সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

টেক্সাসে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর অভিবাসন নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নিলেন হিউস্টনের মেয়র

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ২০:৪৬
হিউস্টনের মেয়র জন হুইটমায়ার আইসের সঙ্গে পুলিশের সহযোগিতার নিয়মে পরিবর্তন এনেছেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
হিউস্টনের মেয়র জন হুইটমায়ার আইসের সঙ্গে পুলিশের সহযোগিতার নিয়মে পরিবর্তন এনেছেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টন ও অস্টিন শহরে কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতার নিয়মে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর এই পদক্ষেপ সামনে এসেছে। হিউস্টনের মেয়র জন হুইটমায়ার ইতোমধ্যে পুলিশের জন্য নতুন নির্বাহী নির্দেশনা জারি করেছেন। অন্যদিকে অস্টিনের মেয়র কার্ক ওয়াটসন পুলিশ বিভাগের বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো, শুধু অভিবাসনসংক্রান্ত প্রশাসনিক পরোয়ানা পাওয়া গেলেই যেন স্থানীয় পুলিশ অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা আইসের সঙ্গে যোগাযোগ না করে।

 

গত ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে টেক্সাসের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যব্যাপী নির্বাচনী লড়াইগুলোতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা জয় পান। ডেমোক্র্যাট জেমস তালারিকো রিপাবলিকান কেন প্যাক্সটনকে পরাজিত করে সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন। একই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জিনা হিনোজোসা রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটকে হারিয়ে টেক্সাসের প্রথম লাতিনা গভর্নর নির্বাচিত হন। প্রায় তিন দশক ধরে অঙ্গরাজ্যটির শীর্ষ নির্বাচনী পদগুলোতে রিপাবলিকানদের আধিপত্যের পর এই ফলাফল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে নতুন গভর্নর দায়িত্ব নেবেন আগামী জানুয়ারিতে।

 

হিউস্টনের মেয়র জন হুইটমায়ার শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পুলিশের জন্য নির্বাহী নির্দেশনা জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইসের প্রশাসনিক অভিবাসন পরোয়ানা থাকলেও শুধু সেই কারণে পুলিশ ফেডারেল কর্তৃপক্ষকে জানাবে না। ওই ব্যক্তিকে কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে গ্রেপ্তার করা হলে এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পরোয়ানা থাকলে আইসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। অর্থাৎ সাধারণ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মতো ঘটনায় কাউকে শুধু সতর্ক করা বা জরিমানা দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে আইসকে খবর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে না। হিউস্টন পুলিশপ্রধান জে নোয়ে ডিয়াজও নতুন নির্দেশনার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

 

নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় মেয়র হুইটমায়ার বলেন, কমিউনিটির মানুষের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ কমিয়ে আনা এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু করতেই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। নির্বাচনের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়েও তিনি সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন বলে জানান। তাঁর আশা, হিউস্টনের এই নীতি টেক্সাসের অন্য শহরগুলোর জন্যও অনুসরণযোগ্য হতে পারে। শহরটির প্রশাসক ক্রিস হলিনস সিদ্ধান্তটিকে ইতিবাচক প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানালেও তাঁর মতে, আরও আগেই এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

 

অন্যদিকে অস্টিনের মেয়র কার্ক ওয়াটসন শুক্রবার পুলিশপ্রধান লিসা ডেভিসকে বিভাগের সাধারণ নির্দেশনা সংশোধনের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দিয়েছেন। নতুন গভর্নর জিনা হিনোজোসা আগামী জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর সংশোধিত নীতিমালা কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে। অস্টিনের পুলিশ বিভাগ চলতি বছর এর আগেও আইসের সঙ্গে যোগাযোগের নিয়ম দুইবার পরিবর্তন করেছে। নতুন উদ্যোগের বিষয়ে মেয়র জানিয়েছেন, অঙ্গরাজ্যের নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর স্থানীয় প্রশাসনের নিজস্ব নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে চাপ কমবে বলে তিনি আশা করছেন। শহরের কাউন্সিল সদস্য মাইক সিগেল ও ভ্যানেসা ফুয়েন্তেসও আইসের সঙ্গে স্থানীয় পুলিশের যোগাযোগ আইনসম্মত ন্যূনতম পর্যায়ে সীমিত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

 

টেক্সাসে স্থানীয় পুলিশের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা সীমিত করার ক্ষেত্রে আইনি বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। ২০১৭ সালে প্রণীত সিনেট বিল ৪ বা এসবি-৪ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার ও পুলিশ বিভাগ এমন কোনো নীতি গ্রহণ করতে পারে না, যা ফেডারেল অভিবাসন আইন প্রয়োগে বাধা দেয় বা পুলিশের সহযোগিতা নিষিদ্ধ করে। এ আইনের আওতায় পুলিশকে আইন অনুযায়ী ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হয়। ফলে হিউস্টন ও অস্টিনের নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অঙ্গরাজ্যের আইন মেনে চলতে হবে। হিউস্টনের নতুন নির্দেশনাও আইসের স্বাধীন অভিযান বন্ধ করছে না।

 

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে হিউস্টন সিটি কাউন্সিল পুলিশের সঙ্গে আইসের যোগাযোগসংক্রান্ত একটি নিয়ম পরিবর্তন করেছিল। ওই পরিবর্তনের পর গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট শহরটির প্রায় ১১ কোটি ডলারের জননিরাপত্তা অনুদান আটকে দেওয়ার হুমকি দেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতা সীমিত করার উদ্যোগ এসবি-৪ আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পরে শহর কর্তৃপক্ষ নীতিতে পরিবর্তন এনে পুলিশকে প্রশাসনিক পরোয়ানা পাওয়া গেলে আইসের সঙ্গে যোগাযোগের নির্দেশ দেয়। নতুন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে মেয়র আবারও সেই অবস্থানে পরিবর্তন আনলেন।

 

এদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লরেন বিসি এই ধরনের উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন। নিউজউইককে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, এতে টেক্সাসের মানুষের নিরাপত্তা কমতে পারে এবং অপরাধে জড়িত অভিবাসীদের সুরক্ষার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে স্থানীয় নেতারা বলছেন, সাধারণ অভিবাসনসংক্রান্ত প্রশাসনিক পরোয়ানার কারণে স্থানীয় পুলিশ ও জনগণের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় ভীতি তৈরি হওয়া উচিত নয়। নির্বাচনের পর টেক্সাসের দুই বড় শহরের এই নীতিগত পরিবর্তন দেশটির অভিবাসন প্রয়োগব্যবস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

সংবাদসূত্র: দ্য টেক্সাস ট্রিবিউন, কেটিইউটি অস্টিন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আমেরিকা

View more
ভেটেরানস ডে উপলক্ষে নিউ জার্সির ২৬টি শাখায় বিনামূল্যে গাড়ি পরিষ্কারের সুবিধা দিচ্ছে স্পিডার্স কার ওয়াশ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ভেটেরানস ডে উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির ২৬ স্থানে বিনামূল্যে কার ওয়াশ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে ভেটেরান, বর্তমানে সামরিক বাহিনীতে কর্মরত সদস্য এবং জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য টানা তিন দিন বিনামূল্যে গাড়ি পরিষ্কারের সুযোগ দিচ্ছে স্পিডার্স কার ওয়াশ। আগামী ৯, ১০ ও ১১ নভেম্বর অঙ্গরাজ্যটির ২৬টি শাখায় এই সুবিধা পাওয়া যাবে। ভেটেরানস ডে উপলক্ষে বিশেষ সম্মান জানাতে প্রতিষ্ঠানটি এই উদ্যোগ নিয়েছে। নির্ধারিত তিন দিন শাখাগুলোর নিয়মিত কার্যক্রম চলাকালে যোগ্য ব্যক্তিরা বিনামূল্যে গাড়ি ধোয়ার সুবিধা নিতে পারবেন।   নিউ জার্সিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনজে ডটকমের ৭ নভেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সুবিধা পাবেন সাবেক সামরিক সদস্য বা ভেটেরান, বর্তমানে কর্মরত সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং ফার্স্ট রেসপন্ডাররা। ফার্স্ট রেসপন্ডার বলতে সাধারণত পুলিশ কর্মকর্তা, অগ্নিনির্বাপণকর্মী ও জরুরি চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের বোঝানো হয়। তবে সুবিধা নিতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বৈধ সামরিক পরিচয়পত্র অথবা জরুরি সেবাকর্মী হিসেবে স্বীকৃত পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। পরিচয় যাচাইয়ের পরই বিনামূল্যে গাড়ি পরিষ্কারের সুবিধা দেওয়া হবে।   অঙ্গরাজ্যজুড়ে স্পিডার্সের ২৬টি অংশগ্রহণকারী শাখায় এই আয়োজন চলবে। এর মধ্যে রয়েছে বুড লেক, কার্টারেট, চেরি হিল, চেস্টার, ফেয়ার লন, গ্রিন ব্রুক, হ্যামিল্টন টাউনশিপ, হাসব্রুক হাইটস, হথর্ন, কিয়ার্নি, ল্যানোকা হারবার, লিটল ফেরি, লোডি, মে-উড, মেটুচেন, মিডলটাউন টাউনশিপ, মিলবার্ন, মাউন্টেন লেকস, নিউ ব্রান্সউইক, প্যাটারসন, পেনসকেন, প্লেইনফিল্ড, পিসকাটাওয়ে, স্যাডল ব্রুক ও সাউথ প্লেইনফিল্ড। ফেয়ার লনে দুটি শাখা থাকায় মোট অংশগ্রহণকারী শাখার সংখ্যা ২৬।   স্পিডার্স কার ওয়াশের মূল প্রতিষ্ঠান সামিট ওয়াশ হোল্ডিংসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও প্রেসিডেন্ট কেভিন ম্যাথিউস বলেন, ভেটেরানস ডে দেশের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের অসাধারণ অবদানকে সম্মান জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। একই সঙ্গে প্রতিদিন কমিউনিটির নিরাপত্তায় কাজ করা জরুরি সেবাকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ এটি। তাঁদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতার ছোট একটি প্রকাশ হিসেবেই বিনামূল্যে গাড়ি পরিষ্কারের এই আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।   যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ১১ নভেম্বর ভেটেরানস ডে পালিত হয়। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীতে দায়িত্ব পালন করা সাবেক সদস্যদের সম্মান জানাতে দিনটি পালন করা হয়। এ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভেটেরান ও বর্তমানে কর্মরত সামরিক সদস্যদের জন্য বিনামূল্যে খাবার, সেবা এবং বিশেষ ছাড়ের আয়োজন করে থাকে। এবার নিউ জার্সিতে স্পিডার্সের তিন দিনের উদ্যোগে জরুরি সেবাকর্মীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।   আগ্রহী ব্যক্তিরা ৯, ১০ অথবা ১১ নভেম্বর অংশগ্রহণকারী যেকোনো শাখায় গিয়ে নির্ধারিত পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সুবিধাটি নিতে পারবেন। তবে যাওয়ার আগে নিকটবর্তী শাখার অবস্থান ও কার্যক্রমের সময়সূচি স্পিডার্স কার ওয়াশের ওয়েবসাইটে যাচাই করে নেওয়া ভালো।   সংবাদসূত্র: এনজে ডটকম, দ্য আমেরিকান লিজিয়ন।

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ২১:৮
হিউস্টনের মেয়র জন হুইটমায়ার আইসের সঙ্গে পুলিশের সহযোগিতার নিয়মে পরিবর্তন এনেছেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

টেক্সাসে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর অভিবাসন নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নিলেন হিউস্টনের মেয়র

পিয়ংইয়ংয়ে এক্সচেঞ্জ স্টুডেন্ট হিসেবে পড়াশোনা করতে যাওয়া রুশ তরুণী ডায়ানা কারাবেগোভিচ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

বিদেশে পড়ার সুযোগ পেয়ে উত্তর কোরিয়াকে বেছে নিলেন রুশ তরুণী

আর্থিক সংকটে থাকা মানুষের জন্য বিনামূল্যে পোশাক ও জুতা বিতরণ করছে আরবান কমপ্যাশন প্রজেক্ট। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অসহায়দের বিনামূল্যে নতুন পোশাক দিচ্ছে ‘কমপ্যাশন থ্রেডস’

মাঝআকাশে সংঘর্ষের পর প্যারাস্যুট জড়িয়ে প্রাণ হারান দুই স্কাইডাইভার। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মাঝআকাশে দুই স্কাইডাইভারের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুজনের

ক্যালিফোর্নিয়ায় আকাশ থেকে প্যারাস্যুট নিয়ে নামার সময় মাঝআকাশে সংঘর্ষে দুই নারী স্কাইডাইভারের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। নিহতদের একজন জর্জিয়া জিন (৫৬) প্রায় এক দশক আগে নিজের ব্লগে স্কাইডাইভিংয়ের ভয় ও ঝুঁকি নিয়ে লিখেছিলেন। সেখানে তিনি নিজের ভেতরে এমন একটি আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন, যা দুর্ঘটনার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে নিহত লেভি পিমেনটেল (২৯) ছিলেন অভিজ্ঞ স্কাইডাইভিং প্রশিক্ষক। গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার লেক এলসিনোর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।   যুক্তরাষ্ট্রের রিভারসাইড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় শনিবার নিহত দুই নারীর পরিচয় প্রকাশ করে। জর্জিয়া জিন দক্ষিণ ডাকোটার বক্স এল্ডার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে লেভি পিমেনটেলের বাড়ি ছিল ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের অরোরায়। দুজনই লাইসেন্সধারী এবং অভিজ্ঞ স্কাইডাইভার ছিলেন। তারা নিজেদের এলাকার বাইরে থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি সংগঠিত স্কাইডাইভিং আয়োজনের অংশ নিতে এসেছিলেন। স্কাইডাইভ এলসিনোর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার আগে দুই নারী একসঙ্গে ওই আয়োজনের অংশ হিসেবে আকাশে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।   নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জর্জিয়া জিন ২০১৫ সালে নিজের ব্লগে স্কাইডাইভিং শেখার শুরুর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণে তিনি তিনবার ব্যর্থ হয়েছিলেন। একপর্যায়ে একজন প্রশিক্ষক তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর পক্ষে স্কাইডাইভিং করা সম্ভব নয়। তবে নিজের ভয় কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি এই খেলায় যুক্ত থাকতে সক্ষম হন। ব্লগে তিনি লিখেছিলেন, নিজের শারীরিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে সংশয়ের পাশাপাশি তাঁর মনে এমন একটি আশঙ্কাও কাজ করত, যেন তিনি যেকোনো সময় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারেন। নিজের সেই ভয় বোঝাতে তিনি ‘ডেথউইশ টাইম বম্ব’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছিলেন। দুর্ঘটনার পর পুরোনো লেখাটি সামনে আসায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।   পরবর্তী সময়ে জর্জিয়া জিন প্রতিযোগিতামূলক স্কাইডাইভিংয়েও অংশ নেন। তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ‘ফার্স্ট ফ্রথ’ দলের হয়ে মিক্সড ফরমেশন স্কাইডাইভিং প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন তিনি। অন্যদিকে ২৯ বছর বয়সী লেভি পিমেনটেল ইলিনয়ের আইফ্লাই ন্যাপারভিল প্রতিষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর পেশাগত পরিচিতি অনুযায়ী, আট বছরের বেশি সময় ধরে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নতুনদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শিবিরও পরিচালনা করতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে আশাবাদী মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতেন তিনি।   দুই নারীর মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ছিল বলে নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছরের আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে জর্জিয়া জিন ২০২৭ সালে লেভি পিমেনটেলের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে তাঁরা একই স্কাইডাইভিং আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।   স্কাইডাইভ এলসিনোর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার আগে দুই নারীর আকাশে মুক্তপতন এবং প্যারাস্যুট খোলার প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু মাটিতে অবতরণের প্রস্তুতির সময় ভূমি থেকে প্রায় ১৫০ ফুট বা ৪৬ মিটার ওপরে তাঁদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দুইজনের প্যারাস্যুট পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। এরপর তাঁরা নিচে পড়ে গুরুতর আঘাত পান। জরুরি বিভাগের কর্মীরা তাঁদের উদ্ধার করে ওয়াইল্ডোমারের ইনল্যান্ড ভ্যালি মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনকেই মৃত ঘোষণা করা হয়।   দুর্ঘটনার সময় এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ২০ মাইল পর্যন্ত পৌঁছেছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাতাসের কারণে এই সংঘর্ষ ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। স্কাইডাইভ এলসিনোর জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং দুই নারীর ব্যবহৃত সরঞ্জামেও অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। প্রতিষ্ঠানটি নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে অবহিত করা হয়েছে। সংস্থাটি দুই নারীর ব্যবহৃত প্যারাস্যুট সংগ্রহ করে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করবে বলে জানিয়েছে রিভারসাইড কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়।   সংবাদসূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), নিউইয়র্ক পোস্ট।

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ১৯:৪৯
কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের চালান

টেক্সাসগামী এনভিডিয়ার ১ কোটি ১৪ লাখ ডলার মূল্যের কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের চালান উধাও

ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প

ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প, কর্মকর্তাদের ‘হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগ

বিএনপি নেতা মাকসুদ আটক

বাফেলোতে আইসিইর হাতে বিএনপি নেতা মাকসুদ আটক, মুক্তির চেষ্টা চলছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক শিক্ষার্থী শামীম
উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসা শামীম ব্রুকলিনে গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে সাইকেল চালানোর সময় গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শামীম। বাংলা আওয়ারের ৭ নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁকে কিংস কাউন্টি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাথায় গুরুতর আঘাত ও শরীরের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণের কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতাল থেকে তাঁর সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার স্বাধীন নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।   প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শামীম সাইকেলে করে যাওয়ার সময় একটি গাড়ি তাঁকে ধাক্কা দেয়। চালক আহত অবস্থায় তাঁকে ফেলে ঘটনাস্থল ছেড়ে যান বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনাটি ব্রুকলিনের ঠিক কোথায় ও কখন ঘটেছে, গাড়ি বা চালককে শনাক্ত করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   শামীম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে বাংলা আওয়ার। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার জন্য পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। তাঁর পরিবার বাংলাদেশে রয়েছে। দূরে থাকায় আহত হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা সরাসরি তাঁর পাশে থাকতে পারেননি; তাঁরা শামীমের চিকিৎসার খবর জানার চেষ্টা করছেন।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার পর শামীম তাঁর অ্যাটর্নি ফারহান আরিয়ানকে ফোন করেন। খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে যান। ফারহান আরিয়ানের বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পরিস্থিতি এবং চালকের ঘটনাস্থল ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এর পেছনে বর্ণবিদ্বেষের কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তিনি তুলেছেন। তবে এমন উদ্দেশ্যের পক্ষে পুলিশের তদন্তে কোনো তথ্য পাওয়া গেছে—এমন নিশ্চিত বিবরণ প্রকাশিত হয়নি।   চালকের পরিচয়, ঘটনার কারণ কিংবা সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনো নির্ভরযোগ্য হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়নি। শামীমের চিকিৎসা ও দুর্ঘটনার তদন্তের অগ্রগতিই এখন তাঁর পরিবার ও স্বজনদের প্রধান উদ্বেগ। এই প্রতিবেদনের মূল ঘটনার বিবরণ বাংলা আওয়ারের নামে দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে; মূল প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   সংবাদসূত্র - বাংলা আওয়ার

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ১৭:২১
মেলানিয়া ট্রাম্প

ফস্টার কেয়ারের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ঘোষণা করলেন মেলানিয়া ট্রাম্প, তহবিলে ৭২ লাখ ডলার

মেডিকেয়ার রোগীদের চিকিৎসা

মেডিকেয়ার রোগীদের চিকিৎসা পাওয়া কি আরও কঠিন হচ্ছে? ২০২৭ সালে কমছে চিকিৎসকদের পেমেন্ট

মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে দীর্ঘ লাইনের ঝামেলা কমাতে আসছে মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি

0 Comments