদেশের জার্সিতে এক বছর পার করেছেন হামজা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

দেশের জার্সিতে এক বছর, হামজার চোখে ‘সেরা সিদ্ধান্ত’

ছবি: সংগৃহীত

২৫০ কোটি নিয়েও কেরালায় আসেনি আর্জেন্টিনা দল, প্রতারণার অভিযোগ ক্রীড়ামন্ত্রীর

ফাইল ফটো।
ফুটবলপ্রেমীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়ায় সুখবর, চালু হলো ‘ফিফা পাস’

বিশ্বজুড়ে ফুটবল উন্মাদনার পারদ চড়তে শুরু করেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে। আর এই উন্মাদনায় বাড়তি মাত্রা যোগ করতে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য দারুণ এক সুখবর নিয়ে এসেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবং মার্কিন প্রশাসন। যারা গ্যালারিতে বসে সরাসরি খেলা দেখার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করতে চালু করা হয়েছে বিশেষ পদ্ধতি ‘ফিফা পাস’। ‘ফিফা পাস’ বা ‘ফিফা প্রায়োরিটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট শিডিউলিং সিস্টেম’ হলো এমন এক বিশেষ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বিশ্বকাপের টিকিটধারীরা মার্কিন দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের তুলনায় দ্রুত ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকারের সময় পাবেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো যেসব দেশে বর্তমানে মার্কিন ভিসার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে, সেই সব দেশের সমর্থকদের জন্য এটি একটি গেম-চেঞ্জার হতে যাচ্ছে। প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ ও সুশৃঙ্খল। টিকিটধারীরা ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (FIFA.com) থেকে তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে ‘FIFA PASS’ অপশনটি বেছে নিতে পারবেন। এরপর মার্কিন ভিসার আবেদনপত্র (DS-160 ফর্ম) পূরণ করার সময় নিজেকে ‘ফিফা টিকিট হোল্ডার’ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। তথ্য যাচাই সম্পন্ন হলেই আবেদনকারীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সাক্ষাৎকারের তারিখ প্রদান করা হবে। সুবিধা পাবেন যারা: সরাসরি ফিফা থেকে বিশ্বকাপের বৈধ টিকিট ক্রয়কারীগণ। টিকিটধারীর সাথে থাকা স্বামী/স্ত্রী এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরাও এই অগ্রাধিকার সুবিধার আওতায় থাকবেন। আবেদনকারীর তথ্যের সাথে টিকিট ক্রয়ের তথ্যের শতভাগ মিল থাকতে হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ‘ফিফা পাস’ কেবল ইন্টারভিউয়ের দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে দ্রুত সময়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সুযোগ করে দেবে। এটি কোনোভাবেই ভিসা পাওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা নয়। সাধারণ আবেদনকারীদের মতো টিকিটধারীদেরও কঠোর নিরাপত্তা যাচাই এবং যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই ভিসা অর্জন করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের এই বিশাল আসরের অধিকাংশ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। বিপুল সংখ্যক দর্শকের চাপ সামলাতে এবং ভিসা প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্ন রাখতে মার্কিন প্রশাসন ইতোমধ্যে অতিরিক্ত প্রায় ৫০০ কনস্যুলার অফিসার নিয়োগ দিয়েছে। ভিড় এড়াতে কর্তৃপক্ষ এখনই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
হামজা চৌধুরী।

বাংলাদেশের জার্সিতে খেলা আমার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত: হামজা চৌধুরী

প্রোটিয়া ব্যাটিং স্তম্ভ রাসি ফন ডার ডাসেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন প্রোটিয়া ব্যাটার ফন ডার ডাসেন

বিশ্বকাপে ইতালিয়ান ট্র্যাজেডির ‘হ্যাটট্রিক’। ছবি: সংগৃহীত

টানা তিন বিশ্বকাপ মিস ইতালির, ফুটবলপ্রধানের পদত্যাগ দাবি; ক্ষুব্ধ সমর্থকদের বিক্ষোভ

0 Comments