সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

১ লাখ ডলারের বেশি বেতন! যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়ছে যে ১৩ চাকরির চাহিদা, জেনে নিন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ ২:১৩
১ লাখ ডলারের বেশি বেতন! যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়ছে যে ১৩ চাকরির চাহিদা
১ লাখ ডলারের বেশি বেতন! যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়ছে যে ১৩ চাকরির চাহিদা

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী এক দশকে ১ লাখ ডলারের বেশি বার্ষিক বেতন পাওয়া যায় এমন বেশ কয়েকটি পেশায় কর্মসংস্থান দ্রুত বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির শ্রম বিভাগ। তালিকায় স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও বিজ্ঞানভিত্তিক একাধিক পেশা রয়েছে।

 

শ্রম বিভাগের সর্বশেষ কর্মসংস্থান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মোট কর্মসংস্থান বাড়বে প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এর বিপরীতে, তালিকার সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা পেশা নার্স প্র্যাকটিশনারদের চাকরি বাড়তে পারে ৪১ শতাংশ।

 

২০২৫ সালে নার্স প্র্যাকটিশনারদের গড় বার্ষিক বেতন ছিল প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৩০০ ডলার। এই পেশায় আগামী ১০ বছরে প্রায় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮০০ নতুন চাকরি তৈরি হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

 

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেটা সায়েন্টিস্ট। ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে এ পেশায় কর্মসংস্থান বাড়তে পারে ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০২৫ সালে এ পেশার মধ্যম বার্ষিক বেতন ছিল প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ২৩০ ডলার।

 

তৃতীয় অবস্থানে থাকা মেডিকেল অ্যান্ড হেলথ সার্ভিসেস ম্যানেজারদের চাকরি বাড়তে পারে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ। এ পেশায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ১০০টি নতুন চাকরি তৈরির পূর্বাভাস রয়েছে এবং ২০২৫ সালে মধ্যম বার্ষিক বেতন ছিল প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৬০ ডলার।

 

তালিকায় কম্পিউটার ও তথ্য গবেষণা বিজ্ঞানীদের চাকরি বাড়ার হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। এ পেশায় ২০২৫ সালের মধ্যম বার্ষিক বেতন ছিল প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ ডলার।

 

ফিজিশিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্টদের চাকরি বাড়তে পারে ২১ দশমিক ১ শতাংশ। এ পেশায় মধ্যম বার্ষিক বেতন প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৮০ ডলার। একই সময়ে ইনফরমেশন সিকিউরিটি অ্যানালিস্টদের চাকরি বাড়ার পূর্বাভাস ২১ শতাংশ এবং তাদের মধ্যম বার্ষিক বেতন প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার ১৮০ ডলার।

 

এ ছাড়া পোস্টসেকেন্ডারি হেলথ স্পেশালটি শিক্ষকদের চাকরি ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ, কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ম্যানেজারদের ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং অকুপেশনাল থেরাপিস্টদের ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে।

 

তালিকার বাকি পেশাগুলোর মধ্যে রয়েছে মেডিকেল সায়েন্টিস্ট, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার, বায়োকেমিস্ট ও বায়োফিজিসিস্ট এবং ফিজিক্যাল থেরাপিস্ট। এসব পেশার ক্ষেত্রেও ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

 

শ্রম বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়তে থাকায় হেলথ কেয়ার ও সোশ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স খাতে কর্মীর চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। ২০৩৫ সাল পর্যন্ত এই খাতে প্রায় ২২ লাখ নতুন চাকরি যোগ হতে পারে, যা দেশটিতে তৈরি হতে যাওয়া মোট নতুন চাকরির প্রায় ৩৭ শতাংশ।

 

অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসারও চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আনছে। ডেটা সায়েন্টিস্ট এবং কম্পিউটার ও তথ্য গবেষণা বিজ্ঞানীদের মতো প্রযুক্তিনির্ভর পেশাগুলো উচ্চ বেতনের পাশাপাশি দ্রুত বর্ধনশীল চাকরির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগের এই নতুন পূর্বাভাসে ৮০০টির বেশি পেশা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কর্মসংস্থানের হিসাব ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের পূর্বাভাসের ভিত্তিতে এবং বেতনের সর্বশেষ তথ্য নেওয়া হয়েছে ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
মাদকের আসক্তি ও গৃহহীনতা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪.০ জিপিএ নিয়ে গ্র্যাজুয়েট ড্যানি
মাদকের আসক্তি ও গৃহহীনতা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪.০ জিপিএ নিয়ে গ্র্যাজুয়েট ড্যানি

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা সিটির ড্যানি এলার্ডের জীবন একসময় ছিল মাদকাসক্তি, গৃহহীনতা আর অনিশ্চয়তায় ভরা। প্রায় ১৫ বছর আসক্তির সঙ্গে লড়াই করার পর একপর্যায়ে তাঁকে আন্তঃরাজ্য মহাসড়কের একটি ওভারপাসের নিচে মাত্র ৯২ পাউন্ড ওজনের অবস্থায় খুঁজে পায় পুলিশ। তখন তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় পুলিশ প্রথমে তাঁকে আটক করতে চেয়েছিল। কিন্তু শারীরিক অবস্থা দেখে হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁর জীবন এবং সংক্রমিত হাত বাঁচানোর চেষ্টা করেন।    হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পর হাতে থাকা সামান্য কাপড়চোপড় নিয়ে ড্যানি যোগ দেন হোপ ইজ অ্যালাইভ নামের একটি পুনর্বাসন কর্মসূচিতে। এরপর ধীরে ধীরে শুরু হয় তাঁর নতুন জীবন। তিনি মাদকাসক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন এবং অন্যদের পুনর্বাসনেও সহায়তা করতে শুরু করেন।   ২০২৩ সালে ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটি-ওকলাহোমা সিটিতে কম্পিউটার ইনফরমেশন সিস্টেমস বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন ড্যানি। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি কাজ করতেন এবং একটি রিকভারি হোমের দায়িত্বও সামলাতেন। শেষ পর্যন্ত ৪.০ জিপিএ নিয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিতেও তাঁর ৪.০ জিপিএসহ গ্র্যাজুয়েশনের তথ্য রয়েছে।    পড়াশোনার পাশাপাশি গৃহহীন মানুষ ও মাদকাসক্তদের সহায়তায়ও যুক্ত হন ড্যানি। ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটি-ওকলাহোমা সিটির তথ্য অনুযায়ী, তিনি সিটি কেয়ারে শেল্টার অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করেন এবং গৃহহীন মানুষের সহায়তায় যুক্ত রয়েছেন। তাঁর নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাই অন্যদের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।    নিজের পুনরুদ্ধারের অভিজ্ঞতা নিয়ে ড্যানি লিখেছেন বই ‘রিকভারি ইজ পসিবল’। তাঁর লক্ষ্য, মাদকাসক্তি ও গৃহহীনতার সঙ্গে লড়াই করা মানুষকে বোঝানো যে জীবন বদলানোর সুযোগ শেষ হয়ে যায় না।   একসময় যিনি রাস্তায় গৃহহীন অবস্থায় দিন কাটিয়েছেন, সেই ড্যানিই এখন অন্যদের ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখাচ্ছেন। তাঁর জীবন দেখাচ্ছে, অতীত যত কঠিনই হোক, সঠিক সহায়তা, চিকিৎসা এবং নিজের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নতুন ভবিষ্যতের দরজা খুলে দিতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ ৩:১৫
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট স্কোর না থাকলেও অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়ার ৭টি কার্যকর উপায়

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট স্কোর না থাকলেও অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়ার ৭টি কার্যকর উপায়

১ লাখ ডলারের বেশি বেতন! যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়ছে যে ১৩ চাকরির চাহিদা

১ লাখ ডলারের বেশি বেতন! যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়ছে যে ১৩ চাকরির চাহিদা, জেনে নিন

রুশ ধনকুবেরের সঙ্গে এফবিআই কর্মকর্তার গোপন যোগাযোগ ফাঁস করা নারী মৃত উদ্ধার

রুশ ধনকুবেরের সঙ্গে এফবিআই কর্মকর্তার গোপন যোগাযোগ ফাঁস করা নারী মৃত উদ্ধার

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি হারিয়েছে প্রায় ২৫ লাখ শিশু
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি হারিয়েছে প্রায় ২৫ লাখ শিশু

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ২৫ লাখ শিশু মেডিকেইড ও শিশুদের স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি বা চিপের আওতা থেকে বাদ পড়েছে। জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলিজের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারির তুলনায় দেশজুড়ে শিশুদের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিতে নিবন্ধন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।   তবে এর অর্থ এই নয় যে, বাদ পড়া ২৫ লাখ শিশুর প্রত্যেকেই সরাসরি চিকিৎসা সুবিধা হারিয়েছে। মূলত মেডিকেইড ও চিপে শিশুদের নিবন্ধনের সংখ্যা কমেছে। গবেষকদের আশঙ্কা, এই পতনের একটি অংশের কারণে শিশুরা স্বাস্থ্যবিমাহীন হয়ে পড়তে পারে।   জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে শিশুদের মেডিকেইড ও চিপে নিবন্ধন ১০ শতাংশের বেশি কমেছে। সবচেয়ে বড় পতন দেখা গেছে ইন্ডিয়ানায়। সেখানে শিশুদের নিবন্ধন ২৩ শতাংশেরও বেশি কমেছে। বিপরীতে, একই সময়ে কলোরাডো ও হাওয়াইয়ে শিশুদের এই দুই কর্মসূচিতে নিবন্ধন বেড়েছে।   জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলিজের নির্বাহী পরিচালক জোয়ান আলকার বলেন, শিশুদের মেডিকেইডে নিবন্ধন কমে গেলে সাধারণত স্বাস্থ্যবিমাহীন শিশুর সংখ্যা বাড়ে। এর ফলে পরিবারগুলোর জন্য শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।   এই পরিস্থিতি এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ও রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস মেডিকেইড ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। ২০২৫ সালে পাস হওয়া ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে আগামী ১০ বছরে মেডিকেইড ব্যয়ে প্রায় ৯০০ বিলিয়ন ডলার কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।   নতুন আইনের বেশ কিছু পরিবর্তন আগামী বছর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। এর মধ্যে মেডিকেইড সুবিধা ধরে রাখতে বাড়তি কাগজপত্র জমা দেওয়া এবং নিবন্ধন যাচাইয়ের মতো প্রশাসনিক শর্ত রয়েছে। কিছু প্রাপ্তবয়স্ক সুবিধাভোগীর ক্ষেত্রে মাসে ৮০ ঘণ্টা কাজ, স্বেচ্ছাসেবা অথবা পড়াশোনার শর্তও চালু হওয়ার কথা রয়েছে।   তবে শিশুদের মেডিকেইড ও চিপে নিবন্ধন কমে যাওয়ার পুরো কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, নতুন করে বড় ধরনের মেডিকেইড কাটছাঁট পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার আগেই শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা কভারেজে এই পতন শুরু হয়েছে। ফলে প্রশাসনিক জটিলতা, নিবন্ধন নবায়নের প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য কারণও এতে ভূমিকা রাখতে পারে।   গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করেছে, শিশুদের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কভারেজ আরও কমতে থাকলে স্বাস্থ্যবিমাহীন শিশুর সংখ্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিমার আওতার বাইরে চলে যাওয়া শিশুদের নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে উঠতে পারে।   জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির রাজ্যভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করে শিশুদের মেডিকেইড ও চিপে নিবন্ধনের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর শিশুদের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিতে প্রায় ২৫ লাখের নিবন্ধন কমে যাওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ ০:৩১
ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হলেন বুয়েটের লুৎফুর রহমান

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হলেন বুয়েটের লুৎফুর রহমান

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে শিশুদের পাসপোর্ট নিয়মে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপ, শিশুদের পাসপোর্ট পেতে বাবা মায়ের বৈধতার প্রমাণ দিতে হবে

সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত নিহত মার্কিন সেনার স্ত্রী ও তিন সন্তান। ছবি: সংগৃহীত

আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ যুদ্ধ ঘোষণা না করায় সুবিধা বঞ্চিত ইরানে নিহত মার্কিন সেনার পরিবার

মেটার নতুন নীতি কার্যকর হলে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সীরা দিনে মাত্র ২ ঘণ্টা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম চালাতে পারবে। ছবি: সংগৃহীত
দিনে মাত্র ২ ঘণ্টা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের সুযোগ পাবে কিশোররা, নতুন নিয়ম আনছে মেটা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ইনস্টাগ্রাম কি নতুন যুগে সিগারেটের জায়গা নিতে যাচ্ছে? মেটার প্রস্তাবিত নতুন কিছু বিধিনিষেধ অন্তত সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। অপ্রাপ্তবয়স্করা কীভাবে ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুক ব্যবহার করবে, সে বিষয়ে সম্প্রতি একটি বড় ধরনের চুক্তিতে সম্মত হয়েছে মেটা। এই পদক্ষেপ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ঠিক সেভাবেই বিবেচনা করতে শুরু করেছে, যেভাবে তারা একসময় সিগারেটকে করেছিল। অর্থাৎ এটিকে একটি আইনি ভোগ্যপণ্য হিসেবে ধরা হচ্ছে, যার ব্যবহারের ঝুঁকি কমানোর দায়ভার খোদ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ওপরই বর্তাবে।   গত বুধবার ঘোষণা করা এই চুক্তিটি এখনও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এটি কার্যকর হলে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিদিন সম্মিলিতভাবে দুই ঘণ্টার একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। একইসঙ্গে রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে তাদের প্রবেশাধিকার বন্ধ থাকবে। এছাড়া স্কুলের সময়টাতে নোটিফিকেশন সীমিত করা এবং বয়স যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার কথা বলা হয়েছে এই চুক্তিতে। মেটা ঠিকমতো এসব নিয়ম মেনে চলছে কি না, তা তদারকি করবে একটি স্বাধীন নিরীক্ষক দল ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যগুলোর কর্তৃপক্ষ।   দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব পরিবারের ওপরই চাপিয়ে রাখা হয়েছিল। মেটা এতদিন অভিভাবকদের জন্য কিছু টুল বা সুবিধা দিয়ে আসছিল, যার মাধ্যমে তারা সন্তানদের অ্যাপ ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারতেন। কিশোরদের ফোন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হতো এবং অভিভাবকের তদারকিকেই একমাত্র সমাধান হিসেবে প্রচার করা হতো। কিন্তু প্রস্তাবিত এই নতুন চুক্তি সেই পুরোনো ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে। এখন কোনো পরিবার আলাদাভাবে বিধিনিষেধ আরোপের অনুরোধ করুক বা না করুক, মেটাকে নিজ থেকেই সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। তামাক বা সিগারেট শিল্পের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল। সেখানেও ব্যবহারকারীর আচরণ নিয়ন্ত্রণের বদলে পণ্য এবং বিক্রেতা কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হয়েছিল।   সিগারেট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি অনেক আগেই বদলাতে শুরু করেছিল। একসময় ধূমপানকে নিছকই ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু নীতিনির্ধারকরা যখন বুঝতে পারলেন এটি মানুষের জন্য ক্ষতিকর, তখন তারা পণ্যটি তৈরি ও বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর ওপর দায়বদ্ধতা চাপিয়ে দেন। ফলে সাধারণ সামাজিক জীবনের অংশ হিসেবে বিবেচিত ধূমপান এমন একটি পণ্যে পরিণত হয়, যা মূলত শিশু ও সাধারণ মানুষকে এর ঝুঁকি থেকে রক্ষার জন্য নানা বিধিনিষেধের বেড়াজালে আবদ্ধ।   ১৯৯৮ সালের টোব্যাকো মাস্টার সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট এই পরিবর্তনকে একটি আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। ওই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য বড় বড় সিগারেট প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। সেখানে তরুণদের লক্ষ্য করে চালানো বিজ্ঞাপন, প্রচার ও অন্যান্য কৌশলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল এবং কোম্পানিগুলোর ওপর বড় অঙ্কের আর্থিক দায়বদ্ধতা চাপানো হয়েছিল।   মেটার নতুন প্রস্তাবিত চুক্তিটিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষেত্রে অনেকটা সেরকমই একটি মোড় ঘোরানো পরিবর্তন। সন্তান কতক্ষণ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করবে, তা কেবল অভিভাবকদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার বদলে মেটাকে এখন নিজ থেকেই অপ্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহারের ওপর লাগাম টানতে হবে। যদি এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুমোদিত হয়, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এর দায়ভার পণ্য ব্যবহারকারী পরিবারের কাছ থেকে সরাসরি পরিবেশক কোম্পানির কাঁধে চলে যাবে।   অবশ্য সিগারেটের সঙ্গে এই তুলনার কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মানসিক ও সামাজিক নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও সিগারেটের মতো সরাসরি শারীরিক স্বাস্থ্যঝুঁকি এর নেই। তবে নীতিনির্ধারকদের যুক্তি এখানে বেশ পরিচিত। যখন তারা দেখেন যে শুধুমাত্র দায়িত্বশীল ব্যবহারের পরামর্শ যথেষ্ট নয়, তখন তারা সরাসরি পণ্যটিকেই নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেন।   কিশোরদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত আসক্তি এবং পরিসংখ্যানগত উদ্বেগের কথা বিবেচনা করলে এটি নিঃসন্দেহে একটি দুর্দান্ত সূচনা। তবে ইনস্টাগ্রামের ওপর দুই ঘণ্টার সীমাবদ্ধতা খুব একটা কাজে আসবে না, যদি কিশোররা সহজেই টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট বা ইউটিউবের মতো অন্য প্ল্যাটফর্মে চলে যাওয়ার সুযোগ পায়। কোনো স্থায়ী পরিবর্তন আনতে হলে পুরো প্রযুক্তি শিল্পজুড়েই এ ধরনের বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়া জরুরি।   এখানেও সিগারেটের উদাহরণটি প্রাসঙ্গিক। তামাক নিয়ন্ত্রণ কেবল একটি কোম্পানি বা একটি চুক্তির মাধ্যমেই থেমে থাকেনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিধিনিষেধগুলো পুরো শিল্পের জন্য নিয়ম বদলে দিয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও সম্ভবত একই পথে এগোচ্ছে। আগামী দিনে অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে প্রযুক্তিপণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যবহারিক সীমাবদ্ধতা হয়তো ব্যবসার একটি স্বাভাবিক শর্ত হয়ে দাঁড়াবে।   আর যখন তা হবে, তখন এই চুক্তিটি কেবল কিশোররা দিনে কত ঘণ্টা ফোন ব্যবহার করতে পারবে সেই আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং এটি এমন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে যেখানে শিশুদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোকেই অনেকটা অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে হবে।   খবরের সূত্র: নিউজউইক

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ২১:২৫
জিরো ক্লিক অ্যাটাকের মাধ্যমে স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ না নিয়েই মেসেজিং অ্যাপের তথ্য চুরি করতে সক্ষম গ্রাফাইট। ছবি: সংগৃহীত

ফোনে গোপনে নজরদারি করতে পারে ‘গ্রাফাইট’, এই স্পাইওয়্যার নির্মাতার সঙ্গে আইসিইর ২০ লাখ ডলারের চুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া এখন আরও কঠিন, ৯৪ শতাংশ অ্যাসাইলাম আবেদন বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া এখন আরও কঠিন, ৯৪ শতাংশ অ্যাসাইলাম আবেদন বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকা বা বের হওয়ার সময় $১০ হাজারের বেশি নগদে ঘোষণা বাধ্যতামূলক, না করলে জব্দের ঝুঁকি

যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকা বা বের হওয়ার সময় $১০ হাজারের বেশি নগদে ঘোষণা বাধ্যতামূলক, না করলে জব্দের ঝুঁকি

0 Comments