আটলান্টিক সিটি

আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা । ছবি: সংগৃহীত
চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকায় চার বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থী

নিউজার্সির আটলান্টিক সিটিতে অবস্থিত আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের ২০২৬ সালের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের ব্যাচে চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার শিক্ষার্থী মেধা তালিকায় স্থান অর্জন করে কমিউনিটির জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন।   মঙ্গলবার ঐতিহাসিক জিম হুইলান বোর্ডওয়াকে আয়োজিত গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং অতিথিদের উপস্থিতিতে মিলনায়তন মুখর হয়ে ওঠে। চার বছরের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের পর শিক্ষার্থীদের মুখে ফুটে ওঠে সাফল্যের আনন্দ।   অনুষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হলে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন। পূর্ববর্তী বছরগুলোর মতো এবারও বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।   স্কুলের মেধা তালিকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরফিন আশিয়া দ্বিতীয়, সুমাইয়া তাসসুম চতুর্থ, সেন চৌধুরী সপ্তম এবং রাহাত রহমান নবম স্থান অর্জন করেন।   অনুষ্ঠানের সূচনা হয় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। পরে শিক্ষার্থীরা শোভাযাত্রাসহ নির্ধারিত আসনে বসেন এবং পর্যায়ক্রমে মঞ্চে উঠে ডিপ্লোমার প্রতীকী কপি গ্রহণ করেন।   অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. কনস্ট্যান্ট। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটলান্টিক সিটির মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র, স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট ড. স্মল, স্কুল বোর্ডের সদস্যবৃন্দ এবং সিটি কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা।   শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে শুধু অভিভাবকরাই নয়, পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অভিভাবকরা বলেন, বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের এই অর্জন প্রমাণ করে যে অধ্যবসায়, পরিশ্রম এবং সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।   কমিউনিটির নেতারা মনে করেন, এই কৃতিত্ব শুধু সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর নয়, বরং পুরো প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজের গর্ব। তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে তারা উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত জীবনে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।

Unknown জুন ২৪, ২০২৬ ১৪:০
আটলান্টিক সিটি ফুটবল উৎসব–২০২৬ । ছবি: সংগৃহীত
আটলান্টিক সিটিতে বিশ্বকাপ উপলক্ষে জমজমাট ফুটবল উৎসব

নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য “আটলান্টিক সিটি ফুটবল উৎসব–২০২৬”। গত ১২ জুন শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত শোবোট রিসোর্টের গ্রীন টার্ফে আয়োজিত এ উৎসবে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শত শত মানুষ অংশ নেন।   ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে সিটি অব আটলান্টিক সিটি, ভিজিট আটলান্টিক সিটি, নর্থ টু শোর এবং আটলান্টিক সিটি স্পোর্টস কমিশনের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।   উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশাল আউটডোর স্ক্রিনে যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার। আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে দর্শকরা খেলার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেন এবং ম্যাচজুড়ে উৎসবস্থলে ছিল প্রাণবন্ত পরিবেশ।   শিশুদের জন্য বিশেষ বিনোদনমূলক আয়োজনের মধ্যে ছিল পি-উই সকার, ফেস পেইন্টিং, আর্টস অ্যান্ড ক্রাফটস এবং ফুটবলভিত্তিক বিভিন্ন ইনফ্ল্যাটেবল গেম। এছাড়া সংগীত পরিবেশনা, উপহার বিতরণ এবং নানা চমকপ্রদ কার্যক্রম দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।   অনুষ্ঠানে আটলান্টিক সিটির মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরাও পরিবার নিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।   ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জয় পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে দর্শকদের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। খেলা শেষে সমর্থকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজনস্থল।   আয়োজকরা জানান, বিশ্বকাপকে ঘিরে এমন আয়োজন স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সামাজিক বন্ধন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও জোরদার করবে।

বায়জিদ হাসান জুন ১৫, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
আটলান্টিক সিটিতে মেয়রের শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচি ঘোষণা, আবেদন ১৫ জুন পর্যন্ত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে মেয়রের শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকালে লেফট্যানেন্ট গভর্নর শিলা অলিভার প্লাজায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিটি মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র চলতি বছরের স্কলারশিপের অর্থের পরিমাণ ও আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তুলে ধরেন।   ২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই বিশেষ শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় এবার মোট ৫২টি স্কলারশিপ প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ২০২৬ সালের হাইস্কুল সিনিয়র শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০টি এবং ট্রেড স্কুল, মাস্টার্স ও ডক্টরাল ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য ১২টি স্কলারশিপ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যোগ্য শিক্ষার্থীরা প্রত্যেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত বৃত্তি পেতে পারেন।   বৃত্তির শর্ত অনুযায়ী আবেদনকারীকে অবশ্যই আটলান্টিক সিটির স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীকে ২০২৬ সালের গ্র্যাজুয়েটিং ক্লাসের সদস্য অথবা সম্প্রতি মাস্টার্স কিংবা ডক্টরাল প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া থাকতে হবে। পূর্ববর্তী বছরগুলোতে যারা এই স্কলারশিপ পেয়েছেন, তারা এবার নতুন করে আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন না। বৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে।   সিটি প্রশাসন জানায়, সিটি কর্মচারী ও কমিউনিটির সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বাধীন বৃত্তি কমিটি আবেদনপত্র মূল্যায়ন করবে। সম্পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক স্কোরিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচন করা হবে।   সংবাদ সম্মেলনে সিটি কাউন্সিল সভাপতি অ্যারন রেনডলফ, সহসভাপতি কলিম শাহবাজ এবং কাউন্সিলর এট লার্জ স্টিফেনি মার্শালসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের আগামী সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৪টার মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

তাবাস্সুম জুন ১০, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
আটলান্টিক সিটিতে বেংগল ক্লাবের ‘বিশ্বকাপ উন্মাদনা’

ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতে অনেকেই বাসা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়িতে বিভিন্ন দেশের পতাকা টাঙিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। এই উন্মাদনার অংশ হিসেবে গত ৪ জুন বৃহস্পতিবার রাতে আটলান্টিক সিটির বেংগল ক্লাব তাদের নিজস্ব মিলনায়তনে আয়োজন করে ‘বিশ্বকাপ উন্মাদনা’ অনুষ্ঠান। প্রিয় দলের জার্সি পরে এবং হাতে পতাকা নিয়ে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এতে অংশ নেন। পুরো মিলনায়তন সাজানো হয় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের জাতীয় পতাকায়।   অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাস ছিল সবচেয়ে বেশি। প্রিয় দলের পক্ষে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো আয়োজন। অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের সমর্থিত দলের সাফল্য কামনা করেন এবং বিশ্বকাপের থিম সংয়ের সঙ্গে নাচ-গান ও আনন্দ-উৎসবে অংশ নেন।   এ সময় প্রবাসী ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ তর্ক-বিতর্ক, খুনসুটি ও আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয়। একজন অংশগ্রহণকারী বলেন, বিশ্বকাপ এলেই প্রবাসে বাংলাদেশের মতোই উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়। সবাই নিজ নিজ দলের সমর্থনে একত্রিত হন, তবে সবকিছুর মধ্যেই সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্ব বজায় থাকে।   বেংগল ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলী চৌধুরী তাননু এবং সাধারণ সম্পাদক কাজল বাড়ৈ অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজন ও অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান।   নৈশভোজের মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

তাবাস্সুম জুন ৭, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
আটলান্টিক সিটিতে বিএএসজের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির উদ্যোগে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে।   রোববার (৩ মে) রাতে স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই জার্সি উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, আগামী ১০ মে রোববার সকাল ৯টায় আটলান্টিক সিটির বদর ফিল্ডে টুর্নামেন্টটি শুরু হবে। বিএএসজের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় মোট আটটি দল অংশ নিচ্ছে।   তাদের মতে, এই আয়োজনের লক্ষ্য হচ্ছে ক্রিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কমিউনিটির মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলা।   টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন আটলান্টিক সিটির মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র।   বিএএসজের সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক জাকিরুল ইসলাম খোকা, ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি আবদুর রফিক, টুর্নামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক শাহ মাহমুদ এবং সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম ক্রীড়াপ্রেমী ও কমিউনিটির সদস্যদের এই আয়োজন উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাবাস্সুম মে ৩, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
আটলান্টিক সিটির মেয়রের অভিষেক গালা ৩০ মে, কমিউনিটির জন্য বড় তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটির মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র-এর অভিষেক গালা অনুষ্ঠান আগামী ৩০ মে (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। শহরের হার্ডরক ক্যাসিনোতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় কমিউনিটিতে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে।   সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, এই গালা কেবল আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়; বরং এটি কমিউনিটির কল্যাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তিনি জানান, এই আয়োজন থেকে অন্তত ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র জানান, অনুষ্ঠানের ব্যয় মেটানোর পর অবশিষ্ট অর্থ স্থানীয় বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হবে। এসব সংস্থা যুবসমাজের উন্নয়ন, প্রবীণ নাগরিকদের সহায়তা, বহুজাতিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং শিল্পকলার বিকাশে কাজ করে।   সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, তহবিলের একটি অংশ বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।   এ সময় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সি-এর সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবুল এবং কাউন্সিলর অ্যাট লার্জ সোহেল আহমেদ বক্তব্য দেন। তারা মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।   সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি, স্থানীয় অলাভজনক সংস্থার সদস্য এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম এপ্রিল ২১, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে এসেছে বড় অগ্রগতি। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

তাবাস্সুম জুলাই ২০, ২০২৬ ১৪:০