সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

যৌন সহিংসতা

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক বছরে ৮ হাজারের বেশি ধ র্ষণের অভিযোগ, শীর্ষে ইউনিভার্সিটি অব উটাহ
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক বছরে ৮ হাজারের বেশি ধ র্ষণের অভিযোগ, শীর্ষে ইউনিভার্সিটি অব উটাহ

যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণের অত্যন্ত উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৪ সালে দেশটির বিভিন্ন ক্যাম্পাসে মোট ৮ হাজার ২২৭টি ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে সল্টলেক সিটির পাবলিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব উটাহ।   সেখানে এক বছরে রেকর্ড ১৪৬টি ধর্ষণের অভিযোগ জমা পড়েছে, যার মধ্যে ১২২টিই ঘটেছে আবাসিক হল বা ডর্মে। এই সংখ্যা তালিকায় থাকা দ্বিতীয় শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দ্বিগুণ।   ধর্ষণের এই জাতীয় তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো বোল্ডার, যেখানে ৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ৬৭টি অভিযোগ নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটি। এছাড়া শীর্ষ দশের তালিকায় থাকা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো পেন স্টেট ইউনিভার্সিটি, ইউসিএলএ, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান্তা ক্রুজ, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান্তা বারবারা, ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব কানসাস এবং ইউনিভার্সিটি অব কেনটাকি। এই প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই উল্লেখযোগ্য হারে যৌন নিপীড়নের ঘটনা নথিবদ্ধ করা হয়েছে।   নিউইয়র্কের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থাও অত্যন্ত হতাশাজনক। কলাম্বিয়া, কর্নেল এবং নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির (এনওয়াইইউ) মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও যৌন সহিংসতার হার ব্যাপক। নিউইয়র্ক রাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, ডেটিং সহিংসতা এবং স্টকিং—সব মিলিয়ে সামগ্রিক হিসাব প্রকাশ করা হয়।   এর মধ্যে ২০২৪ সালে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে ২৬২টি যৌন সহিংসতার অভিযোগ জমা পড়ে, যার মধ্যে ২১টি ছিল ধর্ষণের ঘটনা এবং এর সবগুলোই ঘটেছে আবাসিক হলে। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কলাম্বিয়ায় তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হার সবচেয়ে শোচনীয়। ২৬২টি অভিযোগের মধ্যে মাত্র তিনটির তদন্ত হয়েছে এবং কেবল একটি ঘটনায় অভিযুক্তকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কলাম্বিয়ায় মোট ১ হাজার ২০২টি অভিযোগের মধ্যে মাত্র ৯ শতাংশ তদন্তের মুখ দেখেছে।   অন্যদিকে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে (এনওয়াইইউ) ২২৯টি অভিযোগের মধ্যে ২৮টি তদন্ত ও ১০টিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সানি অ্যালবানি এবং সানি বিংহামটনে যথাক্রমে ২১৭ এবং ১৯৮টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে গত বছর ১৬৬টি যৌন সহিংসতার ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।   সেখানে ১৮টি ঘটনার তদন্ত শেষে তিনজনকে বহিষ্কারসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযুক্ত কয়েকজনকে নিছক প্রবন্ধ লেখার শাস্তি দিয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার সুযোগ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আইনি জটিলতা ও তীব্র তোপের মুখে পড়তে হয়।   গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পাসগুলোতে যৌন অপরাধের অভিযোগ প্রায় পাঁচগুণ বেড়েছে। তবে গবেষকদের মতে, এসব অভিযোগের মধ্যে মাত্র ২ থেকে ১০ শতাংশ ভুয়া হয়ে থাকে। 'থেরাপি নেশন'-এর রচয়িতা ও মনোবিজ্ঞানী জোনাথন আলপার্টের মতে, এই বিশাল সংখ্যাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। এগুলো কেবল নথিভুক্ত অভিযোগ, এর বাইরেও অসংখ্য ঘটনা রয়েছে যা সামাজিক সম্মান, বন্ধু বা পরিচিত গণ্ডি হারানোর ভয়ে কখনোই প্রকাশ পায় না।

ইসতিয়াক আহমেদ অক্টোবর ৩, ২০২৬ ১৪:০ 0
ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে তিন সপ্তাহে চার ধর্ষণ, আতঙ্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি সান মার্কোসে (সিএসইউএসএম) চলতি শরৎ সেমিস্টার শুরুর পর তিন সপ্তাহের মধ্যে ধর্ষণের চারটি অভিযোগের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে টহল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর কথা জানিয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র জেরি ম্যাককরমিকের তথ্য অনুযায়ী, চারটি ঘটনা ঘটেছে ৫, ৬, ১৩ ও ১৮ সেপ্টেম্বর। ঘটনাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবন দ্য কোয়াড, ইউনিভার্সিটি ভিলেজ অ্যাপার্টমেন্টস এবং ব্ল্যাক ওক হলে ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। চারটি ঘটনাই আলাদা এবং তদন্তাধীন রয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনায় ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত ব্যক্তি একে অপরকে চিনতেন বা তাদের মধ্যে পরিচয় ছিল। ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করছে না বিশ্ববিদ্যালয়। গোপনীয়তার কারণে তদন্ত চলাকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।   ঘটনাগুলোর পর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর এক শিক্ষার্থী চেঞ্জ ডট অর্গে একটি আবেদন শুরু করেন। এতে ক্যাম্পাসের পার্কিং এলাকা, দ্য কোয়াড এবং পর্যাপ্ত আলো নেই এমন জায়গায় নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, সে বিষয়ে আরও স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশেরও দাবি জানানো হয়েছে।   আবেদনে ওই শিক্ষার্থী বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনার অধিকার রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা যথেষ্ট সাড়া পাননি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ দাবির বিষয়ে আলাদাভাবে বিস্তারিত মন্তব্য করেছে কি না, তা প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।   বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অবশ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে পুলিশের টহল বাড়ানোর পাশাপাশি আবাসিক এলাকার কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসিডেন্ট এলেন নিউফেল্টও শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস কমিউনিটির উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে শিক্ষা ও সচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানোর কথা বলেছেন।   বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র জেরি ম্যাককরমিক বলেন, যৌন সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ ধরনের ঘটনার জন্য ভুক্তভোগীকে দায়ী করা উচিত নয়। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সম্মতি হতে হবে স্পষ্ট, স্বেচ্ছায় দেওয়া এবং চলমান। শুধু পরিচিতি বা সম্পর্ক থাকার কারণে কারও সম্মতি ধরে নেওয়া যায় না।   বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রতিরোধমূলক শিক্ষা ও সম্মতি বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা ও গোপনীয় পরামর্শের ব্যবস্থাও রয়েছে।   সেমিস্টারের শুরুতে কলেজ ক্যাম্পাসে যৌন সহিংসতার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বাড়তে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম কয়েক সপ্তাহকে অনেক সময় ‘রেড জোন’ বলা হয়। সিএসইউএসএমও জানিয়েছে, শরৎ সেমিস্টারের প্রথম ছয় সপ্তাহকে এ ধরনের ঝুঁকির সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে ওই সময়ের প্রতিটি ঘটনায় একই কারণ বা প্যাটার্ন রয়েছে।   চারটি ঘটনার বিষয়ে তদন্ত এখনো চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের তথ্য জানানো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সিএসইউএসএমের পুলিশ বিভাগও ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন ক্যাম্পাসে দায়িত্ব পালন করে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ৯১১ নম্বরে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   সূত্র: এনবিসি ৭ সান দিয়েগো

মোহাম্মদ ইব্রাহিম সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ১৪:০ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

Top week

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক রাইয়ান আবদুল বাতেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

নভেম্বর ২, ২০২৬ ১৩:০