বলিউড

ইমরান হাশমি ও দিশা পাটানি। ছবি: ইন্সটাগ্রাম
দিশা পাটানিকে নিয়ে ফিরছেন ইমরান হাশমি, আসছে ‘আওয়ারাপন ২’

বলিউডের জনপ্রিয় কাল্ট সিনেমা ‘আওয়ারাপন’-এর প্রায় ১৯ বছর পর আসছে এর সিকুয়েল ‘আওয়ারাপন ২’। ছবিটির মাধ্যমে আবারও প্রধান চরিত্রে ফিরছেন অভিনেতা ইমরান হাশমি। আর প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন অভিনেত্রী দিশা পাটানি। ছবির গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাবানা আজমি।   ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া মোহিত সুরি পরিচালিত ‘আওয়ারাপন’ মুক্তির সময় বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও পরবর্তীতে এটি দর্শকদের কাছে কাল্ট মর্যাদা লাভ করে। ছবির গল্প, ইমরান হাশমির অভিনয় এবং গানগুলো আজও দর্শকদের কাছে সমান জনপ্রিয়।   তবে সিকুয়েলে পরিচালকের আসনে নেই মোহিত সুরি। এবার ছবিটি পরিচালনা করছেন নীতিন কাক্কর। প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন মুকেশ ভাট।   রোববার প্রকাশ পাচ্ছে ‘আওয়ারাপন ২’-এর প্রথম টিজার। এর মধ্য দিয়েই শুরু হচ্ছে ছবিটির প্রচারণা। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির আগে টানা এক মাস ধরে চলবে ছবির প্রচার কার্যক্রম।   প্রথমে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ছবিটি মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও পরে মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করা হয়। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, বড় বাজেটের ‘ধুরন্ধর’ ও ‘টক্সিক’ ছবির সঙ্গে বক্স অফিসে সংঘর্ষ এড়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘আওয়ারাপন ২’।   প্রথম ছবির মতো এবারও সংগীতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন রোমান্টিক গানের পাশাপাশি ‘তো ফির আও’ এবং ‘তেরা মেরা রিস্তা’ গানের নতুন সংস্করণও ছবিতে রাখা হতে পারে বলে জানা গেছে।   ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন বিলাল সিদ্দিকি। বলিউড বিশ্লেষকদের মতে, ‘আওয়ারাপন ২’ ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে পারে। একই সঙ্গে দিশা পাটানির জন্যও এটি বড় একটি পরীক্ষা। জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন কিস্তি দর্শকদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।   সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

Unknown জুন ২৮, ২০২৬ ১৪:০
দিওয়ানায় শাহরুখ ও দিব্যা ভারতী। ছবি: সংগৃহীত
শাহরুখের প্রথম ছবি ছাড়লেন বিজয়ের বাবা, মাঝপথে সরে গেলেন নায়ক: যেভাবে তৈরি হয়েছিল ‘দিওয়ানা’

১৯৯২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দিওয়ানা’ শুধু একটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রই ছিল না, এটি ছিল বলিউডে শাহরুখ খানের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা। ছবিটি সেই বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা হিন্দি চলচ্চিত্রে পরিণত হয় এবং শাহরুখকে প্রথম সারির নায়কের আসনে বসিয়ে দেয়। তবে এই ছবি তৈরির পেছনে ছিল একের পর এক নাটকীয় ঘটনা।   সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল স্টোরিজ বাই শেখর-এ প্রকাশিত এক ভিডিওতে উঠে এসেছে ‘দিওয়ানা’ নির্মাণের নেপথ্যের নানা অজানা তথ্য। সেখানে পরিচালক পরিবর্তন, নায়কের সরে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্তে শাহরুখের যুক্ত হওয়ার মতো ঘটনাগুলো তুলে ধরা হয়েছে।     ১৯৮৯ সালে প্রযোজক গুড্ডু ধানোয়ার একটি ছবি বক্স অফিসে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি নতুন গল্পের খোঁজে চেন্নাই যান। সেখানে একটি তামিল ছবি দেখে সেটির হিন্দি রিমেক করার সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীতে সেই ছবিই ‘দিওয়ানা’ নামে নির্মিত হয়। মূল তামিল ছবির পরিচালক ছিলেন দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেতা বিজয়ের বাবা এস. এ. চন্দ্রশেখর। ছবিটির প্রযোজক ছিলেন বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর।   প্রথমে নায়িকার চরিত্রে মাধুরী দীক্ষিতকে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সময়সূচির জটিলতায় তিনি ছবিটি করতে পারেননি। পরে সেই চরিত্রে চূড়ান্ত হন দিব্যা ভারতী। অন্যদিকে রবির চরিত্রে নেওয়া হয় ঋষি কাপুরকে এবং দ্বিতীয় নায়ক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হন আরমান কোহলি। ছবির সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় জনপ্রিয় সুরকার জুটি নাদিম-শ্রাবণকে। পরে ছবির গানই এর সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত হয়।   শুটিং শুরুর আগেই বড় ধাক্কা আসে। অন্য কাজের ব্যস্ততার কারণে পরিচালক এস. এ. চন্দ্রশেখর প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর পরিচালনার দায়িত্ব পান রাজ কানওয়ার, যিনি তখন স্বাধীন পরিচালক হিসেবে নিজের প্রথম কাজের অপেক্ষায় ছিলেন।   এর কিছুদিন পর আরও বড় সংকট তৈরি হয়। প্রযোজনা-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে আরমান কোহলি ছবি ছেড়ে দেন। ফলে দ্বিতীয় নায়কের চরিত্রের জন্য নতুন মুখ খুঁজতে শুরু করেন নির্মাতারা। এই সময় পরিচালক শেখর কাপুর গুড্ডু ধানোয়াকে এক তরুণ টেলিভিশন অভিনেতার নাম প্রস্তাব করেন। ‘ফৌজি’ ও ‘সার্কাস’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরিচিত সেই অভিনেতাই ছিলেন শাহরুখ খান।   গুড্ডু ধানোয়া ও রাজ কানওয়ার দিল্লিতে গিয়ে শাহরুখের সঙ্গে দেখা করেন। তখন তিনি ইতোমধ্যে পাঁচটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন—‘দিল আশনা হ্যায়’, ‘কিং আঙ্কল’, ‘কভি হাঁ কভি না’, ‘রাজু বান গয়া জেন্টলম্যান’ ও ‘চমৎকার’ ব্যস্ততার কারণে প্রথমে তিনি ‘দিওয়ানা’র প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। পরে অন্য একটি ছবির শুটিং পিছিয়ে যাওয়ায় তার হাতে সময় তৈরি হয়। তখন চিত্রনাট্য শুনে চরিত্রটির বিদ্রোহী স্বভাব এবং বিধবা বিবাহকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা গল্প তাকে আকৃষ্ট করে। এরপরই ছবিতে অভিনয়ে সম্মতি দেন।   যদিও শাহরুখ আগে আরও পাঁচটি ছবিতে চুক্তি করেছিলেন, মুক্তির দিক থেকে ‘দিওয়ানা’ই ছিল তার প্রথম সিনেমা।১৯৯২ সালের ২৫ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটি সে বছর ‘বেটা’র পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা হিন্দি চলচ্চিত্রে পরিণত হয়।   ‘তেরি উমিদ তেরা ইন্তেজার’, ‘সোচেঙ্গে তুমহে পেয়ার করেঁ কি নাহি’ এবং ‘অ্যায়সি দিওয়ানগি’ গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। নাদিম-শ্রাবণ সেরা সংগীত পরিচালকের স্বীকৃতি পান এবং ‘সোচেঙ্গে তুমহে’ গানের জন্য কুমার শানু জিতে নেন সেরা পুরুষ কণ্ঠশিল্পীর পুরস্কার।   প্রযোজক গুড্ডু ধানোয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমা হলে শাহরুখের মোটরসাইকেলে প্রবেশের দৃশ্য দেখেই দর্শক উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। অনেকে আনন্দে পর্দার দিকে খুচরা টাকা ছুড়ে উদযাপন করেন। সেই মুহূর্তেই যেন বলিউড নতুন এক সুপারস্টারের আগমনের সাক্ষী হয়। এই ছবির জন্য শাহরুখ ফিল্মফেয়ার সেরা নবাগত অভিনেতার পুরস্কারও জিতে নেন।   ছবি মুক্তির আগে পরিবেশক মনমোহন দেশাই পরামর্শ দিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত নায়িকা যেন শাহরুখের চরিত্রের বদলে ঋষি কাপুরের চরিত্রের কাছেই ফিরে যান। এমনকি শাহরুখের চরিত্রকে শেষ পর্যন্ত মারা যাওয়ারও প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি।   তবে প্রযোজক গুড্ডু ধানোয়া ও পরিচালক রাজ কানওয়ার সেই পরামর্শ গ্রহণ করেননি। তাদের মতে, এতে বিধবা বিবাহকে কেন্দ্র করে ছবির মূল বার্তা নষ্ট হয়ে যেত।   শেষ পর্যন্ত মূল চিত্রনাট্য অপরিবর্তিত রেখেই মুক্তি পায় ‘দিওয়ানা’। তিন দশকেরও বেশি সময় পরও ছবিটি শুধু শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারের সূচনা নয়, বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় আত্মপ্রকাশের গল্প হিসেবেই বিবেচিত হয়।

Unknown জুন ২৭, ২০২৬ ১৪:০
এক প্রতিযোগী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের ছদ্মবেশে মঞ্চে হাজির হয়ে আলিয়াকে নিয়ে মজা করেন। কোলাজ
কমেডি শোতে ট্রাম্প সেজে আলিয়া ভাটকে নিয়ে কৌতুক, অভিনেত্রীর অস্বস্তি

স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স ও ইউটিউবে প্রচারিত জনপ্রিয় কমেডি শো ‘ইন্ডিয়াস গট ল্যাটেন্ট’-এর দ্বিতীয় মৌসুমের প্রথম পর্বে বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটকে ঘিরে একাধিক রোস্ট ও কৌতুকের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। পর্বটিতে একজন প্রতিযোগী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছদ্মবেশে মঞ্চে উঠে আলিয়াকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন, যা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।   শোটি সঞ্চালনা করেন স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান সময় রায়না। প্রথম পর্বে অতিথি বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমা ‘আলফা’র দুই অভিনেত্রী আলিয়া ভাট ও শর্বরী বাগ। পুরো পর্ব জুড়েই আলিয়াকে কেন্দ্র করে একাধিক রোস্ট পরিবেশিত হয়।   মঞ্চে থাকা প্রতিযোগী ট্রাম্পের ছদ্মবেশে আলিয়ার অভিনয় ও ‘স্ক্রিপ্ট’ নিয়ে কৌতুক করেন। ফর্ম পূরণের সময় আলিয়া কিছুটা হোঁচট খেলে তিনি মন্তব্য করেন, “ওকে কেউ একটা স্ক্রিপ্ট আর একজন পরিচালক দাও।” এই মন্তব্যে দর্শকদের একাংশ হাসলেও আলিয়া পুরো সময় তুলনামূলকভাবে নীরব ও সংযত থাকেন।   পরবর্তী পর্যায়ে প্রতিযোগী আরেকটি মন্তব্যে বলেন, “ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, তোমার আরেকজন রণবীর এখানে নেই।” পরে ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, এখানে তিনি আলিয়ার স্বামী রণবীর কাপুরকে নয়, ইউটিউবার রণবীর আল্লাহবাদিয়াকে ইঙ্গিত করেছিলেন। এই প্রসঙ্গে শোয়ের প্রথম মৌসুমে তৈরি হওয়া বিতর্কও আলোচনায় আসে।   এক পর্যায়ে সঞ্চালক সময় রায়না আলিয়াকে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিযোগীর পারফরম্যান্স তাকে অবাক করেছে এবং পরিস্থিতিতে তিনি কিছুটা অস্বস্তি ও চাপ অনুভব করেছেন। পরে নম্বর দেওয়ার সময় তিনি প্রতিযোগীকে ১০-এর মধ্যে ১০ প্রদান করেন।   পর্বটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে বিভক্ত প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একাংশের মতে, আলিয়াকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রোস্ট করা হয়েছে। অন্যদিকে অনেকে মনে করছেন, এই ধরনের অনুষ্ঠানের কাঠামো সম্পর্কে আগেই ধারণা থাকা প্রয়োজন ছিল।   কিছু দর্শক আবার আলিয়ার জনসংযোগ (পিআর) টিমের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, এমন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ঠিক ছিল কি না তা নিয়ে আলোচনা করছেন তারা। তবে অন্য একটি অংশের মতে, এই ঘটনা এবং আলোচনাই আলিয়ার আসন্ন সিনেমা ‘আলফা’ ঘিরে বাড়তি প্রচারণা তৈরি করেছে।   বিনোদন বিশ্লেষকদের মতে, শো-এর নতুন মৌসুমও আগের মতোই বিতর্ক ও আলোচিত মুহূর্তে ভরপুর থাকছে, যা এর জনপ্রিয়তা আরও বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।

Unknown জুন ২০, ২০২৬ ১৪:০
আশরাফ হাকিমি ও নোরা ফাতেহি | ছবি: সংগৃহীত
ফুটবল তারকা আশরাফ হাকিমির প্রেমে মজেছেন নোরা ফাতেহি, নেটপাড়ায় জোর গুঞ্জন

বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি ও মরক্কো জাতীয় ফুটবল দলের তারকা ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমির মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। নোরা ফাতেহি এখন শুধু বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী নন, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের অবস্থান বেশ শক্ত করেছেন। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া ‘সির সির’ গানে তার নজরকাড়া উপস্থিতি বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে ক্যারিয়ারের এই বড় সাফল্যের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও এখন বিনোদন জগতে চলছে জোর গুঞ্জন। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে-নোরা কি সত্যিই মরক্কোর ফুটবল তারকা আশরাফ হাকিমির সঙ্গে নতুন করে কোনো প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন?   এই আলোচিত প্রেমের গুঞ্জনের মূল সূত্রপাত হয়েছিল গত ২০২৫ সালে। সে সময় নোরা ফাতেহি মরক্কোতে অনুষ্ঠিত আফ্রিকান কাপ অব নেশনস টুর্নামেন্টের একটি হাইভোল্টেজ ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন বিনোদনমাধ্যমে খবর ছড়ায় যে, তিনি নাকি কোনো এক ‘রহস্যময় ফুটবলারের’ খেলা দেখার জন্যই মাঠে ছুটে গিয়েছিলেন। ওয়ানডে বা টেস্টের মতো ফুটবলেও তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সমর্থকদের এমন তুমুল আগ্রহ সবসময়ই দেখা যায়।   তখন প্রাথমিকভাবে ওই ফুটবলারের সুনির্দিষ্ট পরিচয় প্রকাশ করা না হলেও পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সেই ব্যক্তি আর কেউ নন, প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি) ও মরক্কো জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি। পরবর্তীতে এই গুঞ্জনে নতুন মাত্রা যোগ করে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আকস্মিক ঘটনা। ভক্তরা হঠাৎ লক্ষ করেন, হাকিমি নোরার একটি ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সরাসরি ‘লাইক’ দিয়েছেন। এর পর থেকেই নেটপাড়ায় তাদের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা-কল্পনা আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।   তবে সত্যিই কি তারা প্রেম করছেন—এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত নোরা ফাতেহি কিংবা আশরাফ হাকিমি-দুজনের কেউই এই সম্পর্কের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। এমনকি তাদের একসাথে কোনো ছবি, যৌথ উপস্থিতি বা আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও এখন পর্যন্ত সামনে আসেনি, যা তাদের এই প্রেমের সম্পর্ককে নিশ্চিত করতে পারে। ফলে বর্তমানে পুরো বিষয়টি শুধুই গুঞ্জন ও প্রাথমিক জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।   বিনোদনজগতে এই ধরনের গুঞ্জন অবশ্য একদম নতুন কিছু নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সাধারণ ‘লাইক’ বা কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকাকে কেন্দ্র করে প্রায়ই তারকাদের সম্পর্কের মুখরোচক খবর ছড়িয়ে পড়ে। তাই নির্ভরযোগ্য ও চাক্ষুষ প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের দাবি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। এর আগে নোরা অতীতে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা গুজবের মুখোমুখি হয়েছেন। বিশেষ করে টি সিরিজের কর্ণধার ভূষণ কুমারের সঙ্গে তার নাম জড়ালে তিনি পরোক্ষভাবে তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন। এক টিকটক ভিডিওতে সেই গুঞ্জন নিয়ে আলোচনা হলে নোরা ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে মন্তব্য করেছিলেন, ‘ওয়াও’। তার সেই পুরোনো প্রতিক্রিয়া থেকে অনেকের ধারণা, ভিত্তিহীন ব্যক্তিগত গুজব তিনি মোটেও গুরুত্ব দিতে চান না।   অন্য দিকে মরক্কোর তারকা ফুটবলার আশরাফ হাকিমি বিগত ২০২০ সালে অভিনেত্রী হিবা আবুককে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেছিলেন। তাদের সংসারে দুটি সন্তানও রয়েছে। তবে ২০২৩ সালে এক জটিল পরিস্থিতিতে তাদের বৈবাহিক বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের সময় সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল। পরে অবশ্য দুজনই সন্তানদের যৌথভাবে লালন-পালনের আইনি সিদ্ধান্ত নেন। বিচ্ছেদের পর হাকিমির সঙ্গে ডাচ-মরোক্কান সুপারমডেল ইমান হাম্মামের সম্পর্কের গুঞ্জনও শোনা গিয়েছিল। তারা একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা দিলেও কেউই সেই সম্পর্কের সত্যতা স্বীকার করেননি। তবে সব মিলিয়ে নোরা ও হাকিমিকে নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল যে শিগগিরই কমছে না, সেটি বলাই বাহুল্য।

তাবাস্সুম জুন ১৩, ২০২৬ ১৪:০
অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম
দেড় বছরের কঠোর প্রস্তুতি, ‘হক’ সিনেমার জন্য কুরআন তেলওয়াত শিখেছেন ইয়ামি গৌতম!

বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম পর্দায় বরাবরই নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে প্রমাণ করেছেন। তবে তার সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘হক’-এ শাজিয়া বানোর চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে তিনি যে পরিশ্রম করেছেন, তা রীতিমতো আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক সুপর্ণ বর্মা জানিয়েছেন, এই সিনেমার প্রস্তুতির জন্য ইয়ামি কেবল চিত্রনাট্য মুখস্থ করেননি, বরং দীর্ঘ চার মাস সময় নিয়ে পবিত্র কুরআন তেলওয়াত করা শিখেছেন। এমনকি কুরআনের আরবি উচ্চারণ ও তার অর্থ বোঝার জন্য তিনি নিবিড় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। পরিচালক আরও জানান, সত্তরের দশকের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই সিনেমার বিষয়বস্তু যেহেতু অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আইনি জটিলতা নির্ভর, তাই তারা কোনো ভুল তথ্য দিতে চাননি। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে চলে ইসলামি আইন বা শরিয়া আইনের ওপর গবেষণা। ইয়ামি গৌতম তার চরিত্রে নিখুঁত হওয়ার জন্য এই গবেষণার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন। সিনেমাটি মূলত শাজিয়া বানো নামের এক নারীর লড়াইয়ের গল্প। স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করার পর প্রথম স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় আইনি লড়াই। নিজের অধিকার বা ‘হক’ আদায়ের এই কাহিনীটি ভারতীয় মুসলিম ব্যক্তিগত আইন ও ধর্মনিরপেক্ষ আইনের এক দ্বন্দ্বকে তুলে ধরেছে। পরিচালক সুপর্ণ বর্মার মতে, বর্তমান সময়ে তথ্যের বিকৃতি ও বিভ্রান্তি রোধ করতেই তারা দীর্ঘ সময় নিয়ে সঠিক তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির পর থেকেই দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে ‘হক’। বক্স অফিসেও সিনেমাটি প্রায় ৩০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। কোনো রকম চটকদার বিজ্ঞাপন ছাড়াই কেবল কাহিনীর গুণে সিনেমাটি তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।  

ইসমাইল হোসাইন এপ্রিল ২২, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত।
শাহরুখ খানের সঙ্গে আজমির শরিফ পরিদর্শন, সেই ‘ভয়ংকর’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন দেহরক্ষী

বলিউড বাদশা শাহরুখ খানকে এক নজর দেখার জন্য ভক্তদের পাগলামি নতুন কিছু নয়। কিন্তু এই ভালোবাসাই যে কখনো প্রাণঘাতী পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে, তা আবারও মনে করিয়ে দিলেন শাহরুখের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ইউসুফ ইব্রাহিম। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ২০১১ সালে আজমির শরিফ দরগাহ পরিদর্শনে গিয়ে শাহরুখের সেই শিউরে ওঠা অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি। ইউসুফ জানান, দিনটি ছিল শুক্রবার। জুমার নামাজের সময় হওয়ায় এমনিতেই দরগাহ প্রাঙ্গণে ছিল উপচে পড়া ভিড়। তার ওপর শাহরুখ খানের উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ভক্তদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় নিরাপত্তা কর্মীদের। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি এতটাই জটিল আকার ধারণ করে যে, পুলিশ লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়। সেই দিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ইউসুফ বলেন, "আমার পেশাগত জীবনে ওই একটি ঘটনাই ছিল যা আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। ভিড়ের চাপে আমরা নিজেদের ইচ্ছেমতো হাঁটতে পর্যন্ত পারছিলাম না। মানুষ আমাদের ধাক্কা দিয়ে ভেতরে নিয়ে যাচ্ছিল, আবার ধাক্কা দিয়েই গাড়ির কাছে ফিরিয়ে এনেছিল।" তবে এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতেও বিচলিত হননি শাহরুখ খান। দেহরক্ষী ইউসুফ জানান, কিং খান অত্যন্ত শান্ত ছিলেন এবং সম্পূর্ণভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর ভরসা রেখেছিলেন। ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাননি, যদিও লাঠিচার্জের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তিনি কিছুটা বিস্মিত হয়েছিলেন। শাহরুখ খানের প্রতি মানুষের এই উন্মাদনা এবং তার বিনয়ী আচরণের গল্পটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন বেশ চর্চিত হচ্ছে। ভক্তদের ভালোবাসার যেমন সীমা নেই, তেমনি পর্দার পেছনের এই নায়কদের (দেহরক্ষী) চ্যালেঞ্জগুলোও যে কতটা কঠিন, ইউসুফের এই স্মৃতিচারণ যেন তারই প্রমাণ।  

ইসমাইল হোসাইন এপ্রিল ২১, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত।
বৃষ্টি ও ভূমিকম্পের তাণ্ডব: ধসে পড়ল রাজ কাপুরের পৈত্রিক ভিটে ‘কাপুর হাভেলি’

প্রকৃতির রুদ্ররূপ আর দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অবহেলার চরম মূল্য দিতে হলো ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি রাজ কাপুরের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘কাপুর হাভেলি’কে। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের পেশোয়ারে অবস্থিত এই শতবর্ষী অট্টালিকাটির একটি বড় অংশ সাম্প্রতিক প্রবল বৃষ্টিপাত এবং শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে ধসে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশোয়ারের ঐতিহাসিক কিসসা খানি বাজারে অবস্থিত এই ভবনটির একটি অংশ গত শুক্রবার রাতে বিকট শব্দে ভেঙে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি এমনিতেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও ভূ-কম্পন সেই ভঙ্গুর কাঠামোকে চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করায় এই বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়নি। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হেরিটেজ কাউন্সিলের সচিব শাকিল ওয়াহিদুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভূমিকম্প পরবর্তী কম্পনে হাভেলিটির দেয়ালের একটি বড় অংশ ধসে গেছে। সৌভাগ্যবশত এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে অবশিষ্ট কাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তিনি দ্রুত প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ও প্রাদেশিক সরকারকে এই ঐতিহ্যবাহী ভবনটি সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইতিহাসের এক ম্লান অধ্যায়: এই কাপুর হাভেলি নির্মাণ করেছিলেন রাজ কাপুরের পিতামহ দেওয়ান বাশ্বেশ্বরনাথ কাপুর। এখানেই জন্ম নিয়েছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা রাজ কাপুর এবং তাঁর কাকা ত্রিলোক কাপুর। গত শতাব্দীর ৩০-এর দশকে পৃথ্বীরাজ কাপুর মুম্বাই পাড়ি দিলেও দেশভাগের আগে পর্যন্ত এটিই ছিল কাপুর পরিবারের মূল শিকড়। অবহেলার দীর্ঘ খতিয়ান: ২০১৬ সালে পাকিস্তান সরকার এই ভবনটিকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করলেও বাস্তবে এর কোনো সংস্কার হয়নি। ১৯৪৭ সাল থেকে পরিত্যক্ত প্রায় ৪০টি কক্ষের এই বিশাল অট্টালিকাটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে চলেছে। ঋষি কাপুর ও রণধীর কাপুর তাঁদের পৈত্রিক ভিটেটি রক্ষার জন্য বারবার পাকিস্তান সরকারের কাছে আবেদন জানালেও সেই আবেদন শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পেশোয়ারের ইতিহাস থেকে চিরতরে মুছে যাবে ভারতীয় চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী।

Unknown এপ্রিল ৪, ২০২৬ ১৪:০
কার্তিক আরিয়ান। ছবি: সংগৃহীত
কেন হঠাৎ বিমান চালানো শিখছেন কার্তিক আরিয়ান, জানা গেল কারণ

বলিউডের তরুণ দর্শকপ্রিয় অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান নতুন সিনেমার প্রস্তুতিতে বাস্তবিকভাবেই পাইলট হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। অভিনয় থেকে বিরতি নয়, বরং আসন্ন চলচ্চিত্রের চরিত্রের প্রয়োজনে তিনি এই দক্ষতা অর্জন করছেন।   তার অভিনীত এরিয়াল অ্যাকশনধর্মী ছবি ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া-এর জন্যই এই বিশেষ প্রস্তুতি। ছবিটিতে একজন কমার্শিয়াল পাইলটের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে, যে নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে বহু যাত্রীকে উদ্ধার করে।   সিনেমাটির পরিচালক শিমিত আমিন, যিনি চাক দে! ইন্ডিয়া পরিচালনার মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন তিনি, এবং এটি হবে ২০০৯ সালের পর তার প্রথম বড় ফিচার ফিল্ম।   জানা গেছে, পরিচালক চান না পর্দায় কৃত্রিমভাবে বিমান চালানোর অভিনয় হোক। তাই কার্তিক বর্তমানে পেশাদার পাইলটদের কাছ থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, যাতে শুটিংয়ের আগেই পুরোপুরি প্রস্তুত হতে পারেন।   সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই ছবির শুটিং আগামী জুলাই থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের পাশাপাশি মরক্কোর বিভিন্ন লোকেশনেও দৃশ্যধারণ করা হবে।

তাবাস্সুম মার্চ ২৭, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে এসেছে বড় অগ্রগতি। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

তাবাস্সুম জুলাই ২০, ২০২৬ ১৪:০